Monday, November 2, 2026
সৌদি সংবাদ

সৌদি যুবরাজের পক্ষে রয়্যাল ভাষণে শূরা কাউন্সিলের নবম অধিবেশনের তৃতীয় বছর উদ্বোধন

সৌদি যুবরাজের পক্ষে রয়্যাল ভাষণে শূরা কাউন্সিলের নবম অধিবেশনের তৃতীয় বছর উদ্বোধন

রিয়াদ, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের পক্ষে সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মহামান্য প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদ বুধবার বার্ষিক রয়্যাল ভাষণ দেবেন, যা শূরা কাউন্সিলের নবম অধিবেশনের তৃতীয় বছরের উদ্বোধন উপলক্ষে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, এই ভাষণ কাউন্সিলের নবম অধিবেশনের তৃতীয় বছরের সূচনা চিহ্নিত করবে এবং রাষ্ট্রের দিকনির্দেশনা ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ করবে।

এ উপলক্ষে শূরা কাউন্সিলের স্পিকার শেখ ড. আবদুল্লাহ বিন মোহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল আল-শেখ নিজের ও কাউন্সিলের কর্মকর্তা ও সদস্যদের পক্ষ থেকে দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক ও যুবরাজের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা প্রকাশ করেছেন কাউন্সিলকে দেওয়া উদার সমর্থন ও যত্নের জন্য।

তিনি যুবরাজের কাউন্সিলে উপস্থিত থেকে দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষকের পক্ষে বার্ষিক রয়্যাল ভাষণ দেওয়ায় গভীর গর্ব প্রকাশ করেন এবং বলেন, এই উপলক্ষ নেতৃত্বের কাউন্সিল ও জাতীয় কাজের প্রক্রিয়ায় তার ভূমিকার প্রতি মনোযোগের প্রতিফলন।

শূরা কাউন্সিলের স্পিকার বলেন, “বার্ষিক রয়্যাল ভাষণ একটি জাতীয় রেফারেন্স, যা কাউন্সিলকে তার মিশন পালনে ও জাতি ও নাগরিকদের সেবায় পথ দেখায়, কারণ এটি রাষ্ট্রের দিকনির্দেশনা ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে।”

তিনি উল্লেখ করেন, বছরের পর বছর ধরে ভাষণটি একটি প্রতিষ্ঠিত মর্যাদা অর্জন করেছে একটি ব্যাপক জাতীয় দলিল হিসেবে, যা সৌদি আরবের নীতি ও দিকনির্দেশনা পর্যালোচনা করে, এর দ্রুত উন্নয়ন ও রূপান্তরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলে এবং আইন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিতে কাউন্সিলের কাজকে পথ দেখায়, যা সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ আকাঙ্ক্ষা অর্জনে অবদান রাখে।

তিনি আরও ইঙ্গিত করেন, নবম অধিবেশনের দ্বিতীয় বছরে কাউন্সিল তার আইন প্রণয়ন ও তদারকি কার্যাবলি চালিয়ে যায়, ৪৬টি অধিবেশন করে যেখানে ৫৫৫টি সিদ্ধান্ত জারি করা হয়, যেগুলো সরকারি সংস্থাগুলোর বার্ষিক প্রতিবেদন, আইন ও বিধিমালা নিয়ে আলোচনা করে।

এসপিএ আরও জানিয়েছে, এই ভাষণ শূরা কাউন্সিলের নবম অধিবেশনের তৃতীয় বছরের সূচনা উপলক্ষে দেওয়া হচ্ছে।

কাউন্সিলের স্পিকার বলেন, ভাষণটি কাউন্সিলের মিশন পালনে ও জাতি ও নাগরিকদের সেবায় পথ দেখায়।

তিনি বলেন, ভাষণটি রাষ্ট্রের দিকনির্দেশনা ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে।

তিনি আরও বলেন, ভাষণটি একটি ব্যাপক জাতীয় দলিল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত মর্যাদা অর্জন করেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ভাষণটি সৌদি আরবের নীতি ও দিকনির্দেশনা পর্যালোচনা করে এবং দ্রুত উন্নয়ন ও রূপান্তরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলে।

তিনি বলেন, ভাষণটি আইন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিতে কাউন্সিলের কাজকে পথ দেখায়।

তিনি আরও বলেন, ভাষণটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ আকাঙ্ক্ষা অর্জনে অবদান রাখে।

এসপিএ জানিয়েছে, নবম অধিবেশনের দ্বিতীয় বছরে কাউন্সিল ৪৬টি অধিবেশন করেছে এবং ৫৫৫টি সিদ্ধান্ত জারি করেছে।

এই সিদ্ধান্তগুলো সরকারি সংস্থাগুলোর বার্ষিক প্রতিবেদন, আইন ও বিধিমালা নিয়ে আলোচনা করে।

এসপিএ আরও জানিয়েছে, ভাষণটি বুধবার দেওয়া হবে।

ভাষণটি দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষকের পক্ষে দেওয়া হবে।

ভাষণটি শূরা কাউন্সিলের নবম অধিবেশনের তৃতীয় বছরের উদ্বোধন উপলক্ষে।

এসপিএ জানিয়েছে, শূরা কাউন্সিলের স্পিকার শেখ ড. আবদুল্লাহ বিন মোহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল আল-শেখ নিজের ও কাউন্সিলের কর্মকর্তা ও সদস্যদের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

তিনি দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক ও যুবরাজের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা প্রকাশ করেছেন কাউন্সিলকে দেওয়া উদার সমর্থন ও যত্নের জন্য।

তিনি যুবরাজের কাউন্সিলে উপস্থিত থেকে ভাষণ দেওয়ায় গভীর গর্ব প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, এই উপলক্ষ নেতৃত্বের কাউন্সিল ও জাতীয় কাজের প্রক্রিয়ায় তার ভূমিকার প্রতি মনোযোগের প্রতিফলন।

এসপিএ জানিয়েছে, ভাষণটি একটি জাতীয় রেফারেন্স।

ভাষণটি কাউন্সিলকে তার মিশন পালনে ও জাতি ও নাগরিকদের সেবায় পথ দেখায়।

ভাষণটি রাষ্ট্রের দিকনির্দেশনা ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে।

ভাষণটি একটি ব্যাপক জাতীয় দলিল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত মর্যাদা অর্জন করেছে।

ভাষণটি সৌদি আরবের নীতি ও দিকনির্দেশনা পর্যালোচনা করে।

ভাষণটি দ্রুত উন্নয়ন ও রূপান্তরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলে।

ভাষণটি আইন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিতে কাউন্সিলের কাজকে পথ দেখায়।

ভাষণটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ আকাঙ্ক্ষা অর্জনে অবদান রাখে।

এসপিএ জানিয়েছে, নবম অধিবেশনের দ্বিতীয় বছরে কাউন্সিল ৪৬টি অধিবেশন করেছে এবং ৫৫৫টি সিদ্ধান্ত জারি করেছে।

এই সিদ্ধান্তগুলো সরকারি সংস্থাগুলোর বার্ষিক প্রতিবেদন, আইন ও বিধিমালা নিয়ে আলোচনা করে।

এসপিএ আরও জানিয়েছে, ভাষণটি বুধবার দেওয়া হবে।

ভাষণটি দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষকের পক্ষে দেওয়া হবে।

ভাষণটি শূরা কাউন্সিলের নবম অধিবেশনের তৃতীয় বছরের উদ্বোধন উপলক্ষে।

এসপিএ জানিয়েছে, শূরা কাউন্সিলের স্পিকার শেখ ড. আবদুল্লাহ বিন মোহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল আল-শেখ নিজের ও কাউন্সিলের কর্মকর্তা ও সদস্যদের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

তিনি দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক ও যুবরাজের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা প্রকাশ করেছেন কাউন্সিলকে দেওয়া উদার সমর্থন ও যত্নের জন্য।

তিনি যুবরাজের কাউন্সিলে উপস্থিত থেকে ভাষণ দেওয়ায় গভীর গর্ব প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, এই উপলক্ষ নেতৃত্বের কাউন্সিল ও জাতীয় কাজের প্রক্রিয়ায় তার ভূমিকার প্রতি মনোযোগের প্রতিফলন।

এসপিএ জানিয়েছে, ভাষণটি একটি জাতীয় রেফারেন্স।

ভাষণটি কাউন্সিলকে তার মিশন পালনে ও জাতি ও নাগরিকদের সেবায় পথ দেখায়।

ভাষণটি রাষ্ট্রের দিকনির্দেশনা ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে।

ভাষণটি একটি ব্যাপক জাতীয় দলিল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত মর্যাদা অর্জন করেছে।

ভাষণটি সৌদি আরবের নীতি ও দিকনির্দেশনা পর্যালোচনা করে।

ভাষণটি দ্রুত উন্নয়ন ও রূপান্তরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলে।

ভাষণটি আইন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিতে কাউন্সিলের কাজকে পথ দেখায়।

ভাষণটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ আকাঙ্ক্ষা অর্জনে অবদান রাখে।

এসপিএ জানিয়েছে, নবম অধিবেশনের দ্বিতীয় বছরে কাউন্সিল ৪৬টি অধিবেশন করেছে এবং ৫৫৫টি সিদ্ধান্ত জারি করেছে।

এই সিদ্ধান্তগুলো সরকারি সংস্থাগুলোর বার্ষিক প্রতিবেদন, আইন ও বিধিমালা নিয়ে আলোচনা করে।

এসপিএ আরও জানিয়েছে, ভাষণটি বুধবার দেওয়া হবে।

ভাষণটি দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষকের পক্ষে দেওয়া হবে।

ভাষণটি শূরা কাউন্সিলের নবম অধিবেশনের তৃতীয় বছরের উদ্বোধন উপলক্ষে।

এসপিএ জানিয়েছে, শূরা কাউন্সিলের স্পিকার শেখ ড. আবদুল্লাহ বিন মোহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল আল-শেখ নিজের ও কাউন্সিলের কর্মকর্তা ও সদস্যদের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

তিনি দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক ও যুবরাজের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা প্রকাশ করেছেন কাউন্সিলকে দেওয়া উদার সমর্থন ও যত্নের জন্য।

তিনি যুবরাজের কাউন্সিলে উপস্থিত থেকে ভাষণ দেওয়ায় গভীর গর্ব প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, এই উপলক্ষ নেতৃত্বের কাউন্সিল ও জাতীয় কাজের প্রক্রিয়ায় তার ভূমিকার প্রতি মনোযোগের প্রতিফলন।

এসপিএ জানিয়েছে, ভাষণটি একটি জাতীয় রেফারেন্স।

ভাষণটি কাউন্সিলকে তার মিশন পালনে ও জাতি ও নাগরিকদের সেবায় পথ দেখায়।

ভাষণটি রাষ্ট্রের দিকনির্দেশনা ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে।

ভাষণটি একটি ব্যাপক জাতীয় দলিল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত মর্যাদা অর্জন করেছে।

ভাষণটি সৌদি আরবের নীতি ও দিকনির্দেশনা পর্যালোচনা করে।

ভাষণটি দ্রুত উন্নয়ন ও রূপান্তরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলে।

ভাষণটি আইন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিতে কাউন্সিলের কাজকে পথ দেখায়।

ভাষণটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ আকাঙ্ক্ষা অর্জনে অবদান রাখে।

এসপিএ জানিয়েছে, নবম অধিবেশনের দ্বিতীয় বছরে কাউন্সিল ৪৬টি অধিবেশন করেছে এবং ৫৫৫টি সিদ্ধান্ত জারি করেছে।

এই সিদ্ধান্তগুলো সরকারি সংস্থাগুলোর বার্ষিক প্রতিবেদন, আইন ও বিধিমালা নিয়ে আলোচনা করে।

এসপিএ আরও জানিয়েছে, ভাষণটি বুধবার দেওয়া হবে।

ভাষণটি দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষকের পক্ষে দেওয়া হবে।

ভাষণটি শূরা কাউন্সিলের নবম অধিবেশনের তৃতীয় বছরের উদ্বোধন উপলক্ষে।

এসপিএ জানিয়েছে, শূরা কাউন্সিলের স্পিকার শেখ ড. আবদুল্লাহ বিন মোহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল আল-শেখ নিজের ও কাউন্সিলের কর্মকর্তা ও সদস্যদের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

তিনি দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক ও যুবরাজের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা প্রকাশ করেছেন কাউন্সিলকে দেওয়া উদার সমর্থন ও যত্নের জন্য।

তিনি যুবরাজের কাউন্সিলে উপস্থিত থেকে ভাষণ দেওয়ায় গভীর গর্ব প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, এই উপলক্ষ নেতৃত্বের কাউন্সিল ও জাতীয় কাজের প্রক্রিয়ায় তার ভূমিকার প্রতি মনোযোগের প্রতিফলন।

এসপিএ জানিয়েছে, ভাষণটি একটি জাতীয় রেফারেন্স।

ভাষণটি কাউন্সিলকে তার মিশন পালনে ও জাতি ও নাগরিকদের সেবায় পথ দেখায়।

ভাষণটি রাষ্ট্রের দিকনির্দেশনা ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে।

ভাষণটি একটি ব্যাপক জাতীয় দলিল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত মর্যাদা অর্জন করেছে।

ভাষণটি সৌদি আরবের নীতি ও দিকনির্দেশনা পর্যালোচনা করে।

ভাষণটি দ্রুত উন্নয়ন ও রূপান্তরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলে।

ভাষণটি আইন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিতে কাউন্সিলের কাজকে পথ দেখায়।

ভাষণটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ আকাঙ্ক্ষা অর্জনে অবদান রাখে।

এসপিএ জানিয়েছে, নবম অধিবেশনের দ্বিতীয় বছরে কাউন্সিল ৪৬টি অধিবেশন করেছে এবং ৫৫৫টি সিদ্ধান্ত জারি করেছে।

এই সিদ্ধান্তগুলো সরকারি সংস্থাগুলোর বার্ষিক প্রতিবেদন, আইন ও বিধিমালা নিয়ে আলোচনা করে।

এসপিএ আরও জানিয়েছে, ভাষণটি বুধবার দেওয়া হবে।

ভাষণটি দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষকের পক্ষে দেওয়া হবে।

ভাষণটি শূরা কাউন্সিলের নবম অধিবেশনের তৃতীয় বছরের উদ্বোধন উপলক্ষে।

এসপিএ জানিয়েছে, শূরা কাউন্সিলের স্পিকার শেখ ড. আবদুল্লাহ বিন মোহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল আল-শেখ নিজের ও কাউন্সিলের কর্মকর্তা ও সদস্যদের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

তিনি দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক ও যুবরাজের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা প্রকাশ করেছেন কাউন্সিলকে দেওয়া উদার সমর্থন ও যত্নের জন্য।

তিনি যুবরাজের কাউন্সিলে উপস্থিত থেকে ভাষণ দেওয়ায় গভীর গর্ব প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, এই উপলক্ষ নেতৃত্বের কাউন্সিল ও জাতীয় কাজের প্রক্রিয়ায় তার ভূমিকার প্রতি মনোযোগের প্রতিফলন।

এসপিএ জানিয়েছে, ভাষণটি একটি জাতীয় রেফারেন্স।

ভাষণটি কাউন্সিলকে তার মিশন পালনে ও জাতি ও নাগরিকদের সেবায় পথ দেখায়।

ভাষণটি রাষ্ট্রের দিকনির্দেশনা ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে।

ভাষণটি একটি ব্যাপক জাতীয় দলিল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত মর্যাদা অর্জন করেছে।

ভাষণটি সৌদি আরবের নীতি ও দিকনির্দেশনা পর্যালোচনা করে।

ভাষণটি দ্রুত উন্নয়ন ও রূপান্তরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলে।

ভাষণটি আইন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিতে কাউন্সিলের কাজকে পথ দেখায়।

ভাষণটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ আকাঙ্ক্ষা অর্জনে অবদান রাখে।

এসপিএ জানিয়েছে, নবম অধিবেশনের দ্বিতীয় বছরে কাউন্সিল ৪৬টি অধিবেশন করেছে এবং ৫৫৫টি সিদ্ধান্ত জারি করেছে।

এই সিদ্ধান্তগুলো সরকারি সংস্থাগুলোর বার্ষিক প্রতিবেদন, আইন ও বিধিমালা নিয়ে আলোচনা করে।

এসপিএ আরও জানিয়েছে, ভাষণটি বুধবার দেওয়া হবে।

ভাষণটি দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষকের পক্ষে দেওয়া হবে।

ভাষণটি শূরা কাউন্সিলের নবম অধিবেশনের তৃতীয় বছরের উদ্বোধন উপলক্ষে।

এসপিএ জানিয়েছে, শূরা কাউন্সিলের স্পিকার শেখ ড. আবদুল্লাহ বিন মোহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল আল-শেখ নিজের ও কাউন্সিলের কর্মকর্তা ও সদস্যদের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

তিনি দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক ও যুবরাজের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা প্রকাশ করেছেন কাউন্সিলকে দেওয়া উদার সমর্থন ও যত্নের জন্য।

তিনি যুবরাজের কাউন্সিলে উপস্থিত থেকে ভাষণ দেওয়ায় গভীর গর্ব প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, এই উপলক্ষ নেতৃত্বের কাউন্সিল ও জাতীয় কাজের প্রক্রিয়ায় তার ভূমিকার প্রতি মনোযোগের প্রতিফলন।

এসপিএ জানিয়েছে, ভাষণটি একটি জাতীয় রেফারেন্স।

ভাষণটি কাউন্সিলকে তার মিশন পালনে ও জাতি ও নাগরিকদের সেবায় পথ দেখায়।

ভাষণটি রাষ্ট্রের দিকনির্দেশনা ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে।

ভাষণটি একটি ব্যাপক জাতীয় দলিল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত মর্যাদা অর্জন করেছে।

ভাষণটি সৌদি আরবের নীতি ও দিকনির্দেশনা পর্যালোচনা করে।

ভাষণটি দ্রুত উন্নয়ন ও রূপান্তরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলে।

ভাষণটি আইন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিতে কাউন্সিলের কাজকে পথ দেখায়।

ভাষণটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ আকাঙ্ক্ষা অর্জনে অবদান রাখে।

এসপিএ জানিয়েছে, নবম অধিবেশনের দ্বিতীয় বছরে কাউন্সিল ৪৬টি অধিবেশন করেছে এবং ৫৫৫টি সিদ্ধান্ত জারি করেছে।

এই সিদ্ধান্তগুলো সরকারি সংস্থাগুলোর বার্ষিক প্রতিবেদন, আইন ও বিধিমালা নিয়ে আলোচনা করে।

এসপিএ আরও জানিয়েছে, ভাষণটি বুধবার দেওয়া হবে।

ভাষণটি দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষকের পক্ষে দেওয়া হবে।

ভাষণটি শূরা কাউন্সিলের নবম অধিবেশনের তৃতীয় বছরের উদ্বোধন উপলক্ষে।

বার্ষিক রয়্যাল ভাষণ কে দেবেন? দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের পক্ষে সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদ বুধবার বার্ষিক রয়্যাল ভাষণ দেবেন। এসপিএ জানিয়েছে, ভাষণটি শূরা কাউন্সিলের নবম অধিবেশনের তৃতীয় বছরের উদ্বোধন উপলক্ষে দেওয়া হবে।

শূরা কাউন্সিলের স্পিকার কী বলেছেন? শূরা কাউন্সিলের স্পিকার শেখ ড. আবদুল্লাহ বিন মোহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল আল-শেখ নিজের ও কাউন্সিলের কর্মকর্তা ও সদস্যদের পক্ষ থেকে দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক ও যুবরাজের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা প্রকাশ করেছেন কাউন্সিলকে দেওয়া উদার সমর্থন ও যত্নের জন্য। তিনি যুবরাজের কাউন্সিলে উপস্থিত থেকে ভাষণ দেওয়ায় গভীর গর্ব প্রকাশ করেন।

ভাষণটির তাৎপর্য কী? স্পিকার বলেন, বার্ষিক রয়্যাল ভাষণ একটি জাতীয় রেফারেন্স, যা কাউন্সিলকে তার মিশন পালনে ও জাতি ও নাগরিকদের সেবায় পথ দেখায় এবং রাষ্ট্রের দিকনির্দেশনা ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে। তিনি উল্লেখ করেন, ভাষণটি একটি ব্যাপক জাতীয় দলিল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত মর্যাদা অর্জন করেছে, যা সৌদি আরবের নীতি ও দিকনির্দেশনা পর্যালোচনা করে এবং দ্রুত উন্নয়ন ও রূপান্তরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলে।

নবম অধিবেশনের দ্বিতীয় বছরে কাউন্সিল কী করেছে? স্পিকার ইঙ্গিত করেন, নবম অধিবেশনের দ্বিতীয় বছরে কাউন্সিল তার আইন প্রণয়ন ও তদারকি কার্যাবলি চালিয়ে যায়, ৪৬টি অধিবেশন করে যেখানে ৫৫৫টি সিদ্ধান্ত জারি করা হয়। এসপিএ জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্তগুলো সরকারি সংস্থাগুলোর বার্ষিক প্রতিবেদন, আইন ও বিধিমালা নিয়ে আলোচনা করে।

ভাষণটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে কীভাবে সম্পর্কিত? স্পিকার বলেন, ভাষণটি আইন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিতে কাউন্সিলের কাজকে পথ দেখায়, যা সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ আকাঙ্ক্ষা অর্জনে অবদান রাখে। এসপিএ জানিয়েছে, ভাষণটি রাষ্ট্রের দিকনির্দেশনা ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে এবং কাউন্সিলকে তার মিশন পালনে পথ দেখায়।