মদিনায় প্রফেটস মসজিদে জুমার খুতবায় ইমাম শেখ আহমেদ আল-হুদাইফি মুসলিমদের তাকওয়া পালনের আহ্বান জানিয়েছেন এবং কিয়ামতের দিনে দৃঢ় বিশ্বাস কীভাবে একজন মুমিনের জীবনে গভীর প্রশান্তি ও সঠিক পথে চলার শক্তি আনে, তা তুলে ধরেছেন।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১৬ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, খুতবায় তিনি মক্কা ও মদিনার দুই পবিত্র মসজিদের অলঙ্ঘনীয় পবিত্রতা ও উচ্চ মর্যাদার ওপর জোর দেন এবং এগুলোকে শান্তি, ইবাদত ও নিরাপত্তার স্থায়ী আশ্রয়স্থল হিসেবে বর্ণনা করেন।
শেখ আল-হুদাইফি সন্ত্রাসী হুথি মিলিশিয়া ও তার অপরাধী সহযোগীদের কাজের নিন্দা জানান, যারা মক্কা, মদিনা এবং রিয়াদের কিং খালিদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল। তিনি বলেন, নির্দোষ মানুষের রক্তপাত, শান্তিপূর্ণ নাগরিকদের আতঙ্কিত করা এবং হজ ও উমরাহ পালনকারী ও দর্শনার্থীদের বিপদে ফেলা জঘন্য অপরাধ ও গুরুতর সীমালঙ্ঘন, যা ইসলামি শরিয়া, সুস্থ বিবেক, মানবিক বিবেক ও আন্তর্জাতিক নিয়ম-কানুন সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করে।
খুতবার শেষে তিনি আল্লাহর কাছে সৌদি আরবের সুরক্ষার জন্য প্রার্থনা করেন, যাকে তিনি ঈমানের দুর্গ, ঐশী ওহির জন্মস্থান এবং নবী (সা.)-এর সমাধিস্থল হিসেবে সম্মানিত ভূমি বলে অভিহিত করেন। তিনি দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক ও যুবরাজের সুরক্ষা ও সাফল্যের জন্যও দোয়া করেন এবং সীমান্তে অবস্থানরত সশস্ত্র বাহিনীর জন্য অবিচল বিজয় কামনা করেন।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে খুতবার সময়সূচি বা স্থানীয় সময় উল্লেখ করা হয়েছে, তবে হামলার সময়, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
খুতবায় ইমাম কোন বিষয়ে জোর দিয়েছেন? ইমাম শেখ আহমেদ আল-হুদাইফি কিয়ামতের দিনে দৃঢ় বিশ্বাসের ওপর জোর দিয়েছেন, যা মুমিনের জীবনে প্রশান্তি ও সঠিক পথে চলার শক্তি আনে। তিনি মক্কা ও মদিনার দুই পবিত্র মসজিদের অলঙ্ঘনীয় পবিত্রতা ও উচ্চ মর্যাদার কথাও তুলে ধরেন। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি এগুলোকে শান্তি, ইবাদত ও নিরাপত্তার স্থায়ী আশ্রয়স্থল হিসেবে বর্ণনা করেন।
ইমাম কাদের কাজের নিন্দা জানিয়েছেন? ইমাম সন্ত্রাসী হুথি মিলিশিয়া ও তার অপরাধী সহযোগীদের কাজের নিন্দা জানান, যারা মক্কা, মদিনা এবং রিয়াদের কিং খালিদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল। এসপিএ অনুযায়ী, তিনি বলেন যে নির্দোষ মানুষের রক্তপাত, শান্তিপূর্ণ নাগরিকদের আতঙ্কিত করা এবং হজ ও উমরাহ পালনকারী ও দর্শনার্থীদের বিপদে ফেলা জঘন্য অপরাধ ও গুরুতর সীমালঙ্ঘন।
খুতবায় কী ধরনের অপরাধ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে? ইমাম নির্দোষ মানুষের রক্তপাত, শান্তিপূর্ণ নাগরিকদের আতঙ্কিত করা এবং হজ ও উমরাহ পালনকারী ও দর্শনার্থীদের বিপদে ফেলাকে জঘন্য অপরাধ ও গুরুতর সীমালঙ্ঘন বলে বর্ণনা করেছেন। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি বলেন এসব কাজ ইসলামি শরিয়া, সুস্থ বিবেক, মানবিক বিবেক ও আন্তর্জাতিক নিয়ম-কানুন সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করে।
খুতবার শেষে ইমাম কী প্রার্থনা করেছেন? খুতবার শেষে ইমাম আল্লাহর কাছে সৌদি আরবের সুরক্ষার জন্য প্রার্থনা করেন, যাকে তিনি ঈমানের দুর্গ, ঐশী ওহির জন্মস্থান এবং নবী (সা.)-এর সমাধিস্থল হিসেবে সম্মানিত ভূমি বলে অভিহিত করেন। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক ও যুবরাজের সুরক্ষা ও সাফল্যের জন্যও দোয়া করেন এবং সীমান্তে অবস্থানরত সশস্ত্র বাহিনীর জন্য অবিচল বিজয় কামনা করেন।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ-র প্রতিবেদনে খুতবার সময়সূচি বা স্থানীয় সময় উল্লেখ করা হয়েছে, তবে হামলার সময়, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। এছাড়া হামলার দায় স্বীকার বা ঘটনার বিস্তারিত বিবরণও প্রতিবেদনে নেই।