মদিনার মসজিদে নববীতে রমজানের শেষ দশ দিনে ১২০টি দেশ থেকে চার হাজার পুরুষ ও নারী মুতাকিফ ইতিকাফ করছেন। ইতিকাফ সেবার জন্য নির্ধারিত এলাকার ধারণক্ষমতা অনুযায়ী এই সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২১ মার্চ ২০২৫-এ জানিয়েছে, মুতাকিফরা আগের দিন মসজিদে নববীতে পৌঁছেছেন। পশ্চিম ছাদের নির্ধারিত স্থানে পৌঁছাতে ৬ ও ১০ নম্বর সিঁড়ি ব্যবহার করতে হয়, আর উত্তর-পূর্ব অংশে যেতে হয় ২৪ ও ২৫এ নম্বর প্রবেশদ্বার দিয়ে।
মসজিদে নববীর ইতিকাফ সেবা কেমন হয়, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে অনেকের। হরম ও মসজিদে নববীর পরিচর্যার দায়িত্বে থাকা জেনারেল অথরিটি ফর দ্য কেয়ার অব দ্য টু হোলি মস্কস মুতাকিফদের ইবাদত যেন সহজে ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়, সে জন্য বিভিন্ন সেবা দিয়েছে। সংস্থাটি মুতাকিফদের জন্য একটি সেবা ডেস্ক, লাগেজ লকার, মেডিকেল ক্লিনিক, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং একাধিক ভাষায় অনুবাদ সেবা চালু করেছে।
শুধু তাই নয়, ইতিকাফকারীদের জন্য শিক্ষামূলক পাঠদান, ইফতার, রাতের খাবার ও সাহরিতে পূর্ণ আতিথেয়তা, মোবাইল ডিভাইস চার্জার এবং ব্যক্তিগত পরিচর্যার কিটও রয়েছে। প্রত্যেক মুতাকিফকে একটি ব্রেসলেট দেওয়া হয়েছে, যা নির্ধারিত স্থানে সহজে চলাচল ও সেবা গ্রহণে সহায়তা করে।
এত সেবা একসঙ্গে কীভাবে পরিচালিত হয়, ভেবে দেখেছেন কখনো? চার হাজার মানুষ একই ছাদের নিচে, একই সময়ে খাবার খান, বিশ্রাম নেন, ইবাদত করেন। সেবা ডেস্ক থেকে লাগেজ লকার পর্যন্ত প্রতিটি ব্যবস্থা সেই সমন্বয়েরই অংশ।
রমজানের শেষ দশ দিন ইতিকাফের জন্য বিশেষ সময় হিসেবে বিবেচিত হয়। মুতাকিফরা দিন-রাত মসজিদে অবস্থান করে ইবাদত, কুরআন তিলাওয়াত ও দোয়ায় সময় কাটান। মসজিদে নববীতে প্রতি বছর এই সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মানুষ আসেন।
১২০টি দেশ থেকে চার হাজার মানুষ—এই সংখ্যাটি কি কম? মদিনার মসজিদে নববীর ধারণক্ষমতার তুলনায় এটি একটি নির্দিষ্ট সীমা, যা ইতিকাফ এলাকার ধারণক্ষমতা অনুযায়ী ঠিক করা হয়েছে।
মুতাকিফদের জন্য নির্ধারিত স্থানগুলোর মধ্যে পশ্চিম ছাদ অন্যতম। ৬ ও ১০ নম্বর সিঁড়ি দিয়ে সেখানে পৌঁছাতে হয়। উত্তর-পূর্ব অংশে প্রবেশের জন্য ২৪ ও ২৫এ নম্বর গেট ব্যবহার করতে হয়। এই গেট ও সিঁড়ির নম্বরগুলো কেন এত নির্দিষ্ট? কারণ বিশাল এই মসজিদে ভিড় সামলাতে নির্দিষ্ট পথ নির্ধারণ করা হয়, যাতে কেউ বিভ্রান্ত না হন।
জেনারেল অথরিটি ফর দ্য কেয়ার অব দ্য টু হোলি মস্কস প্রতিবছর ইতিকাফ সেবায় বড় পরিসরের ব্যবস্থা নেয়। সেবা ডেস্ক মুতাকিফদের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়। লাগেজ লকার তাদের মালামাল নিরাপদে রাখতে সাহায্য করে। মেডিকেল ক্লিনিক ও প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা স্বাস্থ্য সমস্যায় দ্রুত সহায়তা দেয়।
ভাষাগত বাধা কি ইবাদতে বিঘ্ন ঘটায়? ১২০টি দেশ থেকে আসা মানুষের ভাষা আলাদা। তাই একাধিক ভাষায় অনুবাদ সেবা চালু করা হয়েছে, যাতে সবাই নিজের ভাষায় প্রয়োজনীয় তথ্য বুঝতে পারেন।
ইফতার, রাতের খাবার ও সাহরির পূর্ণ আতিথেয়তা মুতাকিফদের জন্য বড় সহায়তা। রোজা রাখার পর ইফতার, তারপর রাতের খাবার এবং শেষরাতে সাহরি—এই তিন বেলার খাবারই তাদের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া মোবাইল ডিভাইস চার্জার ও ব্যক্তিগত পরিচর্যার কিট দেওয়া হয়েছে।
ব্রেসলেটটি কী কাজ করে? প্রত্যেক মুতাকিফকে দেওয়া এই ব্রেসলেট নির্ধারিত স্থানে সহজে চলাচল ও সেবা গ্রহণে সহায়তা করে। ভিড়ের মধ্যে পরিচয় ও অবস্থান শনাক্তে এটি সহায়ক।
শিক্ষামূলক পাঠদানও রয়েছে এই সেবার তালিকায়। ইতিকাফ শুধু নীরব ইবাদত নয়, জ্ঞান অর্জনেরও সময়। তাই মুতাকিফদের জন্য পাঠের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
রমজানের শেষ দশ দিন মসজিদে নববীতে ইতিকাফের চাহিদা প্রতি বছর বাড়ে। ধারণক্ষমতা অনুযায়ী সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়, যাতে সেবার মান ঠিক থাকে। চার হাজার মুতাকিফের জন্য এই সেবাগুলো সমন্বয় করা সহজ কাজ নয়।
মসজিদে নববীর পশ্চিম ছাদ, উত্তর-পূর্ব অংশ—এই স্থানগুলো কেন বেছে নেওয়া হয়েছে? ইতিকাফের জন্য নির্ধারিত এলাকা হিসেবে এসব জায়গা ব্যবহার করা হয়, যেখানে মুতাকিফরা ইবাদতে মনোযোগ দিতে পারেন।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, মুতাকিফরা আগের দিন পৌঁছেছেন। প্রতিবেদনে ইতিকাফ সেবার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। তবে কোন দেশ থেকে কতজন এসেছেন, তা আলাদা করে বলা হয়নি।
১২০টি দেশের তালিকাও প্রতিবেদনে নেই। কোন ভাষায় অনুবাদ সেবা দেওয়া হচ্ছে, সেই ভাষার সংখ্যাও উল্লেখ করা হয়নি। সেবা ডেস্ক, লকার, ক্লিনিক—এসবের সংখ্যা বা অবস্থানও বিস্তারিত বলা হয়নি।
মেডিকেল ক্লিনিকে কতজন চিকিৎসক আছেন, প্রাথমিক চিকিৎসার কী কী সামগ্রী আছে, তা প্রতিবেদনে নেই। শিক্ষামূলক পাঠের বিষয় বা সময়সূচিও উল্লেখ করা হয়নি।
ব্রেসলেটের প্রযুক্তিগত বিবরণ, যেমন এটি কীভাবে কাজ করে বা কোন তথ্য ধারণ করে, তা প্রতিবেদনে নেই। ব্যক্তিগত পরিচর্যার কিটে কী কী আছে, তাও বলা হয়নি।
ইফতার, রাতের খাবার ও সাহরির মেনু বা পরিবেশনের ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু প্রতিবেদনে নেই। মোবাইল ডিভাইস চার্জারের সংখ্যা বা অবস্থানও উল্লেখ করা হয়নি।
মসজিদে নববীতে ইতিকাফের জন্য আবেদন বা নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পর্কেও প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি। ধারণক্ষমতা অনুযায়ী সংখ্যা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু সেই ধারণক্ষমতা কত, তা স্পষ্ট নয়।
রমজানের শেষ দশ দিনে মসজিদে নববীতে ইতিকাফ করা মুসলিমদের জন্য বিশেষ ইবাদত। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এখানে আসেন। ১২০টি দেশ থেকে চার হাজার মুতাকিফের উপস্থিতি সেই বৈচিত্র্যেরই চিত্র।
সেবার মান বজায় রাখতে জেনারেল অথরিটি ফর দ্য কেয়ার অব দ্য টু হোলি মস্কস নানা ব্যবস্থা নিয়েছে। সেবা ডেস্ক থেকে শুরু করে চিকিৎসা, খাবার, ভাষা সহায়তা—সবই মুতাকিফদের ইবাদত সহজ করতে।
ভিড়ের মধ্যে সেবা পৌঁছে দেওয়া কতটা চ্যালেঞ্জিং? চার হাজার মানুষ, ১২০টি দেশ, একাধিক ভাষা—এই সমন্বয় প্রতিটি সেবা কেন্দ্রে প্রয়োজন। ব্রেসলেট, লকার, চার্জার—ছোট ছোট ব্যবস্থাও বড় ভূমিকা রাখে।
মসজিদে নববীর পশ্চিম ছাদে ৬ ও ১০ নম্বর সিঁড়ি দিয়ে পৌঁছানো যায়। উত্তর-পূর্ব অংশে ২৪ ও ২৫এ নম্বর গেট। এই নির্দিষ্ট পথগুলো মুতাকিফদের চলাচল সহজ করে।
ইতিকাফ সেবার মধ্যে শিক্ষামূলক পাঠদান অন্তর্ভুক্ত। ইবাদতের পাশাপাশি জ্ঞানচর্চার সুযোগ মুতাকিফদের জন্য বাড়তি পাওয়া। অনুবাদ সেবা ভাষার বাধা দূর করে।
প্রাথমিক চিকিৎসা ও মেডিকেল ক্লিনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে। ব্যক্তিগত পরিচর্যার কিট ও মোবাইল চার্জার দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটায়। ইফতার, রাতের খাবার ও সাহরির আতিথেয়তা খাবারের চিন্তা দূর করে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ-র প্রতিবেদনে এসব সেবার কথা বলা হয়েছে। তবে সেবার পরিমাণ, জনবল বা সময়সূচি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেই। কোন দেশ থেকে কতজন মুতাকিফ এসেছেন, সেই বিভাজনও প্রতিবেদনে অনুপস্থিত।
মসজিদে নববীতে ইতিকাফের এই ব্যবস্থা প্রতি বছর রমজানের শেষ দশ দিনে দেখা যায়। ধারণক্ষমতা অনুযায়ী মুতাকিফ সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়। সেবার ধরনও সেই সংখ্যার সঙ্গে সমন্বয় করে সাজানো হয়।
১২০টি দেশের চার হাজার মুতাকিফ—এই তথ্যটিই প্রতিবেদনের মূল। এর বাইরে সেবার বিস্তারিত তালিকা দেওয়া হয়েছে। তবে সংখ্যা, সময় বা অতিরিক্ত পরিসংখ্যান প্রতিবেদনে নেই।
মসজিদে নববীতে কতজন মুতাকিফ ইতিকাফ করছেন এবং তাঁরা কোথা থেকে এসেছেন? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, মসজিদে নববীতে রমজানের শেষ দশ দিনে চার হাজার পুরুষ ও নারী মুতাকিফ ইতিকাফ করছেন। তাঁরা ১২০টি দেশ থেকে এসেছেন। ইতিকাফ সেবার জন্য নির্ধারিত এলাকার ধারণক্ষমতা অনুযায়ী এই সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে। মুতাকিফরা আগের দিন মসজিদে নববীতে পৌঁছেছেন।
মুতাকিফরা কোন কোন স্থান ও প্রবেশপথ ব্যবহার করেন? এসপিএ জানিয়েছে, মুতাকিফরা পশ্চিম ছাদের নির্ধারিত স্থানে পৌঁছাতে ৬ ও ১০ নম্বর সিঁড়ি ব্যবহার করেন। উত্তর-পূর্ব অংশে যেতে হয় ২৪ ও ২৫এ নম্বর প্রবেশদ্বার দিয়ে। প্রত্যেক মুতাকিফকে একটি ব্রেসলেট দেওয়া হয়েছে, যা নির্ধারিত স্থানে সহজে চলাচল ও সেবা গ্রহণে সহায়তা করে।
ইতিকাফ সেবায় কী কী সুবিধা দেওয়া হচ্ছে? জেনারেল অথরিটি ফর দ্য কেয়ার অব দ্য টু হোলি মস্কস মুতাকিফদের জন্য সেবা ডেস্ক, লাগেজ লকার, মেডিকেল ক্লিনিক, প্রাথমিক চিকিৎসা ও একাধিক ভাষায় অনুবাদ সেবা চালু করেছে। এছাড়া শিক্ষামূলক পাঠদান, ইফতার, রাতের খাবার ও সাহরিতে পূর্ণ আতিথেয়তা, মোবাইল ডিভাইস চার্জার এবং ব্যক্তিগত পরিচর্যার কিট রয়েছে। এসপিএ এসব সেবার কথা জানিয়েছে।
ইতিকাফ সেবার সংখ্যা বা সময়সূচি সম্পর্কে কী জানা যায়? এসপিএ-র প্রতিবেদনে সেবা ডেস্ক, লকার, ক্লিনিক বা চার্জারের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। কোন ভাষায় অনুবাদ সেবা দেওয়া হচ্ছে, সেই ভাষার সংখ্যাও বলা হয়নি। মেডিকেল ক্লিনিকে কতজন চিকিৎসক আছেন বা শিক্ষামূলক পাঠের সময়সূচি কী, তাও প্রতিবেদনে নেই। শুধু সেবার ধরন তুলে ধরা হয়েছে।
কোন দেশ থেকে কতজন মুতাকিফ এসেছেন, তা কি জানা যায়? এসপিএ জানিয়েছে, মুতাকিফরা ১২০টি দেশ থেকে এসেছেন এবং তাঁদের সংখ্যা চার হাজার। তবে কোন দেশ থেকে কতজন এসেছেন, সেই বিভাজন প্রতিবেদনে নেই। ১২০টি দেশের তালিকাও উল্লেখ করা হয়নি। ইতিকাফ এলাকার ধারণক্ষমতা কত, সেই সংখ্যাও স্পষ্ট নয়।
মসজিদে নববীতে ইতিকাফের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে কী বলা হয়েছে? এসপিএ-র প্রতিবেদনে ইতিকাফের জন্য আবেদন বা নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। শুধু ধারণক্ষমতা অনুযায়ী সংখ্যা নির্ধারণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মুতাকিফরা আগের দিন পৌঁছেছেন এবং নির্ধারিত স্থানে সেবা পেয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। আবেদন পদ্ধতি বা যোগ্যতার শর্ত প্রতিবেদনে অনুপস্থিত।