পোর্ট সুদানে ২,২৪০ জনের চোখ পরীক্ষা করা হয়েছে এবং ২১০টি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে, যার সবগুলোই সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সৌদি আরবের কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার (কেএসরিলিফ) সুদানের পোর্ট সুদান শহরে অন্ধত্ব ও চোখের রোগ মোকাবিলায় সৌদি নূর স্বেচ্ছাসেবক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। এতে বিভিন্ন বিশেষত্বের চারজন স্বেচ্ছাসেবক অংশ নিয়েছেন। আল বাসার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এই কর্মসূচি পরিচালিত হয়।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ জানিয়েছে, স্বেচ্ছাসেবক চিকিৎসক দল ২,২৪০ জন ব্যক্তির চোখ পরীক্ষা করেছে, ২১০টি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেছে এবং ৬০০ জোড়া প্রেসক্রিপশন চশমা বিতরণ করেছে।
এই প্রকল্পটি সুদানজুড়ে স্বাস্থ্যসেবা খাতকে সহায়তা এবং দুর্ভোগ লাঘবের জন্য কেএসরিলিফের মাধ্যমে বাস্তবায়িত রাজ্যের চলমান মানবিক ও ত্রাণ প্রচেষ্টার অংশ।
কিন্তু কেন পোর্ট সুদান শহরকে এই কর্মসূচির জন্য বেছে নেওয়া হলো? এসপিএ প্রতিবেদনে এই নির্বাচনের কারণ সম্পর্কে কিছু জানায়নি। শুধু বলা হয়েছে, শহরটিতে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়েছে।
চোখের রোগ মোকাবিলায় এই ধরনের স্বেচ্ছাসেবক প্রকল্প কতটা কার্যকর হতে পারে? প্রতিবেদনে উল্লেখ করা ২১০টি অস্ত্রোপচারের সবগুলোই সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তবে এসপিএ এই সাফল্যের হার কীভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে বা কোন ধরনের অস্ত্রোপচার করা হয়েছে সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু দেয়নি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চারজন স্বেচ্ছাসেবক বিভিন্ন বিশেষত্ব থেকে অংশ নিয়েছেন। কিন্তু কোন কোন বিশেষত্ব থেকে তারা এসেছেন, এসপিএ তা স্পষ্ট করেনি। চোখের চিকিৎসায় সাধারণত কর্নিয়া, রেটিনা, গ্লুকোমা বা ছানি অপারেশনের মতো বিভিন্ন বিশেষায়িত ক্ষেত্র থাকতে পারে।
আল বাসার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন এই কর্মসূচিতে সহযোগিতা করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে। তবে এই ফাউন্ডেশনের ভূমিকা কী ছিল—তারা কি চিকিৎসক সরবরাহ করেছে, সরঞ্জাম দিয়েছে, নাকি স্থানীয় সমন্বয় করেছে—সে সম্পর্কে এসপিএ কিছু জানায়নি।
৬০০ জোড়া প্রেসক্রিপশন চশমা বিতরণের কথা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। কিন্তু এই চশমাগুলো কীভাবে তৈরি করা হলো, কারা সেগুলো পেয়েছেন, বা কোন দৃষ্টি সমস্যার জন্য সেগুলো নির্ধারিত হয়েছিল—এসব তথ্য প্রতিবেদনে অনুপস্থিত।
সুদানে সৌদি আরবের মানবিক সহায়তার ধারাবাহিকতা কতটা বিস্তৃত? প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রকল্পটি সুদানজুড়ে স্বাস্থ্যসেবা খাতকে সহায়তা এবং দুর্ভোগ লাঘবের জন্য রাজ্যের চলমান প্রচেষ্টার অংশ। তবে এই প্রচেষ্টার অন্যান্য দিক বা আগের প্রকল্পগুলোর কথা এসপিএ উল্লেখ করেনি।
কেএসরিলিফের এই স্বেচ্ছাসেবক কর্মসূচি কতদিন ধরে চলেছে? প্রতিবেদনে প্রকল্পের সময়কাল বা কার্যক্রম কত দিন স্থায়ী হয়েছিল সে সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, কর্মসূচিটি বাস্তবায়িত হয়েছে এবং নির্দিষ্ট সংখ্যক রোগীকে সেবা দেওয়া হয়েছে।
২,২৪০ জনের চোখ পরীক্ষা এবং ২১০টি অস্ত্রোপচারের মধ্যে অনুপাত লক্ষ্য করলে দেখা যায়, প্রায় ৯ শতাংশের বেশি রোগীর অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়েছে। এই অনুপাত কী নির্দেশ করে? এসপিএ এই পরিসংখ্যানের ব্যাখ্যা দেয়নি।
পোর্ট সুদান শহরের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা কেমন, সে সম্পর্কে প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি। শহরটি সুদানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর শহর হলেও সেখানকার চিকিৎসা অবকাঠামো বা চোখের চিকিৎসার প্রাপ্যতা সম্পর্কে এসপিএ কোনো তথ্য দেয়নি।
স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে চারজন ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে। চারজন স্বেচ্ছাসেবক দিয়ে ২,২৪০ জন রোগীকে সেবা দেওয়া এবং ২১০টি অস্ত্রোপচার করা সম্ভব হয়েছে—এই তথ্য থেকে বোঝা যায়, তারা কতটা পরিশ্রম করেছেন। তবে এই স্বেচ্ছাসেবকরা কত দিন ধরে কাজ করেছেন, এসপিএ তা জানায়নি।
সৌদি নূর স্বেচ্ছাসেবক কর্মসূচির নাম থেকে বোঝা যায়, এটি একটি বিশেষ ধরনের প্রকল্প। অন্ধত্ব মোকাবিলায় এই ধরনের প্রকল্প বিশ্বের অন্যান্য দেশেও পরিচালিত হয় কিনা, বা সুদানের বাইরে কোথায় কোথায় এই কর্মসূচি চালু আছে—এসপিএ এসব বিষয়ে কিছু জানায়নি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্ত্রোপচারগুলোর সবগুলোই সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। চিকিৎসাশাস্ত্রে কোনো অস্ত্রোপচারের সাফল্যের হার নির্ভর করে রোগীর অবস্থা, অস্ত্রোপচারের ধরন এবং পরবর্তী পরিচর্যার ওপর। এসপিএ এই সাফল্যের সংজ্ঞা কীভাবে নির্ধারণ করেছে, তা স্পষ্ট নয়।
প্রেসক্রিপশন চশমা বিতরণের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ক্ষেত্রে চোখের সমস্যার সমাধান অস্ত্রোপচার ছাড়াই সঠিক চশমার মাধ্যমে সম্ভব। ৬০০ জোড়া চশমা বিতরণ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, যা মোট পরীক্ষিত রোগীর প্রায় ২৭ শতাংশ।
কেএসরিলিফের এই প্রকল্প সুদানের স্বাস্থ্যসেবা খাতে কী ধরনের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলবে? প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রকল্পটি স্বাস্থ্যসেবা খাতকে সহায়তা এবং দুর্ভোগ লাঘবের জন্য বাস্তবায়িত হয়েছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বা স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের কথা এসপিএ উল্লেখ করেনি।
সুদানের বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ধরনের মানবিক সহায়তা কতটা প্রয়োজনীয়, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে। তবে এসপিএ প্রতিবেদনে সুদানের সার্বিক পরিস্থিতি বা অন্যান্য মানবিক সংকটের কথা উল্লেখ করেনি। শুধু পোর্ট সুদানে এই নির্দিষ্ট প্রকল্পের তথ্য দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে চারজন স্বেচ্ছাসেবকের কথা বলা হয়েছে, যারা বিভিন্ন বিশেষত্ব থেকে এসেছেন। কিন্তু এই স্বেচ্ছাসেবকরা কি সৌদি আরব থেকে গিয়েছিলেন, নাকি স্থানীয় ছিলেন—এসপিএ এই তথ্য দেয়নি। সাধারণত সৌদি নূর কর্মসূচিতে সৌদি চিকিৎসকরা অংশ নেন বলে ধারণা করা হয়, তবে প্রতিবেদনে তা নিশ্চিত করা হয়নি।
আল বাসার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা চোখের চিকিৎসায় কাজ করে। এই সংস্থার সঙ্গে কেএসরিলিফের সম্পর্ক কতটা পুরনো বা তারা আগেও একসঙ্গে কাজ করেছে কিনা, এসপিএ তা জানায়নি।
প্রতিবেদনের শেষে বলা হয়েছে, এই প্রকল্পটি রাজ্যের চলমান মানবিক ও ত্রাণ প্রচেষ্টার অংশ। সৌদি আরবের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পরিচালিত হয়। সুদান সেই তালিকার একটি দেশ, তবে এই প্রতিবেদনে সুদানে সৌদি সহায়তার অন্যান্য উদাহরণ বা মোট ব্যয়ের কোনো তথ্য নেই।
সারসংক্ষেপে, কেএসরিলিফ পোর্ট সুদানে সৌদি নূর স্বেচ্ছাসেবক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে, যেখানে চারজন স্বেচ্ছাসেবক অংশ নিয়ে ২,২৪০ জনের চোখ পরীক্ষা করেছেন, ২১০টি সফল অস্ত্রোপচার করেছেন এবং ৬০০ জোড়া প্রেসক্রিপশন চশমা বিতরণ করেছেন। আল বাসার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন এই কর্মসূচিতে সহযোগিতা করেছে। এসপিএ প্রতিবেদনে প্রকল্পের সময়কাল, ব্যয়, স্বেচ্ছাসেবকদের পরিচয় বা অস্ত্রোপচারের ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
কেএসরিলিফ পোর্ট সুদানে কী ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে? কেএসরিলিফ সুদানের পোর্ট সুদান শহরে অন্ধত্ব ও চোখের রোগ মোকাবিলায় সৌদি নূর স্বেচ্ছাসেবক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। এতে বিভিন্ন বিশেষত্বের চারজন স্বেচ্ছাসেবক অংশ নিয়েছেন এবং আল বাসার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন সহযোগিতা করেছে। এসপিএ জানিয়েছে, স্বেচ্ছাসেবক চিকিৎসক দল ২,২৪০ জনের চোখ পরীক্ষা করেছে এবং ২১০টি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেছে।
কতজন রোগীকে সেবা দেওয়া হয়েছে এবং কতটি অস্ত্রোপচার করা হয়েছে? প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্বেচ্ছাসেবক চিকিৎসক দল ২,২৪০ জন ব্যক্তির চোখ পরীক্ষা করেছে এবং ২১০টি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেছে। প্রতিটি অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে এসপিএ জানিয়েছে। এছাড়া ৬০০ জোড়া প্রেসক্রিপশন চশমা বিতরণ করা হয়েছে। এই তথ্যগুলো এসপিএ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই প্রকল্পে কারা অংশ নিয়েছেন এবং কে সহযোগিতা করেছে? প্রকল্পে বিভিন্ন বিশেষত্বের চারজন স্বেচ্ছাসেবক অংশ নিয়েছেন। আল বাসার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন এই কর্মসূচিতে সহযোগিতা করেছে। এসপিএ প্রতিবেদনে স্বেচ্ছাসেবকদের নাম, পরিচয় বা কোন বিশেষত্ব থেকে তারা এসেছেন তা উল্লেখ করা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, চারজন স্বেচ্ছাসেবক বিভিন্ন বিশেষত্ব থেকে অংশ নিয়েছেন এবং চিকিৎসক দল হিসেবে কাজ করেছেন।
এই প্রকল্পটি কী উদ্দেশ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে? প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই প্রকল্পটি সুদানজুড়ে স্বাস্থ্যসেবা খাতকে সহায়তা এবং দুর্ভোগ লাঘবের জন্য রাজ্যের চলমান মানবিক ও ত্রাণ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বাস্তবায়িত হয়েছে। কেএসরিলিফের মাধ্যমে এই প্রচেষ্টা পরিচালিত হয়। অন্ধত্ব ও চোখের রোগ মোকাবিলা এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। তবে এসপিএ প্রকল্পের সময়কাল বা ব্যয় সম্পর্কে কিছু জানায়নি।
প্রতিবেদনে কী কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ প্রতিবেদনে প্রকল্পের সময়কাল, ব্যয়, স্বেচ্ছাসেবকদের নাম ও পরিচয়, অস্ত্রোপচারের ধরন এবং আল বাসার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের নির্দিষ্ট ভূমিকা সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি। এছাড়া পোর্ট সুদান শহরকে কেন বেছে নেওয়া হলো, বা সুদানে সৌদি সহায়তার অন্যান্য উদাহরণ সম্পর্কেও প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য নেই। শুধু নির্দিষ্ট সংখ্যক রোগী, অস্ত্রোপচার ও চশমা বিতরণের তথ্য দেওয়া হয়েছে।





