মদীনায় ২১টি দেশের প্রায় ২৫০ জন হজযাত্রী শনিবার উহুদ পাহাড়, শহীদদের কবরস্থান ও কুবা মসজিদ পরিদর্শন করেছেন। তাঁরা ১৪৪৮ হিজরি সালের বাদশাহর দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষকের উমরাহ ও ভিজিট কর্মসূচির চতুর্থ দলের সদস্য।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, সফরটি ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স, দাওয়াহ অ্যান্ড গাইডেন্স মন্ত্রণালয় একটি সাংস্কৃতিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজন করেছে।
অতিথিরা বলেছেন, এই সফর তাঁদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছে। তাঁরা ইসলাম, মুসলিম ও হজযাত্রীদের প্রতি রাজ্যের যত্নের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মসূচি আয়োজনের প্রশংসা করেছেন।
চতুর্থ দলে উজবেকিস্তান, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ, কাজাখস্তান, কিরগিজ প্রজাতন্ত্র, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান, আজারবাইজান, তুরস্ক, জর্জিয়া, রাশিয়া, ভুটান, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ভানুয়াতু, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ও ফিজি থেকে হজযাত্রী রয়েছেন।
মদীনার উহুদ পাহাড় ইসলামের ইতিহাসে একটি পরিচিত স্থান। শহীদদের কবরস্থান সেখানে অবস্থিত। কুবা মসজিদ মদীনার অন্যতম প্রাচীন মসজিদ হিসেবে পরিচিত। এসপিএ জানিয়েছে, অতিথিরা এই তিন স্থান শনিবার পরিদর্শন করেছেন।
কর্মসূচির নামেই বোঝা যায়, এটি উমরাহ ও ভিজিট—অর্থাৎ ইবাদতের পাশাপাশি সফরও। মন্ত্রণালয় সাংস্কৃতিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই সফরের আয়োজন করেছে বলে এসপিএ উল্লেখ করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিথিরা রাজ্যের যত্নের প্রশংসা করেছেন। তাঁরা ইসলাম, মুসলিম ও হজযাত্রীদের বিষয়ে এই যত্নের কথা বলেছেন।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে সফরের সময়সূচি, দলের সদস্য সংখ্যার বিস্তারিত বা পরবর্তী গন্তব্য সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত বিবৃতিও প্রতিবেদনে নেই।
কতজন হজযাত্রী সফরে অংশ নিয়েছেন এবং তাঁরা কোন দেশ থেকে এসেছেন? প্রায় ২৫০ জন হজযাত্রী চতুর্থ দলে ছিলেন এবং তাঁরা ২১টি দেশ থেকে এসেছেন। এসপিএ অনুযায়ী দেশগুলোর মধ্যে উজবেকিস্তান, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ, কাজাখস্তান, কিরগিজ প্রজাতন্ত্র, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান, আজারবাইজান, তুরস্ক, জর্জিয়া, রাশিয়া, ভুটান, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ভানুয়াতু, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ও ফিজি রয়েছে।
অতিথিরা মদীনায় কোন স্থানগুলো পরিদর্শন করেছেন? অতিথিরা উহুদ পাহাড়, শহীদদের কবরস্থান ও কুবা মসজিদ পরিদর্শন করেছেন। এসপিএ জানিয়েছে, এই সফর শনিবার হয়েছিল এবং এটি ছিল চতুর্থ দলের কার্যক্রমের অংশ। সফরটি সাংস্কৃতিক কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত।
সফরটি কে আয়োজন করেছে এবং কেন? ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স, দাওয়াহ অ্যান্ড গাইডেন্স মন্ত্রণালয় সফরটি আয়োজন করেছে। এসপিএ অনুযায়ী এটি সাংস্কৃতিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে করা হয়েছে। কর্মসূচির নাম বাদশাহর দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষকের উমরাহ ও ভিজিট কর্মসূচি, ১৪৪৮ হিজরি।
অতিথিরা সফর নিয়ে কী বলেছেন? অতিথিরা বলেছেন, সফরটি তাঁদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছে। তাঁরা ইসলাম, মুসলিম ও হজযাত্রীদের প্রতি রাজ্যের যত্নের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এবং মন্ত্রণালয়ের আয়োজনের প্রশংসা করেছেন। এসপিএ এই প্রতিক্রিয়ার কথা উল্লেখ করেছে।