Sunday, November 1, 2026
সংস্কৃতি

সৌদি ফ্যালকন ও শিকার প্রদর্শনী ২০২৬ পরিদর্শন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সৌদি ফ্যালকন ও শিকার প্রদর্শনী ২০২৬ পরিদর্শন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রিয়াদের মালহামে অবস্থিত রিয়াদ এক্সহিবিশন অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত আন্তর্জাতিক সৌদি ফ্যালকন ও শিকার প্রদর্শনী ২০২৬ পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফ্যালকনস-এর বোর্ড অব ডিরেক্টরসের চেয়ারম্যান প্রিন্স আবদুলআজিজ বিন সাউদ বিন নাইফ বিন আবদুলআজিজ।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, মন্ত্রী প্রদর্শনীটি ঘুরে দেখেন এবং এর প্যাভিলিয়ন, জোন, অভিজ্ঞতা ও আয়োজন পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা, কোম্পানি এবং ব্র্যান্ডগুলোর পণ্যও তিনি দেখেন।

প্রদর্শনীটি ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফ্যালকনস আয়োজন করেছে। মন্ত্রীর সফরে ফ্যালকন, ফ্যালকনরি, শিকার, ভ্রমণ ও অ্যাডভেঞ্চার-সংশ্লিষ্ট কয়েকটি এলাকা অন্তর্ভুক্ত ছিল। এসপিএ জানিয়েছে, এবারের প্রদর্শনীতে দর্শনার্থীদের জন্য বিষয়বস্তু আরও বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময় করা হয়েছে।

মন্ত্রী অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আনুষঙ্গিক সামগ্রীর এলাকাটিও পরিদর্শন করেন। এসপিএ জানিয়েছে, এটি রাজ্যে প্রথম ও একমাত্র এই ধরনের এলাকা। এতে শিকার ও শ্যুটিং অস্ত্র, এয়ার গান এবং সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামে বিশেষজ্ঞ কোম্পানিগুলো রয়েছে। এই এলাকায় ১৮১টিরও বেশি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিত্বকারী ৫,০০০-এর বেশি পণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে।

প্রদর্শনীটি ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফ্যালকনস-এর ফ্যালকনরি ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও উন্নয়নের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আয়োজিত হচ্ছে। এসপিএ জানিয়েছে, এর লক্ষ্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জ্ঞান ও মূল্যবোধ হস্তান্তর করা এবং ফ্যালকনার ও আগ্রহীদের জন্য আন্তর্জাতিক গন্তব্য হিসেবে রাজ্যের অবস্থান শক্তিশালী করা।

এছাড়া এই আয়োজন ফ্যালকন, শিকার ও ভ্রমণ-সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে সহায়তা করে এবং এসব ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ ও বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ায় বলে এসপিএ জানিয়েছে।

ফ্যালকনরি শুধু একটি শিকার পদ্ধতি নয়, আরব উপদ্বীপের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বেদুইন সমাজে ফ্যালকন পোষার রীতি চলে আসছে। এই ঐতিহ্যকে ঘিরে গড়ে উঠেছে বিশেষ জ্ঞান, প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, সরঞ্জাম ও সামাজিক রীতিনীতি। সেই ঐতিহ্যকে আধুনিক প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজটিই ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফ্যালকনস-এর অন্যতম দায়িত্ব।

প্রদর্শনীটির আয়োজনস্থল রিয়াদ এক্সহিবিশন অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টার। মালহামে অবস্থিত এই কেন্দ্র বড় আন্তর্জাতিক আয়োজনের জন্য পরিচিত। প্রদর্শনীর প্যাভিলিয়ন, জোন ও অভিজ্ঞতাগুলো দর্শনার্থীদের জন্য সাজানো হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এবার বিষয়বস্তু বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময় করা হয়েছে।

অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আনুষঙ্গিক সামগ্রীর এলাকাটি প্রদর্শনীর অন্যতম আকর্ষণ। এসপিএ জানিয়েছে, এটি রাজ্যে প্রথম ও একমাত্র এই ধরনের এলাকা। শিকার ও শ্যুটিং অস্ত্র, এয়ার গান এবং সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামে বিশেষজ্ঞ কোম্পানিগুলো এখানে অংশ নিয়েছে। ১৮১টিরও বেশি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিত্বকারী ৫,০০০-এর বেশি পণ্য এখানে প্রদর্শিত হচ্ছে।

প্রদর্শনীতে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা, কোম্পানি এবং ব্র্যান্ডগুলো অংশ নিয়েছে। মন্ত্রী তাদের পণ্য পরিদর্শন করেন। ফ্যালকন, ফ্যালকনরি, শিকার, ভ্রমণ ও অ্যাডভেঞ্চার-সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলো ছাড়াও সাংস্কৃতিক, শিক্ষামূলক ও বিনোদনমূলক অভিজ্ঞতাও প্রদর্শনীতে রয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এসব অভিজ্ঞতা দর্শনার্থীদের জন্য সাজানো হয়েছে।

একটি প্রদর্শনী কেবল পণ্য দেখানোর জায়গা নয়, এটি জ্ঞান বিনিময়েরও মঞ্চ। ফ্যালকনরি-সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম, প্রশিক্ষণ পদ্ধতি ও অভিজ্ঞতা এক জায়গায় এলে অংশগ্রহণকারীরা একে অপরের থেকে শিখতে পারেন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এই জ্ঞান পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যের সঙ্গে এমন বিনিময় ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।

অর্থনৈতিক দিক থেকেও এই আয়োজনের তাৎপর্য রয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীটি ফ্যালকন, শিকার ও ভ্রমণ-সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে সহায়তা করে। এসব ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ ও বিনিয়োগের সুযোগও বাড়ায়। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর উপস্থিতি সেই সুযোগকে বাস্তব রূপ দেয়।

ফ্যালকনার ও আগ্রহীদের জন্য আন্তর্জাতিক গন্তব্য হিসেবে রাজ্যের অবস্থান শক্তিশালী করাও এই আয়োজনের লক্ষ্য। এসপিএ জানিয়েছে, ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফ্যালকনস সেই লক্ষ্যে কাজ করছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফ্যালকনার ও সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীরা এই ধরনের আয়োজনে অংশ নেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পরিদর্শন প্রদর্শনীর বিভিন্ন দিককে একসঙ্গে তুলে ধরে। তিনি প্যাভিলিয়ন, জোন, অভিজ্ঞতা ও আয়োজন দেখেন। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পণ্যও তিনি পরিদর্শন করেন। এসপিএ জানিয়েছে, তাঁর সফরে ফ্যালকন, ফ্যালকনরি, শিকার, ভ্রমণ ও অ্যাডভেঞ্চার-সংশ্লিষ্ট এলাকা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

প্রদর্শনীর সাংস্কৃতিক, শিক্ষামূলক ও বিনোদনমূলক অভিজ্ঞতাগুলো দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষভাবে সাজানো হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এবারের আয়োজনে বিষয়বস্তু বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময়। এই তিন ধরনের অভিজ্ঞতা একসঙ্গে থাকায় প্রদর্শনীটি কেবল বাণিজ্যিক মঞ্চ নয়, বরং পরিবার ও তরুণদের জন্যও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।

ঐতিহ্য সংরক্ষণের প্রশ্নে ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফ্যালকনস-এর ভূমিকা স্পষ্ট। এসপিএ জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি ফ্যালকনরি ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও উন্নয়নের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। সেই সঙ্গে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জ্ঞান ও মূল্যবোধ হস্তান্তরের কাজও চলছে। প্রদর্শনী সেই প্রচেষ্টার একটি প্রকাশ।

অস্ত্র ও গোলাবারুদ এলাকার অন্তর্ভুক্ত কোম্পানিগুলো শিকার ও শ্যুটিং অস্ত্র, এয়ার গান এবং সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামে বিশেষজ্ঞ। এসপিএ জানিয়েছে, এই এলাকাটি রাজ্যে প্রথম ও একমাত্র। ১৮১টিরও বেশি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের ৫,০০০-এর বেশি পণ্য এখানে রয়েছে। এই সংখ্যাগুলো আয়োজনের পরিসর সম্পর্কে ধারণা দেয়।

প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা, কোম্পানি এবং ব্র্যান্ডগুলোর উপস্থিতি আয়োজনের আন্তর্জাতিক চরিত্র তুলে ধরে। এসপিএ জানিয়েছে, মন্ত্রী তাদের পণ্য পরিদর্শন করেন। ফ্যালকন ও শিকার-সংশ্লিষ্ট পণ্যের পাশাপাশি ভ্রমণ ও অ্যাডভেঞ্চার-সংশ্লিষ্ট সামগ্রীও এখানে প্রদর্শিত হচ্ছে।

ভ্রমণ ও অ্যাডভেঞ্চার-সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলো ফ্যালকনরি ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক পর্যটন আগ্রহকে যুক্ত করে। এসপিএ জানিয়েছে, মন্ত্রীর সফরে এই এলাকাগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল। শিকার ও ফ্যালকনরি ঘিরে গড়ে ওঠা ভ্রমণ কার্যক্রম অর্থনৈতিক কার্যক্রমের একটি অংশ, যা প্রদর্শনীটি সহায়তা করে।

শিক্ষামূলক দিকটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনী ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জ্ঞান ও মূল্যবোধ হস্তান্তরের লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত হচ্ছে। তরুণ প্রজন্মের কাছে ফ্যালকনরি ঐতিহ্যের পরিচয় পৌঁছে দেওয়া সেই লক্ষ্যের কেন্দ্রে রয়েছে। প্রদর্শনীর শিক্ষামূলক অভিজ্ঞতাগুলো সেই কাজে ভূমিকা রাখে।

বিনোদনমূলক অভিজ্ঞতাগুলো দর্শনার্থীদের আকর্ষণ বাড়ায়। এসপিএ জানিয়েছে, এবারের আয়োজনে বিষয়বস্তু বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময়। সাংস্কৃতিক, শিক্ষামূলক ও বিনোদনমূলক—এই তিন ধরনের অভিজ্ঞতা একসঙ্গে থাকায় প্রদর্শনীটি বিভিন্ন বয়সের দর্শনার্থীর জন্য উন্মুক্ত।

বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণও এই আয়োজনের একটি লক্ষ্য। এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীটি ফ্যালকন, শিকার ও ভ্রমণ-সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ ও বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ায়। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর উপস্থিতি সেই সুযোগকে দৃশ্যমান করে তোলে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই পরিদর্শন আয়োজনের গুরুত্বের একটি ইঙ্গিত। তিনি একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফ্যালকনস-এর বোর্ড অব ডিরেক্টরসের চেয়ারম্যান। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি প্রদর্শনীর প্যাভিলিয়ন, জোন, অভিজ্ঞতা ও আয়োজন পরিদর্শন করেন।

প্রদর্শনীর আয়োজনস্থল রিয়াদ এক্সহিবিশন অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টার মালহামে অবস্থিত। এসপিএ জানিয়েছে, ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফ্যালকনস এই প্রদর্শনীর আয়োজক। প্রদর্শনীর নাম আন্তর্জাতিক সৌদি ফ্যালকন ও শিকার প্রদর্শনী ২০২৬।

এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীটি ফ্যালকনরি ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও উন্নয়নের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জ্ঞান ও মূল্যবোধ হস্তান্তরের লক্ষ্য পূরণে কাজ করছে। সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক গন্তব্য হিসেবে রাজ্যের অবস্থান শক্তিশালী করার লক্ষ্যও রয়েছে। অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে সহায়তা ও বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণও এর অন্তর্ভুক্ত।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে প্রদর্শনীর সঠিক তারিখ, সময়সূচি বা কত দিন ধরে আয়োজনটি চলবে তা উল্লেখ করা হয়নি। অংশগ্রহণকারী কোম্পানির সংখ্যা বা দর্শনার্থীর সংখ্যাও প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি। মন্ত্রীর সফরের সময় কারা উপস্থিত ছিলেন বা কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে কি না, সে বিষয়েও প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি।

আন্তর্জাতিক সৌদি ফ্যালকন ও শিকার প্রদর্শনী ২০২৬ কোথায় আয়োজিত হচ্ছে? প্রদর্শনীটি রিয়াদের মালহামে অবস্থিত রিয়াদ এক্সহিবিশন অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত হচ্ছে। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, আয়োজক ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফ্যালকনস। প্রদর্শনীটি ফ্যালকনরি ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত হচ্ছে।

প্রদর্শনীতে কে পরিদর্শন করেছেন এবং তিনি কী কী দেখেছেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফ্যালকনস-এর বোর্ড অব ডিরেক্টরসের চেয়ারম্যান প্রিন্স আবদুলআজিজ বিন সাউদ বিন নাইফ বিন আবদুলআজিজ প্রদর্শনী পরিদর্শন করেছেন। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি প্যাভিলিয়ন, জোন, অভিজ্ঞতা ও আয়োজন দেখেন এবং অংশগ্রহণকারী স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা, কোম্পানি ও ব্র্যান্ডের পণ্য পরিদর্শন করেন।

অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আনুষঙ্গিক সামগ্রীর এলাকায় কী রয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, এটি রাজ্যে প্রথম ও একমাত্র এই ধরনের এলাকা। এতে শিকার ও শ্যুটিং অস্ত্র, এয়ার গান এবং সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামে বিশেষজ্ঞ কোম্পানিগুলো রয়েছে। এই এলাকায় ১৮১টিরও বেশি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিত্বকারী ৫,০০০-এর বেশি পণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে।

প্রদর্শনী আয়োজনের লক্ষ্য কী? এসপিএ জানিয়েছে, ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফ্যালকনস ফ্যালকনরি ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও উন্নয়নের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জ্ঞান ও মূল্যবোধ হস্তান্তরের লক্ষ্যে এই প্রদর্শনী আয়োজন করছে। ফ্যালকনার ও আগ্রহীদের জন্য আন্তর্জাতিক গন্তব্য হিসেবে রাজ্যের অবস্থান শক্তিশালী করাও এর লক্ষ্য।

প্রদর্শনী অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কী ভূমিকা রাখে? এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীটি ফ্যালকন, শিকার ও ভ্রমণ-সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে সহায়তা করে এবং এসব ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ ও বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ায়। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর উপস্থিতি সেই সুযোগকে বাস্তব রূপ দেয়।

এবারের প্রদর্শনীতে দর্শনার্থীদের জন্য কী বিশেষ রয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, এবারের প্রদর্শনীতে দর্শনার্থীদের জন্য বিষয়বস্তু বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময় করা হয়েছে। ফ্যালকন, ফ্যালকনরি, শিকার, ভ্রমণ ও অ্যাডভেঞ্চার-সংশ্লিষ্ট এলাকার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক, শিক্ষামূলক ও বিনোদনমূলক অভিজ্ঞতাও প্রদর্শনীতে রয়েছে।