রিয়াদে বুধবার শুরা কাউন্সিলের নবম মেয়াদের তৃতীয় বছর উদ্বোধন করা হয়েছে। দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের পক্ষে এই উদ্বোধন করেন ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মহামান্য প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদ।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, শুরা কাউন্সিল সদর দপ্তরে পৌঁছালে ক্রাউন প্রিন্সকে স্বাগত জানান রিয়াদ অঞ্চলের গভর্নর প্রিন্স ফয়সাল বিন বন্দর বিন আবদুলআজিজ, রিয়াদ অঞ্চলের ডেপুটি গভর্নর প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান বিন আবদুলআজিজ এবং শুরা কাউন্সিলের স্পিকার শেখ ড. আবদুল্লাহ বিন মোহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল আল-শেখ।
রাজকীয় সংগীত বাজানোর পর ক্রাউন প্রিন্সকে অভিবাদন জানান শুরা কাউন্সিলের ডেপুটি স্পিকার ড. মিশাল আল-সুলামি, সহকারী স্পিকার ড. হানান আল-আহমাদি, কাউন্সিলের সেক্রেটারি-জেনারেল মোহাম্মদ আল-মুতাইরি এবং কাউন্সিলের বিশেষায়িত কমিটিগুলোর চেয়ারম্যানরা। অনুষ্ঠান শুরু হয় পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে। এরপর শুরা কাউন্সিলের স্পিকার ভাষণ দেন।
ভাষণে স্পিকার বলেন, “সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি সমস্ত জগতের প্রতিপালক। শান্তি ও আশীর্বাদ বর্ষিত হোক সর্বোত্তম নবী ও রাসূল আমাদের নবী মুহাম্মদের উপর, তাঁর পরিবার ও সাহাবিদের উপর।” তিনি ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রীকে সম্বোধন করে বলেন, “মহামান্য প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদ, আপনার রাজকীয় উচ্চতা, আপনার মহামান্য, আপনার অনুগ্রহ, আপনার শ্রেষ্ঠত্ব, সম্মানিত অতিথিবৃন্দ, আল্লাহর শান্তি, রহমত ও বরকত আপনার উপর বর্ষিত হোক।”
স্পিকার আরও বলেন, “মহামান্য, এটি শুরা কাউন্সিলের জন্য এক বরকতময় দিন, যেদিন আপনি আপনার উপস্থিতিতে এই আনন্দময় উপলক্ষকে সম্মানিত করেছেন, বার্ষিক রাজকীয় ভাষণ দিয়েছেন এবং দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের পক্ষে কাউন্সিলের নবম মেয়াদের তৃতীয় বছর উদ্বোধন করেছেন। আমরা আপনাকে আন্তরিক স্বাগত জানাই, মহামান্য, এবং প্রার্থনা করি আল্লাহ আপনার পদক্ষেপ ও প্রচেষ্টাকে বরকত দান করুন।”
তিনি বলেন, “মহামান্য, প্রতিষ্ঠার পর থেকে শুরা কাউন্সিল…” — এখানেই এসপিএ-র প্রকাশিত পাঠ সংক্ষিপ্ত হয়ে যায়।
এসপিএ জানিয়েছে, অনুষ্ঠানে ক্রাউন প্রিন্স বার্ষিক রাজকীয় ভাষণ দেন। তবে ভাষণের পূর্ণ পাঠ এসপিএ-র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানে শুরা কাউন্সিলের স্পিকার ক্রাউন প্রিন্সকে স্বাগত জানিয়ে ভাষণ দেন এবং কাউন্সিলের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন। তবে সেই ভাষণের বিস্তারিত বিষয়বস্তু প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়নি।
শুরা কাউন্সিল সৌদি আরবের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, যা আইন প্রণয়ন ও পরামর্শমূলক ভূমিকা পালন করে। নবম মেয়াদের তৃতীয় বছরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি তাই দেশের আইনগত ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতার একটি অংশ।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রিয়াদ অঞ্চলের গভর্নর, ডেপুটি গভর্নর, শুরা কাউন্সিলের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, সহকারী স্পিকার, সেক্রেটারি-জেনারেল এবং কমিটিগুলোর চেয়ারম্যানরা। এছাড়া অন্যান্য সম্মানিত অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করা হয়। এরপর রাজকীয় সংগীত বাজানো হয়। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই ধারাবাহিকতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
ক্রাউন প্রিন্সের আগমন উপলক্ষে শুরা কাউন্সিল সদর দপ্তরে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে ইঙ্গিত রয়েছে। তবে সেই প্রস্তুতির বিস্তারিত বিবরণ এসপিএ-র প্রতিবেদনে নেই।
শুরা কাউন্সিলের নবম মেয়াদের তৃতীয় বছরের উদ্বোধন উপলক্ষে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনুষ্ঠানটি বুধবার রিয়াদে অনুষ্ঠিত হয়।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মহামান্য প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদ দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের পক্ষে এই উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে শুরা কাউন্সিলের স্পিকার শেখ ড. আবদুল্লাহ বিন মোহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল আল-শেখ ভাষণ দেন। তাঁর ভাষণে তিনি ক্রাউন প্রিন্সকে স্বাগত জানান এবং কাউন্সিলের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে ভাষণের কিছু অংশ উদ্ধৃত করা হয়েছে। তবে সম্পূর্ণ ভাষণ প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়নি।
শুরা কাউন্সিলের নবম মেয়াদের তৃতীয় বছরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি সৌদি আরবের রাজনৈতিক ও আইনগত জীবনের একটি নিয়মিত ঘটনা। প্রতি বছর এই ধরনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে অনুষ্ঠানের তারিখ হিসেবে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অনুষ্ঠানের সময়সূচি বা অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদনে নেই।
ক্রাউন প্রিন্সের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি বিশেষ গুরুত্ব পায়। কারণ তিনি একই সঙ্গে ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শুরা কাউন্সিলের ডেপুটি স্পিকার ড. মিশাল আল-সুলামি, সহকারী স্পিকার ড. হানান আল-আহমাদি, সেক্রেটারি-জেনারেল মোহাম্মদ আল-মুতাইরি এবং কমিটিগুলোর চেয়ারম্যানরা।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত দিয়ে। এরপর রাজকীয় সংগীত বাজানো হয়। এরপর স্পিকার ভাষণ দেন।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রাউন প্রিন্স শুরা কাউন্সিল সদর দপ্তরে পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়।
শুরা কাউন্সিলের স্পিকার তাঁর ভাষণে বলেন, “মহামান্য, এটি শুরা কাউন্সিলের জন্য এক বরকতময় দিন।” তিনি আরও বলেন, “আমরা আপনাকে আন্তরিক স্বাগত জানাই এবং প্রার্থনা করি আল্লাহ আপনার পদক্ষেপ ও প্রচেষ্টাকে বরকত দান করুন।”
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্পিকার তাঁর ভাষণে শুরা কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠার পর থেকে এর ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন। তবে সেই অংশটি প্রতিবেদনে সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ক্রাউন প্রিন্স বার্ষিক রাজকীয় ভাষণ দেন। এই ভাষণে তিনি শুরা কাউন্সিলের কার্যক্রম ও দেশের সার্বিক অবস্থা নিয়ে কথা বলেন বলে প্রতিবেদনে ইঙ্গিত রয়েছে।
তবে ভাষণের বিস্তারিত বিষয়বস্তু এসপিএ-র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
শুরা কাউন্সিল সৌদি আরবের শাসনব্যবস্থার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি আইন প্রণয়ন, নীতি পর্যালোচনা ও সরকারকে পরামর্শ দেওয়ার কাজ করে।
নবম মেয়াদের তৃতীয় বছরের উদ্বোধন মানে হলো কাউন্সিলের এই মেয়াদের কার্যক্রম আরও এক বছর এগিয়ে যাবে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানটি বুধবার অনুষ্ঠিত হয়। তারিখ হিসেবে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ উল্লেখ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন রিয়াদ অঞ্চলের গভর্নর প্রিন্স ফয়সাল বিন বন্দর বিন আবদুলআজিজ এবং ডেপুটি গভর্নর প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান বিন আবদুলআজিজ।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন শুরা কাউন্সিলের স্পিকার শেখ ড. আবদুল্লাহ বিন মোহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল আল-শেখ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকার ড. মিশাল আল-সুলামি, সহকারী স্পিকার ড. হানান আল-আহমাদি, সেক্রেটারি-জেনারেল মোহাম্মদ আল-মুতাইরি এবং কমিটিগুলোর চেয়ারম্যানরা।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন। তবে তাঁদের নাম প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
ক্রাউন প্রিন্সের আগমন উপলক্ষে শুরা কাউন্সিল সদর দপ্তরে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল ক্রাউন প্রিন্সের ভাষণ। তবে সেই ভাষণের পূর্ণ পাঠ প্রতিবেদনে নেই।
শুরা কাউন্সিলের স্পিকারের ভাষণেও কাউন্সিলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কিছু ইঙ্গিত ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। তবে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।
এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনুষ্ঠানটি সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের তারিখ ছিল ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মহামান্য প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদ দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের পক্ষে এই উদ্বোধন করেন।
শুরা কাউন্সিলের নবম মেয়াদের তৃতীয় বছরের উদ্বোধন উপলক্ষে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করা হয় এবং রাজকীয় সংগীত বাজানো হয়।
এরপর শুরা কাউন্সিলের স্পিকার ভাষণ দেন।
স্পিকার তাঁর ভাষণে ক্রাউন প্রিন্সকে স্বাগত জানান এবং কাউন্সিলের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, “মহামান্য, এটি শুরা কাউন্সিলের জন্য এক বরকতময় দিন।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা আপনাকে আন্তরিক স্বাগত জানাই এবং প্রার্থনা করি আল্লাহ আপনার পদক্ষেপ ও প্রচেষ্টাকে বরকত দান করুন।”
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্পিকার তাঁর ভাষণে শুরা কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠার পর থেকে এর ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন।
তবে সেই ভাষণের সম্পূর্ণ পাঠ প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়নি।
অনুষ্ঠানে ক্রাউন প্রিন্স বার্ষিক রাজকীয় ভাষণ দেন।
এই ভাষণে তিনি শুরা কাউন্সিলের কার্যক্রম ও দেশের সার্বিক অবস্থা নিয়ে কথা বলেন বলে প্রতিবেদনে ইঙ্গিত রয়েছে।
তবে ভাষণের বিস্তারিত বিষয়বস্তু এসপিএ-র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
শুরা কাউন্সিল সৌদি আরবের শাসনব্যবস্থার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
এটি আইন প্রণয়ন, নীতি পর্যালোচনা ও সরকারকে পরামর্শ দেওয়ার কাজ করে।
নবম মেয়াদের তৃতীয় বছরের উদ্বোধন মানে হলো কাউন্সিলের এই মেয়াদের কার্যক্রম আরও এক বছর এগিয়ে যাবে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানটি বুধবার অনুষ্ঠিত হয়।
তারিখ হিসেবে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ উল্লেখ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন রিয়াদ অঞ্চলের গভর্নর প্রিন্স ফয়সাল বিন বন্দর বিন আবদুলআজিজ এবং ডেপুটি গভর্নর প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান বিন আবদুলআজিজ।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন শুরা কাউন্সিলের স্পিকার শেখ ড. আবদুল্লাহ বিন মোহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল আল-শেখ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকার ড. মিশাল আল-সুলামি, সহকারী স্পিকার ড. হানান আল-আহমাদি, সেক্রেটারি-জেনারেল মোহাম্মদ আল-মুতাইরি এবং কমিটিগুলোর চেয়ারম্যানরা।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন। তবে তাঁদের নাম প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
ক্রাউন প্রিন্সের আগমন উপলক্ষে শুরা কাউন্সিল সদর দপ্তরে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল ক্রাউন প্রিন্সের ভাষণ। তবে সেই ভাষণের পূর্ণ পাঠ প্রতিবেদনে নেই।
শুরা কাউন্সিলের স্পিকারের ভাষণেও কাউন্সিলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কিছু ইঙ্গিত ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। তবে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।
এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনুষ্ঠানটি সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের তারিখ ছিল ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
শুরা কাউন্সিলের নবম মেয়াদের তৃতীয় বছর উদ্বোধন করেন কে? দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের পক্ষে ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মহামান্য প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদ শুরা কাউন্সিলের নবম মেয়াদের তৃতীয় বছর উদ্বোধন করেন। এসপিএ জানিয়েছে, অনুষ্ঠানটি বুধবার রিয়াদে শুরা কাউন্সিল সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে ক্রাউন প্রিন্সকে কারা স্বাগত জানান? শুরা কাউন্সিল সদর দপ্তরে পৌঁছালে ক্রাউন প্রিন্সকে স্বাগত জানান রিয়াদ অঞ্চলের গভর্নর প্রিন্স ফয়সাল বিন বন্দর বিন আবদুলআজিজ, ডেপুটি গভর্নর প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান বিন আবদুলআজিজ এবং শুরা কাউন্সিলের স্পিকার শেখ ড. আবদুল্লাহ বিন মোহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল আল-শেখ। এসপিএ এই তথ্য দিয়েছে।
অনুষ্ঠানের সূচনা কীভাবে হয়? এসপিএ জানিয়েছে, অনুষ্ঠানের সূচনা হয় পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে। এরপর রাজকীয় সংগীত বাজানো হয়। এরপর শুরা কাউন্সিলের স্পিকার ভাষণ দেন। ভাষণে তিনি ক্রাউন প্রিন্সকে স্বাগত জানান এবং কাউন্সিলের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
স্পিকার তাঁর ভাষণে কী বলেন? স্পিকার বলেন, “মহামান্য, এটি শুরা কাউন্সিলের জন্য এক বরকতময় দিন।” তিনি আরও বলেন, “আমরা আপনাকে আন্তরিক স্বাগত জানাই এবং প্রার্থনা করি আল্লাহ আপনার পদক্ষেপ ও প্রচেষ্টাকে বরকত দান করুন।” এসপিএ জানিয়েছে, তিনি শুরা কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠার পর থেকে এর ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে আর কারা উপস্থিত ছিলেন? এসপিএ জানিয়েছে, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শুরা কাউন্সিলের ডেপুটি স্পিকার ড. মিশাল আল-সুলামি, সহকারী স্পিকার ড. হানান আল-আহমাদি, সেক্রেটারি-জেনারেল মোহাম্মদ আল-মুতাইরি এবং কাউন্সিলের বিশেষায়িত কমিটিগুলোর চেয়ারম্যানরা। এছাড়া সম্মানিত অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন, তবে তাঁদের নাম প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
ক্রাউন প্রিন্স কি ভাষণ দেন? এসপিএ জানিয়েছে, অনুষ্ঠানে ক্রাউন প্রিন্স বার্ষিক রাজকীয় ভাষণ দেন। এই ভাষণে তিনি শুরা কাউন্সিলের কার্যক্রম ও দেশের সার্বিক অবস্থা নিয়ে কথা বলেন বলে প্রতিবেদনে ইঙ্গিত রয়েছে। তবে ভাষণের বিস্তারিত বিষয়বস্তু এসপিএ-র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।





