সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) ২০২৫ অর্থবছরে ১১টি উন্নয়নশীল দেশের সঙ্গে ১৩টি উন্নয়ন ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার মোট মূল্য ১.৭৭ বিলিয়ন রিয়াল। বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এসব ঋণ অগ্রাধিকার প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হবে, যা টেকসই উন্নয়নকে সহায়তা করবে এবং বৈশ্বিক উন্নয়ন অর্থায়নে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন ভূমিকাকে আরও জোরদার করবে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, তিনটি দেশ—সুরিনাম, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ এবং বার্বাডোস—প্রথমবারের মতো ফান্ডের পোর্টফোলিওতে যুক্ত হয়েছে। এই যোগদান কীভাবে এসএফডির বৈশ্বিক অংশীদারত্বের পরিধি বাড়াচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন জাগে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ছয়টি ঋণ পেয়েছে, যার মূল্য ৮৫৫ মিলিয়ন রিয়াল। লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল তিনটি ঋণ পেয়েছে, যার মূল্য ৪২২.৬২ মিলিয়ন রিয়াল। আফ্রিকা দুটি ঋণ পেয়েছে, যার মূল্য ৩৬৮.২৮ মিলিয়ন রিয়াল। ইউরোপ দুটি ঋণ পেয়েছে, যার মূল্য ১২০ মিলিয়ন রিয়াল। এই অঞ্চলভিত্তিক বণ্টন কীভাবে এসএফডির অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে, তা নিয়ে বিশ্লেষণ প্রয়োজন।
খাতভিত্তিক বণ্টনে দেখা যায়, সামাজিক অবকাঠামো সবচেয়ে বড় অংশ দখল করেছে। সাতটি ঋণের মাধ্যমে এই খাতে মোট ১.১১ বিলিয়ন রিয়াল দেওয়া হয়েছে, যা মোট ঋণের ৬২.৮ শতাংশ। এরপর রয়েছে জ্বালানি খাত, যেখানে তিনটি ঋণের মাধ্যমে ৩৩৭.৫ মিলিয়ন রিয়াল (১৯.১ শতাংশ) দেওয়া হয়েছে। পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে দুটি ঋণের মাধ্যমে ১৭৬.২৫ মিলিয়ন রিয়াল (১০ শতাংশ) এবং কৃষি খাতে একটি ঋণের মাধ্যমে ১৪৩.২৯ মিলিয়ন রিয়াল (৮.১ শতাংশ) দেওয়া হয়েছে। সামাজিক অবকাঠামোতে এত বড় বিনিয়োগ কীভাবে দীর্ঘমেয়াদে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জীবনমান বদলাবে, তা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে।
এসপিএ জানিয়েছে, আটটি দেশে নয়টি ঋণ, যার মূল্য ১.৩২ বিলিয়ন রিয়াল, অন্য ঋণদাতাদের সঙ্গে সহ-অর্থায়ন করা হয়েছে। অংশীদারদের মধ্যে ছিল ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এবং সুবিধাভোগী সরকারগুলো। এসব প্রকল্পের সম্মিলিত ব্যয় ছিল ৪.৯৭ বিলিয়ন রিয়াল, আর সহ-অর্থায়িত ঋণ বছরের মোট ঋণের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ। এই বহুপাক্ষিক সহযোগিতা কীভাবে ঝুঁকি ভাগ করে নেয় এবং সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পাঁচ দশক ধরে ফান্ডটি ১০১টি উন্নয়নশীল দেশে ৮০৮টি উন্নয়ন ঋণ দিয়েছে, যার মোট মূল্য ৮৩.২৬ বিলিয়ন রিয়াল। এই দীর্ঘ যাত্রা কীভাবে সৌদি আরবের বৈশ্বিক উন্নয়ন ভূমিকার ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে, তা নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত।
২০২৫ অর্থবছরের এই ঋণ চুক্তিগুলো এসএফডির বার্ষিক প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব ঋণ অগ্রাধিকার প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হবে, যা টেকসই উন্নয়নকে সহায়তা করবে। সুরিনাম, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ এবং বার্বাডোস প্রথমবারের মতো ফান্ডের পোর্টফোলিওতে যুক্ত হয়েছে, যা এসএফডির ভৌগোলিক বিস্তারের নতুন অধ্যায়। এই নতুন দেশগুলোর অন্তর্ভুক্তি কীভাবে ভবিষ্যতে আরও দেশকে আকৃষ্ট করবে, তা নিয়ে ভাবা যেতে পারে।
অঞ্চলভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ছয়টি ঋণ পেয়ে শীর্ষে রয়েছে। এরপর লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল তিনটি ঋণ পেয়েছে। আফ্রিকা ও ইউরোপ প্রত্যেকে দুটি করে ঋণ পেয়েছে। এই বণ্টন কীভাবে এসএফডির কৌশলগত অগ্রাধিকার প্রতিফলিত করে, তা নিয়ে প্রশ্ন জাগে।
খাতভিত্তিক বণ্টনে সামাজিক অবকাঠামোর প্রাধান্য স্পষ্ট। সাতটি ঋণের মাধ্যমে ১.১১ বিলিয়ন রিয়াল বিনিয়োগ করা হয়েছে, যা মোট ঋণের ৬২.৮ শতাংশ। জ্বালানি খাতে তিনটি ঋণ, পরিবহন ও যোগাযোগে দুটি এবং কৃষিতে একটি ঋণ দেওয়া হয়েছে। সামাজিক অবকাঠামোতে এই বিপুল বিনিয়োগ কীভাবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জল সরবরাহের মতো মৌলিক সেবা উন্নত করবে, তা নিয়ে আশাবাদী হওয়া যায়।
সহ-অর্থায়নের দিকটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। আটটি দেশে নয়টি ঋণ, যার মূল্য ১.৩২ বিলিয়ন রিয়াল, ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এবং সুবিধাভোগী সরকারগুলোর সঙ্গে সহ-অর্থায়ন করা হয়েছে। এসব প্রকল্পের সম্মিলিত ব্যয় ৪.৯৭ বিলিয়ন রিয়াল। সহ-অর্থায়িত ঋণ বছরের মোট ঋণের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ। এই মডেল কীভাবে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন সহজ করে, তা নিয়ে বিশ্লেষণ প্রয়োজন।
পাঁচ দশকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এসএফডি ১০১টি উন্নয়নশীল দেশে ৮০৮টি ঋণ দিয়েছে, যার মোট মূল্য ৮৩.২৬ বিলিয়ন রিয়াল। এই দীর্ঘ ইতিহাস কীভাবে সৌদি আরবের স্থায়ী উন্নয়ন প্রতিশ্রুতির প্রমাণ, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে উল্লিখিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ অর্থবছরে স্বাক্ষরিত ১৩টি ঋণ চুক্তির মধ্যে ১১টি দেশ রয়েছে। এই ঋণগুলোর মধ্যে সামাজিক অবকাঠামো খাতে সাতটি, জ্বালানি খাতে তিনটি, পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে দুটি এবং কৃষি খাতে একটি ঋণ অন্তর্ভুক্ত। প্রতিটি খাতের বিনিয়োগের পরিমাণ ও শতাংশ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই খাতভিত্তিক অগ্রাধিকার কীভাবে সুবিধাভোগী দেশগুলোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে, তা নিয়ে আলোচনা জরুরি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সহ-অর্থায়িত প্রকল্পগুলোর সম্মিলিত ব্যয় ৪.৯৭ বিলিয়ন রিয়াল, যা মোট ঋণের চেয়ে অনেক বেশি। এর মানে হলো, এসএফডির ঋণ অন্যান্য ঋণদাতাদের সম্পদকে একত্রিত করে বড় প্রকল্পে রূপান্তরিত করেছে। এই সমন্বয় কীভাবে উন্নয়নশীল দেশগুলোর সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে, তা নিয়ে ভাবা যেতে পারে।
সুরিনাম, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ এবং বার্বাডোসের যোগদান এসএফডির বৈশ্বিক উপস্থিতির বিস্তারকে নির্দেশ করে। এই তিনটি দেশের প্রকল্পগুলো কী ধরনের হবে, তা প্রতিবেদনে বিস্তারিত বলা হয়নি। তবে তাদের অন্তর্ভুক্তি ফান্ডের ভৌগোলিক বৈচিত্র্যকে বাড়িয়ে তুলেছে। এই বৈচিত্র্য কীভাবে ভবিষ্যতে আরও নতুন দেশকে আকৃষ্ট করবে, তা নিয়ে প্রশ্ন জাগে।
এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ছয়টি ঋণ পেয়ে শীর্ষে থাকলেও, আফ্রিকা ও ইউরোপ প্রত্যেকে দুটি করে ঋণ পেয়েছে। লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল তিনটি ঋণ পেয়েছে। এই বণ্টন কীভাবে এসএফডির ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার প্রতিফলিত করে, তা নিয়ে বিশ্লেষণ হতে পারে।
সামাজিক অবকাঠামোতে ৬২.৮ শতাংশ বিনিয়োগ করা হয়েছে, যা মোট ঋণের বড় অংশ। এই খাতে সাতটি ঋণ দেওয়া হয়েছে। জ্বালানি খাতে ১৯.১ শতাংশ, পরিবহন ও যোগাযোগে ১০ শতাংশ এবং কৃষিতে ৮.১ শতাংশ বিনিয়োগ হয়েছে। এই খাতভিত্তিক বিনিয়োগ কীভাবে সুবিধাভোগী দেশগুলোর টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা করবে, তা নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন।
সহ-অর্থায়নের ক্ষেত্রে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এবং সুবিধাভোগী সরকারগুলো অংশীদার ছিল। এই অংশীদারত্ব কীভাবে উন্নয়ন অর্থায়নে বহুপাক্ষিক সহযোগিতার মডেল তৈরি করে, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
পাঁচ দশকে ৮০৮টি ঋণ এবং ৮৩.২৬ বিলিয়ন রিয়ালের বিনিয়োগ এসএফডির দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতির প্রমাণ। ১০১টি দেশ এই ঋণ পেয়েছে। এই ধারাবাহিকতা কীভাবে সৌদি আরবের বৈশ্বিক উন্নয়ন নেতৃত্বকে শক্তিশালী করে, তা নিয়ে ভাবা যেতে পারে।
প্রতিবেদনে ২০২৫ অর্থবছরের ঋণ চুক্তিগুলোর বিস্তারিত খাতভিত্তিক ও অঞ্চলভিত্তিক বণ্টন দেওয়া হয়েছে। তবে কোন দেশ কোন প্রকল্পে কত ঋণ পেয়েছে, তার বিস্তারিত তালিকা দেওয়া হয়নি। এই তথ্যের অনুপস্থিতি কীভাবে সামগ্রিক চিত্র বুঝতে বাধা তৈরি করে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে।
সামগ্রিকভাবে, এসএফডির ২০২৫ অর্থবছরের কার্যক্রম বৈশ্বিক উন্নয়ন অর্থায়নে সৌদি আরবের সক্রিয় ভূমিকাকে তুলে ধরে। ১১টি দেশের সঙ্গে ১৩টি ঋণ চুক্তি, তিনটি নতুন দেশের যোগদান, এবং সহ-অর্থায়নের মাধ্যমে বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন—এই সবই ফান্ডের কৌশলগত দিকনির্দেশনার অংশ। এই ধারা কীভাবে ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে, তা নিয়ে নজর রাখা প্রয়োজন।
২০২৫ অর্থবছরে এসএফডি কতটি ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এবং মোট মূল্য কত? সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট ২০২৫ অর্থবছরে ১১টি উন্নয়নশীল দেশের সঙ্গে ১৩টি উন্নয়ন ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার মোট মূল্য ১.৭৭ বিলিয়ন রিয়াল। বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এসব ঋণ অগ্রাধিকার প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হবে, যা টেকসই উন্নয়নকে সহায়তা করবে এবং বৈশ্বিক উন্নয়ন অর্থায়নে সৌদি আরবের ভূমিকা জোরদার করবে। তিনটি দেশ—সুরিনাম, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ও বার্বাডোস—প্রথমবারের মতো ফান্ডের পোর্টফোলিওতে যুক্ত হয়েছে।
অঞ্চলভিত্তিক ঋণ বণ্টনে কোন অঞ্চল কত পেয়েছে? এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ছয়টি ঋণ পেয়েছে, যার মূল্য ৮৫৫ মিলিয়ন রিয়াল। লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল তিনটি ঋণ পেয়েছে, যার মূল্য ৪২২.৬২ মিলিয়ন রিয়াল। আফ্রিকা দুটি ঋণ পেয়েছে, যার মূল্য ৩৬৮.২৮ মিলিয়ন রিয়াল। ইউরোপ দুটি ঋণ পেয়েছে, যার মূল্য ১২০ মিলিয়ন রিয়াল। এই বণ্টন এসএফডির ভৌগোলিক অগ্রাধিকার নির্দেশ করে।
খাতভিত্তিক বিনিয়োগে কোন খাত সবচেয়ে বেশি ঋণ পেয়েছে? সামাজিক অবকাঠামো খাত সবচেয়ে বেশি ঋণ পেয়েছে। সাতটি ঋণের মাধ্যমে এই খাতে ১.১১ বিলিয়ন রিয়াল দেওয়া হয়েছে, যা মোট ঋণের ৬২.৮ শতাংশ। এরপর জ্বালানি খাতে তিনটি ঋণে ৩৩৭.৫ মিলিয়ন রিয়াল (১৯.১ শতাংশ), পরিবহন ও যোগাযোগে দুটি ঋণে ১৭৬.২৫ মিলিয়ন রিয়াল (১০ শতাংশ) এবং কৃষিতে একটি ঋণে ১৪৩.২৯ মিলিয়ন রিয়াল (৮.১ শতাংশ) দেওয়া হয়েছে।
সহ-অর্থায়নের ক্ষেত্রে কোন প্রতিষ্ঠানগুলো অংশীদার ছিল? আটটি দেশে নয়টি ঋণ, যার মূল্য ১.৩২ বিলিয়ন রিয়াল, সহ-অর্থায়ন করা হয়েছে। অংশীদারদের মধ্যে ছিল ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এবং সুবিধাভোগী সরকারগুলো। এসব প্রকল্পের সম্মিলিত ব্যয় ছিল ৪.৯৭ বিলিয়ন রিয়াল, আর সহ-অর্থায়িত ঋণ বছরের মোট ঋণের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ।
পাঁচ দশকে এসএফডি কতটি ঋণ দিয়েছে এবং কত দেশ উপকৃত হয়েছে? পাঁচ দশক ধরে এসএফডি ১০১টি উন্নয়নশীল দেশে ৮০৮টি উন্নয়ন ঋণ দিয়েছে, যার মোট মূল্য ৮৩.২৬ বিলিয়ন রিয়াল। এই দীর্ঘ ইতিহাস সৌদি আরবের বৈশ্বিক উন্নয়ন প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে। ২০২৫ অর্থবছরে ১১টি দেশের সঙ্গে ১৩টি ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মধ্যে তিনটি নতুন দেশ প্রথমবারের মতো যুক্ত হয়েছে।
নতুন তিনটি দেশ কোনগুলো এবং তাদের যোগদানের তাৎপর্য কী? নতুন তিনটি দেশ হলো সুরিনাম, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ এবং বার্বাডোস। তারা প্রথমবারের মতো এসএফডির পোর্টফোলিওতে যুক্ত হয়েছে। এই যোগদান ফান্ডের ভৌগোলিক বিস্তার ও বৈচিত্র্যকে বাড়িয়ে তুলেছে। তবে প্রতিবেদনে এই দেশগুলোর নির্দিষ্ট প্রকল্প বা ঋণের পরিমাণ বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়নি।