২০০৮ সালে কার্যক্রম শুরু করার পর থেকে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইএসডিবি) গ্রুপের সদস্য ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের (আইটিএফসি) বাণিজ্য অর্থায়ন অনুমোদনের মোট মূল্য ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, এই অর্থায়ন সদস্য দেশগুলোর বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নকে সহায়তা করে, যার এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি স্বল্পোন্নত দেশ এবং বাণিজ্য অর্থায়নে প্রবেশে বাধার সম্মুখীন বাজারের দিকে পরিচালিত হয়েছে।
কোন ধরনের বাণিজ্যিক প্রকল্প এই বিপুল অর্থায়নের সুবিধা পেয়েছে, আর কোন দেশগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছে? এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর নেই, তবে সংস্থাটির কার্যক্রমের ধরন থেকেই বোঝা যায় যে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য প্রবাহ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছে।
আইটিএফসি অর্থায়ন সম্প্রসারণ, বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ এবং রপ্তানিকারকদের সহায়তা করার কাজ করছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই লক্ষ্যে আরব-আফ্রিকা ট্রেড ব্রিজেস এবং এইড ফর ট্রেড ইনিশিয়েটিভ ফর দ্য আরব স্টেটস-এর মতো কর্মসূচি ব্যবহার করা হচ্ছে।
কীভাবে এই কর্মসূচিগুলো সদস্য দেশগুলোর রপ্তানিকারকদের জন্য নতুন বাজার খুলে দিচ্ছে? আরব-আফ্রিকা ট্রেড ব্রিজেসের নাম থেকেই স্পষ্ট, এটি আরব ও আফ্রিকান দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য সংযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ। অন্যদিকে এইড ফর ট্রেড ইনিশিয়েটিভ ফর দ্য আরব স্টেটস আরব দেশগুলোর বাণিজ্য সক্ষমতা উন্নয়নে কাজ করে।
সংস্থাটি কৃষি মূল্য শৃঙ্খল উন্নয়ন এবং পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ সহজ করার উদ্যোগকেও সমর্থন করে। এসপিএ-র তথ্য অনুযায়ী, এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আইটিএফসি আরব অর্গানাইজেশন ফর অ্যাগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্টের সঙ্গে সহযোগিতায় এই সপ্তাহের শুরুতে খার্তুমে একটি বিনিয়োগ ও বাণিজ্য ফোরাম আয়োজন করেছে।
ফোরামটি অগ্রাধিকার পণ্যের মূল্য শৃঙ্খলের ওপর মনোযোগ দিয়েছে। এতে সরকারি সংস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত এবং ক্ষুদ্র উৎপাদকদের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।
খার্তুমে এই ধরনের একটি ফোরাম আয়োজনের তাৎপর্য কী, বিশেষ করে যখন সুদানের অর্থনীতি নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি? এসপিএ জানিয়েছে, দুই দিনের এই ফোরামে অগ্রাধিকার পণ্যে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সুযোগ, অর্থায়ন ও বিপণন চ্যালেঞ্জ এবং ক্ষুদ্র উৎপাদকদের অর্থায়ন ও বাজারে প্রবেশ উন্নত করার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এই আলোচনা সুদানি পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ক্ষুদ্র উৎপাদকদের অর্থায়নে প্রবেশাধিকার বাড়ানো কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? অনেক উন্নয়নশীল দেশে কৃষি ও ক্ষুদ্র উৎপাদন খাত অর্থনীতির মেরুদণ্ড হলেও তাদের ব্যাংক ঋণ বা আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছানোর সুযোগ সীমিত। আইটিএফসি-র এই ধরনের উদ্যোগ সেই ব্যবধান কমাতে কাজ করে।
আইটিএফসি-র মোট অর্থায়নের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি স্বল্পোন্নত দেশ এবং বাণিজ্য অর্থায়নে প্রবেশে বাধার সম্মুখীন বাজারে গেছে। এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই তথ্যটি সংস্থার কার্যক্রম শুরুর পর থেকে ২০০৮ সাল থেকে হিসাব করা হয়েছে।
স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য এই অর্থায়ন কী পরিবর্তন আনতে পারে? বাণিজ্য অর্থায়নের অভাব অনেক সময় রপ্তানিকারকদের অর্ডার পূরণ করতে না দেওয়ার মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আইটিএফসি-র অর্থায়ন সেই বাধা দূর করে তাদের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা করার সুযোগ দেয়।
আইটিএফসি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোর দিকেও কাজ করছে। এসপিএ জানিয়েছে, সংস্থাটি ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ এবং রপ্তানিকারকদের সহায়তা করার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করছে।
বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানো কেন জরুরি? কারণ সরকারি অর্থায়ন একা সব প্রয়োজন মেটাতে পারে না। বেসরকারি বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্ব বাড়লে বাণিজ্য অর্থায়নের পরিধি ও গতি দুটোই বাড়ে।
খার্তুমের ফোরামে অগ্রাধিকার পণ্যের মূল্য শৃঙ্খল নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, ফোরামে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সুযোগ, অর্থায়ন ও বিপণন চ্যালেঞ্জ এবং ক্ষুদ্র উৎপাদকদের অর্থায়ন ও বাজারে প্রবেশ উন্নত করার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়।
মূল্য শৃঙ্খল উন্নয়ন বলতে কী বোঝায়? এটি উৎপাদন থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণ, পরিবহন, বিপণন ও রপ্তানি পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াকে আরও দক্ষ ও লাভজনক করা বোঝায়। ক্ষুদ্র উৎপাদকরা এই শৃঙ্খলে যুক্ত হলে তাদের আয় ও বাজার সুযোগ দুটোই বাড়ে।
আইটিএফসি-র এই উদ্যোগগুলো কেবল সুদানেই সীমাবদ্ধ নয়। এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংস্থাটি সদস্য দেশগুলোর বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করে যাচ্ছে। আরব-আফ্রিকা ট্রেড ব্রিজেস এবং এইড ফর ট্রেড ইনিশিয়েটিভ ফর দ্য আরব স্টেটস-এর মতো কর্মসূচি একাধিক দেশে বিস্তৃত।
এই আঞ্চলিক কর্মসূচিগুলো কীভাবে আন্তঃআরব বাণিজ্য বাড়াতে পারে? আরব দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য এখনো সম্ভাবনার তুলনায় কম। এই ধরনের কর্মসূচি শুল্ক, পরিবহন ও অর্থায়ন সংক্রান্ত বাধা কমিয়ে বাণিজ্য প্রবাহ বাড়াতে সহায়তা করে।
আইটিএফসি-র অর্থায়ন অনুমোদন ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়ানো একটি বড় অর্জন হলেও এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই অর্থায়নের খাতভিত্তিক বিভাজন, দেশভিত্তিক বণ্টন বা আগামী দিনের লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।
আরব অর্গানাইজেশন ফর অ্যাগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্টের সঙ্গে খার্তুমের ফোরামটি দুই দিনের ছিল এবং এতে সরকারি সংস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত ও ক্ষুদ্র উৎপাদকদের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এসপিএ জানিয়েছে, ফোরামটি সুদানি পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করবে।
আইটিএফসি-র এই ধরনের উদ্যোগ সদস্য দেশগুলোর কৃষি ও বাণিজ্য খাতে কী দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে? এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর নেই, তবে সংস্থার ঘোষিত লক্ষ্য হলো সদস্য দেশগুলোর বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নকে সহায়তা করা।
২০০৮ সাল থেকে আজ পর্যন্ত ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বাণিজ্য অর্থায়ন অনুমোদন করা মানে বছরে গড়ে কয়েক বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন। এসপিএ-র তথ্য অনুযায়ী, এর এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি স্বল্পোন্নত দেশ ও বাণিজ্য অর্থায়নে প্রবেশে বাধার সম্মুখীন বাজারে গেছে।
এই অর্থায়ন কীভাবে সদস্য দেশগুলোর রপ্তানি বাড়াতে সাহায্য করছে? বাণিজ্য অর্থায়ন রপ্তানিকারকদের অর্ডার পূরণ, কাঁচামাল সংগ্রহ ও আন্তর্জাতিক ক্রেতার সঙ্গে লেনদেন সহজ করে। আইটিএফসি-র ক্ষেত্রে এই সহায়তা ইসলামি অর্থায়ন নীতির ভিত্তিতে পরিচালিত হয়।
আইটিএফসি ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ এবং রপ্তানিকারকদের সহায়তা করার পাশাপাশি কৃষি মূল্য শৃঙ্খল উন্নয়নেও কাজ করছে। এসপিএ জানিয়েছে, সংস্থাটি পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ সহজ করার উদ্যোগকেও সমর্থন করে।
সুদানের ক্ষেত্রে এই উদ্যোগের তাৎপর্য বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক। খার্তুমে আয়োজিত ফোরামে সুদানি পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফোরামে ক্ষুদ্র উৎপাদকদের অর্থায়ন ও বাজারে প্রবেশ উন্নত করার প্রক্রিয়াও পর্যালোচনা করা হয়।
আইটিএফসি-র এই কার্যক্রম ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক গ্রুপের বৃহত্তর লক্ষ্যের অংশ। এসপিএ জানিয়েছে, সংস্থাটি সদস্য দেশগুলোর বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করে। ২০০৮ সাল থেকে এই ধারাবাহিক কার্যক্রমের ফলেই বাণিজ্য অর্থায়ন অনুমোদনের মোট মূল্য ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।
আরব-আফ্রিকা ট্রেড ব্রিজেস ও এইড ফর ট্রেড ইনিশিয়েটিভ ফর দ্য আরব স্টেটস-এর মতো কর্মসূচি ভবিষ্যতে কীভাবে আরও বিস্তৃত হতে পারে? এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা বা লক্ষ্যমাত্রা উল্লেখ করা হয়নি।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২৭ অক্টোবর ২০২৬-এ জেদ্দা থেকে জানিয়েছে, আইটিএফসি-র বাণিজ্য অর্থায়ন অনুমোদনের মোট মূল্য ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। প্রতিবেদনে এই অর্থায়নের সুবিধাভোগী দেশ, খাত বা প্রকল্পের বিস্তারিত তালিকা দেওয়া হয়নি।
আইটিএফসি-র বাণিজ্য অর্থায়ন অনুমোদন কত ছাড়িয়েছে এবং কবে থেকে এই হিসাব? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের (আইটিএফসি) বাণিজ্য অর্থায়ন অনুমোদনের মোট মূল্য ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। এই হিসাব ২০০৮ সাল থেকে, যখন সংস্থাটি কার্যক্রম শুরু করে। আইটিএফসি ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইএসডিবি) গ্রুপের সদস্য। অর্থায়ন সদস্য দেশগুলোর বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করে।
এই অর্থায়নের কত অংশ স্বল্পোন্নত দেশে গেছে? এসপিএ জানিয়েছে, আইটিএফসি-র মোট বাণিজ্য অর্থায়নের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি স্বল্পোন্নত দেশ এবং বাণিজ্য অর্থায়নে প্রবেশে বাধার সম্মুখীন বাজারের দিকে পরিচালিত হয়েছে। এই তথ্য ২০০৮ সাল থেকে সংস্থার কার্যক্রম শুরুর পর থেকে হিসাব করা হয়েছে। প্রতিবেদনে কোন দেশগুলো এই অর্থায়ন পেয়েছে তার বিস্তারিত তালিকা দেওয়া হয়নি।
আইটিএফসি কোন কর্মসূচির মাধ্যমে সহায়তা দিচ্ছে? এসপিএ জানিয়েছে, আইটিএফসি অর্থায়ন সম্প্রসারণ, বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ এবং রপ্তানিকারকদের সহায়তা করছে। এই লক্ষ্যে আরব-আফ্রিকা ট্রেড ব্রিজেস এবং এইড ফর ট্রেড ইনিশিয়েটিভ ফর দ্য আরব স্টেটস-এর মতো কর্মসূচি ব্যবহার করা হচ্ছে। সংস্থাটি কৃষি মূল্য শৃঙ্খল উন্নয়ন এবং পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ সহজ করার উদ্যোগও সমর্থন করে।
খার্তুমের ফোরামে কী আলোচনা হয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, আইটিএফসি আরব অর্গানাইজেশন ফর অ্যাগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্টের সঙ্গে সহযোগিতায় এই সপ্তাহের শুরুতে খার্তুমে একটি বিনিয়োগ ও বাণিজ্য ফোরাম আয়োজন করেছে। দুই দিনের এই ফোরামে অগ্রাধিকার পণ্যে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সুযোগ, অর্থায়ন ও বিপণন চ্যালেঞ্জ এবং ক্ষুদ্র উৎপাদকদের অর্থায়ন ও বাজারে প্রবেশ উন্নত করার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
ফোরামে কারা অংশ নিয়েছেন এবং এর লক্ষ্য কী? এসপিএ জানিয়েছে, খার্তুমের দুই দিনের ফোরামে সরকারি সংস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত এবং ক্ষুদ্র উৎপাদকদের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। ফোরামটি অগ্রাধিকার পণ্যের মূল্য শৃঙ্খলে মনোযোগ দিয়েছে এবং সুদানি পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
আইটিএফসি-র অর্থায়ন কীভাবে সদস্য দেশগুলোর বাণিজ্যে সহায়তা করে? এসপিএ জানিয়েছে, আইটিএফসি-র অর্থায়ন সদস্য দেশগুলোর বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করে। সংস্থাটি ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ এবং রপ্তানিকারকদের সহায়তা করার পাশাপাশি কৃষি মূল্য শৃঙ্খল উন্নয়ন এবং পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ সহজ করার উদ্যোগ সমর্থন করে। প্রতিবেদনে এই অর্থায়নের খাতভিত্তিক বা দেশভিত্তিক বিস্তারিত বিভাজন দেওয়া হয়নি।





