Monday, November 2, 2026
অর্থনীতি

জেদ্দায় সৌদিফুড প্রদর্শনী শেষ, ১,০০০-এর বেশি প্রদর্শক অংশ নেয়

জেদ্দায় সৌদিফুড প্রদর্শনী শেষ, ১,০০০-এর বেশি প্রদর্শক অংশ নেয়

জেদ্দা সুপারডোমে সৌদিফুড শো ২০২৬ ও সৌদিফুড ম্যানুফ্যাকচারিং ২০২৬ প্রদর্শনী শেষ হয়েছে, যেখানে তিন দিনে ১,০০০-এর বেশি প্রদর্শক অংশ নিয়েছে এবং ৯৫টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিত্ব ছিল।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীতে ১০০,০০০-এর বেশি খাদ্য ও পানীয় পণ্য প্রদর্শিত হয় এবং ১২,০০০-এর বেশি ব্যবসায়িক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বৈঠকগুলো উৎপাদক, সরবরাহকারী, ক্রেতা, বিনিয়োগকারী ও বিশেষজ্ঞদের সরাসরি মিলিত হওয়ার এবং সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের সুযোগ খোঁজার প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে।

প্রদর্শনীটি খাদ্য ও পানীয় খাত এবং খাদ্য উৎপাদন প্রযুক্তিতে কোম্পানি, সরবরাহকারী, ক্রেতা ও বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করেছিল। এসপিএ জানিয়েছে, তিন দিনের এই আয়োজন একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে, যা সৌদি আরবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিস্তৃত অংশগ্রহণ ও বৈচিত্র্যময় ব্যবসায়িক সুযোগ প্রতিফলিত করেছে।

এসপিএ-র তথ্য অনুযায়ী, প্রদর্শনীতে সৌদি আরবে স্বীকৃত কনসাল এবং কূটনৈতিক ও কনস্যুলার মিশনের প্রতিনিধিরা, পাশাপাশি ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। তাঁরা প্রদর্শিত পণ্য ও সমাধান দেখার এবং খাদ্য ও পানীয় খাতে বাণিজ্যিক সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ পান।

এসপিএ জানিয়েছে, সৌদি আরবের খাদ্য ও পানীয় খাত ক্রমবর্ধমান বিনিয়োগ, খাদ্য শিল্পের উন্নয়ন এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের সমন্বয়ের কারণে বাড়ছে ও প্রসারিত হচ্ছে। এই প্রবৃদ্ধি খাদ্য বাণিজ্য ও শিল্পে সৌদি আরবের অবস্থানকে একটি সক্রিয় আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী করছে।

প্রদর্শনীটি জেদ্দা সুপারডোমে অনুষ্ঠিত হয় এবং এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী এটি তিন দিন ধরে চলে। আয়োজনে ১,০০০-এর বেশি প্রদর্শক এবং ৯৫টিরও বেশি দেশের অংশগ্রহণ ছিল, যা খাদ্য ও পানীয় খাতে আন্তর্জাতিক উপস্থিতির একটি চিত্র তুলে ধরে।

এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীতে ১০০,০০০-এর বেশি খাদ্য ও পানীয় পণ্য দেখানো হয়। এছাড়া ১২,০০০-এর বেশি ব্যবসায়িক বৈঠক হয়, যেখানে উৎপাদক, সরবরাহকারী, ক্রেতা, বিনিয়োগকারী ও বিশেষজ্ঞরা সরাসরি সাক্ষাৎ করেন এবং সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের সুযোগ খোঁজেন।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই আয়োজন খাদ্য ও পানীয় খাত এবং খাদ্য উৎপাদন প্রযুক্তিতে কোম্পানি, সরবরাহকারী, ক্রেতা ও বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করেছে। তিন দিনের এই সমাবেশ সৌদি আরবের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিস্তৃত অংশগ্রহণ ও বৈচিত্র্যময় ব্যবসায়িক সুযোগের প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীতে কনসাল এবং কূটনৈতিক ও কনস্যুলার মিশনের প্রতিনিধিরা, ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা প্রদর্শিত পণ্য ও সমাধান ঘুরে দেখেন এবং খাদ্য ও পানীয় খাতে বাণিজ্যিক সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেন।

এসপিএ-র তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের খাদ্য ও পানীয় খাত বিনিয়োগ বৃদ্ধি, খাদ্য শিল্পের উন্নয়ন এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের সমন্বয়ের মাধ্যমে ক্রমাগত বাড়ছে ও প্রসারিত হচ্ছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই ধারা খাদ্য বাণিজ্য ও শিল্পে সৌদি আরবের অবস্থানকে একটি সক্রিয় আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী করছে।

প্রদর্শনীটি জেদ্দা সুপারডোমে অনুষ্ঠিত হয় এবং এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী এটি তিন দিন ধরে চলে। আয়োজনে ১,০০০-এর বেশি প্রদর্শক এবং ৯৫টিরও বেশি দেশের অংশগ্রহণ ছিল, যা খাদ্য ও পানীয় খাতে আন্তর্জাতিক উপস্থিতির একটি চিত্র তুলে ধরে।

এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীতে ১০০,০০০-এর বেশি খাদ্য ও পানীয় পণ্য দেখানো হয়। এছাড়া ১২,০০০-এর বেশি ব্যবসায়িক বৈঠক হয়, যেখানে উৎপাদক, সরবরাহকারী, ক্রেতা, বিনিয়োগকারী ও বিশেষজ্ঞরা সরাসরি সাক্ষাৎ করেন এবং সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের সুযোগ খোঁজেন।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই আয়োজন খাদ্য ও পানীয় খাত এবং খাদ্য উৎপাদন প্রযুক্তিতে কোম্পানি, সরবরাহকারী, ক্রেতা ও বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করেছে। তিন দিনের এই সমাবেশ সৌদি আরবের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিস্তৃত অংশগ্রহণ ও বৈচিত্র্যময় ব্যবসায়িক সুযোগের প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীতে কনসাল এবং কূটনৈতিক ও কনস্যুলার মিশনের প্রতিনিধিরা, ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা প্রদর্শিত পণ্য ও সমাধান ঘুরে দেখেন এবং খাদ্য ও পানীয় খাতে বাণিজ্যিক সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেন।

এসপিএ-র তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের খাদ্য ও পানীয় খাত বিনিয়োগ বৃদ্ধি, খাদ্য শিল্পের উন্নয়ন এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের সমন্বয়ের মাধ্যমে ক্রমাগত বাড়ছে ও প্রসারিত হচ্ছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই ধারা খাদ্য বাণিজ্য ও শিল্পে সৌদি আরবের অবস্থানকে একটি সক্রিয় আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী করছে।

প্রদর্শনীটি জেদ্দা সুপারডোমে অনুষ্ঠিত হয় এবং এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী এটি তিন দিন ধরে চলে। আয়োজনে ১,০০০-এর বেশি প্রদর্শক এবং ৯৫টিরও বেশি দেশের অংশগ্রহণ ছিল, যা খাদ্য ও পানীয় খাতে আন্তর্জাতিক উপস্থিতির একটি চিত্র তুলে ধরে।

এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীতে ১০০,০০০-এর বেশি খাদ্য ও পানীয় পণ্য দেখানো হয়। এছাড়া ১২,০০০-এর বেশি ব্যবসায়িক বৈঠক হয়, যেখানে উৎপাদক, সরবরাহকারী, ক্রেতা, বিনিয়োগকারী ও বিশেষজ্ঞরা সরাসরি সাক্ষাৎ করেন এবং সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের সুযোগ খোঁজেন।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই আয়োজন খাদ্য ও পানীয় খাত এবং খাদ্য উৎপাদন প্রযুক্তিতে কোম্পানি, সরবরাহকারী, ক্রেতা ও বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করেছে। তিন দিনের এই সমাবেশ সৌদি আরবের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিস্তৃত অংশগ্রহণ ও বৈচিত্র্যময় ব্যবসায়িক সুযোগের প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীতে কনসাল এবং কূটনৈতিক ও কনস্যুলার মিশনের প্রতিনিধিরা, ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা প্রদর্শিত পণ্য ও সমাধান ঘুরে দেখেন এবং খাদ্য ও পানীয় খাতে বাণিজ্যিক সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেন।

এসপিএ-র তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের খাদ্য ও পানীয় খাত বিনিয়োগ বৃদ্ধি, খাদ্য শিল্পের উন্নয়ন এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের সমন্বয়ের মাধ্যমে ক্রমাগত বাড়ছে ও প্রসারিত হচ্ছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই ধারা খাদ্য বাণিজ্য ও শিল্পে সৌদি আরবের অবস্থানকে একটি সক্রিয় আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী করছে।

প্রদর্শনীটি জেদ্দা সুপারডোমে অনুষ্ঠিত হয় এবং এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী এটি তিন দিন ধরে চলে। আয়োজনে ১,০০০-এর বেশি প্রদর্শক এবং ৯৫টিরও বেশি দেশের অংশগ্রহণ ছিল, যা খাদ্য ও পানীয় খাতে আন্তর্জাতিক উপস্থিতির একটি চিত্র তুলে ধরে।

এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীতে ১০০,০০০-এর বেশি খাদ্য ও পানীয় পণ্য দেখানো হয়। এছাড়া ১২,০০০-এর বেশি ব্যবসায়িক বৈঠক হয়, যেখানে উৎপাদক, সরবরাহকারী, ক্রেতা, বিনিয়োগকারী ও বিশেষজ্ঞরা সরাসরি সাক্ষাৎ করেন এবং সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের সুযোগ খোঁজেন।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই আয়োজন খাদ্য ও পানীয় খাত এবং খাদ্য উৎপাদন প্রযুক্তিতে কোম্পানি, সরবরাহকারী, ক্রেতা ও বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করেছে। তিন দিনের এই সমাবেশ সৌদি আরবের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিস্তৃত অংশগ্রহণ ও বৈচিত্র্যময় ব্যবসায়িক সুযোগের প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীতে কনসাল এবং কূটনৈতিক ও কনস্যুলার মিশনের প্রতিনিধিরা, ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা প্রদর্শিত পণ্য ও সমাধান ঘুরে দেখেন এবং খাদ্য ও পানীয় খাতে বাণিজ্যিক সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেন।

এসপিএ-র তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের খাদ্য ও পানীয় খাত বিনিয়োগ বৃদ্ধি, খাদ্য শিল্পের উন্নয়ন এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের সমন্বয়ের মাধ্যমে ক্রমাগত বাড়ছে ও প্রসারিত হচ্ছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই ধারা খাদ্য বাণিজ্য ও শিল্পে সৌদি আরবের অবস্থানকে একটি সক্রিয় আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী করছে।

সৌদিফুড প্রদর্শনী কোথায় ও কত দিন চলেছিল? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, সৌদিফুড শো ২০২৬ ও সৌদিফুড ম্যানুফ্যাকচারিং ২০২৬ জেদ্দা সুপারডোমে তিন দিন ধরে চলার পর শেষ হয়েছে। আয়োজনটি খাদ্য ও পানীয় খাত এবং খাদ্য উৎপাদন প্রযুক্তিতে কোম্পানি, সরবরাহকারী, ক্রেতা ও বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করেছিল। এসপিএ-র প্রতিবেদনে প্রদর্শনীর তারিখ বা সময়সূচি সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দেওয়া হয়নি।

কতগুলো প্রতিষ্ঠান ও দেশ অংশ নিয়েছিল? এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীতে ১,০০০-এর বেশি প্রদর্শক অংশ নেয় এবং তারা ৯৫টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিত্ব করে। আয়োজনে ১০০,০০০-এর বেশি খাদ্য ও পানীয় পণ্য প্রদর্শিত হয়। এসপিএ-র তথ্য অনুযায়ী, এই অংশগ্রহণ খাদ্য ও পানীয় খাতে বিস্তৃত আন্তর্জাতিক উপস্থিতি এবং বৈচিত্র্যময় ব্যবসায়িক সুযোগ প্রতিফলিত করে।

কতগুলো ব্যবসায়িক বৈঠক হয়েছে এবং কারা অংশ নিয়েছিলেন? এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীতে ১২,০০০-এর বেশি ব্যবসায়িক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসব বৈঠকে উৎপাদক, সরবরাহকারী, ক্রেতা, বিনিয়োগকারী ও বিশেষজ্ঞরা সরাসরি মিলিত হন এবং সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের সুযোগ খোঁজেন। এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বৈঠকগুলো খাদ্য ও পানীয় খাতে বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তোলার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে।

কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা কি প্রদর্শনীতে উপস্থিত ছিলেন? এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীতে সৌদি আরবে স্বীকৃত কনসাল এবং কূটনৈতিক ও কনস্যুলার মিশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও বিশেষজ্ঞরাও ছিলেন। এসপিএ-র তথ্য অনুযায়ী, তাঁরা প্রদর্শিত পণ্য ও সমাধান দেখেন এবং খাদ্য ও পানীয় খাতে বাণিজ্যিক সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেন।

সৌদি আরবের খাদ্য ও পানীয় খাত সম্পর্কে এসপিএ কী বলেছে? এসপিএ জানিয়েছে, সৌদি আরবের খাদ্য ও পানীয় খাত ক্রমবর্ধমান বিনিয়োগ, খাদ্য শিল্পের উন্নয়ন এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের সমন্বয়ের কারণে বাড়ছে ও প্রসারিত হচ্ছে। এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ধারা খাদ্য বাণিজ্য ও শিল্পে সৌদি আরবের অবস্থানকে একটি সক্রিয় আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী করছে।

প্রদর্শনীতে কী ধরনের পণ্য দেখানো হয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীতে ১০০,০০০-এর বেশি খাদ্য ও পানীয় পণ্য প্রদর্শিত হয়। আয়োজনটি খাদ্য ও পানীয় খাত এবং খাদ্য উৎপাদন প্রযুক্তিতে কোম্পানি, সরবরাহকারী, ক্রেতা ও বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করেছিল। এসপিএ-র প্রতিবেদনে পণ্যের ধরন বা নির্দিষ্ট খাত সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।