দোহায় অনুষ্ঠিত মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের বেসামরিক বিমান চলাচল মহাপরিচালকদের অষ্টম সভায় (ডিজিসিএ-এমআইডি/৮) সৌদি আরব অংশ নিয়েছে। সৌদি জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন (জিসিএসি) প্রতিনিধিত্ব করছে। সভাটি ২৬ থেকে ২৮ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত কাতারের দোহায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভায় বিমান খাতের চ্যালেঞ্জ এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, সভায় ভাষণ দেন জিসিএসি সভাপতি আবদুলআজিজ আল-দুয়াইলেজ। তিনি অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা বাড়ানো, পরিচালন তথ্য বিনিময় এবং জরুরি প্রস্তুতি ও ব্যবসা ধারাবাহিকতা পরিকল্পনা জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এর লক্ষ্য বিমান চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বেসামরিক বিমান খাতের সক্ষমতা ও সংকট মোকাবিলার ক্ষমতা বাড়ানো।
আল-দুয়াইলেজ সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অধীন জাতীয় পরিবহন ও লজিস্টিকস কৌশলের অংশ হিসেবে অ্যাভিয়েশন প্রোগ্রামের লক্ষ্য অর্জনে রাজ্যের ধারাবাহিক অগ্রগতির কথা বলেন। তিনি জানান, ২০২৫ সালে সৌদি বিমানবন্দরগুলো ১৪ কোটিরও বেশি যাত্রী পরিবহন করেছে। রাজ্যের বিমান সংযোগ নেটওয়ার্ক ১৭৬টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে বিস্তৃত হয়েছে। তাহলে এই সংখ্যাগুলো কীভাবে অঞ্চলের বিমান খাতের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলছে?
তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক ঘটনাবলি বেসামরিক বিমান খাত, বিমান পরিবহন কার্যক্রম, যাত্রী চাহিদা এবং এয়ারলাইন্সের সক্ষমতাকে প্রভাবিত করেছে। ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইএটিএ) তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে যাত্রী চলাচল আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ কমেছে। এই পতন কি অঞ্চলের বিমান সংযোগে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলবে?
আল-দুয়াইলেজ ব্যাখ্যা করেন, রাজ্য এই ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে অনুমোদিত কন্টিনজেন্সি প্ল্যান সক্রিয় করেছে। পরিবহনের বিভিন্ন মাধ্যমের বৈচিত্র্য ও সমন্বয় কাজে লাগানো হয়েছে। যাত্রীদের জন্য বিকল্প রুট ও একাধিক ভ্রমণ বিকল্প সরবরাহ করা হয়েছে। এই ধরনের প্রস্তুতি কি অন্য দেশগুলোর জন্য অনুকরণীয় মডেল হতে পারে?
তিনি সিরিয়া ও লিবিয়াকে ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশনের (আইকাও) সদস্যপদ অর্জনে অভিনন্দন জানান। এই স্বীকৃতি কি অঞ্চলের বিমান নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে?
সভায় বিমান খাতের সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। জিসিএসি সভাপতি অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন। তিনি পরিচালন তথ্য বিনিময় এবং জরুরি প্রস্তুতি ও ব্যবসা ধারাবাহিকতা পরিকল্পনা জোরদারের কথা বলেন। এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য বিমান চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বেসামরিক বিমান খাতের সক্ষমতা বাড়ানো। আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই ধরনের সমন্বিত উদ্যোগ কতটা কার্যকর হবে?
সৌদি আরবের অ্যাভিয়েশন প্রোগ্রাম জাতীয় পরিবহন ও লজিস্টিকস কৌশলের অংশ। এটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অধীন পরিচালিত হচ্ছে। ২০২৫ সালে সৌদি বিমানবন্দরগুলো ১৪ কোটিরও বেশি যাত্রী পরিবহন করেছে। বিমান সংযোগ নেটওয়ার্ক ১৭৬টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে পৌঁছেছে। এই অগ্রগতি কি অঞ্চলের বিমান খাতে সৌদি আরবের নেতৃত্বকে আরও সুসংহত করবে?
আইএটিএ-র তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে যাত্রী চলাচল আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ কমেছে। সাম্প্রতিক আঞ্চলিক ঘটনাবলি বেসামরিক বিমান খাত, বিমান পরিবহন কার্যক্রম, যাত্রী চাহিদা এবং এয়ারলাইন্সের সক্ষমতাকে প্রভাবিত করেছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য অনুমোদিত কন্টিনজেন্সি প্ল্যান সক্রিয় করেছে। পরিবহনের বিভিন্ন মাধ্যমের বৈচিত্র্য ও সমন্বয় কাজে লাগানো হয়েছে। যাত্রীদের জন্য বিকল্প রুট ও একাধিক ভ্রমণ বিকল্প সরবরাহ করা হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলো কি যাত্রীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবে?
সভায় সিরিয়া ও লিবিয়াকে আইকাও সদস্যপদ অর্জনে অভিনন্দন জানানো হয়। এই অর্জন অঞ্চলের বিমান খাতে সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অভিন্ন কৌশল গ্রহণ করা হলে বিমান চলাচলের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এই লক্ষ্যে সব দেশকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আঞ্চলিক সহযোগিতা ছাড়া কি টেকসই বিমান খাত গড়ে তোলা সম্ভব?
বিজ্ঞপ্তিতে সভার সিদ্ধান্ত, নির্দিষ্ট সুপারিশ বা পরবর্তী পদক্ষেপের বিস্তারিত উল্লেখ নেই। সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্বকারী জিসিএসি সভায় অংশ নিলেও ভবিষ্যতে কী ধরনের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে তা স্পষ্ট নয়। আঞ্চলিক বিমান খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি কৌশল নির্ধারণে এই সভা কতটা ভূমিকা রাখবে সেটাই এখন দেখার বিষয়।
ডিজিসিএ-এমআইডি/৮ সভা কোথায় ও কখন অনুষ্ঠিত হয়? সভাটি কাতারের দোহায় ২৬ থেকে ২৮ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। এতে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব করে জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন (জিসিএসি)। সভায় বিমান খাতের চ্যালেঞ্জ ও আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।
জিসিএসি সভাপতি কী কী বিষয়ে জোর দিয়েছেন? জিসিএসি সভাপতি আবদুলআজিজ আল-দুয়াইলেজ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন। তিনি পরিচালন তথ্য বিনিময় এবং জরুরি প্রস্তুতি ও ব্যবসা ধারাবাহিকতা পরিকল্পনা জোরদারের কথা বলেন। এর লক্ষ্য বিমান চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বেসামরিক বিমান খাতের সক্ষমতা ও সংকট মোকাবিলার ক্ষমতা বাড়ানো।
২০২৫ সালে সৌদি বিমানবন্দরে যাত্রী সংখ্যা কত ছিল? ২০২৫ সালে সৌদি বিমানবন্দরগুলো ১৪ কোটিরও বেশি যাত্রী পরিবহন করেছে। রাজ্যের বিমান সংযোগ নেটওয়ার্ক ১৭৬টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে বিস্তৃত হয়েছে। এটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অধীন জাতীয় পরিবহন ও লজিস্টিকস কৌশলের অংশ হিসেবে অ্যাভিয়েশন প্রোগ্রামের অগ্রগতির অংশ।
মধ্যপ্রাচ্যে যাত্রী চলাচল কতটা কমেছে? আইএটিএ-র তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে যাত্রী চলাচল আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ কমেছে। সাম্প্রতিক আঞ্চলিক ঘটনাবলি বেসামরিক বিমান খাত, বিমান পরিবহন কার্যক্রম, যাত্রী চাহিদা এবং এয়ারলাইন্সের সক্ষমতাকে প্রভাবিত করেছে।
সৌদি আরব ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে কী পদক্ষেপ নিয়েছে? রাজ্য অনুমোদিত কন্টিনজেন্সি প্ল্যান সক্রিয় করেছে। পরিবহনের বিভিন্ন মাধ্যমের বৈচিত্র্য ও সমন্বয় কাজে লাগানো হয়েছে। যাত্রীদের জন্য বিকল্প রুট ও একাধিক ভ্রমণ বিকল্প সরবরাহ করা হয়েছে। এসব পদক্ষেপ বিমান চলাচলের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়তা করেছে।
সভায় সিরিয়া ও লিবিয়াকে কী জন্য অভিনন্দন জানানো হয়? আল-দুয়াইলেজ সিরিয়া ও লিবিয়াকে ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশনের (আইকাও) সদস্যপদ অর্জনে অভিনন্দন জানান। এই স্বীকৃতি অঞ্চলের বিমান নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। সভায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার ওপরও জোর দেওয়া হয়।





