Sunday, November 8, 2026
সৌদি সংবাদ

জেদ্দার কিং আবদুলআজিজ বিমানবন্দরের টার্মিনাল ৪ চালু হচ্ছে ধাপে ধাপে

জেদ্দার কিং আবদুলআজিজ বিমানবন্দরের টার্মিনাল ৪ চালু হচ্ছে ধাপে ধাপে

জেদ্দার কিং আবদুলআজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ৪-এ ধাপে ধাপে পরিচালনা শুরু হয়েছে, যার আয়তন ৯৭ হাজার বর্গমিটার এবং বার্ষিক যাত্রী ধারণক্ষমতা ১ কোটি ৫০ লাখ।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, জেদ্দা এয়ারপোর্টস কোম্পানি রোববার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে এই ধাপে ধাপে পরিচালনা শুরুর ঘোষণা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, সুবিধা উন্নয়ন, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বাড়তে থাকা যাত্রী চাপ সামলানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।

প্রথম দিনেই উইজ এয়ার, এজেট ও সালামএয়ার-এর ফ্লাইট টার্মিনাল ৪-এ স্থানান্তরিত হয়েছে। বাকি এয়ারলাইনগুলো ধাপে ধাপে স্থানান্তরের পরিকল্পনার আওতায় আসবে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ফ্লাই জিন্নাহ ও নেসমা এয়ারলাইনস সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর স্থানান্তরিত হবে। এরপর মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর আসবে আকাসা এয়ার। বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর সিরিয়ানএয়ার ও পেগাসাস এবং শনিবার ৩ অক্টোবর আজারবাইজান এয়ারলাইনস ও টিউনিসএয়ার স্থানান্তরিত হবে।

টার্মিনালটিতে রয়েছে উন্নত পরিচালন ব্যবস্থা ও আধুনিক সুবিধা। এর মধ্যে অন্যতম হলো হজ ও উমরাহ যাত্রীদের গ্রুপ চেক-ইনের জন্য নির্ধারিত আলাদা এলাকা।

২০২৫ সালে কিং আবদুলআজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তার সর্বোচ্চ যাত্রী সংখ্যার রেকর্ড করেছে, যেখানে মোট ৫ কোটি ৩৪ লাখ যাত্রী সেবা পেয়েছেন।

কোম্পানি যাত্রীদের পরামর্শ দিয়েছে, বিমানবন্দরে রওনা হওয়ার আগে নিজেদের এয়ারলাইনের অফিসিয়াল চ্যানেল অথবা কিং আবদুলআজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রস্থানের টার্মিনাল যাচাই করে নিতে।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিউ ইয়র্ক থেকে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে এবং স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ও গ্রিনিচ মান সময় সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে এটি প্রকাশিত হয়।

টার্মিনাল ৪-এর ধাপে ধাপে চালু হওয়া মানে কী জেদ্দার আকাশপথে যাতায়াতের অভিজ্ঞতা বদলে যাবে? ৯৭ হাজার বর্গমিটারের এই স্থাপনা কি সত্যিই যাত্রীদের ভিড় কমাতে সাহায্য করবে?

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, এই স্থানান্তর পরিকল্পনা এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে যাত্রীরা কোনো বিভ্রান্তির মুখে না পড়েন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এয়ারলাইন পরিবর্তনের এই ধাপে ধাপে সময়সূচি যাত্রীদের জন্য কতটা স্বচ্ছ?

যারা হজ ও উমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে জেদ্দা হয়ে যাত্রা করেন, তাদের জন্য গ্রুপ চেক-ইনের আলাদা এলাকাটি কতটা সুবিধা বয়ে আনবে? এই বিশেষ ব্যবস্থা কি তীর্থযাত্রীদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর সময় কমাবে?

২০২৫ সালে ৫ কোটি ৩৪ লাখ যাত্রী সেবা দেওয়ার রেকর্ডের পর টার্মিনাল ৪ যুক্ত হওয়ায় বিমানবন্দরের সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। তাহলে কি আগামী বছরগুলোতে যাত্রী সংখ্যা আরও বাড়বে?

যাত্রীদের প্রতি কোম্পানির নির্দেশনা স্পষ্ট — প্রস্থানের টার্মিনাল আগে যাচাই করে নিতে হবে। কিন্তু বাস্তবে কতজন যাত্রী বিমানবন্দরে পৌঁছে টার্মিনাল বদলের বিষয়টি জানতে পারবেন?

উইজ এয়ার, এজেট ও সালামএয়ারের মতো এয়ারলাইনগুলোর যাত্রীরা প্রথম দিনেই নতুন টার্মিনালে গিয়েছেন। তাদের অভিজ্ঞতা কেমন হবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

ফ্লাই জিন্নাহ, নেসমা এয়ারলাইনস, আকাসা এয়ার, সিরিয়ানএয়ার, পেগাসাস, আজারবাইজান এয়ারলাইনস ও টিউনিসএয়ার — এই এয়ারলাইনগুলোর যাত্রীদের জন্যও কি একই ধরনের সুবিধা নিশ্চিত করা হবে?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে টার্মিনাল ৪-এর খরচ, নির্মাণ সময়কাল বা ভবিষ্যতের কোনো সম্প্রসারণ পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়া স্থানান্তর প্রক্রিয়ার সময় কোনো ফ্লাইট বিলম্ব বা বাতিলের তথ্যও দেওয়া হয়নি।

জেদ্দা এয়ারপোর্টস কোম্পানি যাত্রীদের এয়ারলাইনের অফিসিয়াল চ্যানেল ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে, যাতে তারা সঠিক টার্মিনাল সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারেন। বিমানবন্দরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টেও এই তথ্য পাওয়া যাবে।

ধাপে ধাপে এই স্থানান্তর কার্যক্রম ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। এর মধ্যে প্রতিদিনই নতুন এয়ারলাইন যুক্ত হচ্ছে টার্মিনাল ৪-এর কার্যক্রমে।

এসপিএ জানিয়েছে, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সুবিধা উন্নয়ন, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বাড়তে থাকা যাত্রী চাপ মোকাবিলা করা। কিং আবদুলআজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সৌদি আরবের অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দর হিসেবে পরিচিত।

টার্মিনাল ৪-এর আধুনিক পরিচালন ব্যবস্থা ও সুবিধাগুলো যাত্রীদের সেবার মান বাড়াতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই সুবিধাগুলোর বিস্তারিত তালিকা দেওয়া হয়নি।

যাত্রীদের জন্য সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো সঠিক টার্মিনাল সম্পর্কে আগে থেকে জানা। এজন্য এয়ারলাইনের অফিসিয়াল চ্যানেল বা বিমানবন্দরের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এসপিএ-র এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিমানবন্দরটি ৫ কোটি ৩৪ লাখ যাত্রী সেবা দিয়েছে, যা তার ইতিহাসে সর্বোচ্চ। টার্মিনাল ৪ চালু হলে এই সংখ্যা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তাহলে কি জেদ্দা বিমানবন্দর আগামী দিনে আরও বড় যাত্রী চাপ সামলাতে সক্ষম হবে? টার্মিনাল ৪-এর ধাপে ধাপে চালু হওয়া কি সেই পথেই প্রথম পদক্ষেপ?

টার্মিনাল ৪-এ কোন কোন এয়ারলাইন প্রথমে স্থানান্তরিত হচ্ছে? প্রথম দিনেই উইজ এয়ার, এজেট ও সালামএয়ার-এর ফ্লাইট টার্মিনাল ৪-এ স্থানান্তরিত হয়েছে। এরপর ফ্লাই জিন্নাহ ও নেসমা এয়ারলাইনস ২৮ সেপ্টেম্বর, আকাসা এয়ার ২৯ সেপ্টেম্বর, সিরিয়ানএয়ার ও পেগাসাস ১ অক্টোবর এবং আজারবাইজান এয়ারলাইনস ও টিউনিসএয়ার ৩ অক্টোবর স্থানান্তরিত হবে। এসপিএ জানিয়েছে, স্থানান্তর পরিকল্পনা ধাপে ধাপে সম্পন্ন হবে।

টার্মিনাল ৪-এর আয়তন ও ধারণক্ষমতা কত? টার্মিনাল ৪-এর আয়তন ৯৭ হাজার বর্গমিটার এবং এর বার্ষিক যাত্রী ধারণক্ষমতা ১ কোটি ৫০ লাখ। এতে উন্নত পরিচালন ব্যবস্থা ও আধুনিক সুবিধা রয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, হজ ও উমরাহ যাত্রীদের গ্রুপ চেক-ইনের জন্য একটি নির্ধারিত আলাদা এলাকাও এতে আছে।

যাত্রীদের জন্য কী পরামর্শ দেওয়া হয়েছে? জেদ্দা এয়ারপোর্টস কোম্পানি যাত্রীদের বিমানবন্দরে রওনা হওয়ার আগে নিজেদের প্রস্থানের টার্মিনাল যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। এজন্য এয়ারলাইনের অফিসিয়াল চ্যানেল অথবা কিং আবদুলআজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট দেখতে বলা হয়েছে। এসপিএ এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

কিং আবদুলআজিজ বিমানবন্দরের যাত্রী সংখ্যার রেকর্ড কী? ২০২৫ সালে কিং আবদুলআজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তার সর্বোচ্চ যাত্রী সংখ্যার রেকর্ড করেছে, যেখানে মোট ৫ কোটি ৩৪ লাখ যাত্রী সেবা পেয়েছেন। এসপিএ জানিয়েছে, টার্মিনাল ৪ চালু হলে বিমানবন্দরের সক্ষমতা আরও বাড়বে এবং বাড়তে থাকা যাত্রী চাপ সামলানো সহজ হবে।

টার্মিনাল ৪-এ হজ ও উমরাহ যাত্রীদের জন্য কী বিশেষ ব্যবস্থা আছে? টার্মিনাল ৪-এ হজ ও উমরাহ যাত্রীদের গ্রুপ চেক-ইন প্রক্রিয়ার জন্য একটি নির্ধারিত আলাদা এলাকা রয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই ব্যবস্থা তীর্থযাত্রীদের ভিড় কমাতে সহায়ক হবে। এছাড়া টার্মিনালটিতে উন্নত পরিচালন ব্যবস্থা ও আধুনিক সুবিধাও রয়েছে।

টার্মিনাল ৪ চালু হওয়ার লক্ষ্য কী? জেদ্দা এয়ারপোর্টস কোম্পানি জানিয়েছে, টার্মিনাল ৪ চালু করার লক্ষ্য হলো সুবিধা উন্নয়ন, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বাড়তে থাকা যাত্রী চাপ সামলানো। এসপিএ জানিয়েছে, এই উদ্যোগের আওতায় এয়ারলাইনগুলো ধাপে ধাপে নতুন টার্মিনালে স্থানান্তরিত হচ্ছে।