Sunday, October 25, 2026
সংস্কৃতি

সৌদি ফ্যালকন ও হান্টিং এক্সপো ২০২৬ শেষ, দর্শক ৭ লাখ ৬৪ হাজারের বেশি

সৌদি ফ্যালকন ও হান্টিং এক্সপো ২০২৬ শেষ, দর্শক ৭ লাখ ৬৪ হাজারের বেশি

মালহামে ১০ দিন ধরে চলা ইন্টারন্যাশনাল সৌদি ফ্যালকনস অ্যান্ড হান্টিং এক্সিবিশন ২০২৬-এ ৭ লাখ ৬৪ হাজারের বেশি দর্শক এসেছেন। রিয়াদের উত্তরে এই প্রদর্শনীতে ৪৭টি দেশের ১ হাজার ৪৪৬-এর বেশি প্রদর্শক ও ব্র্যান্ড এবং ৪৪টি সরকারি সংস্থা অংশ নিয়েছে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১১ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফ্যালকনস এই প্রদর্শনীর আয়োজক। ফ্যালকনরি, শিকার, ঐতিহ্য, ভ্রমণ, অ্যাডভেঞ্চার এবং সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক অভিজ্ঞতা—সবই একটি বৈচিত্র্যময় কর্মসূচির মাধ্যমে এক জায়গায় এসেছে। এই কর্মসূচি ফ্যালকনার, আগ্রহী মানুষ, বিনিয়োগকারী, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক কোম্পানি এবং সাধারণ দর্শককে আকর্ষণ করেছে।

১০ দিনে ৭ লাখ ৬৪ হাজারের বেশি মানুষ—সংখ্যাটি কি শুধু একটি প্রদর্শনীর হিসাব, নাকি সৌদি আরবে ফ্যালকনরি ও শিকারের সংস্কৃতি কতটা গভীরে ছড়িয়ে আছে তার প্রমাণ?

প্রদর্শনীতে লোকসংস্কৃতি ও সামরিক প্রদর্শনী ছিল। ছিল হস্তশিল্প ও ঐতিহ্যবাহী শিল্পের জন্য নির্দিষ্ট এলাকা। ইতিহাস, কবিতা ও ঐতিহ্য নিয়ে আলোচনা সেশন হয়েছে। ট্যাক্সিডার্মি, হস্তশিল্প, ঐতিহ্যবাহী শিল্প, ভ্রমণ, অ্যাডভেঞ্চার এবং যানবাহন প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষায়িত কর্মশালাও হয়েছে।

রাজ্যের মধ্যে প্রথম ধরনের শিকারের অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আনুষঙ্গিক সামগ্রীর এলাকায় ৫ হাজারের বেশি পণ্য ছিল, যা ১৮১টির বেশি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করে। এর মধ্যে ছিল শিকার ও শুটিংয়ের আগ্নেয়াস্ত্র, এয়ার গান, গোলাবারুদ, আনুষঙ্গিক সামগ্রী এবং নিরাপত্তা, সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রশিক্ষণ সরঞ্জাম।

৪৭টি দেশের ১ হাজার ৪৪৬-এর বেশি প্রদর্শক ও ব্র্যান্ড—এই উপস্থিতি কি দেখায় না যে সৌদি আরবের এই প্রদর্শনী আন্তর্জাতিক ফ্যালকনরি বাজারে একটি কেন্দ্রীয় মিলনস্থলে পরিণত হয়েছে?

এসপিএ জানিয়েছে, এই বছরের প্রদর্শনী শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফ্যালকনস ইন্টারন্যাশনাল সৌদি ফ্যালকনস অ্যান্ড হান্টিং এক্সিবিশন ২০২৭-এর প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে। লক্ষ্য হলো প্রদর্শনীর উন্নয়ন এবং দর্শক, প্রদর্শক ও অংশগ্রহণকারীদের অভিজ্ঞতা বাড়ানো।

৪৪টি সরকারি সংস্থার অংশগ্রহণ—এটি কি শুধু সাংস্কৃতিক আয়োজন, নাকি ফ্যালকনরি ও শিকারকে ঘিরে নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা ও প্রশিক্ষণের একটি সমন্বিত কাঠামোও?

প্রদর্শনীর কর্মসূচিতে ফ্যালকনরি, শিকার, ঐতিহ্য, ভ্রমণ ও অ্যাডভেঞ্চার একসঙ্গে ছিল। সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক অভিজ্ঞতাও ছিল। এই মিশ্রণ স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক কোম্পানি এবং বিনিয়োগকারীদের একই মঞ্চে এনেছে।

লোকসংস্কৃতি ও সামরিক প্রদর্শনী, হস্তশিল্প ও ঐতিহ্যবাহী শিল্পের এলাকা, ইতিহাস-কবিতা-ঐতিহ্য নিয়ে আলোচনা এবং ট্যাক্সিডার্মি থেকে যানবাহন নিরাপত্তা পর্যন্ত কর্মশালা—এই বৈচিত্র্য কি দর্শকদের জন্য একাধিক কারণ তৈরি করেছে বারবার ফিরে আসার?

শিকারের অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আনুষঙ্গিক সামগ্রীর এলাকাটি রাজ্যে প্রথম ধরনের। এখানে ৫ হাজারের বেশি পণ্য এবং ১৮১টির বেশি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ছিল। আগ্নেয়াস্ত্র, এয়ার গান, গোলাবারুদ, আনুষঙ্গিক সামগ্রী এবং নিরাপত্তা, সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রশিক্ষণ সরঞ্জাম এর মধ্যে পড়ে।

৫ হাজারের বেশি পণ্য ও ১৮১টির বেশি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড—এই পরিসংখ্যান কি প্রমাণ করে না যে শিকার ও শুটিং সরঞ্জামের বাজার সৌদি আরবে একটি সংগঠিত খাতে পরিণত হচ্ছে?

১০ দিনের এই আয়োজনে দর্শক সংখ্যা ৭ লাখ ৬৪ হাজারের বেশি হওয়া মানে প্রতিদিন গড়ে হাজার হাজার মানুষ মালহামে এসেছেন। ফ্যালকনার, আগ্রহী মানুষ, বিনিয়োগকারী, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক কোম্পানি এবং সাধারণ দর্শক—সব শ্রেণির উপস্থিতি ছিল।

এসপিএ জানিয়েছে, ২০২৭ সালের প্রদর্শনীর প্রস্তুতি এখনই শুরু হয়েছে। লক্ষ্য হলো আয়োজন উন্নত করা এবং দর্শক, প্রদর্শক ও অংশগ্রহণকারীদের অভিজ্ঞতা বাড়ানো।

ট্যাক্সিডার্মি, হস্তশিল্প, ঐতিহ্যবাহী শিল্প, ভ্রমণ, অ্যাডভেঞ্চার এবং যানবাহন প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা—এই কর্মশালাগুলো কি শুধু দক্ষতা শেখায়, নাকি ফ্যালকনরি ও শিকারের সঙ্গে যুক্ত পেশাগুলোর জন্য একটি প্রশিক্ষণ ভিত্তিও তৈরি করে?

প্রদর্শনীতে ইতিহাস, কবিতা ও ঐতিহ্য নিয়ে আলোচনা সেশন ছিল। হস্তশিল্প ও ঐতিহ্যবাহী শিল্পের জন্য আলাদা এলাকা ছিল। লোকসংস্কৃতি ও সামরিক প্রদর্শনীও ছিল। এসব উপাদান মিলে প্রদর্শনীটি শুধু পণ্যের মেলা নয়, বরং সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক অভিজ্ঞতার জায়গা হয়ে উঠেছে।

৪৭টি দেশের অংশগ্রহণ এবং ৪৪টি সরকারি সংস্থার উপস্থিতি—এই দুই সংখ্যা একসঙ্গে কি দেখায় না যে এই আয়োজন আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ ও রাষ্ট্রীয় সমন্বয়ের একটি মিলনবিন্দু?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে প্রদর্শনীর মোট আয়, চুক্তির মূল্য, ভবিষ্যতের তারিখ বা ২০২৭ সালের নির্দিষ্ট পরিকল্পনার বিস্তারিত উল্লেখ নেই। ২০২৭ সালের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে, তবে তার সময়সূচি বা লক্ষ্য সংখ্যায় বলা হয়নি।

১০ দিনে ৭ লাখ ৬৪ হাজারের বেশি দর্শক, ৪৭টি দেশের ১ হাজার ৪৪৬-এর বেশি প্রদর্শক ও ব্র্যান্ড, ৪৪টি সরকারি সংস্থা এবং ১৮১টির বেশি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের ৫ হাজারের বেশি পণ্য—এই সংখ্যাগুলোই এসপিএ-র প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এর বাইরে অতিরিক্ত তথ্য প্রতিবেদনে নেই।

প্রদর্শনীতে কত দর্শক এসেছেন এবং কত দিন চলেছে? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, ইন্টারন্যাশনাল সৌদি ফ্যালকনস অ্যান্ড হান্টিং এক্সিবিশন ২০২৬-এ ৭ লাখ ৬৪ হাজারের বেশি দর্শক এসেছেন। প্রদর্শনীটি ১০ দিন ধরে চলেছে। আয়োজনস্থল ছিল রিয়াদের উত্তরে মালহাম। আয়োজক ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফ্যালকনস। এসপিএ প্রতিবেদনে প্রতিদিনের দর্শক সংখ্যা বা মোট আয়ের কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

কত দেশ ও কত প্রদর্শক অংশ নিয়েছেন? এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীতে ৪৭টি দেশের ১ হাজার ৪৪৬-এর বেশি প্রদর্শক ও ব্র্যান্ড অংশ নিয়েছে। পাশাপাশি ৪৪টি সরকারি সংস্থাও উপস্থিত ছিল। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন ফ্যালকনার, আগ্রহী মানুষ, বিনিয়োগকারী, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক কোম্পানি এবং সাধারণ দর্শক। প্রতিবেদনে দেশভিত্তিক প্রদর্শকের পৃথক সংখ্যা বা কোন দেশ কতজন পাঠিয়েছে তা বলা হয়নি।

শিকারের অস্ত্র ও আনুষঙ্গিক সামগ্রীর এলাকায় কী ছিল? এসপিএ জানিয়েছে, শিকারের অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আনুষঙ্গিক সামগ্রীর এলাকাটি রাজ্যের মধ্যে প্রথম ধরনের। এখানে ৫ হাজারের বেশি পণ্য ছিল, যা ১৮১টির বেশি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করে। এর মধ্যে ছিল শিকার ও শুটিংয়ের আগ্নেয়াস্ত্র, এয়ার গান, গোলাবারুদ, আনুষঙ্গিক সামগ্রী এবং নিরাপত্তা, সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রশিক্ষণ সরঞ্জাম। প্রতিবেদনে এই পণ্যের মূল্য বা বিক্রয়ের তথ্য নেই।

প্রদর্শনীর কর্মসূচিতে কী কী ছিল? এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীতে লোকসংস্কৃতি ও সামরিক প্রদর্শনী, হস্তশিল্প ও ঐতিহ্যবাহী শিল্পের এলাকা, ইতিহাস-কবিতা-ঐতিহ্য নিয়ে আলোচনা সেশন এবং বিশেষায়িত কর্মশালা ছিল। কর্মশালার বিষয়ের মধ্যে ছিল ট্যাক্সিডার্মি, হস্তশিল্প, ঐতিহ্যবাহী শিল্প, ভ্রমণ, অ্যাডভেঞ্চার এবং যানবাহন প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা। প্রতিবেদনে কর্মশালার সংখ্যা বা অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা আলাদা করে বলা হয়নি।

২০২৭ সালের প্রদর্শনী নিয়ে কী জানানো হয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, এই বছরের প্রদর্শনী শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফ্যালকনস ইন্টারন্যাশনাল সৌদি ফ্যালকনস অ্যান্ড হান্টিং এক্সিবিশন ২০২৭-এর প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে। লক্ষ্য হলো প্রদর্শনীর উন্নয়ন এবং দর্শক, প্রদর্শক ও অংশগ্রহণকারীদের অভিজ্ঞতা বাড়ানো। প্রতিবেদনে ২০২৭ সালের নির্দিষ্ট তারিখ, স্থান বা পরিকল্পনার বিস্তারিত উল্লেখ নেই।

প্রদর্শনীর আয়োজক কে এবং কোথায় এটি হয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, ইন্টারন্যাশনাল সৌদি ফ্যালকনস অ্যান্ড হান্টিং এক্সিবিশন ২০২৬-এর আয়োজক ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফ্যালকনস। আয়োজনস্থল ছিল রিয়াদের উত্তরে মালহাম। প্রদর্শনীটি ১০ দিন ধরে চলেছে এবং এতে ৭ লাখ ৬৪ হাজারের বেশি দর্শক এসেছেন। প্রতিবেদনে আয়োজনের মোট ব্যয় বা অর্থায়নের কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।