Monday, October 19, 2026
সৌদি সংবাদ

ওইসিডি: ইটেকের এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং সিচুয়েশন রুম অন্য দেশের জন্য মডেল

ওইসিডি: ইটেকের এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং সিচুয়েশন রুম অন্য দেশের জন্য মডেল

রিয়াদে সৌদি আরবের এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং ইভালুয়েশন কমিশন (ইটেক) যে এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং সিচুয়েশন রুম গড়ে তুলেছে, তার তুলনীয় কোনো মডেল নিজে যে বহু শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে কাজ করেন সেখানে নেই বলে মন্তব্য করেছেন ওইসিডি-র শিক্ষা ও দক্ষতা বিভাগের পরিচালক এবং ওইসিডি মহাসচিবের শিক্ষানীতি বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা আন্দ্রেয়াস শ্লাইখার।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, ১৮ অক্টোবর ২০২৬-এ রিয়াদে ইটেকের বোর্ড অব ডিরেক্টরসের চেয়ারম্যান ড. খালিদ বিন আবদুল্লাহ আল-সাবতির সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন। বৈঠকে তাঁকে কমিশনের মূল্যায়ন ও মূল্যায়ন-তথ্য ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি, সিচুয়েশন রুমের ড্যাশবোর্ড এবং বিশ্লেষণী সক্ষমতা সম্পর্কে অবহিত করা হয়।

শ্লাইখার বলেন, ইটেকের বিশেষত্ব কেবল পদ্ধতিগত মূল্যায়ন ও মূল্যায়নের মাধ্যমে তথ্য তৈরি করাই নয়, বরং শিক্ষা প্রক্রিয়া ও চর্চার উন্নয়নে সেই তথ্য বিশ্লেষণ ও ব্যবহার করার সক্ষমতাও। তাঁর ভাষায়, অন্য অনেক শিক্ষাব্যবস্থায় তথ্য খণ্ডিত অবস্থায় থাকে, আলাদা আলাদা সিস্টেমে ছড়িয়ে থাকে, বা সংরক্ষিত থাকে কিন্তু কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হয় না। তাহলে প্রশ্ন দাঁড়ায়, খণ্ডিত তথ্য দিয়ে কীভাবে শিক্ষার প্রকৃত চিত্র বোঝা সম্ভব?

তিনি ইটেকের তথ্যকে জ্ঞানে রূপান্তরের অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন এবং বলেন, ধারাবাহিক সফরে তিনি তার সক্ষমতার মৌলিক রূপান্তর প্রত্যক্ষ করেছেন। আগের সফরে ইটেক শিক্ষাব্যবস্থার তথাকথিত ‘চোখ ও কান’ গড়ে তুলছিল, অর্থাৎ পারফরম্যান্স ও শেখার ফলাফল পর্যবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাপের হাতিয়ার ও সূচক তৈরি করছিল। এখন কমিশন ব্যবস্থার ‘মস্তিষ্ক’ গড়ে তুলছে, যা ফলাফল ব্যাখ্যা করা, তার ওপর প্রভাব ফেলা কারণগুলো বোঝা এবং উন্নত প্রযুক্তি কাজে লাগানোর زیرকাঠামো ও সক্ষমতাকে প্রতিনিধিত্ব করে। প্রশ্ন হলো, শুধু পরিমাপই যথেষ্ট, নাকি পরিমাপকে সিদ্ধান্তে রূপ দিতে হয়?

এসপিএ জানিয়েছে, শ্লাইখার ওইসিডি-র শিক্ষা ও দক্ষতা বিভাগের পরিচালক এবং মহাসচিবের শিক্ষানীতি বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বৈঠকে ইটেকের বোর্ড চেয়ারম্যান ড. খালিদ বিন আবদুল্লাহ আল-সাবতি উপস্থিত ছিলেন। সূত্র অনুযায়ী, সিচুয়েশন রুম একাধিক উৎস থেকে তথ্য একত্র করে তা থেকে বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও অন্তর্দৃষ্টি তৈরি করতে পারে, যা শিক্ষার পারফরম্যান্স উন্নয়নে সহায়তা করে। প্রশ্ন জাগে, একাধিক উৎসের তথ্য এক জায়গায় এলে শিক্ষানীতির সিদ্ধান্ত কি দ্রুততর হয়?

শ্লাইখারের বক্তব্যের কেন্দ্রে ছিল তথ্যের ব্যবহার। তিনি বলেন, অনেক ব্যবস্থায় তথ্য আলাদা আলাদা সিস্টেমে বিচ্ছিন্ন, বা সংরক্ষিত থেকেও কাজে লাগানো হয় না। ইটেকের ক্ষেত্রে তথ্য বিশ্লেষণ করে শিক্ষা প্রক্রিয়া ও চর্চার উন্নয়নে ব্যবহার করা হয়। এই পার্থক্য কীভাবে অন্য দেশের জন্য অনুকরণযোগ্য হয়ে উঠতে পারে?

তিনি আরও বলেন, ধারাবাহিক সফরে তিনি ইটেকের সক্ষমতার মৌলিক রূপান্তর দেখেছেন। আগের সফরে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষাব্যবস্থার ‘চোখ ও কান’ তৈরি করছিল, অর্থাৎ পারফরম্যান্স ও শেখার ফলাফল পর্যবেক্ষণের পরিমাপ ও সূচক দাঁড় করাচ্ছিল। এখন তা ‘মস্তিষ্ক’ গড়ে তুলছে, যেখানে ফলাফল ব্যাখ্যা, প্রভাবক কারণ বোঝা এবং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা তৈরি হচ্ছে। প্রশ্ন হলো, এই দুই ধাপের মধ্যে সংযোগ কতটা মজবুত?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে শ্লাইখারকে কমিশনের মূল্যায়ন ও মূল্যায়ন-তথ্য ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি এবং সিচুয়েশন রুমের ড্যাশবোর্ড ও বিশ্লেষণী সক্ষমতা সম্পর্কে অবহিত করা হয়। এই উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে সৌদি আরবের শিক্ষা-মূল্যায়ন কাঠামো কীভাবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরা হলো, সেটিও স্পষ্ট। প্রশ্ন দাঁড়ায়, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি কি অভ্যন্তরীণ সংস্কারকে ত্বরান্বিত করে?

শ্লাইখারের মন্তব্যের একটি বড় দিক হলো তুলনা। তিনি বলেন, তিনি যে বহু শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে কাজ করেন, সেখানে ইটেকের সিচুয়েশন রুমের মতো তুলনীয় মডেল নেই। এই তুলনামূলক বক্তব্য ইটেকের কাজকে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে আলাদা করে তোলে। কিন্তু তুলনীয় মডেল না থাকা কি সুবিধা, নাকি শেখার সুযোগ কমে যাওয়া?

তিনি বলেন, ইটেকের বিশেষত্ব কেবল পদ্ধতিগত মূল্যায়ন ও মূল্যায়নের মাধ্যমে তথ্য উৎপাদন নয়, বরং শিক্ষা প্রক্রিয়া ও চর্চার উন্নয়নে তথ্য বিশ্লেষণ ও ব্যবহারের সক্ষমতা। তাঁর মতে, অন্য অনেক ব্যবস্থায় তথ্য খণ্ডিত, বিভিন্ন সিস্টেমে আলাদা, বা কার্যকরভাবে ব্যবহার না করে সংরক্ষিত। তাহলে প্রশ্ন হলো, তথ্য সংরক্ষণ আর তথ্য ব্যবহারের মধ্যে দূরত্ব কীভাবে কমে?

তিনি ইটেকের তথ্যকে জ্ঞানে রূপান্তরের অগ্রগতির কথা বলেন এবং ধারাবাহিক সফরে তার সক্ষমতার মৌলিক রূপান্তর প্রত্যক্ষ করার কথা জানান। আগের সফরে ইটেক শিক্ষাব্যবস্থার ‘চোখ ও কান’ তৈরি করছিল, অর্থাৎ পারফরম্যান্স ও শেখার ফলাফল পর্যবেক্ষণের পরিমাপ ও সূচক দাঁড় করাচ্ছিল। এখন কমিশন ব্যবস্থার ‘মস্তিষ্ক’ গড়ে তুলছে, যা ফলাফল ব্যাখ্যা, প্রভাবক কারণ বোঝা এবং উন্নত প্রযুক্তি কাজে লাগানোর زیرকাঠামো ও সক্ষমতা। প্রশ্ন জাগে, ‘চোখ-কান’ থেকে ‘মস্তিষ্ক’-এ উত্তরণে কোন দক্ষতা সবচেয়ে জরুরি?

এসপিএ-র বরাতে জানা যায়, বৈঠকে ড. খালিদ বিন আবদুল্লাহ আল-সাবতি শ্লাইখারকে কমিশনের পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করেন। সিচুয়েশন রুমের ড্যাশবোর্ড ও বিশ্লেষণী সক্ষমতা তুলে ধরা হয়। এই ধরনের সক্ষমতা শিক্ষা-পরিকল্পনায় কীভাবে সহায়ক হতে পারে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকা স্বাভাবিক।

শ্লাইখারের বক্তব্যে তথ্যের খণ্ডিতকরণ একটি কেন্দ্রীয় সমস্যা হিসেবে উঠে আসে। তিনি বলেন, অনেক শিক্ষাব্যবস্থায় তথ্য বিভিন্ন সিস্টেমে বিচ্ছিন্ন বা সংরক্ষিত কিন্তু অব্যবহৃত। ইটেকের ক্ষেত্রে তথ্য বিশ্লেষণ করে শিক্ষা প্রক্রিয়া ও চর্চার উন্নয়নে ব্যবহার করা হয়। এই পার্থক্য কীভাবে অন্য দেশের জন্য পাঠ হয়ে উঠতে পারে?

তিনি আরও বলেন, ইটেকের সক্ষমতার রূপান্তর ধারাবাহিক সফরে প্রত্যক্ষ করা গেছে। আগের সফরে পরিমাপ ও সূচক তৈরির কাজ চলছিল, যা শিক্ষাব্যবস্থার ‘চোখ ও কান’। এখন ফলাফল ব্যাখ্যা, প্রভাবক কারণ বোঝা এবং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা গড়ে উঠছে, যা ব্যবস্থার ‘মস্তিষ্ক’। প্রশ্ন হলো, এই মস্তিষ্ক কি নীতিনির্ধারকদের সিদ্ধান্তে সরাসরি প্রভাব ফেলছে?

এসপিএ জানিয়েছে, শ্লাইখার ওইসিডি-র শিক্ষা ও দক্ষতা বিভাগের পরিচালক এবং মহাসচিবের শিক্ষানীতি বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা। বৈঠকে ইটেকের বোর্ড চেয়ারম্যান ড. খালিদ বিন আবদুল্লাহ আল-সাবতি উপস্থিত ছিলেন। সূত্র অনুযায়ী, সিচুয়েশন রুম একাধিক উৎসের তথ্য একত্র করে বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও অন্তর্দৃষ্টি তৈরি করে, যা শিক্ষার পারফরম্যান্স উন্নয়নে সহায়তা করে। প্রশ্ন দাঁড়ায়, বহুমুখী তথ্য একত্র করার ক্ষমতা কি শিক্ষার গুণগত মান বাড়ায়?

শ্লাইখারের মন্তব্যে ইটেকের অগ্রগতির ধারাবাহিকতা গুরুত্ব পেয়েছে। তিনি বলেন, ধারাবাহিক সফরে তিনি সক্ষমতার মৌলিক রূপান্তর দেখেছেন। আগের সফরে ‘চোখ ও কান’ তৈরি হচ্ছিল, এখন ‘মস্তিষ্ক’ গড়ে উঠছে। এই ধারাবাহিকতা শিক্ষা-মূল্যায়নে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের ইঙ্গিত দেয়। প্রশ্ন হলো, দীর্ঘমেয়াদি এই বিনিয়োগের ফল কীভাবে মাপা হবে?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে কমিশনের মূল্যায়ন ও মূল্যায়ন-তথ্য ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি এবং সিচুয়েশন রুমের ড্যাশবোর্ড ও বিশ্লেষণী সক্ষমতা সম্পর্কে অবহিত করা হয়। শ্লাইখার এসব সক্ষমতার প্রশংসা করেন এবং বলেন, তাঁর পরিচিত বহু ব্যবস্থায় তুলনীয় মডেল নেই। প্রশ্ন জাগে, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি কি অভ্যন্তরীণ সংস্কারের গতি বাড়ায়?

সূত্র অনুযায়ী, শ্লাইখার তথ্যের খণ্ডিতকরণকে অন্য ব্যবস্থার সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেন। তিনি বলেন, তথ্য বিভিন্ন সিস্টেমে আলাদা বা সংরক্ষিত কিন্তু অব্যবহৃত থাকে। ইটেকের ক্ষেত্রে তথ্য বিশ্লেষণ করে শিক্ষা প্রক্রিয়া ও চর্চার উন্নয়নে ব্যবহার করা হয়। এই ব্যবহারিক দিকটিই ইটেকের মডেলকে আলাদা করে। প্রশ্ন হলো, তথ্য ব্যবহারের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে কী প্রয়োজন?

তিনি ইটেকের তথ্যকে জ্ঞানে রূপান্তরের অগ্রগতির কথা বলেন এবং ধারাবাহিক সফরে সক্ষমতার মৌলিক রূপান্তর প্রত্যক্ষ করার কথা জানান। আগের সফরে ‘চোখ ও কান’ তৈরি হচ্ছিল, এখন ‘মস্তিষ্ক’ গড়ে উঠছে। এই রূপকথার মতো ধাপগুলো শিক্ষা-মূল্যায়নের পরিপক্বতার সংকেত। প্রশ্ন দাঁড়ায়, পরিপক্বতার পরবর্তী ধাপ কী হতে পারে?

এসপিএ জানিয়েছে, বৈঠকে ড. খালিদ বিন আবদুল্লাহ আল-সাবতি শ্লাইখারকে কমিশনের পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করেন এবং সিচুয়েশন রুমের ড্যাশবোর্ড ও বিশ্লেষণী সক্ষমতা তুলে ধরেন। শ্লাইখার বলেন, ইটেকের বিশেষত্ব কেবল তথ্য উৎপাদন নয়, তথ্য বিশ্লেষণ ও ব্যবহারের সক্ষমতা। প্রশ্ন হলো, এই সক্ষমতা কি অন্য দেশের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া যাবে?

সূত্র অনুযায়ী, শ্লাইখার ওইসিডি-র শিক্ষা ও দক্ষতা বিভাগের পরিচালক এবং মহাসচিবের শিক্ষানীতি বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা। তাঁর মন্তব্যে ইটেকের সিচুয়েশন রুমকে অন্য দেশের জন্য মডেল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে সিচুয়েশন রুমের সদস্যসংখ্যা, বাজেট, কার্যক্রমের সময়সীমা বা নির্দিষ্ট ফলাফলের কোনো সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি।

শ্লাইখার ইটেকের সিচুয়েশন রুম সম্পর্কে কী বলেছেন? ওইসিডি-র শিক্ষা ও দক্ষতা বিভাগের পরিচালক আন্দ্রেয়াস শ্লাইখার বলেন, তিনি যে বহু শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে কাজ করেন, সেখানে ইটেকের সিচুয়েশন রুমের মতো তুলনীয় মডেল নেই। তিনি ইটেকের একাধিক উৎস থেকে তথ্য একত্র করে বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও অন্তর্দৃষ্টি তৈরির সক্ষমতার প্রশংসা করেন। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি ১৮ অক্টোবর ২০২৬-এ রিয়াদে ইটেকের বোর্ড চেয়ারম্যান ড. খালিদ বিন আবদুল্লাহ আল-সাবতির সঙ্গে বৈঠকে এ মন্তব্য করেন।

ইটেকের বিশেষত্ব কী বলে তিনি উল্লেখ করেছেন? শ্লাইখার বলেন, ইটেকের বিশেষত্ব কেবল পদ্ধতিগত মূল্যায়ন ও মূল্যায়নের মাধ্যমে তথ্য তৈরি করাই নয়, বরং শিক্ষা প্রক্রিয়া ও চর্চার উন্নয়নে সেই তথ্য বিশ্লেষণ ও ব্যবহার করার সক্ষমতাও। তাঁর মতে, অন্য অনেক শিক্ষাব্যবস্থায় তথ্য খণ্ডিত, বিভিন্ন সিস্টেমে আলাদা বা সংরক্ষিত কিন্তু কার্যকরভাবে অব্যবহৃত থাকে। এসপিএ জানিয়েছে, বৈঠকে তাঁকে কমিশনের মূল্যায়ন ও মূল্যায়ন-তথ্য ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করা হয়।

‘চোখ ও কান’ ও ‘মস্তিষ্ক’ বলতে তিনি কী বোঝাতে চেয়েছেন? শ্লাইখার বলেন, আগের সফরে ইটেক শিক্ষাব্যবস্থার ‘চোখ ও কান’ তৈরি করছিল, অর্থাৎ পারফরম্যান্স ও শেখার ফলাফল পর্যবেক্ষণের পরিমাপ ও সূচক দাঁড় করাচ্ছিল। এখন কমিশন ব্যবস্থার ‘মস্তিষ্ক’ গড়ে তুলছে, যা ফলাফল ব্যাখ্যা, প্রভাবক কারণ বোঝা এবং উন্নত প্রযুক্তি কাজে লাগানোর زیرকাঠামো ও সক্ষমতা। এসপিএ জানিয়েছে, ধারাবাহিক সফরে তিনি এই মৌলিক রূপান্তর প্রত্যক্ষ করেছেন।

বৈঠকে কারা উপস্থিত ছিলেন এবং কী উপস্থাপন করা হয়? এসপিএ জানিয়েছে, শ্লাইখারের সঙ্গে বৈঠকে ইটেকের বোর্ড অব ডিরেক্টরসের চেয়ারম্যান ড. খালিদ বিন আবদুল্লাহ আল-সাবতি উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে শ্লাইখারকে কমিশনের মূল্যায়ন ও মূল্যায়ন-তথ্য ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি এবং সিচুয়েশন রুমের ড্যাশবোর্ড ও বিশ্লেষণী সক্ষমতা সম্পর্কে অবহিত করা হয়। শ্লাইখার ওইসিডি-র শিক্ষা ও দক্ষতা বিভাগের পরিচালক এবং মহাসচিবের শিক্ষানীতি বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা।

অন্য শিক্ষাব্যবস্থায় তথ্য নিয়ে তিনি কী সমস্যার কথা বলেছেন? শ্লাইখার বলেন, অন্য অনেক শিক্ষাব্যবস্থায় তথ্য খণ্ডিত অবস্থায় থাকে, আলাদা আলাদা সিস্টেমে ছড়িয়ে থাকে, বা সংরক্ষিত থাকে কিন্তু কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হয় না। ইটেকের ক্ষেত্রে তথ্য বিশ্লেষণ করে শিক্ষা প্রক্রিয়া ও চর্চার উন্নয়নে ব্যবহার করা হয়। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি ইটেকের তথ্যকে জ্ঞানে রূপান্তরের অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন এবং ধারাবাহিক সফরে সক্ষমতার মৌলিক রূপান্তর প্রত্যক্ষ করার কথা জানান।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ-র প্রতিবেদনে সিচুয়েশন রুমের সদস্যসংখ্যা, বাজেট, কার্যক্রমের সময়সীমা বা নির্দিষ্ট ফলাফলের কোনো সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। প্রতিবেদনে শ্লাইখারের সফরের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২৬ এবং স্থান রিয়াদ হিসেবে জানানো হয়েছে। বৈঠকে ড. খালিদ বিন আবদুল্লাহ আল-সাবতি উপস্থিত ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে বৈঠকের স্থায়িত্ব বা পরবর্তী পদক্ষেপের কোনো বিবরণ দেওয়া হয়নি।