রিয়াদে ‘১০ ফ্রম সৌদি’ কর্মসূচি ১০টি সম্ভাবনাময় প্রতিষ্ঠানকে একটি বিশেষায়িত আন্তর্জাতিক ট্র্যাকে একত্র করেছে, যার লক্ষ্য তাদের ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং ইউরোপীয় বাজারে সম্প্রসারণের প্রস্তুতি জোরদার করা।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১৮ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, কর্মসূচিটি শুরু হয় রিয়াদে সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এসডিবি) অন্যতম উদ্যোগ ‘জাদা ৩০’-এ এবং তা অব্যাহত থাকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ স্টার্টআপ ক্যাম্পাস STATION F-এ অবস্থিত Incubateur HEC Paris-এ।
সৌদি ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এসএআইবি) কর্তৃক সমর্থিত ও স্পনসরকৃত এবং এসডিবি পরিচালিত এই কর্মসূচির লক্ষ্য সৌদি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বৈশ্বিক উদ্ভাবন ও বিনিয়োগ ইকোসিস্টেমে প্রবেশের নতুন সুযোগ খুলে দেওয়া। এটি এসডিবির এমন একটি সমন্বিত ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতা, যা উদ্যোক্তৃতাকে ক্ষমতায়ন করে—শুধু অর্থায়নের বাইরে গিয়ে সাংগঠনিক সক্ষমতা বিকাশ, বিনিয়োগ প্রস্তুতি জোরদার এবং ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার কাজ করে।
নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলো বৈশ্বিক দক্ষতা থেকে উপকৃত হওয়ার, বিনিয়োগকারী ও আন্তর্জাতিক কোম্পানির সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক গড়ার এবং বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধির সুযোগ অন্বেষণের সুযোগ পাবে। কর্মসূচিটি ছয়টি প্রযুক্তি ট্র্যাকের স্টার্টআপকে লক্ষ্য করে: ফিনটেক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটা, হেলথটেক, ক্লাইমেট টেক, লজিস্টিকস টেক এবং গেমিং।
কিন্তু এই ছয়টি খাতের মধ্যে কোনটি সৌদি অর্থনীতির ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা বহন করে? প্রতিষ্ঠানগুলো নির্বাচিত হয় তাদের ব্যবসায়িক মডেলের প্রস্তুতি, দলের নির্বাহী সক্ষমতা এবং বাণিজ্যিক সম্প্রসারণের সম্ভাবনার ওপর ভিত্তি করে করা মানদণ্ডে। এই মানদণ্ডের উদ্দেশ্য অংশগ্রহণকারীদের কর্মসূচির সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে সহায়তা করা এবং তাদের অংশগ্রহণকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের বাস্তব পদক্ষেপে রূপান্তর করা।
Incubateur HEC Paris at STATION F-এ আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে রয়েছে ওয়ার্কশপ, অ্যাডভাইজরি সেশন এবং বিনিয়োগকারী, বিশেষজ্ঞ ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক। এটি ইউরোপের উদ্ভাবন ইকোসিস্টেমজুড়ে কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের সুযোগও দেয়। কর্মসূচির লক্ষ্য ব্যবসাগুলোকে সহায়তা করা, তাদের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা জোরদার করা এবং বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা।
প্রশ্ন জাগে, সৌদি স্টার্টআপগুলোর জন্য ইউরোপীয় বাজারে প্রবেশের পথ কতটা মসৃণ হবে? এসডিবি দীর্ঘদিন ধরে উদ্যোক্তৃতাকে শুধু ঋণ বা অনুদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে একটি পূর্ণাঙ্গ সহায়তা কাঠামোর অংশ হিসেবে দেখে আসছে। এই কর্মসূচি সেই দৃষ্টিভঙ্গিরই সম্প্রসারণ, যেখানে অর্থায়নের পাশাপাশি সাংগঠনিক দক্ষতা, বিনিয়োগ প্রস্তুতি ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ককে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়।
‘জাদা ৩০’ এসডিবির একটি উদ্যোগ, যা রিয়াদে উদ্যোক্তাদের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে। সেখান থেকে যাত্রা শুরু করে নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলো প্যারিসের STATION F-এ পৌঁছায়, যা বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্টার্টআপ ক্যাম্পাসগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত। সেখানে Incubateur HEC Paris-এর সঙ্গে তাদের কাজ ইউরোপীয় বাজারের বাস্তবতা, চাহিদা ও বিনিয়োগ প্রবাহ সম্পর্কে সরাসরি ধারণা দেবে।
এসএআইবি-র সমর্থন ও স্পনসরশিপ এই কর্মসূচিকে আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দেয়। এসডিবি পরিচালনার দায়িত্বে থাকায় কর্মসূচির প্রতিটি ধাপে একটি সুসংগঠিত কাঠামো বজায় থাকে। এই দুই প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে সৌদি উদ্যোক্তারা এমন একটি প্ল্যাটফর্ম পাচ্ছেন, যা তাঁদের ধারণাকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে যাচাই করার সুযোগ দেয়।
কেন ছয়টি নির্দিষ্ট প্রযুক্তি খাতকে বেছে নেওয়া হয়েছে? ফিনটেক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটা, হেলথটেক, ক্লাইমেট টেক, লজিস্টিকস টেক এবং গেমিং—এই খাতগুলো বিশ্বব্যাপী দ্রুত বর্ধনশীল এবং বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রে। সৌদি স্টার্টআপগুলো যদি এই খাতগুলোতে আন্তর্জাতিক মান অর্জন করতে পারে, তবে তা দেশীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
নির্বাচনের মানদণ্ড সম্পর্কে এসপিএ স্পষ্ট করেছে, ব্যবসায়িক মডেলের প্রস্তুতি, দলের নির্বাহী সক্ষমতা এবং বাণিজ্যিক সম্প্রসারণের সম্ভাবনা—এই তিনটি বিষয় মূল্যায়ন করা হয়। এর অর্থ হলো, শুধু ভালো ধারণা থাকলেই চলবে না; ধারণাটি বাস্তবে রূপ দিতে সক্ষম একটি দল এবং বাজারে টিকে থাকার মতো মডেল থাকতে হবে। এই বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি অংশগ্রহণকারীদের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের জন্য আরও প্রস্তুত করে তুলবে।
আন্তর্জাতিক কর্মসূচির কার্যক্রমের মধ্যে ওয়ার্কশপ ও অ্যাডভাইজরি সেশন ছাড়াও বিনিয়োগকারী, বিশেষজ্ঞ ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠকের কথা বলা হয়েছে। এসব বৈঠক থেকে সৌদি প্রতিষ্ঠানগুলো ইউরোপীয় বাজারের চাহিদা, নিয়ন্ত্রণ কাঠামো ও ভোক্তা আচরণ সম্পর্কে সরাসরি জ্ঞান পাবে। পাশাপাশি ইউরোপের উদ্ভাবন ইকোসিস্টেমের কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ তাদের জন্য নতুন দরজা খুলে দিতে পারে।
এই ধরনের আন্তর্জাতিক সংযোগ কি সৌদি স্টার্টআপগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ আকর্ষণে সহায়ক হবে? এসডিবি বলছে, তাদের লক্ষ্য শুধু অর্থায়ন নয়, বরং একটি সমন্বিত ইকোসিস্টেম তৈরি করা যা উদ্যোক্তৃতাকে ক্ষমতায়ন করে। এর মধ্যে রয়েছে সাংগঠনিক সক্ষমতা বিকাশ, বিনিয়োগ প্রস্তুতি জোরদার করা এবং ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা। এই তিনটি উপাদান একসঙ্গে কাজ করলে একটি স্টার্টআপ আন্তর্জাতিক বাজারে টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়।
সৌদি আরবের অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যায়নের প্রেক্ষাপটে স্টার্টআপ খাতের ভূমিকা ক্রমেই বাড়ছে। তেলনির্ভরতা কমিয়ে উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিনির্ভর খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে এমন কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ‘১০ ফ্রম সৌদি’ সেই লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ, কারণ এটি সরাসরি বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রস্তুত করে।
প্রশ্ন হলো, এই ১০টি প্রতিষ্ঠান কি ইউরোপে সফলভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে? তাদের সামনে চ্যালেঞ্জ কম নয়—ভিন্ন বাজার, ভিন্ন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, ভিন্ন ভোক্তা মনোভাব। তবে Incubateur HEC Paris at STATION F-এর মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ তাদের সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়তা করবে বলে আশা করা যায়।
এসপিএ জানিয়েছে, কর্মসূচির লক্ষ্য ব্যবসাগুলোকে সহায়তা করা, তাদের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা জোরদার করা এবং বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা। এই লক্ষ্যগুলো একসঙ্গে অর্জিত হলে সৌদি স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম আরও পরিপক্ব হবে এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।
‘জাদা ৩০’ থেকে STATION F পর্যন্ত এই যাত্রা শুধু ভৌগোলিক নয়, এটি একটি মানসিকতার রূপান্তরও। দেশীয় পরিবেশে গড়ে ওঠা একটি প্রতিষ্ঠান যখন আন্তর্জাতিক ক্যাম্পাসে পৌঁছায়, তখন তার সামনে খুলে যায় নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত। এই অভিজ্ঞতা তাদের ব্যবসায়িক মডেল পুনর্বিবেচনা, দল গঠন এবং বিনিয়োগ কৌশল পুনর্গঠনের সুযোগ দেয়।
কোন ধরনের স্টার্টআপ এই কর্মসূচি থেকে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে? যেসব প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক মডেল ইতিমধ্যে পরীক্ষিত এবং যাদের দল নির্বাহে সক্ষম, তারাই সম্ভবত সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাবে। কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের জন্য শুধু প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন নয়, বরং বাজার বোঝাপড়া ও কার্যকর নেতৃত্বও প্রয়োজন।
এসএআইবি-র স্পনসরশিপ এই কর্মসূচির প্রতি আস্থারই প্রতিফলন। একটি ব্যাংক যখন স্টার্টআপ কর্মসূচিতে বিনিয়োগ করে, তখন তা ওই খাতের সম্ভাবনার প্রতি তার দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতি বোঝায়। এই অংশীদারিত্ব সৌদি স্টার্টআপগুলোর জন্য আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক বিশ্বাসযোগ্যতাও বয়ে আনে।
ইউরোপীয় বাজারে প্রবেশের প্রস্তুতি মানে শুধু নতুন গ্রাহক খোঁজা নয়; এর সঙ্গে জড়িত আছে নিয়ন্ত্রণ মেনে চলা, স্থানীয় অংশীদার খোঁজা এবং সাংস্কৃতিক পার্থক্য বোঝা। Incubateur HEC Paris at STATION F-এর কর্মসূচিতে এসব দিক নিয়ে ওয়ার্কশপ ও পরামর্শ সেশন থাকায় অংশগ্রহণকারীরা বাস্তব প্রস্তুতি নিতে পারবেন।
সৌদি স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের জন্য এটি কি একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা? এসডিবি ও এসএআইবি-র মতো প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ ইঙ্গিত দেয়, দেশটি প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন খাতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। ‘১০ ফ্রম সৌদি’ সেই প্রচেষ্টার একটি দৃশ্যমান উদাহরণ, যেখানে ১০টি প্রতিষ্ঠান সরাসরি আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ পাচ্ছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে কর্মসূচির সূচনা, লক্ষ্য, খাত, নির্বাচনের মানদণ্ড ও কার্যক্রমের ধরন তুলে ধরা হয়েছে। তবে কোন ১০টি প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয়েছে, তাদের নাম বা বিস্তারিত পরিচয় প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। কর্মসূচির সময়সীমা, বিনিয়োগের পরিমাণ বা নির্দিষ্ট কোনো ফলাফলের লক্ষ্যমাত্রাও বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া হয়নি।
‘১০ ফ্রম সৌদি’ কর্মসূচি কোথায় শুরু হয় এবং কোথায় চলবে? কর্মসূচিটি শুরু হয় রিয়াদে সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এসডিবি) অন্যতম উদ্যোগ ‘জাদা ৩০’-এ। এরপর তা অব্যাহত থাকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ স্টার্টআপ ক্যাম্পাস STATION F-এ অবস্থিত Incubateur HEC Paris-এ। এসপিএ জানিয়েছে, এই দুই ধাপে কর্মসূচি পরিচালিত হবে।
কর্মসূচিটি কোন কোন প্রযুক্তি খাতকে লক্ষ্য করে? কর্মসূচিটি ছয়টি প্রযুক্তি ট্র্যাকের স্টার্টআপকে লক্ষ্য করে: ফিনটেক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটা, হেলথটেক, ক্লাইমেট টেক, লজিস্টিকস টেক এবং গেমিং। এসপিএ জানিয়েছে, এই খাতগুলোর প্রতিষ্ঠানগুলোকে আন্তর্জাতিক বাজারে সম্প্রসারণের প্রস্তুতি জোরদার করতে সহায়তা করা হবে।
প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের মানদণ্ড কী? প্রতিষ্ঠানগুলো নির্বাচিত হয় তাদের ব্যবসায়িক মডেলের প্রস্তুতি, দলের নির্বাহী সক্ষমতা এবং বাণিজ্যিক সম্প্রসারণের সম্ভাবনার ওপর ভিত্তি করে করা মানদণ্ডে। এসপিএ জানিয়েছে, এই মানদণ্ডের উদ্দেশ্য অংশগ্রহণকারীদের কর্মসূচির সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে সহায়তা করা এবং তাদের অংশগ্রহণকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের বাস্তব পদক্ষেপে রূপান্তর করা।
কর্মসূচিটি কারা সমর্থন ও পরিচালনা করছে? কর্মসূচিটি সৌদি ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এসএআইবি) কর্তৃক সমর্থিত ও স্পনসরকৃত এবং সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এসডিবি) পরিচালিত। এসপিএ জানিয়েছে, এই কর্মসূচি এসডিবির এমন একটি সমন্বিত ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতা, যা উদ্যোক্তৃতাকে ক্ষমতায়ন করে।
আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে কী কী কার্যক্রম থাকবে? Incubateur HEC Paris at STATION F-এর আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে রয়েছে ওয়ার্কশপ, অ্যাডভাইজরি সেশন এবং বিনিয়োগকারী, বিশেষজ্ঞ ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক। এসপিএ জানিয়েছে, এটি ইউরোপের উদ্ভাবন ইকোসিস্টেমজুড়ে কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের সুযোগও দেয়।
কর্মসূচির মূল লক্ষ্য কী? কর্মসূচির লক্ষ্য সৌদি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বৈশ্বিক উদ্ভাবন ও বিনিয়োগ ইকোসিস্টেমে প্রবেশের নতুন সুযোগ খুলে দেওয়া। এসপিএ জানিয়েছে, এটি ব্যবসাগুলোকে সহায়তা করা, তাদের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা জোরদার করা এবং বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যেও কাজ করে।