আলউলা ২০২৬ সালের ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর রেসপন্সিবল ট্যুরিজম (আইসিআরটি) অ্যাওয়ার্ডের নেচার পজিটিভ ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক জিতেছে। পুরস্কারটি এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গির স্বীকৃতি, যেখানে পর্যটন উন্নয়নের কেন্দ্রে প্রকৃতিকে রাখা হয়েছে এবং গন্তব্যস্থলের অনন্য প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ জানিয়েছে, আলউলার মোট আয়তন প্রায় ২২,৫৬১ বর্গকিলোমিটার, যার অর্ধেকেরও বেশি অংশ প্রকৃতি সংরক্ষণ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ৫ লাখেরও বেশি দেশীয় গাছ রোপণ করা হয়েছে এবং ১,৫০০-এরও বেশি প্রাণী পুনর্বাসনের (রিওয়াইল্ডিং) আওতায় আনা হয়েছে।
আইসিআরটি বিচারক প্যানেল আলউলার বিজ্ঞানী ও আন্তর্জাতিক সংরক্ষণ সংস্থাগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রশংসা করেছে। প্যানেল বলেছে, গন্তব্য পরিকল্পনায় প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণীকে মূল স্তম্ভ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার প্রতিশ্রুতি এই স্বীকৃতির অন্যতম কারণ।
আলউলায় ৫০০-এরও বেশি প্রজাতির উদ্ভিদ নথিভুক্ত করা হয়েছে। বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার কর্মসূচিগুলো দেশীয় উদ্ভিদ প্রজাতিকে সহায়তা করা, প্রাকৃতিক আবাসস্থল পুনর্বাসন এবং মরু ও মরূদ্যান বাস্তুতন্ত্রের সহনশীলতা বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। শারান ন্যাশনাল পার্কে পুনর্বাসনের কাজ ৭৪,০০০ হেক্টরেরও বেশি এলাকা জুড়ে চলেছে।
প্রশ্ন জাগে, পর্যটন উন্নয়নের কেন্দ্রে প্রকৃতিকে রাখলে একটি মরুভূমি অঞ্চলের অর্থনীতি ও পরিবেশের ভারসাম্য কীভাবে বদলে যেতে পারে? আলউলার এই অর্জন সেই আলোচনাকেই সামনে আনছে।
আলউলার মোট আয়তনের অর্ধেকেরও বেশি অংশ প্রকৃতি সংরক্ষণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত হওয়া মানে, পর্যটন زیرকাঠামো ও সংরক্ষণ এলাকার মধ্যে সীমারেখা নির্ধারণে স্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। ৫ লাখেরও বেশি দেশীয় গাছ রোপণ এবং ১,৫০০-এরও বেশি প্রাণীর পুনর্বাসন সেই পরিকল্পনার বাস্তব চিত্র।
বিচারক প্যানেলের প্রশংসায় বিজ্ঞানী ও আন্তর্জাতিক সংরক্ষণ সংস্থাগুলোর সঙ্গে সহযোগিতার দিকটি আলাদাভাবে উঠে এসেছে। এর অর্থ, সংরক্ষণ কার্যক্রম কেবল স্থানীয় উদ্যোগে সীমাবদ্ধ নয়, বরং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত।
৫০০-এরও বেশি নথিভুক্ত উদ্ভিদ প্রজাতি আলউলার জৈববৈচিত্র্যের পরিধি তুলে ধরে। মরু ও মরূদ্যান বাস্তুতন্ত্রের সহনশীলতা বাড়ানোর কাজ মানে খরা ও তাপমাত্রার পরিবর্তনের মুখেও যেন স্থানীয় প্রজাতিগুলো টিকে থাকতে পারে, সেই ব্যবস্থা নেওয়া।
শারান ন্যাশনাল পার্কে ৭৪,০০০ হেক্টরেরও বেশি এলাকায় পুনর্বাসন কার্যক্রম চলছে। এই ধরনের বড় পরিসরের কাজ সময়সাপেক্ষ এবং ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ দাবি করে।
প্রশ্ন হলো, প্রকৃতি-কেন্দ্রিক এই মডেল দীর্ঘমেয়াদে পর্যটকদের অভিজ্ঞতা ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের জীবিকার মধ্যে ভারসাম্য রাখতে পারবে কি? আইসিআরটি স্বীকৃতি সেই পথের একটি ধাপ।
এসপিএ জানিয়েছে, পুরস্কারটি আলউলার প্রকৃতি-প্রথম দৃষ্টিভঙ্গির স্বীকৃতি। তবে বিজ্ঞপ্তিতে পুরস্কার অনুষ্ঠানের স্থান, তারিখের বিস্তারিত বা অর্থমূল্য উল্লেখ করা হয়নি।
আলউলা কোন পুরস্কার জিতেছে? আলউলা ২০২৬ সালের ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর রেসপন্সিবল ট্যুরিজম (আইসিআরটি) অ্যাওয়ার্ডের নেচার পজিটিভ ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক জিতেছে। এসপিএ জানিয়েছে, পুরস্কারটি প্রকৃতিকে পর্যটন উন্নয়নের কেন্দ্রে রাখার দৃষ্টিভঙ্গির স্বীকৃতি। বিচারক প্যানেল বিজ্ঞানী ও আন্তর্জাতিক সংরক্ষণ সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতার প্রশংসা করেছে।
আলউলার কতটা এলাকা প্রকৃতি সংরক্ষণ এলাকা? আলউলার মোট আয়তন প্রায় ২২,৫৬১ বর্গকিলোমিটার, যার অর্ধেকেরও বেশি অংশ প্রকৃতি সংরক্ষণ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এর পাশাপাশি ৫ লাখেরও বেশি দেশীয় গাছ রোপণ এবং ১,৫০০-এরও বেশি প্রাণীর পুনর্বাসন করা হয়েছে।
শারান ন্যাশনাল পার্কে কী কাজ হয়েছে? শারান ন্যাশনাল পার্কে পুনর্বাসন কার্যক্রম ৭৪,০০০ হেক্টরেরও বেশি এলাকা জুড়ে চলেছে। এসপিএ জানিয়েছে, বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার কর্মসূচি দেশীয় উদ্ভিদ প্রজাতিকে সহায়তা, প্রাকৃতিক আবাসস্থল পুনর্বাসন এবং মরু ও মরূদ্যান বাস্তুতন্ত্রের সহনশীলতা বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।
আলউলায় কত প্রজাতির উদ্ভিদ নথিভুক্ত? আলউলায় ৫০০-এরও বেশি প্রজাতির উদ্ভিদ নথিভুক্ত করা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার কর্মসূচি দেশীয় উদ্ভিদ, প্রাকৃতিক আবাসস্থল পুনর্বাসন এবং মরু ও মরূদ্যান বাস্তুতন্ত্রের সহনশীলতা বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।





