Saturday, October 31, 2026
অর্থনীতি

জিসিসি আর্থিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা কমিটির ১২৬তম বৈঠকে সৌদি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে অর্থমন্ত্রী আলজাদান

জিসিসি আর্থিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা কমিটির ১২৬তম বৈঠকে সৌদি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে অর্থমন্ত্রী আলজাদান

অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আলজাদান সৌদি আরবের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছেন বাহরাইনে অনুষ্ঠিত উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) আর্থিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা কমিটির ১২৬তম বৈঠকে। বৈঠকটি ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বাহরাইন রাজ্যে অনুষ্ঠিত হয়।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাহরাইন রাজ্যের অর্থ ও জাতীয় অর্থনীতি মন্ত্রী শেখ সালমান আল খলিফা। এতে জিসিসি দেশগুলোর অর্থমন্ত্রী এবং জিসিসি মহাসচিব অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকটি আয়োজনের স্থান বাহরাইন এবং সময় ১ অক্টোবর ২০২৬—এই দুই তথ্য সৌদি প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণের প্রেক্ষাপট স্পষ্ট করে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাহরাইনের অর্থ ও জাতীয় অর্থনীতি মন্ত্রী শেখ সালমান আল খলিফা, আর অংশগ্রহণকারীদের তালিকায় ছিলেন জিসিসি দেশগুলোর অর্থমন্ত্রী এবং জিসিসি মহাসচিব। সৌদি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আলজাদান।

বৈঠকে মন্ত্রীরা আর্থিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার সঙ্গে সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি বিষয় পর্যালোচনা করেন। এর মধ্যে রয়েছে জিসিসি কাস্টমস ইউনিয়নে অর্জিত অগ্রগতি এবং উপসাগরীয় সাধারণ বাজারের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত সাময়িক প্রতিবেদন গ্রহণ। মন্ত্রীরা আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং জিসিসি দেশগুলোর ওপর তার সম্ভাব্য প্রভাব নিয়েও আলোচনা করেন। পাশাপাশি এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যৌথ সমন্বয় জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।

এসপিএ জানিয়েছে, অর্থমন্ত্রী আলজাদান জিসিসি দেশগুলোর অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভার যৌথ বৈঠকেও অংশগ্রহণ করেন। ওই বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা আইএমএফের একটি গবেষণাপত্র নিয়ে আলোচনা করেন, যার শিরোনাম ছিল “Economic Prospects and Policy Challenges: Enhancing Economic Resilience to Geopolitical Shocks”।

জিসিসি কাস্টমস ইউনিয়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা মানে কী? কাস্টমস ইউনিয়ন হলো উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে পণ্য চলাচলে শুল্ক সংক্রান্ত বাধা কমিয়ে আনার একটি কাঠামো। বৈঠকে এই কাঠামোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় সাধারণ বাজারের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত সাময়িক প্রতিবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। এই দুই বিষয় একসঙ্গে আলোচনার অর্থ হলো, জিসিসি দেশগুলো আর্থিক ও অর্থনৈতিক সংহতির বিভিন্ন স্তরে অগ্রগতি পর্যালোচনা করছে।

উপসাগরীয় সাধারণ বাজারের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত সাময়িক প্রতিবেদন গ্রহণ করা কেন গুরুত্বপূর্ণ? সাধারণ বাজার জিসিসি দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সংহতির একটি কেন্দ্রীয় উপাদান। সাময়িক প্রতিবেদন গ্রহণের মাধ্যমে সদস্য দেশগুলো এই বাজারের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যালোচনার প্রক্রিয়ায় থাকে। বৈঠকে এই প্রতিবেদন গ্রহণ করা হয়েছে বলে এসপিএ জানিয়েছে।

বৈঠকে আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং জিসিসি দেশগুলোর ওপর তার সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, মন্ত্রীরা এসব উন্নয়ন মোকাবিলায় যৌথ সমন্বয় জোরদার করার উপায় নিয়েও আলোচনা করেন। আঞ্চলিক উন্নয়নের প্রভাব বলতে কী বোঝানো হয়েছে, তা এসপিএ বিস্তারিত উল্লেখ করেনি। তবে বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে এই বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

আইএমএফ ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যৌথ বৈঠকে অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নররা অংশ নেন। এই বৈঠকে আলোচিত গবেষণাপত্রের শিরোনাম ছিল “Economic Prospects and Policy Challenges: Enhancing Economic Resilience to Geopolitical Shocks”। শিরোনামটি ভূরাজনৈতিক ধাক্কা মোকাবিলায় অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয় নির্দেশ করে। এসপিএ গবেষণাপত্রের বিস্তারিত বিষয়বস্তু প্রকাশ করেনি।

সৌদি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়া অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আলজাদান জিসিসি কাঠামোর মধ্যে আর্থিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংক্রান্ত আলোচনায় সৌদি আরবের অবস্থান তুলে ধরেন। বৈঠকে সৌদি আরব ছাড়াও জিসিসি দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন বাহরাইনের অর্থ ও জাতীয় অর্থনীতি মন্ত্রী শেখ সালমান আল খলিফা।

জিসিসি মহাসচিবও বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। এসপিএ মহাসচিবের নাম উল্লেখ করেনি। বৈঠকের তারিখ হিসেবে এসপিএ ১ অক্টোবর ২০২৬ উল্লেখ করেছে, আর প্রতিবেদনের তারিখ হিসেবে রিয়াদ থেকে ২ অক্টোবর ২০২৬ উল্লেখ করা হয়েছে।

বৈঠকে আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল জিসিসি কাস্টমস ইউনিয়নে অর্জিত অগ্রগতি। কাস্টমস ইউনিয়ন সংক্রান্ত অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। এর পাশাপাশি উপসাগরীয় সাধারণ বাজারের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত সাময়িক প্রতিবেদন গ্রহণ করা হয়। এই দুই বিষয় জিসিসির অর্থনৈতিক সংহতির মূল স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত হয়।

আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং তার সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, মন্ত্রীরা যৌথ সমন্বয় জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। কোন কোন আঞ্চলিক উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে, তা এসপিএ স্পষ্ট করেনি। তবে বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে বিষয়টি ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আইএমএফের সঙ্গে যৌথ বৈঠকে আলোচিত গবেষণাপত্রের শিরোনাম থেকে বোঝা যায়, ভূরাজনৈতিক ধাক্কা মোকাবিলায় অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় ছিল। বৈঠকে জিসিসি দেশগুলোর অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নররা অংশ নেন। আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা উপস্থিত ছিলেন।

সৌদি আরবের অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আলজাদান দুই বৈঠকেই অংশগ্রহণ করেন—জিসিসি আর্থিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা কমিটির ১২৬তম বৈঠক এবং জিসিসি অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরদের সঙ্গে আইএমএফ ব্যবস্থাপনা পরিচালকের যৌথ বৈঠক।

বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন বাহরাইনের অর্থ ও জাতীয় অর্থনীতি মন্ত্রী শেখ সালমান আল খলিফা। জিসিসি দেশগুলোর অর্থমন্ত্রী এবং জিসিসি মহাসচিব বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। এসপিএ প্রতিবেদনে বৈঠকের সিদ্ধান্ত বা সুপারিশ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

জিসিসি কাস্টমস ইউনিয়ন এবং উপসাগরীয় সাধারণ বাজার—এই দুই বিষয় জিসিসির অর্থনৈতিক সংহতির প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকে এই দুই বিষয়ের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়েছে। কাস্টমস ইউনিয়নের অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি সাধারণ বাজারের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত সাময়িক প্রতিবেদন গ্রহণ করা হয়েছে।

আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং জিসিসি দেশগুলোর ওপর তার সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রীরা যৌথ সমন্বয় জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। এসপিএ কোন আঞ্চলিক উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে তা উল্লেখ করেনি।

আইএমএফের গবেষণাপত্রের শিরোনাম ছিল “Economic Prospects and Policy Challenges: Enhancing Economic Resilience to Geopolitical Shocks”। এই গবেষণাপত্র নিয়ে জিসিসি অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নররা আলোচনা করেন। আইএমএফ ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকটি ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বাহরাইন রাজ্যে অনুষ্ঠিত হয়। সৌদি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আলজাদান। এসপিএ রিয়াদ থেকে ২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে।

এসপিএ প্রতিবেদনে বৈঠকের আলোচ্যসূচির বাইরে অতিরিক্ত কোনো তথ্য দেয়নি। বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত, সুপারিশ বা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। জিসিসি মহাসচিবের নামও এসপিএ উল্লেখ করেনি।

জিসিসি আর্থিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা কমিটির ১২৬তম বৈঠক কবে, কোথায় অনুষ্ঠিত হয়? বৈঠকটি ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বাহরাইন রাজ্যে অনুষ্ঠিত হয়। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাহরাইন রাজ্যের অর্থ ও জাতীয় অর্থনীতি মন্ত্রী শেখ সালমান আল খলিফা। বৈঠকে জিসিসি দেশগুলোর অর্থমন্ত্রী এবং জিসিসি মহাসচিব অংশগ্রহণ করেন। সৌদি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আলজাদান।

সৌদি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে কে ছিলেন এবং বৈঠকে কারা অংশ নেন? সৌদি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আলজাদান। এসপিএ জানিয়েছে, বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাহরাইনের অর্থ ও জাতীয় অর্থনীতি মন্ত্রী শেখ সালমান আল খলিফা। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন জিসিসি দেশগুলোর অর্থমন্ত্রী এবং জিসিসি মহাসচিব। এসপিএ মহাসচিবের নাম উল্লেখ করেনি।

বৈঠকে কোন কোন বিষয় পর্যালোচনা করা হয়? মন্ত্রীরা আর্থিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার সঙ্গে সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি বিষয় পর্যালোচনা করেন। এর মধ্যে রয়েছে জিসিসি কাস্টমস ইউনিয়নে অর্জিত অগ্রগতি এবং উপসাগরীয় সাধারণ বাজারের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত সাময়িক প্রতিবেদন গ্রহণ। এছাড়া আঞ্চলিক উন্নয়ন ও তার সম্ভাব্য প্রভাব এবং যৌথ সমন্বয় জোরদার করার উপায় নিয়েও আলোচনা হয়।

আইএমএফ ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যৌথ বৈঠকে কী আলোচনা হয়? অর্থমন্ত্রী আলজাদান জিসিসি দেশগুলোর অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরদের সঙ্গে আইএমএফ ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভার যৌথ বৈঠকে অংশ নেন। এসপিএ জানিয়েছে, অংশগ্রহণকারীরা আইএমএফের একটি গবেষণাপত্র নিয়ে আলোচনা করেন, যার শিরোনাম “Economic Prospects and Policy Challenges: Enhancing Economic Resilience to Geopolitical Shocks”। গবেষণাপত্রের বিস্তারিত বিষয়বস্তু এসপিএ প্রকাশ করেনি।

জিসিসি কাস্টমস ইউনিয়ন ও সাধারণ বাজার প্রসঙ্গে বৈঠকে কী হয়েছে? বৈঠকে জিসিসি কাস্টমস ইউনিয়নে অর্জিত অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি উপসাগরীয় সাধারণ বাজারের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত সাময়িক প্রতিবেদন গ্রহণ করা হয়। এসপিএ জানিয়েছে, মন্ত্রীরা আর্থিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার সংক্রান্ত বিষয়গুলো পর্যালোচনা করেন। বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বা সুপারিশ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

বৈঠক সম্পর্কে এসপিএ কী তথ্য দেয়নি? এসপিএ প্রতিবেদনে জিসিসি মহাসচিবের নাম উল্লেখ করা হয়নি। বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত, সুপারিশ বা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। আঞ্চলিক উন্নয়ন বলতে কোন বিষয়গুলো বোঝানো হয়েছে, তাও স্পষ্ট করা হয়নি। আইএমএফ গবেষণাপত্রের বিস্তারিত বিষয়বস্তুও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।