নিউ ইয়র্কে ২০২৬ সালের কনকর্ডিয়া বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষ করেছে আরব গালফ প্রোগ্রাম ফর ডেভেলপমেন্ট (এজিএফইউএনডি)। সম্মেলন ও নিউ ইয়র্ক সিটিতে চলা এর কর্মসূচিতে ছিল ধারাবাহিক বৈঠক, উন্নয়নভিত্তিক সংলাপ ও আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষর। মানব উন্নয়নে কাজ করা প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার সঙ্গে অংশীদারিত্ব জোরদার এবং সহযোগিতা বিস্তারের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, নিউ ইয়র্কে এজিএফইউএনডির কর্মসূচিতে উন্নয়নের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনায় অংশগ্রহণ, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি নিয়ে একটি গোলটেবিল আয়োজন, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৈঠক এবং ডিজিটাল উদ্ভাবন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জলবায়ু পদক্ষেপ ও তরুণদের সম্পৃক্ততাকে সমর্থনকারী প্রকল্পে চুক্তি স্বাক্ষর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
কর্মসূচির একটি প্রধান আকর্ষণ ছিল কনকর্ডিয়ার মেইনস্টেজে এজিএফইউএনডির নির্বাহী পরিচালক হাম্মাম বিন নাসের বিন জুরাইদের অংশগ্রহণ। অধিবেশনের শিরোনাম ছিল “নিউ ক্যাপিটাল, নিউ ব্লুপ্রিন্ট: অ্যাক্সিলারেটিং ডেভেলপমেন্ট’স নেক্সট চ্যাপ্টার”। আলোচনায় উন্নয়ন খাতে চলমান পরিবর্তন এবং পুঁজি, অংশীদারিত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাকে একত্রে কাজে লাগানোর প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি উঠে আসে। এতে এজিএফইউএনডির পরবর্তী পর্বের দিকনির্দেশনাও তুলে ধরা হয়, যা তার উন্নয়ন অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে প্রভাব ও টেকসইতা সর্বাধিক করা, অংশীদারিত্ব ও প্রতিষ্ঠান গঠন জোরদার করা এবং মানব উন্নয়নের স্বার্থে সম্পদ সংগ্রহকে সামনে রাখে।
কনকর্ডিয়া বার্ষিক সম্মেলন একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে সরকারি, বেসরকারি ও অলাভজনক খাতের নেতারা একত্র হন। ২০২৬ সালের এই আসর নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সমান্তরালে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে অংশগ্রহণের সময় এজিএফইউএনডি ২০২৬ সালের প্রিন্স তালাল ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ফর হিউম্যান ডেভেলপমেন্টের জন্য মনোনয়ন আহ্বান শুরু করার ঘোষণা দেয়, যার এবারের প্রতিপাদ্য একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।
নিউ ইয়র্কে এজিএফইউএনডির সম্পৃক্ততা কেবল সম্মেলনের মূল অধিবেশনে সীমাবদ্ধ ছিল না। সংস্থাটি উন্নয়নের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনায় যোগ দেয়, যেখানে উন্নয়ন খাতের পরিবর্তনশীল চিত্র নিয়ে মত বিনিময় হয়। ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি নিয়ে আয়োজিত গোলটেবিলে প্রযুক্তির সুফল যেন সবার কাছে পৌঁছায়, সেই বিষয়ে আলোচনা হয়। আন্তর্জাতিক সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৈঠকে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে কথা হয়। আর চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ডিজিটাল উদ্ভাবন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জলবায়ু পদক্ষেপ ও তরুণদের সম্পৃক্ততার প্রকল্পে সমর্থন নিশ্চিত করা হয়।
এজিএফইউএনডির নির্বাহী পরিচালক হাম্মাম বিন নাসের বিন জুরাইদের কনকর্ডিয়ার মেইনস্টেজে অংশগ্রহণ ছিল এই কর্মসূচির অন্যতম প্রধান দিক। “নিউ ক্যাপিটাল, নিউ ব্লুপ্রিন্ট: অ্যাক্সিলারেটিং ডেভেলপমেন্ট’স নেক্সট চ্যাপ্টার” শিরোনামের অধিবেশনে তিনি উন্নয়ন খাতের সামগ্রিক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন। সেখানে পুঁজি, অংশীদারিত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাকে একসঙ্গে কাজে লাগানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়। এজিএফইউএনডির পরবর্তী পর্বের দিকনির্দেশনাও এই আলোচনায় উঠে আসে।
সংস্থার দিকনির্দেশনায় রয়েছে তার উন্নয়ন অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে এগিয়ে যাওয়া, প্রভাব ও টেকসইতা সর্বাধিক করা, অংশীদারিত্ব ও প্রতিষ্ঠান গঠন জোরদার করা এবং মানব উন্নয়নের স্বার্থে সম্পদ সংগ্রহ করা। এই লক্ষ্যগুলোই নিউ ইয়র্কে এজিএফইউএনডির আলোচনা ও চুক্তিগুলোর কেন্দ্রে ছিল।
কনকর্ডিয়া বার্ষিক সম্মেলন সরকারি, বেসরকারি ও অলাভজনক খাতের নেতাদের একত্র করে। ২০২৬ সালের আসরটি নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সমান্তরালে অনুষ্ঠিত হয়। এই সমান্তরাল আয়োজন উন্নয়ন ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র তৈরি করে।
সম্মেলনে অংশগ্রহণের সময় এজিএফইউএনডি ২০২৬ সালের প্রিন্স তালাল ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ফর হিউম্যান ডেভেলপমেন্টের জন্য মনোনয়ন আহ্বান শুরু করার ঘোষণা দেয়। এবারের প্রতিপাদ্য একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। এই ঘোষণা মানব উন্নয়নে অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়ার অংশ।
নিউ ইয়র্কে এজিএফইউএনডির কর্মসূচির মধ্যে ছিল আন্তর্জাতিক আলোচনায় অংশগ্রহণ, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি নিয়ে গোলটেবিল, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৈঠক এবং কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষর। এসব চুক্তি ডিজিটাল উদ্ভাবন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জলবায়ু পদক্ষেপ ও তরুণদের সম্পৃক্ততার প্রকল্পে সমর্থন দেবে।
এজিএফইউএনডির এই সম্পৃক্ততা মানব উন্নয়নে কাজ করা প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার সঙ্গে তার অংশীদারিত্ব জোরদার এবং সহযোগিতা বিস্তারের প্রচেষ্টার অংশ। নিউ ইয়র্কে তার এই কর্মসূচি সেই লক্ষ্যেরই প্রতিফলন।
সম্মেলনের মূল অধিবেশনে এজিএফইউএনডির নির্বাহী পরিচালকের অংশগ্রহণ সংস্থার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরার একটি সুযোগ তৈরি করে। সেখানে উন্নয়ন খাতে পুঁজি, অংশীদারিত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়। এজিএফইউএনডির পরবর্তী পর্বের দিকনির্দেশনাও এই আলোচনায় প্রতিফলিত হয়।
নিউ ইয়র্কে এজিএফইউএনডির কার্যক্রম উন্নয়ন খাতের পরিবর্তনশীল বাস্তবতায় আন্তর্জাতিক সংলাপ ও সহযোগিতার ধারাবাহিকতারই অংশ। সম্মেলন শেষে সংস্থাটি তার অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতার পরিধি বিস্তারের লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাবে।
এসপিএর প্রতিবেদনে চুক্তিগুলোর আর্থিক মূল্য, নির্দিষ্ট অংশীদার প্রতিষ্ঠানের নাম বা প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সীমা উল্লেখ করা হয়নি। প্রিন্স তালাল ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ফর হিউম্যান ডেভেলপমেন্টের এবারের প্রতিপাদ্যের বিস্তারিতও প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।
এজিএফইউএনডি কনকর্ডিয়া সম্মেলনে কী কী কার্যক্রমে অংশ নিয়েছে? নিউ ইয়র্কে এজিএফইউএনডির কর্মসূচিতে ছিল উন্নয়নের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনায় অংশগ্রহণ, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি নিয়ে একটি গোলটেবিল আয়োজন, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৈঠক এবং কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষর। এসপিএ জানিয়েছে, চুক্তিগুলো ডিজিটাল উদ্ভাবন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জলবায়ু পদক্ষেপ ও তরুণদের সম্পৃক্ততার প্রকল্পে সমর্থন দেবে।
কনকর্ডিয়ার মূল অধিবেশনে এজিএফইউএনডির পক্ষ থেকে কে অংশ নিয়েছিলেন? কনকর্ডিয়ার মেইনস্টেজে “নিউ ক্যাপিটাল, নিউ ব্লুপ্রিন্ট: অ্যাক্সিলারেটিং ডেভেলপমেন্ট’স নেক্সট চ্যাপ্টার” শিরোনামের অধিবেশনে অংশ নেন এজিএফইউএনডির নির্বাহী পরিচালক হাম্মাম বিন নাসের বিন জুরাইদ। আলোচনায় উন্নয়ন খাতে চলমান পরিবর্তন এবং পুঁজি, অংশীদারিত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাকে একত্রে কাজে লাগানোর প্রয়োজনীয়তা উঠে আসে।
এজিএফইউএনডি কোন পুরস্কারের মনোনয়ন আহ্বান শুরু করেছে? সম্মেলনে অংশগ্রহণের সময় এজিএফইউএনডি ২০২৬ সালের প্রিন্স তালাল ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ফর হিউম্যান ডেভেলপমেন্টের জন্য মনোনয়ন আহ্বান শুরু করার ঘোষণা দেয়। এসপিএ জানিয়েছে, এবারের প্রতিপাদ্য একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। প্রতিবেদনে প্রতিপাদ্যের বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।
কনকর্ডিয়া বার্ষিক সম্মেলন কারা অংশ নেয় এবং ২০২৬ সালের আসর কোথায় হয়েছিল? কনকর্ডিয়া বার্ষিক সম্মেলন একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে সরকারি, বেসরকারি ও অলাভজনক খাতের নেতারা একত্র হন। এসপিএ জানিয়েছে, ২০২৬ সালের আসরটি নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সমান্তরালে অনুষ্ঠিত হয়। এই সমান্তরাল আয়োজন উন্নয়ন ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততার ক্ষেত্র তৈরি করে।
এজিএফইউএনডির পরবর্তী পর্বের দিকনির্দেশনা কী? এজিএফইউএনডির পরবর্তী পর্বের দিকনির্দেশনায় রয়েছে তার উন্নয়ন অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে এগিয়ে যাওয়া, প্রভাব ও টেকসইতা সর্বাধিক করা, অংশীদারিত্ব ও প্রতিষ্ঠান গঠন জোরদার করা এবং মানব উন্নয়নের স্বার্থে সম্পদ সংগ্রহ করা। এসপিএ জানিয়েছে, নিউ ইয়র্কে সংস্থার আলোচনা ও চুক্তিগুলোর কেন্দ্রে ছিল এই লক্ষ্যগুলোই।





