Friday, October 30, 2026
অর্থনীতি

ব্রুনাই দারুসসালাম ও আইএসডিবি গ্রুপের প্রথম কান্ট্রি এনগেজমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক চালু

ব্রুনাই দারুসসালাম ও আইএসডিবি গ্রুপের প্রথম কান্ট্রি এনগেজমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক চালু

জেদ্দায় ব্রুনাই দারুসসালাম সরকার ও ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইএসডিবি) গ্রুপ ২০২৬-২০২৮ সময়ের জন্য আইএসডিবি গ্রুপ–ব্রুনাই দারুসসালাম কান্ট্রি এনগেজমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক চালু করেছে, যা দুই পক্ষের মধ্যে প্রথম কৌশলগত কান্ট্রি ফ্রেমওয়ার্ক।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৬ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই ফ্রেমওয়ার্ক ব্রুনাই দারুসসালাম ও আইএসডিবি গ্রুপের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বে নতুন অধ্যায় শুরু করেছে এবং অভিন্ন উন্নয়ন অগ্রাধিকারকে বাস্তব উদ্যোগে রূপ দিতে একটি কাঠামোবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইএসডিবি গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আল জাসের বলেছেন, “আজ আমরা কেবল একটি কৌশলগত দলিল চালু করছি না। আমরা আমাদের অংশীদারিত্বের একটি নতুন পর্ব শুরু করছি। এই ফ্রেমওয়ার্ক অভিন্ন অগ্রাধিকারকে কর্মের অভিন্ন এজেন্ডায় রূপান্তরিত করে—ব্রুনাই দারুসসালামের জাতীয় উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে আইএসডিবি গ্রুপের দক্ষতা, সম্পদ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত করে।”

যৌথ স্টিয়ারিং কমিটি ও তিনটি ওয়ার্কিং গ্রুপের মাধ্যমে দুই পক্ষ ২০২৮ সাল পর্যন্ত উপযুক্ত প্রকল্প ও উদ্যোগ চিহ্নিত করে এগিয়ে নেবে, যেখানে আইএসডিবি গ্রুপের জ্ঞান, অর্থায়ন উপকরণ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা কাজে লাগানো হবে।

তাহলে এই ফ্রেমওয়ার্ককে কেন প্রথম কান্ট্রি এনগেজমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক বলা হচ্ছে, এবং এর মাধ্যমে দুই পক্ষের সম্পর্কে কী বদল আসবে?

এসপিএ জানিয়েছে, ফ্রেমওয়ার্কটি ২০২৬ থেকে ২০২৮ সময়কালের জন্য নির্ধারিত। এর লক্ষ্য হলো অভিন্ন উন্নয়ন অগ্রাধিকারকে সুনির্দিষ্ট উদ্যোগে অনুবাদ করা। এর জন্য একটি যৌথ স্টিয়ারিং কমিটি এবং তিনটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের কথা বলা হয়েছে। এই কাঠামোর মধ্য দিয়েই ২০২৮ সাল পর্যন্ত উপযুক্ত প্রকল্প ও উদ্যোগ চিহ্নিত করা হবে এবং এগিয়ে নেওয়া হবে।

আইএসডিবি গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আল জাসেরের বক্তব্য অনুযায়ী, এই দলিল কেবল কাগজে থাকার জন্য নয়; এটি অংশীদারিত্বের একটি নতুন পর্বের সূচনা। তিনি বলেন, ফ্রেমওয়ার্কটি অভিন্ন অগ্রাধিকারকে কর্মের অভিন্ন এজেন্ডায় রূপান্তরিত করে। এর মাধ্যমে ব্রুনাই দারুসসালামের জাতীয় উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং আইএসডিবি গ্রুপের দক্ষতা, সম্পদ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সংযোগ তৈরি হয়।

প্রশ্ন হলো, এই সংযোগ বাস্তবে কেমন হবে এবং কোন ধরনের প্রকল্প প্রথমে আসবে?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই পক্ষ আইএসডিবি গ্রুপের জ্ঞান, অর্থায়ন উপকরণ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে প্রকল্প ও উদ্যোগ চিহ্নিত করবে। অর্থাৎ ফ্রেমওয়ার্কের বাস্তবায়নে আইএসডিবি গ্রুপের সম্পদ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা থাকবে। তবে প্রতিবেদনে কোন নির্দিষ্ট খাত, প্রকল্পের নাম, অর্থায়নের পরিমাণ বা সময়সূচি উল্লেখ করা হয়নি।

এসপিএ আরও জানিয়েছে, ফ্রেমওয়ার্কটি ব্রুনাই দারুসসালাম ও আইএসডিবি গ্রুপের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বের ধারাবাহিকতায় নতুন অধ্যায়। এটি অভিন্ন উন্নয়ন অগ্রাধিকারকে বাস্তব উদ্যোগে রূপ দিতে একটি কাঠামোবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে।

তাহলে এই কাঠামোবদ্ধ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অংশীদারিত্ব আগের তুলনায় কীভাবে আলাদা হবে?

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ড. মুহাম্মদ আল জাসের আরও বলেন, “আজ আমরা কেবল একটি কৌশলগত দলিল চালু করছি না। আমরা আমাদের অংশীদারিত্বের একটি নতুন পর্ব শুরু করছি।” এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, দুই পক্ষের সম্পর্ক এখন দলিল থেকে কর্মপরিকল্পনায় রূপ নিচ্ছে। ফ্রেমওয়ার্কের অধীনে যৌথ স্টিয়ারিং কমিটি ও তিনটি ওয়ার্কিং গ্রুপ ২০২৮ সাল পর্যন্ত কাজ করবে।

প্রশ্ন হলো, যৌথ স্টিয়ারিং কমিটি ও তিনটি ওয়ার্কিং গ্রুপের গঠন ও কার্যপদ্ধতি কেমন হবে?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। শুধু জানানো হয়েছে, এই দুই কাঠামোর মাধ্যমে প্রকল্প ও উদ্যোগ চিহ্নিত ও এগিয়ে নেওয়া হবে। ফ্রেমওয়ার্কের মেয়াদ ২০২৬ থেকে ২০২৮।

এসপিএ জানিয়েছে, ফ্রেমওয়ার্কটি চালু হয়েছে জেদ্দায়। তারিখ ৬ অক্টোবর ২০২৬। স্থানীয় সময় ১৬:২৮ এবং জিএমটি ১৩:২৮।

তাহলে জেদ্দায় এই উদ্বোধনের তাৎপর্য কী, এবং কেন এটি দুই পক্ষের জন্য প্রথম কান্ট্রি ফ্রেমওয়ার্ক?

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এটি দুই পক্ষের মধ্যে প্রথম কৌশলগত কান্ট্রি ফ্রেমওয়ার্ক। এর মাধ্যমে ব্রুনাই দারুসসালাম ও আইএসডিবি গ্রুপের অংশীদারিত্ব নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। ফ্রেমওয়ার্কের নাম আইএসডিবি গ্রুপ–ব্রুনাই দারুসসালাম কান্ট্রি এনগেজমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক ২০২৬–২০২৮।

ড. মুহাম্মদ আল জাসেরের ভাষায়, এই ফ্রেমওয়ার্ক “ব্রুনাই দারুসসালামের জাতীয় উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে আইএসডিবি গ্রুপের দক্ষতা, সম্পদ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত করে।”

প্রশ্ন হলো, এই সংযোগ থেকে ব্রুনাই দারুসসালাম কীভাবে উপকৃত হবে?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট কোনো সুফল বা ফলাফলের কথা বলা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, দুই পক্ষ ২০২৮ সাল পর্যন্ত উপযুক্ত প্রকল্প ও উদ্যোগ চিহ্নিত করে এগিয়ে নেবে। এর জন্য আইএসডিবি গ্রুপের জ্ঞান, অর্থায়ন উপকরণ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ব্যবহার করা হবে।

এসপিএ জানিয়েছে, ফ্রেমওয়ার্কটি অভিন্ন উন্নয়ন অগ্রাধিকারকে বাস্তব উদ্যোগে রূপ দিতে একটি কাঠামোবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। এটি দুই পক্ষের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বে নতুন অধ্যায় শুরু করেছে।

তাহলে এই নতুন অধ্যায়ে কোন ধরনের উন্নয়ন অগ্রাধিকার থাকবে, এবং সেগুলো কে নির্ধারণ করবে?

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যৌথ স্টিয়ারিং কমিটি ও তিনটি ওয়ার্কিং গ্রুপ উপযুক্ত প্রকল্প ও উদ্যোগ চিহ্নিত করবে। তবে কোন অগ্রাধিকার খাত বা প্রকল্প তা স্পষ্ট করা হয়নি।

ড. মুহাম্মদ আল জাসের বলেন, “এই ফ্রেমওয়ার্ক অভিন্ন অগ্রাধিকারকে কর্মের অভিন্ন এজেন্ডায় রূপান্তরিত করে।”

প্রশ্ন হলো, কর্মের অভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়নে সময়সীমা কতটুকু বাধ্যতামূলক?

এসপিএ জানিয়েছে, ফ্রেমওয়ার্ক ২০২৮ সাল পর্যন্ত প্রকল্প ও উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়ার কথা বলে। এর বাইরে কোনো সময়সূচি বা মাইলফলক প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ফ্রেমওয়ার্কটি চালু করেছে ব্রুনাই দারুসসালাম সরকার ও আইএসডিবি গ্রুপ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইএসডিবি গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আল জাসের বক্তব্য দেন।

তাহলে এই ফ্রেমওয়ার্ক কি আইএসডিবি গ্রুপের অন্য সদস্য দেশগুলোর জন্যও একটি মডেল হতে পারে?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে এ বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। শুধু জানানো হয়েছে, এটি দুই পক্ষের মধ্যে প্রথম কৌশলগত কান্ট্রি ফ্রেমওয়ার্ক।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্রেমওয়ার্কের মাধ্যমে দুই পক্ষ ২০২৮ সাল পর্যন্ত উপযুক্ত প্রকল্প ও উদ্যোগ চিহ্নিত করে এগিয়ে নেবে। এর জন্য আইএসডিবি গ্রুপের জ্ঞান, অর্থায়ন উপকরণ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ব্যবহার করা হবে।

প্রশ্ন হলো, এই ফ্রেমওয়ার্কের অধীনে অর্থায়ন কীভাবে হবে এবং কে অর্থায়ন করবে?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে অর্থায়নের পরিমাণ, উৎস বা প্রক্রিয়া সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, আইএসডিবি গ্রুপের অর্থায়ন উপকরণ ব্যবহার করা হবে।

ড. মুহাম্মদ আল জাসেরের বক্তব্য অনুযায়ী, ফ্রেমওয়ার্কটি “ব্রুনাই দারুসসালামের জাতীয় উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে আইএসডিবি গ্রুপের দক্ষতা, সম্পদ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত করে।”

তাহলে এই সংযোগের ফলে কোন প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি কাজ করবে?

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যৌথ স্টিয়ারিং কমিটি ও তিনটি ওয়ার্কিং গ্রুপ কাজ করবে। এছাড়া আইএসডিবি গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোর কথা উল্লেখ আছে। তবে কোন প্রতিষ্ঠান কী ভূমিকা রাখবে তা বিস্তারিত বলা হয়নি।

এসপিএ জানিয়েছে, ফ্রেমওয়ার্কটি চালু হয়েছে ৬ অক্টোবর ২০২৬-এ জেদ্দায়। স্থানীয় সময় ১৬:২৮, জিএমটি ১৩:২৮।

প্রশ্ন হলো, এই ফ্রেমওয়ার্কের সাফল্য পরিমাপ করা হবে কীভাবে?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে সাফল্যের সূচক বা মূল্যায়নের পদ্ধতি সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। শুধু জানানো হয়েছে, ২০২৮ সাল পর্যন্ত প্রকল্প ও উদ্যোগ চিহ্নিত ও এগিয়ে নেওয়া হবে।

ড. মুহাম্মদ আল জাসের বলেন, “আজ আমরা কেবল একটি কৌশলগত দলিল চালু করছি না। আমরা আমাদের অংশীদারিত্বের একটি নতুন পর্ব শুরু করছি।”

তাহলে এই নতুন পর্বে দুই পক্ষের সম্পর্ক কীভাবে আরও গভীর হবে?

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্রেমওয়ার্কটি অভিন্ন উন্নয়ন অগ্রাধিকারকে বাস্তব উদ্যোগে রূপ দিতে একটি কাঠামোবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। এটি ব্রুনাই দারুসসালাম ও আইএসডিবি গ্রুপের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বে নতুন অধ্যায় শুরু করেছে।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে ফ্রেমওয়ার্কের নির্দিষ্ট খাত, প্রকল্পের নাম, অর্থায়নের পরিমাণ, সময়সূচি বা সাফল্যের সূচক উল্লেখ করা হয়নি। শুধু জানানো হয়েছে, যৌথ স্টিয়ারিং কমিটি ও তিনটি ওয়ার্কিং গ্রুপ ২০২৮ সাল পর্যন্ত উপযুক্ত প্রকল্প ও উদ্যোগ চিহ্নিত করে এগিয়ে নেবে।

আইএসডিবি গ্রুপ–ব্রুনাই দারুসসালাম কান্ট্রি এনগেজমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক কী? এটি ২০২৬ থেকে ২০২৮ সময়ের জন্য দুই পক্ষের মধ্যে প্রথম কৌশলগত কান্ট্রি ফ্রেমওয়ার্ক। এসপিএ জানিয়েছে, এটি ব্রুনাই দারুসসালাম ও আইএসডিবি গ্রুপের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বে নতুন অধ্যায় শুরু করেছে এবং অভিন্ন উন্নয়ন অগ্রাধিকারকে বাস্তব উদ্যোগে রূপ দিতে কাঠামোবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে।

ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় কোন কাঠামো কাজ করবে? এসপিএ জানিয়েছে, একটি যৌথ স্টিয়ারিং কমিটি ও তিনটি ওয়ার্কিং গ্রুপ ২০২৮ সাল পর্যন্ত উপযুক্ত প্রকল্প ও উদ্যোগ চিহ্নিত করে এগিয়ে নেবে। এতে আইএসডিবি গ্রুপের জ্ঞান, অর্থায়ন উপকরণ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ব্যবহার করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কে বক্তব্য দিয়েছেন এবং কী বলেছেন? আইএসডিবি গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আল জাসের বলেছেন, “আজ আমরা কেবল একটি কৌশলগত দলিল চালু করছি না। আমরা আমাদের অংশীদারিত্বের একটি নতুন পর্ব শুরু করছি।” তিনি বলেন, ফ্রেমওয়ার্কটি অভিন্ন অগ্রাধিকারকে কর্মের অভিন্ন এজেন্ডায় রূপান্তরিত করে।

ফ্রেমওয়ার্কটি কোথায় ও কখন চালু হয়? এসপিএ জানিয়েছে, ফ্রেমওয়ার্কটি ৬ অক্টোবর ২০২৬-এ জেদ্দায় চালু হয়। স্থানীয় সময় ছিল ১৬:২৮ এবং জিএমটি ১৩:২৮।

ফ্রেমওয়ার্কের মেয়াদ কত এবং এর লক্ষ্য কী? ফ্রেমওয়ার্কের মেয়াদ ২০২৬ থেকে ২০২৮। এসপিএ জানিয়েছে, এর লক্ষ্য অভিন্ন উন্নয়ন অগ্রাধিকারকে বাস্তব উদ্যোগে রূপ দেওয়া এবং দুই পক্ষের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বে নতুন অধ্যায় শুরু করা।