লোহিত সাগর জাদুঘর ৮ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত “ফটোগ্রাফিং ডিস্ট্যান্স: মাতিলদে মারিন” শিরোনামে প্রদর্শনী আয়োজন করবে, যা আর্জেন্টিনার এই সমকালীন শিল্পীর সৌদি আরবে প্রথম প্রদর্শনী।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৬ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, জাদুঘরটি জাদুঘর কমিশনের অধীনে পরিচালিত। প্রদর্শনীতে ফটোগ্রাফি ও ভিডিওর মাধ্যমে মারিনের দীর্ঘদিনের বাতিঘর-অনুসন্ধান লোহিত সাগরের সামুদ্রিক ইতিহাস, যাত্রা ও উপকূলীয় স্মৃতির সঙ্গে সংলাপে মিলিত হবে, যার মধ্যে জেদ্দা ও ইয়ানবুর বাতিঘর নিয়ে কাজও রয়েছে।
২০০৫ সাল থেকে মারিন “ফারুস প্রকল্প” নামে একটি উদ্যোগে বিভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলের বাতিঘর নথিভুক্ত করে আসছেন। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি বাতিঘরকে কেবল স্থাপত্য ও সামুদ্রিক চিহ্ন হিসেবে নয়, বরং পথনির্দেশ, আশা ও দিকনির্ণয়ের প্রতীক হিসেবেও দেখেন। লোহিত সাগর জাদুঘরে এই অনুসন্ধান স্থানীয় মাত্রা পাবে। জেদ্দা ও ইয়ানবুর বাতিঘরের মাধ্যমে মারিনের বিস্তৃত কাজ লোহিত সাগরকে চলাচল ও বিনিময়ের ঐতিহাসিক পথ হিসেবে যুক্ত করে সমকালীন শিল্প, সামুদ্রিক ঐতিহ্য এবং মানুষ কীভাবে স্থান মনে রাখে—এই বিষয়গুলোর মধ্যে সংলাপ খুলে দেবে।
জাদুঘর কমিশনের সিইও প্রকৌশলী আবদুল্লাহ আল-হাম্মাদ বলেন, “ফটোগ্রাফিং ডিস্ট্যান্স হলো একটি চমৎকার উদাহরণ যে কীভাবে জাদুঘরগুলো জীবন্ত পরিসরে পরিণত হচ্ছে, যেখানে সমকালীন শিল্প আমাদের নিজেদের ইতিহাসের সঙ্গে কথা বলে এবং মানুষকে লোহিত সাগর ও নিজেদের নতুন আলোয় দেখতে সাহায্য করে। মাতিলদে মারিনের বাতিঘর আমাদের দর্শকদের আমন্ত্রণ জানায় আসতে, আরও কাছে তাকাতে এবং তার গল্পে নিজেদের গল্পের কিছুটা খুঁজে পেতে।”
মারিন নিজে বলেন, “২০ বছর ধরে আমি ভিন্ন ভিন্ন উপকূলে বাতিঘর অনুসরণ করেছি, এবং প্রতিটি আমাকে দূরত্ব সম্পর্কে, কীভাবে আমরা সেই দিকে তাকাই যা এখনো ছুঁতে পারি না—সে সম্পর্কে কিছু শিখিয়েছে।”
প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ৮ অক্টোবর শিল্প, সংলাপ ও সংগীতকে একত্র করবে। এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনী চলাকালীন একটি বহুমুখী জনসাধারণ কার্যক্রম চলবে, যেখানে থাকবে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, কবিতা ও সংগীত পরিবেশনা, সৃজনশীল কর্মশালা এবং অংশগ্রহণমূলক অভিজ্ঞতা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ফটোগ্রাফি ও ল্যান্ডস্কেপ নিয়ে সেশন, খাদ্য কীভাবে যাত্রাপথে স্মৃতি বহন করে তার অনুসন্ধান এবং আরও কিছু।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে প্রদর্শনীর বিস্তারিত সময়সূচি, টিকিটের মূল্য বা দর্শনার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো নিবন্ধন প্রক্রিয়া উল্লেখ করা হয়নি। জাদুঘর কমিশনের অধীনে পরিচালিত লোহিত সাগর জাদুঘরের অবস্থান বা প্রদর্শনীর কক্ষসংখ্যা সম্পর্কেও প্রতিবেদনে বিস্তারিত দেওয়া হয়নি।
মারিনের ফারুস প্রকল্প ২০০৫ সাল থেকে চলছে, যা এসপিএ-র প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় তিনি বিভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলের বাতিঘর নথিভুক্ত করেছেন এবং সেগুলোকে স্থাপত্য ও সামুদ্রিক চিহ্নের পাশাপাশি পথনির্দেশ, আশা ও দিকনির্ণয়ের প্রতীক হিসেবে দেখেছেন। জেদ্দা ও ইয়ানবুর বাতিঘর নিয়ে তাঁর কাজ এই প্রকল্পেরই অংশ, যা লোহিত সাগরের সামুদ্রিক ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত।
প্রদর্শনীটি ৮ অক্টোবর ২০২৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত চলবে বলে এসপিএ জানিয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিল্প, সংলাপ ও সংগীতের সমন্বয় থাকবে। জনসাধারণ কার্যক্রমের মধ্যে ফটোগ্রাফি ও ল্যান্ডস্কেপ নিয়ে সেশন এবং খাদ্য কীভাবে যাত্রাপথে স্মৃতি বহন করে তা নিয়ে অনুসন্ধান রয়েছে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই কার্যক্রমের নির্দিষ্ট তারিখ বা সময় উল্লেখ করা হয়নি।
লোহিত সাগর জাদুঘর জাদুঘর কমিশনের অধীনে পরিচালিত। কমিশনের সিইও প্রকৌশলী আবদুল্লাহ আল-হাম্মাদ প্রদর্শনী নিয়ে তাঁর বক্তব্যে জাদুঘরগুলোকে জীবন্ত পরিসর হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যেখানে সমকালীন শিল্প ইতিহাসের সঙ্গে সংলাপ করে। তিনি বলেন, মারিনের বাতিঘর দর্শকদের আমন্ত্রণ জানায় আরও কাছে তাকাতে এবং নিজেদের গল্পের কিছুটা খুঁজে পেতে।
মারিন ২০ বছর ধরে ভিন্ন ভিন্ন উপকূলে বাতিঘর অনুসরণ করেছেন বলে তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন। প্রতিটি বাতিঘর তাঁকে দূরত্ব সম্পর্কে এবং যা এখনো ছোঁয়া যায়নি তার দিকে তাকানোর বিষয়ে কিছু শিখিয়েছে। এই দীর্ঘমেয়াদি অনুসন্ধানই প্রদর্শনীর মূল ভিত্তি, যা ফটোগ্রাফি ও ভিডিওর মাধ্যমে উপস্থাপিত হবে।
প্রদর্শনীতে জেদ্দা ও ইয়ানবুর বাতিঘর নিয়ে কাজ রয়েছে, যা লোহিত সাগরের সামুদ্রিক ইতিহাস, যাত্রা ও উপকূলীয় স্মৃতির সঙ্গে সংলাপে মিলিত হবে। এসপিএ জানিয়েছে, মারিনের বিস্তৃত কাজ লোহিত সাগরকে চলাচল ও বিনিময়ের ঐতিহাসিক পথ হিসেবে যুক্ত করে। এভাবে সমকালীন শিল্প, সামুদ্রিক ঐতিহ্য এবং মানুষ কীভাবে স্থান মনে রাখে—এই তিনটি বিষয়ের মধ্যে সংলাপ তৈরি হবে।
প্রদর্শনীর জনসাধারণ কার্যক্রমে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, কবিতা ও সংগীত পরিবেশনা, সৃজনশীল কর্মশালা এবং অংশগ্রহণমূলক অভিজ্ঞতা থাকবে বলে এসপিএ জানিয়েছে। এর মধ্যে ফটোগ্রাফি ও ল্যান্ডস্কেপ নিয়ে সেশন এবং খাদ্য কীভাবে যাত্রাপথে স্মৃতি বহন করে তা নিয়ে অনুসন্ধান উল্লেখযোগ্য। তবে এই কার্যক্রমের বিস্তারিত সময়সূচি প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে প্রদর্শনীর টিকিটের মূল্য, দর্শনার্থীদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া বা জাদুঘরের ঠিকানা সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। প্রদর্শনীর কক্ষসংখ্যা বা কোন কোন কাজ প্রদর্শিত হবে তার তালিকাও প্রতিবেদনে নেই। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের নির্দিষ্ট সময় বা স্থানও উল্লেখ করা হয়নি।
মারিনের ফারুস প্রকল্পের আওতায় বাতিঘরগুলোকে কেবল স্থাপত্য ও সামুদ্রিক চিহ্ন হিসেবে নয়, বরং পথনির্দেশ, আশা ও দিকনির্ণয়ের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। এই দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শনীতে স্থানীয় মাত্রা পাবে জেদ্দা ও ইয়ানবুর বাতিঘরের মাধ্যমে। এসপিএ জানিয়েছে, এই কাজ লোহিত সাগরের সামুদ্রিক ইতিহাস, যাত্রা ও উপকূলীয় স্মৃতির সঙ্গে সংলাপে মিলিত হবে।
প্রদর্শনীটি ৮ অক্টোবর ২০২৬-এ উদ্বোধন হবে এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত চলবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিল্প, সংলাপ ও সংগীত একত্র হবে। জনসাধারণ কার্যক্রম প্রদর্শনী চলাকালীন চলবে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই কার্যক্রমের কোনো নির্দিষ্ট তারিখ বা সময় দেওয়া হয়নি।
জাদুঘর কমিশনের সিইও প্রকৌশলী আবদুল্লাহ আল-হাম্মাদ বলেন, “ফটোগ্রাফিং ডিস্ট্যান্স হলো একটি চমৎকার উদাহরণ যে কীভাবে জাদুঘরগুলো জীবন্ত পরিসরে পরিণত হচ্ছে, যেখানে সমকালীন শিল্প আমাদের নিজেদের ইতিহাসের সঙ্গে কথা বলে এবং মানুষকে লোহিত সাগর ও নিজেদের নতুন আলোয় দেখতে সাহায্য করে।” তিনি আরও বলেন, “মাতিলদে মারিনের বাতিঘর আমাদের দর্শকদের আমন্ত্রণ জানায় আসতে, আরও কাছে তাকাতে এবং তার গল্পে নিজেদের গল্পের কিছুটা খুঁজে পেতে।”
মারিন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “২০ বছর ধরে আমি ভিন্ন ভিন্ন উপকূলে বাতিঘর অনুসরণ করেছি, এবং প্রতিটি আমাকে দূরত্ব সম্পর্কে, কীভাবে আমরা সেই দিকে তাকাই যা এখনো ছুঁতে পারি না—সে সম্পর্কে কিছু শিখিয়েছে।” এই উদ্ধৃতি এসপিএ-র প্রতিবেদনে রয়েছে।
প্রদর্শনীতে ফটোগ্রাফি ও ভিডিওর মাধ্যমে মারিনের কাজ উপস্থাপিত হবে। এসপিএ জানিয়েছে, তাঁর দীর্ঘদিনের বাতিঘর-অনুসন্ধান লোহিত সাগরের সামুদ্রিক ইতিহাস, যাত্রা ও উপকূলীয় স্মৃতির সঙ্গে সংলাপে মিলিত হবে। জেদ্দা ও ইয়ানবুর বাতিঘর নিয়ে কাজ এই সংলাপের অংশ।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে প্রদর্শনীর কিউরেটর, আয়োজক দল বা সহযোগী প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। প্রদর্শনীর কোনো থিমভিত্তিক বিভাগ বা কক্ষের বিন্যাসও উল্লেখ করা হয়নি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরিবেশনার তালিকাও প্রতিবেদনে নেই।
মারিনের ফারুস প্রকল্প ২০০৫ সাল থেকে চলছে। এই প্রকল্পে তিনি বিভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলের বাতিঘর নথিভুক্ত করেছেন। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি বাতিঘরকে পথনির্দেশ, আশা ও দিকনির্ণয়ের প্রতীক হিসেবে দেখেন। লোহিত সাগর জাদুঘরে এই অনুসন্ধান স্থানীয় মাত্রা পাবে জেদ্দা ও ইয়ানবুর বাতিঘরের মাধ্যমে।
প্রদর্শনীটি আর্জেন্টিনার সমকালীন শিল্পী মাতিলদে মারিনের সৌদি আরবে প্রথম প্রদর্শনী। এসপিএ জানিয়েছে, এটি ৮ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত চলবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিল্প, সংলাপ ও সংগীত একত্র হবে। জনসাধারণ কার্যক্রমে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, কবিতা ও সংগীত পরিবেশনা, সৃজনশীল কর্মশালা এবং অংশগ্রহণমূলক অভিজ্ঞতা থাকবে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে প্রদর্শনীর দর্শনার্থীদের সংখ্যা, প্রবেশমূল্য বা কোনো বিশেষ অনুষ্ঠানের তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। জাদুঘরের কোনো অতিরিক্ত তথ্যও প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি।
প্রদর্শনীটি কতদিন চলবে? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীটি ৮ অক্টোবর ২০২৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত চলবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ৮ অক্টোবর শিল্প, সংলাপ ও সংগীতকে একত্র করবে। প্রদর্শনী চলাকালীন একটি বহুমুখী জনসাধারণ কার্যক্রমও চলবে, যেখানে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, কবিতা ও সংগীত পরিবেশনা, সৃজনশীল কর্মশালা এবং অংশগ্রহণমূলক অভিজ্ঞতা থাকবে।
মাতিলদে মারিন কে এবং তাঁর কাজ কী নিয়ে? মাতিলদে মারিন আর্জেন্টিনার সমকালীন শিল্পী। এসপিএ জানিয়েছে, ২০০৫ সাল থেকে তিনি ফারুস প্রকল্পে বিভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলের বাতিঘর নথিভুক্ত করে আসছেন। তিনি বাতিঘরকে কেবল স্থাপত্য ও সামুদ্রিক চিহ্ন নয়, বরং পথনির্দেশ, আশা ও দিকনির্ণয়ের প্রতীক হিসেবে দেখেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ২০ বছর ধরে তিনি ভিন্ন ভিন্ন উপকূলে বাতিঘর অনুসরণ করেছেন।
প্রদর্শনীতে জেদ্দা ও ইয়ানবুর বাতিঘরের ভূমিকা কী? এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীতে জেদ্দা ও ইয়ানবুর বাতিঘর নিয়ে কাজ রয়েছে। মারিনের বিস্তৃত কাজ লোহিত সাগরকে চলাচল ও বিনিময়ের ঐতিহাসিক পথ হিসেবে যুক্ত করে। এভাবে সমকালীন শিল্প, সামুদ্রিক ঐতিহ্য এবং মানুষ কীভাবে স্থান মনে রাখে—এই বিষয়গুলোর মধ্যে সংলাপ তৈরি হয়। জাদুঘরে এই অনুসন্ধান স্থানীয় মাত্রা পায়।
জনসাধারণ কার্যক্রমে কী কী থাকবে? এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনী চলাকালীন একটি বহুমুখী জনসাধারণ কার্যক্রম চলবে। এতে থাকবে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, কবিতা ও সংগীত পরিবেশনা, সৃজনশীল কর্মশালা এবং অংশগ্রহণমূলক অভিজ্ঞতা। উল্লেখযোগ্যের মধ্যে রয়েছে ফটোগ্রাফি ও ল্যান্ডস্কেপ নিয়ে সেশন এবং খাদ্য কীভাবে যাত্রাপথে স্মৃতি বহন করে তা নিয়ে অনুসন্ধান। নির্দিষ্ট তারিখ বা সময় প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি।
জাদুঘর কমিশনের সিইও কী বলেছেন? জাদুঘর কমিশনের সিইও প্রকৌশলী আবদুল্লাহ আল-হাম্মাদ বলেন, “ফটোগ্রাফিং ডিস্ট্যান্স হলো একটি চমৎকার উদাহরণ যে কীভাবে জাদুঘরগুলো জীবন্ত পরিসরে পরিণত হচ্ছে, যেখানে সমকালীন শিল্প আমাদের নিজেদের ইতিহাসের সঙ্গে কথা বলে এবং মানুষকে লোহিত সাগর ও নিজেদের নতুন আলোয় দেখতে সাহায্য করে।” তিনি বলেন, মারিনের বাতিঘর দর্শকদের আরও কাছে তাকাতে আমন্ত্রণ জানায়।
প্রদর্শনীটি কি সৌদি আরবে মারিনের প্রথম? হ্যাঁ, এসপিএ জানিয়েছে, এটি আর্জেন্টিনার সমকালীন শিল্পী মাতিলদে মারিনের সৌদি আরবে প্রথম প্রদর্শনী। প্রদর্শনীটি লোহিত সাগর জাদুঘরে অনুষ্ঠিত হবে, যা জাদুঘর কমিশনের অধীনে পরিচালিত। প্রদর্শনীতে ফটোগ্রাফি ও ভিডিওর মাধ্যমে তাঁর দীর্ঘদিনের বাতিঘর-অনুসন্ধান লোহিত সাগরের সামুদ্রিক ইতিহাস, যাত্রা ও উপকূলীয় স্মৃতির সঙ্গে সংলাপে মিলিত হবে।





