Friday, October 30, 2026
অর্থনীতি

আরামকো সিইও: জ্বালানি খাতের সক্ষমতা বাড়াতে সম্মিলিত দায়িত্ব প্রয়োজন

আরামকো সিইও: জ্বালানি খাতের সক্ষমতা বাড়াতে সম্মিলিত দায়িত্ব প্রয়োজন

ঢাহরান থেকে ৬ অক্টোবর ২০২৬-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, তেল সরবরাহকারী ও ক্রেতাদের মধ্যে আরও বেশি সমন্বয় ও ঐকমত্য প্রয়োজন, যাতে ভূরাজনৈতিক ধাক্কা সামলে জ্বালানি খাতের সক্ষমতা বাড়ানো যায়।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, আরামকোর প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমিন এইচ. নাসের এই মন্তব্য করেন যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অনুষ্ঠিত এনার্জি ইন্টেলিজেন্স ফোরাম ২০২৬-এ তার ভাষণে। সেখানে তিনি জ্বালানি নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় তেল ও গ্যাসের ধারাবাহিক গুরুত্ব তুলে ধরেন।

আঞ্চলিক ব্যাঘাতের প্রভাব নিয়ে তিনি বলেন, হরমুজ সম্পূর্ণভাবে পুনরায় খুলে না যাওয়া এবং আস্থা ফিরে না আসা পর্যন্ত ব্যারেলের দুই প্রান্তেই চাপ বাড়বে। তিনি আরও বলেন, তারপরও চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি মজুত পুনরায় পূরণ করতে দুই বছর পর্যন্ত লাগতে পারে।

বিশ্ব অর্থনীতিতে তেল ও গ্যাসের ভূমিকা প্রসঙ্গে নাসের বলেন, তেল ও গ্যাস কেবল বিনিময়যোগ্য পণ্য নয়, এগুলো আধুনিক সভ্যতার জীবনীশক্তি।

তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান ভূরাজনৈতিক সংকট এবং অ্যালুমিনিয়াম, সালফার, হিলিয়াম ও পেট্রোকেমিক্যালের মতো প্রয়োজনীয় উপকরণের ঘাটতির মধ্যে সৌর, বায়ু ও বৈদ্যুতিক যানও এর প্রভাব থেকে মুক্ত নয়।

নাসের বলেন, মধ্যপ্রাচ্য বিশ্বের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিশ্বের প্রমাণিত তেলের অর্ধেক এই অঞ্চলে অবস্থিত এবং বাজারের ভারসাম্য রক্ষায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখা বেশিরভাগ অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতাও এখানে রয়েছে।

তিনি যোগ করেন, অন্যান্য সম্পদভিত্তি পরিণত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এবং নতুন সম্পদ খুঁজে পাওয়া কঠিন ও অর্থনৈতিকভাবে কম প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠলে এই অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্ব আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরামকোর উচ্চ পর্যায়ের সক্ষমতা প্রসঙ্গে নাসের বলেন, কোম্পানির সক্ষমতা একটি বিশাল ও জটিল জিগস পাজলের মতো, কোনো একক সম্পদ বা সামর্থ্য নয়।

তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে আরামকোর কৌশলগত মজুত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা, একাধিক অপরিশোধিত তেলের গ্রেড, দেশীয় গ্যাস মজুত, বাহরির মাধ্যমে ট্যাংকার বহর এবং একটি শক্তিশালী অবকাঠামো এই সক্ষমতার অংশ।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, নাসের এসব মন্তব্য করেন লন্ডনে অনুষ্ঠিত এনার্জি ইন্টেলিজেন্স ফোরাম ২০২৬-এ। ফোরামে তিনি জ্বালানি নিরাপত্তা, সরবরাহ শৃঙ্খল এবং বাজার স্থিতিশীলতা নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত দায়িত্বের ওপর জোর দেন।

তিনি বলেন, ভূরাজনৈতিক ধাক্কা সামলাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, তেল সরবরাহকারী ও ক্রেতাদের মধ্যে সমন্বয় ও ঐকমত্য বাড়ানো প্রয়োজন। এই সমন্বয় ছাড়া বাজারে অস্থিরতা বাড়তে পারে এবং সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

নাসেরের ভাষণে উঠে আসে, আঞ্চলিক ব্যাঘাত শুধু অপরিশোধিত তেল সরবরাহেই প্রভাব ফেলে না, বরং অ্যালুমিনিয়াম, সালফার, হিলিয়াম ও পেট্রোকেমিক্যালের মতো প্রয়োজনীয় উপকরণের ঘাটতিও তৈরি করে। এই ঘাটতি বিকল্প জ্বালানি প্রযুক্তির সরবরাহ শৃঙ্খলেও প্রভাব ফেলে।

তিনি বলেন, সৌর, বায়ু ও বৈদ্যুতিক যান এই প্রভাব থেকে মুক্ত নয়। কারণ এসব প্রযুক্তির উৎপাদন ও সরবরাহও একই বৈশ্বিক শৃঙ্খলের ওপর নির্ভরশীল।

মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্ব প্রসঙ্গে নাসের বলেন, বিশ্বের প্রমাণিত তেলের অর্ধেক এই অঞ্চলে অবস্থিত। এছাড়া বাজারের ভারসাম্য রক্ষায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখা বেশিরভাগ অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতাও এখানে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অন্যান্য সম্পদভিত্তি পরিণত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এবং নতুন সম্পদ খুঁজে পাওয়া কঠিন ও অর্থনৈতিকভাবে কম প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠলে এই অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্ব আরও বাড়বে।

আরামকোর সক্ষমতা প্রসঙ্গে নাসের বলেন, কোম্পানির সক্ষমতা একটি বিশাল ও জটিল জিগস পাজলের মতো। এটি কোনো একক সম্পদ বা সামর্থ্য নয়, বরং বহু উপাদানের সমন্বয়।

তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে আরামকোর কৌশলগত মজুত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণিত হয়েছে। এই মজুত সরবরাহ সংকটের সময় বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সহায়তা করে।

নাসের উল্লেখ করেন, আরামকোর অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা, একাধিক অপরিশোধিত তেলের গ্রেড, দেশীয় গ্যাস মজুত, বাহরির মাধ্যমে ট্যাংকার বহর এবং একটি শক্তিশালী অবকাঠামো এই সক্ষমতার অংশ।

তিনি বলেন, এই উপাদানগুলো একসঙ্গে কাজ করে কোম্পানিকে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম করে তোলে।

নাসেরের ভাষণে জ্বালানি নিরাপত্তার প্রশ্নটি কেন্দ্রীয় হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, তেল ও গ্যাস কেবল বিনিময়যোগ্য পণ্য নয়, এগুলো আধুনিক সভ্যতার জীবনীশক্তি।

তিনি বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা শুধু সরবরাহের বিষয় নয়, বরং অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক স্থিতিশীলতার সঙ্গেও জড়িত।

হরমুজ প্রসঙ্গে নাসের বলেন, হরমুজ সম্পূর্ণভাবে পুনরায় খুলে না যাওয়া এবং আস্থা ফিরে না আসা পর্যন্ত ব্যারেলের দুই প্রান্তেই চাপ বাড়বে।

তিনি আরও বলেন, তারপরও চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি মজুত পুনরায় পূরণ করতে দুই বছর পর্যন্ত লাগতে পারে।

এই মন্তব্য সরবরাহ শৃঙ্খলে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের দিকটি তুলে ধরে।

নাসের বলেন, বর্তমান ভূরাজনৈতিক সংকট এবং প্রয়োজনীয় উপকরণের ঘাটতির মধ্যে বিকল্প জ্বালানি প্রযুক্তিও চ্যালেঞ্জের মুখে।

তিনি বলেন, সৌর, বায়ু ও বৈদ্যুতিক যান এই প্রভাব থেকে মুক্ত নয়।

তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্ব ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। কারণ নতুন সম্পদ খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে উঠছে এবং তা অর্থনৈতিকভাবে কম প্রতিযোগিতামূলক হয়ে পড়ছে।

নাসের বলেন, এই অঞ্চল বিশ্বের প্রমাণিত তেলের অর্ধেক ধারণ করে এবং বাজারের ভারসাম্য রক্ষায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখা বেশিরভাগ অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতাও এখানে রয়েছে।

আরামকোর সক্ষমতা নিয়ে নাসের বলেন, এটি একটি বিশাল ও জটিল জিগস পাজলের মতো।

তিনি বলেন, কোম্পানির কৌশলগত মজুত, অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা, একাধিক অপরিশোধিত তেলের গ্রেড, দেশীয় গ্যাস মজুত, বাহরির মাধ্যমে ট্যাংকার বহর এবং শক্তিশালী অবকাঠামো এই সক্ষমতার অংশ।

নাসেরের ভাষণে সম্মিলিত দায়িত্বের আহ্বান স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, তেল সরবরাহকারী ও ক্রেতাদের মধ্যে সমন্বয় ও ঐকমত্য বাড়ানো প্রয়োজন।

এই সমন্বয় ছাড়া ভূরাজনৈতিক ধাক্কা সামলানো এবং জ্বালানি খাতের সক্ষমতা বাড়ানো কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, নাসের এসব মন্তব্য করেন লন্ডনে অনুষ্ঠিত এনার্জি ইন্টেলিজেন্স ফোরাম ২০২৬-এ।

প্রতিবেদনে আরামকোর সক্ষমতার বিস্তারিত উপাদানগুলোর কথা বলা হলেও ভবিষ্যতের নির্দিষ্ট পরিকল্পনা, বিনিয়োগের পরিমাণ বা সময়সীমা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

নাসের কী বলেছেন হরমুজ প্রসঙ্গে? নাসের বলেন, হরমুজ সম্পূর্ণভাবে পুনরায় খুলে না যাওয়া এবং আস্থা ফিরে না আসা পর্যন্ত ব্যারেলের দুই প্রান্তেই চাপ বাড়বে। তিনি আরও বলেন, তারপরও চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি মজুত পুনরায় পূরণ করতে দুই বছর পর্যন্ত লাগতে পারে। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি লন্ডনে এনার্জি ইন্টেলিজেন্স ফোরাম ২০২৬-এ এই মন্তব্য করেন।

তেল ও গ্যাসের ভূমিকা নিয়ে তিনি কী বলেছেন? নাসের বলেন, তেল ও গ্যাস কেবল বিনিময়যোগ্য পণ্য নয়, এগুলো আধুনিক সভ্যতার জীবনীশক্তি। তিনি জ্বালানি নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় তেল ও গ্যাসের ধারাবাহিক গুরুত্ব তুলে ধরেন। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি লন্ডনে এনার্জি ইন্টেলিজেন্স ফোরাম ২০২৬-এ এই মন্তব্য করেন।

বিকল্প জ্বালানি প্রযুক্তি নিয়ে তিনি কী বলেছেন? নাসের বলেন, বর্তমান ভূরাজনৈতিক সংকট এবং অ্যালুমিনিয়াম, সালফার, হিলিয়াম ও পেট্রোকেমিক্যালের মতো প্রয়োজনীয় উপকরণের ঘাটতির মধ্যে সৌর, বায়ু ও বৈদ্যুতিক যানও এর প্রভাব থেকে মুক্ত নয়। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি লন্ডনে এনার্জি ইন্টেলিজেন্স ফোরাম ২০২৬-এ এই মন্তব্য করেন।

মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্ব নিয়ে তিনি কী বলেছেন? নাসের বলেন, মধ্যপ্রাচ্য বিশ্বের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিশ্বের প্রমাণিত তেলের অর্ধেক এই অঞ্চলে অবস্থিত এবং বাজারের ভারসাম্য রক্ষায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখা বেশিরভাগ অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতাও এখানে রয়েছে। তিনি যোগ করেন, অন্যান্য সম্পদভিত্তি পরিণত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্ব আরও বাড়বে।

আরামকোর সক্ষমতা নিয়ে তিনি কী বলেছেন? নাসের বলেন, আরামকোর সক্ষমতা একটি বিশাল ও জটিল জিগস পাজলের মতো, কোনো একক সম্পদ বা সামর্থ্য নয়। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে কোম্পানির কৌশলগত মজুত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা, একাধিক অপরিশোধিত তেলের গ্রেড, দেশীয় গ্যাস মজুত, বাহরির মাধ্যমে ট্যাংকার বহর এবং একটি শক্তিশালী অবকাঠামো এই সক্ষমতার অংশ।

তিনি কোন সম্মিলিত দায়িত্বের কথা বলেছেন? নাসের আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, তেল সরবরাহকারী ও ক্রেতাদের মধ্যে আরও বেশি সমন্বয় ও ঐকমত্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, এই সমন্বয় ছাড়া ভূরাজনৈতিক ধাক্কা সামলানো এবং জ্বালানি খাতের সক্ষমতা বাড়ানো কঠিন হয়ে উঠতে পারে। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি লন্ডনে এনার্জি ইন্টেলিজেন্স ফোরাম ২০২৬-এ এই মন্তব্য করেন।