Sunday, November 1, 2026
অর্থনীতি

আসিরের পাহাড়ি ধাপে সৌদি কফির গভীর শিকড়

আসিরের পাহাড়ি ধাপে সৌদি কফির গভীর শিকড়

আসির অঞ্চলে ২ লাখ ৪৩ হাজারের বেশি উৎপাদনশীল কফি গাছ রয়েছে, যা বছরে ১৭৫ টনের বেশি খাঁটি কফি উৎপাদন করে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, আসির অঞ্চল ১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক কফি দিবস উপলক্ষে তার পাহাড় ও ধাপে বিস্তৃত গভীর কৃষি ও সামাজিক ঐতিহ্য তুলে ধরেছে।

সৌদি কফি চাষ দক্ষিণে আল-ফারশাহ ও তিহামা কাহতান থেকে শুরু করে একাধিক পাহাড়ি গভর্নরেট, সেন্টার ও গ্রামের মধ্য দিয়ে উত্তরে বালকারন পর্যন্ত বিস্তৃত। এই কৃষি ভূদৃশ্য অঞ্চলটির বৈচিত্র্য প্রতিফলিত করে এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে হস্তান্তরিত ঐতিহ্য থেকে কফির একটি সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক ফসলে রূপান্তর তুলে ধরে।

আসিরের বৈচিত্র্যময় ভূখণ্ড, উচ্চতা ও জলবায়ু কফি চাষের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করেছে। কফি গাছ কৃষি ধাপ, উপত্যকা ও পাহাড়ি ঢালে জন্মে, যা মাঝারি তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত ও উর্বর মাটি থেকে উপকৃত হয়। কৃষকরা পরিপক্ব গাছ সংরক্ষণ করেছেন এবং এক প্রজন্ম থেকে পরবর্তী প্রজন্মে হস্তান্তরিত কৃষি পদ্ধতি বজায় রেখেছেন।

পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য সৌদি আরবের কফি মানচিত্রে আসিরের বিশিষ্ট স্থান তুলে ধরে। অঞ্চলটিতে ২ লাখ ৪৩ হাজারের বেশি উৎপাদনশীল কফি গাছ রয়েছে, যা বছরে ১৭৫ টনের বেশি খাঁটি কফি উৎপাদন করে। এটি আসিরকে সৌদি আরবের শীর্ষস্থানীয় কফি উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলির একটি করে তোলে।

কৃষি সম্প্রসারণের সূচক উৎপাদন ভিত্তিতে দ্রুত প্রবৃদ্ধির দিকে ইঙ্গিত করে। ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে আসিরে ৬ লাখ ৩৪ হাজারের বেশি কফি গাছ রোপণ করা হয়েছে, আর কফি চাষ ১৪টি গভর্নরেটে ৭ হাজারের বেশি হেক্টর জুড়ে বিস্তৃত হয়েছে। সক্রিয় খামারের সংখ্যা ১ হাজার ৪০০ ছাড়িয়ে গেছে, যা অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সম্ভাবনাসম্পন্ন ফসল হিসেবে কফির প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহ প্রতিফলিত করে।

এই সম্প্রসারণ গাছের সংখ্যা বাড়ানো, খামারের দক্ষতা উন্নত করা এবং উৎপাদনের গুণমান বাড়ানোর লক্ষ্যে কর্মসূচি ও উদ্যোগের মাধ্যমে চলছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০২৬ থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে এক মিলিয়ন কফি গাছ রোপণের লক্ষ্যমাত্রা, যা উৎপাদনশীল পাহাড়ি এলাকা উন্নয়নের পাহাড়ি অর্থনীতি প্রচেষ্টার অংশ।

এসপিএ জানিয়েছে, এই প্রচেষ্টার লক্ষ্য টেকসই ব্যবহার সমর্থন করা।

আসিরের কফি ঐতিহ্য কেবল কৃষির বিষয় নয়, এটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অংশ। পাহাড়ি ধাপে গাছের সারি, উপত্যকায় ছড়ানো খামার এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দৈনন্দিন জীবনে কফির উপস্থিতি অঞ্চলটির বৈশিষ্ট্য। প্রজন্মান্তরে চলে আসা চাষাবাদ পদ্ধতি সংরক্ষণ করা হয়েছে, যা স্থানীয় কৃষকদের অভিজ্ঞতা ও পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার প্রমাণ।

কফি চাষের বিস্তার দক্ষিণের আল-ফারশাহ ও তিহামা কাহতান থেকে উত্তরের বালকারন পর্যন্ত বিস্তৃত। এই বিস্তার আসিরের ভৌগোলিক বৈচিত্র্যকেই প্রতিফলিত করে, যেখানে উচ্চতা ও জলবায়ুর পার্থক্য বিভিন্ন ধরনের চাষাবাদ পরিস্থিতি তৈরি করে। মাঝারি তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত ও উর্বর মাটি কফি গাছের বৃদ্ধিতে সহায়ক।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আসির সৌদি আরবের কফি মানচিত্রে বিশিষ্ট স্থান ধরে রেখেছে। ২ লাখ ৪৩ হাজারের বেশি উৎপাদনশীল গাছ এবং বছরে ১৭৫ টনের বেশি খাঁটি কফি উৎপাদন এই অবস্থানকে সমর্থন করে। এটি অঞ্চলটিকে দেশের শীর্ষস্থানীয় কফি উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলির একটিতে পরিণত করেছে।

সম্প্রসারণের গতি উল্লেখযোগ্য। ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ৬ লাখ ৩৪ হাজারের বেশি গাছ রোপণ করা হয়েছে। কফি চাষ ১৪টি গভর্নরেটে ৭ হাজারের বেশি হেক্টরে ছড়িয়ে পড়েছে। সক্রিয় খামারের সংখ্যা ১ হাজার ৪০০ ছাড়িয়েছে। এই তথ্যগুলি কফিকে একটি অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সম্ভাবনাসম্পন্ন ফসল হিসেবে দেখার প্রবণতা প্রতিফলিত করে।

কর্মসূচি ও উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে গাছের সংখ্যা বাড়ানো, খামারের দক্ষতা উন্নত করা এবং উৎপাদনের গুণমান বাড়ানো। ২০২৬ থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে এক মিলিয়ন কফি গাছ রোপণের লক্ষ্যমাত্রা পাহাড়ি অর্থনীতি প্রচেষ্টার অংশ, যার লক্ষ্য উৎপাদনশীল পাহাড়ি এলাকা উন্নয়ন। এসপিএ জানিয়েছে, এই প্রচেষ্টার লক্ষ্য টেকসই ব্যবহার সমর্থন করা।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে মূল্য, রপ্তানি পরিমাণ বা নির্দিষ্ট কর্মসূচির বাজেট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেই। প্রতিবেদনটি আসিরের কফি ঐতিহ্য ও সম্প্রসারণের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরেছে, তবে পৃথক খামার বা কৃষকদের নাম উল্লেখ করেনি।

আসিরে কত কফি গাছ ও উৎপাদন রয়েছে? পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী আসিরে ২ লাখ ৪৩ হাজারের বেশি উৎপাদনশীল কফি গাছ রয়েছে, যা বছরে ১৭৫ টনের বেশি খাঁটি কফি উৎপাদন করে। এসপিএ জানিয়েছে, এটি আসিরকে সৌদি আরবের শীর্ষস্থানীয় কফি উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলির একটি করে তোলে।

কফি চাষ আসিরের কোথায় বিস্তৃত? সৌদি কফি চাষ দক্ষিণে আল-ফারশাহ ও তিহামা কাহতান থেকে একাধিক পাহাড়ি গভর্নরেট, সেন্টার ও গ্রামের মধ্য দিয়ে উত্তরে বালকারন পর্যন্ত বিস্তৃত। এসপিএ জানিয়েছে, এই কৃষি ভূদৃশ্য অঞ্চলটির বৈচিত্র্য প্রতিফলিত করে এবং কফিকে প্রজন্মান্তরের ঐতিহ্য থেকে সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক ফসলে রূপান্তর দেখায়।

২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে কী সম্প্রসারণ হয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে আসিরে ৬ লাখ ৩৪ হাজারের বেশি কফি গাছ রোপণ করা হয়েছে। কফি চাষ ১৪টি গভর্নরেটে ৭ হাজারের বেশি হেক্টর জুড়ে বিস্তৃত হয়েছে এবং সক্রিয় খামারের সংখ্যা ১ হাজার ৪০০ ছাড়িয়ে গেছে।

কফি চাষের জন্য আসিরের পরিবেশ কেমন? আসিরের বৈচিত্র্যময় ভূখণ্ড, উচ্চতা ও জলবায়ু কফি চাষের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করেছে। কফি গাছ কৃষি ধাপ, উপত্যকা ও পাহাড়ি ঢালে জন্মে এবং মাঝারি তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত ও উর্বর মাটি থেকে উপকৃত হয়। এসপিএ জানিয়েছে, কৃষকরা পরিপক্ব গাছ সংরক্ষণ করেছেন এবং প্রজন্মান্তরের কৃষি পদ্ধতি বজায় রেখেছেন।

এক মিলিয়ন কফি গাছ রোপণের লক্ষ্যমাত্রা কী? এসপিএ জানিয়েছে, ২০২৬ থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে এক মিলিয়ন কফি গাছ রোপণের একটি কর্মসূচি রয়েছে, যা উৎপাদনশীল পাহাড়ি এলাকা উন্নয়নের পাহাড়ি অর্থনীতি প্রচেষ্টার অংশ। এই প্রচেষ্টার লক্ষ্য টেকসই ব্যবহার সমর্থন করা।

আন্তর্জাতিক কফি দিবসে আসির কী তুলে ধরেছে? আসির অঞ্চল ১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক কফি দিবস উপলক্ষে তার পাহাড় ও ধাপে বিস্তৃত গভীর কৃষি ও সামাজিক ঐতিহ্য তুলে ধরেছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই ঐতিহ্য প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে হস্তান্তরিত হয়েছে এবং কফি এখন একটি সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক ফসলে পরিণত হয়েছে।