বাহে অঞ্চলের অন্যতম বিশিষ্ট লোকশিল্প ‘আরদা আল-জানুবিয়া’ কবিতা, ছন্দ, সমন্বিত নড়াচড়া এবং ঐতিহ্যবাহী পোশাকের সংমিশ্রণে স্থানীয় জনগণের সাংস্কৃতিক পরিচয় ও ঐতিহ্য ফুটিয়ে তোলে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১১ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, বাহে সংস্কৃতি ও শিল্প সমিতির শাখা পরিচালক আলী আল-বাইদানি এই শিল্পটিকে কয়েকশ বছরের পুরনো ঐতিহ্য হিসেবে বর্ণনা করেছেন যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসছে।
এই অঞ্চলে বর্তমানে ১২টি লোকগোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে যাদের সদস্য সংখ্যা ৩৫০ জনেরও বেশি। সমিতিটি ‘আল-হারমুজ’, ‘আল-মাহশুশ’, ‘আল-সামের’, ‘আল-লাআব’, ‘আল-মাসহাবানি’, ‘তারাক আল-জাবাল’ এবং ‘আল-মাজালিসি’-র মতো প্রাচীন শিল্পগুলোর নথিভুক্তকরণ ও পুনরুজ্জীবনের জন্য কাজ করছে।
‘আরদা আল-জানুবিয়া’র পরিবেশনায় কবিদের উপস্থিতির পাশাপাশি ‘আল-জীর’ নামক এক ধরণের সিলিন্ডার আকৃতির ড্রাম এবং কখনও ‘আল-বারজান’ ব্যবহৃত হয়। অংশগ্রহণকারীরা সমন্বিত সারিতে এবং বৃত্তাকার ছন্দময় নড়াচড়ার মাধ্যমে এটি পরিবেশন করেন, যেখানে অনেকে হাতে তলোয়ার, বন্দুক বা খঞ্জর ধারণ করেন। বীরত্বপূর্ণ কবিতা এবং প্রদর্শনী এই শিল্পে বিশেষ উদ্দীপনা যোগ করে।
বাহে অঞ্চল ‘আরদা আল-জানুবিয়া’ ছাড়াও ‘আল-লাআব’, ‘আল-মাসহাবানি’, ‘আল-লুবাইনি’, ‘আল-মাজালিসি’ এবং ‘তারাক আল-জাবাল’-এর মতো সমৃদ্ধ লোকশিল্পের আবাসস্থল, যা সামাজিক ও জাতীয় উৎসবে অঞ্চলের ইতিহাস প্রতিফলিত করে।
আরদা আল-জানুবিয়া শিল্পটি কেমন? এটি কবিতা, ছন্দ, সমন্বিত নড়াচড়া এবং ঐতিহ্যবাহী পোশাকের সংমিশ্রণে গঠিত একটি লোকশিল্প। পরিবেশনার সময় অংশগ্রহণকারীরা সমন্বিত সারিতে বৃত্তাকার নড়াচড়া করেন এবং হাতে তলোয়ার, বন্দুক বা খঞ্জর থাকে।
এই শিল্পে কোন বাদ্যযন্ত্র ব্যবহৃত হয়? এই পরিবেশনায় ‘আল-জীর’ নামক এক ধরণের সিলিন্ডার আকৃতির ড্রাম এবং কখনও ‘আল-বারজান’ নামক বাদ্যযন্ত্র ব্যবহৃত হয়। এর সাথে কবিদের উপস্থিতিও থাকে।
বাহে সংস্কৃতি ও শিল্প সমিতি কী কাজ করছে? সমিতিটি ‘আল-হারমুজ’, ‘আল-মাহশুশ’, ‘আল-সামের’ এবং ‘আল-মাজালিসি’-র মতো প্রাচীন শিল্পগুলোর নথিভুক্তকরণ ও পুনরুজ্জীবনের চেষ্টা করছে। বর্তমানে সেখানে ১২টি লোকগোষ্ঠীর ৩৫০ জনের বেশি সদস্য সক্রিয়।
বাহে অঞ্চলের অন্যান্য লোকশিল্পগুলো কী কী? আরদা আল-জানুবিয়া ছাড়াও এখানে ‘আল-লাআব’, ‘আল-মাসহাবানি’, ‘আল-লুবাইনি’, ‘আল-মাজালিসি’ এবং ‘তারাক আল-জাবাল’-এর মতো বৈচিত্র্যময় লোকশিল্প রয়েছে।