বাহরাইনের মানামায় জিসিসি মন্ত্রীপরিষদের ১৬৮তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং এতে ইয়েমেনের হুথি মিলিশিয়ার ধারাবাহিক হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ রোববার মানামায় অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মন্ত্রীপরিষদের বর্তমান অধিবেশনের চেয়ারম্যান ড. আবদুললতিফ বিন রাশেদ আল জায়ানি সভাপতিত্ব করেন। এতে জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জিসিসি মহাসচিব অংশগ্রহণ করেন।
অধিবেশনে অঞ্চলের গুরুতর উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং চূড়ান্ত বিবৃতি জারি করা হয়। বিবৃতির প্রথম অংশে হুথি হামলার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
মন্ত্রীপরিষদ সবচেয়ে কঠোর ভাষায় সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী হুথি মিলিশিয়ার ধারাবাহিক হামলার নিন্দা জানিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পবিত্র দুই মসজিদ ও আশপাশের এলাকা, বেসামরিক বিমানবন্দর এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা, যার ফলে বেসামরিক হতাহত ও আহত হয়েছে। মন্ত্রীপরিষদ এটিকে আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে।
মন্ত্রীপরিষদ নিহতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছে এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে।
মন্ত্রীপরিষদ জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সৌদি আরবের প্রতি পূর্ণ সংহতি, তার পাশে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও নিরাপত্তা ও স্বার্থ সংরক্ষণে সৌদি আরবের গৃহীত সব পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে।
মন্ত্রীপরিষদ জোর দিয়ে বলেছে, জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নিরাপত্তা অবিভাজ্য এবং যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী কোনো সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যেকোনো আগ্রাসন সব জিসিসি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সরাসরি আগ্রাসন হিসেবে বিবেচিত হবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ব্যক্তিগত ও সম্মিলিত আত্মরক্ষার সহজাত অধিকার রয়েছে এবং নাগরিক ও বাসিন্দাদের সুরক্ষা এবং সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও স্বার্থ সংরক্ষণে সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার রয়েছে।
এসপিএ জানিয়েছে, অধিবেশনে অঞ্চলের গুরুতর উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করে মন্ত্রীপরিষদ চূড়ান্ত বিবৃতি দেয়। বিবৃতিতে হুথি হামলার নিন্দা ছাড়াও সৌদি আরবের প্রতি সংহতি ও সমর্থনের কথা বলা হয়েছে।
মন্ত্রীপরিষদ হুথি হামলাকে আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে। এতে পবিত্র দুই মসজিদ ও আশপাশের এলাকা, বেসামরিক বিমানবন্দর এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এসব হামলায় বেসামরিক হতাহত ও আহত হয়েছে। মন্ত্রীপরিষদ নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে।
জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নিরাপত্তাকে অবিভাজ্য উল্লেখ করে মন্ত্রীপরিষদ বলেছে, যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী কোনো সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আগ্রাসন সব সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আগ্রাসন।
মন্ত্রীপরিষদ জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদের কথা উল্লেখ করে আত্মরক্ষার অধিকারের কথা বলেছে। এতে বলা হয়েছে, জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ব্যক্তিগত ও সম্মিলিত আত্মরক্ষার সহজাত অধিকার রয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, তারা নাগরিক ও বাসিন্দাদের সুরক্ষা এবং সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও স্বার্থ সংরক্ষণে সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারবে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানামায় অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আবদুললতিফ বিন রাশেদ আল জায়ানি সভাপতিত্ব করেন। এতে জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জিসিসি মহাসচিব অংশ নেন।
অধিবেশনে অঞ্চলের গুরুতর উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং চূড়ান্ত বিবৃতি জারি করা হয়। বিবৃতিতে হুথি হামলার নিন্দা, সৌদি আরবের প্রতি সংহতি এবং আত্মরক্ষার অধিকারের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
মন্ত্রীপরিষদ হুথি মিলিশিয়াকে সন্ত্রাসী হিসেবে অভিহিত করেছে এবং সৌদি আরবের বিরুদ্ধে তার ধারাবাহিক হামলার নিন্দা জানিয়েছে। এতে পবিত্র দুই মসজিদ ও আশপাশের এলাকা, বেসামরিক বিমানবন্দর এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার কথা বলা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এসব হামলায় বেসামরিক হতাহত ও আহত হয়েছে এবং এটি আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
মন্ত্রীপরিষদ নিহতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছে এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে।
জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সৌদি আরবের প্রতি পূর্ণ সংহতি ও ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, তারা সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও নিরাপত্তা ও স্বার্থ সংরক্ষণে তার সব পদক্ষেপকে সমর্থন করে।
মন্ত্রীপরিষদ বলেছে, জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নিরাপত্তা অবিভাজ্য এবং যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী কোনো সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আগ্রাসন সব সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সরাসরি আগ্রাসন।
এতে জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকারের কথা বলা হয়েছে। মন্ত্রীপরিষদ বলেছে, জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ব্যক্তিগত ও সম্মিলিত আত্মরক্ষার সহজাত অধিকার রয়েছে এবং নাগরিক ও বাসিন্দাদের সুরক্ষা এবং সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও স্বার্থ সংরক্ষণে সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার রয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অধিবেশনে অঞ্চলের গুরুতর উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং চূড়ান্ত বিবৃতি জারি করা হয়। বিবৃতিতে হুথি হামলার নিন্দা, সৌদি আরবের প্রতি সংহতি ও সমর্থন এবং আত্মরক্ষার অধিকারের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
মন্ত্রীপরিষদ হুথি হামলাকে আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে। এতে পবিত্র দুই মসজিদ ও আশপাশের এলাকা, বেসামরিক বিমানবন্দর এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার কথা বলা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এসব হামলায় বেসামরিক হতাহত ও আহত হয়েছে। মন্ত্রীপরিষদ নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে।
জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নিরাপত্তাকে অবিভাজ্য উল্লেখ করে মন্ত্রীপরিষদ বলেছে, যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী কোনো সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আগ্রাসন সব সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আগ্রাসন।
মন্ত্রীপরিষদ জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদের কথা উল্লেখ করে আত্মরক্ষার অধিকারের কথা বলেছে। এতে বলা হয়েছে, জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ব্যক্তিগত ও সম্মিলিত আত্মরক্ষার সহজাত অধিকার রয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, তারা নাগরিক ও বাসিন্দাদের সুরক্ষা এবং সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও স্বার্থ সংরক্ষণে সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারবে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানামায় অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আবদুললতিফ বিন রাশেদ আল জায়ানি সভাপতিত্ব করেন। এতে জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জিসিসি মহাসচিব অংশ নেন।
অধিবেশনে অঞ্চলের গুরুতর উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং চূড়ান্ত বিবৃতি জারি করা হয়। বিবৃতিতে হুথি হামলার নিন্দা, সৌদি আরবের প্রতি সংহতি এবং আত্মরক্ষার অধিকারের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
মন্ত্রীপরিষদ হুথি মিলিশিয়াকে সন্ত্রাসী হিসেবে অভিহিত করেছে এবং সৌদি আরবের বিরুদ্ধে তার ধারাবাহিক হামলার নিন্দা জানিয়েছে। এতে পবিত্র দুই মসজিদ ও আশপাশের এলাকা, বেসামরিক বিমানবন্দর এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার কথা বলা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এসব হামলায় বেসামরিক হতাহত ও আহত হয়েছে এবং এটি আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
মন্ত্রীপরিষদ নিহতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছে এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে।
জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সৌদি আরবের প্রতি পূর্ণ সংহতি ও ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, তারা সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও নিরাপত্তা ও স্বার্থ সংরক্ষণে তার সব পদক্ষেপকে সমর্থন করে।
মন্ত্রীপরিষদ বলেছে, জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নিরাপত্তা অবিভাজ্য এবং যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী কোনো সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আগ্রাসন সব সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সরাসরি আগ্রাসন।
এতে জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকারের কথা বলা হয়েছে। মন্ত্রীপরিষদ বলেছে, জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ব্যক্তিগত ও সম্মিলিত আত্মরক্ষার সহজাত অধিকার রয়েছে এবং নাগরিক ও বাসিন্দাদের সুরক্ষা এবং সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও স্বার্থ সংরক্ষণে সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার রয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অধিবেশনে অঞ্চলের গুরুতর উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং চূড়ান্ত বিবৃতি জারি করা হয়। বিবৃতিতে হুথি হামলার নিন্দা, সৌদি আরবের প্রতি সংহতি ও সমর্থন এবং আত্মরক্ষার অধিকারের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
মন্ত্রীপরিষদ হুথি হামলাকে আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে। এতে পবিত্র দুই মসজিদ ও আশপাশের এলাকা, বেসামরিক বিমানবন্দর এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার কথা বলা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এসব হামলায় বেসামরিক হতাহত ও আহত হয়েছে। মন্ত্রীপরিষদ নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে।
জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নিরাপত্তাকে অবিভাজ্য উল্লেখ করে মন্ত্রীপরিষদ বলেছে, যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী কোনো সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আগ্রাসন সব সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আগ্রাসন।
মন্ত্রীপরিষদ জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদের কথা উল্লেখ করে আত্মরক্ষার অধিকারের কথা বলেছে। এতে বলা হয়েছে, জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ব্যক্তিগত ও সম্মিলিত আত্মরক্ষার সহজাত অধিকার রয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, তারা নাগরিক ও বাসিন্দাদের সুরক্ষা এবং সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও স্বার্থ সংরক্ষণে সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারবে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানামায় অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আবদুললতিফ বিন রাশেদ আল জায়ানি সভাপতিত্ব করেন। এতে জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জিসিসি মহাসচিব অংশ নেন।
অধিবেশনে অঞ্চলের গুরুতর উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং চূড়ান্ত বিবৃতি জারি করা হয়। বিবৃতিতে হুথি হামলার নিন্দা, সৌদি আরবের প্রতি সংহতি এবং আত্মরক্ষার অধিকারের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
জিসিসি মন্ত্রীপরিষদের ১৬৮তম অধিবেশন কোথায় ও কবে অনুষ্ঠিত হয়? অধিবেশনটি ১৮ অক্টোবর ২০২৬ রোববার বাহরাইনের মানামায় অনুষ্ঠিত হয়। বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মন্ত্রীপরিষদের বর্তমান অধিবেশনের চেয়ারম্যান ড. আবদুললতিফ বিন রাশেদ আল জায়ানি সভাপতিত্ব করেন। এতে জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জিসিসি মহাসচিব অংশগ্রহণ করেন। এসপিএ জানিয়েছে, অধিবেশনে অঞ্চলের গুরুতর উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং চূড়ান্ত বিবৃতি জারি করা হয়।
হুথি হামলার বিষয়ে মন্ত্রীপরিষদ কী বলেছে? মন্ত্রীপরিষদ সবচেয়ে কঠোর ভাষায় সন্ত্রাসী হুথি মিলিশিয়ার ধারাবাহিক হামলার নিন্দা জানিয়েছে। এর মধ্যে পবিত্র দুই মসজিদ ও আশপাশের এলাকা, বেসামরিক বিমানবন্দর এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা রয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এসব হামলায় বেসামরিক হতাহত ও আহত হয়েছে এবং এটি আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। মন্ত্রীপরিষদ নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে।
জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নিরাপত্তা বিষয়ে মন্ত্রীপরিষদ কী অবস্থান নিয়েছে? মন্ত্রীপরিষদ জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সৌদি আরবের প্রতি পূর্ণ সংহতি ও ঐক্যবদ্ধ অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে। তারা সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও নিরাপত্তা ও স্বার্থ সংরক্ষণে তার সব পদক্ষেপকে সমর্থন করে। মন্ত্রীপরিষদ বলেছে, জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নিরাপত্তা অবিভাজ্য এবং যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী কোনো সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আগ্রাসন সব সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সরাসরি আগ্রাসন। এসপিএ এই বিবৃতির কথা জানিয়েছে।
আত্মরক্ষার অধিকার বিষয়ে মন্ত্রীপরিষদ কী উল্লেখ করেছে? মন্ত্রীপরিষদ জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ব্যক্তিগত ও সম্মিলিত আত্মরক্ষার সহজাত অধিকারের কথা উল্লেখ করেছে। তারা নাগরিক ও বাসিন্দাদের সুরক্ষা এবং সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও স্বার্থ সংরক্ষণে সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার রাখে। এসপিএ জানিয়েছে, এই অবস্থান চূড়ান্ত বিবৃতিতে তুলে ধরা হয়েছে।
অধিবেশনে অংশগ্রহণকারীরা কারা ছিলেন? অধিবেশনে বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মন্ত্রীপরিষদের বর্তমান অধিবেশনের চেয়ারম্যান ড. আবদুললতিফ বিন রাশেদ আল জায়ানি সভাপতিত্ব করেন। এতে জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জিসিসি মহাসচিব অংশগ্রহণ করেন। এসপিএ জানিয়েছে, অধিবেশনটি ১৮ অক্টোবর ২০২৬ রোববার বাহরাইনের মানামায় অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে অঞ্চলের গুরুতর উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করা হয়।
চূড়ান্ত বিবৃতিতে আর কী কী বিষয় ছিল? চূড়ান্ত বিবৃতিতে হুথি হামলার নিন্দা, সৌদি আরবের প্রতি সংহতি ও সমর্থন এবং আত্মরক্ষার অধিকারের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রীপরিষদ হুথি মিলিশিয়াকে সন্ত্রাসী হিসেবে অভিহিত করেছে এবং পবিত্র দুই মসজিদ ও আশপাশের এলাকা, বেসামরিক বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার কথা উল্লেখ করেছে। এসপিএ জানিয়েছে, এসব হামলায় বেসামরিক হতাহত ও আহত হয়েছে।