Tuesday, November 3, 2026
অর্থনীতি

এআইআইবি বার্ষিক সভায় অংশগ্রহণ শেষ করলেন সৌদি অর্থমন্ত্রী

এআইআইবি বার্ষিক সভায় অংশগ্রহণ শেষ করলেন সৌদি অর্থমন্ত্রী

কাতারের দোহায় ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (এআইআইবি)-এর একাদশ বার্ষিক সভায় অংশগ্রহণ শেষ করেছেন সৌদি আরবের অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আলজাদান। সভাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে “Tomorrow’s Infrastructure: Impact and Innovation” প্রতিপাদ্যে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, মন্ত্রী আলজাদান তার বক্তব্যে বলেন যে এআইআইবি একটি শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন করেছে, যেখানে সংযোগ, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণে অগ্রগতি হয়েছে, যা সদস্যদের অবকাঠামো চাহিদা মোকাবিলায় ব্যাংকের ক্রমবর্ধমান সক্ষমতা প্রদর্শন করে।

তিনি বলেন, “এআইআইবি যখন সম্প্রসারিত হচ্ছে, তখন অগ্রগতি কেবল অর্থায়নের পরিমাণ বা প্রকল্প অনুমোদনের মাধ্যমে নয়, বরং উন্নয়ন প্রভাবের মাধ্যমেও পরিমাপ করা উচিত।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, ব্যাংকের সাফল্য “উন্নত অবকাঠামো সেবা, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, বৃহত্তর অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা এবং বেসরকারি খাতের বর্ধিত অংশগ্রহণে রূপান্তরিত হওয়া উচিত।”

এআইআইবি কীভাবে সদস্যদের প্রকৃত চাহিদা বুঝবে, যদি আগে থেকেই সংলাপ না হয়? মন্ত্রী আলজাদান সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে আরও জোরদার সম্পৃক্ততার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আগাম সংলাপ এআইআইবিকে প্রতিটি দেশের পরিস্থিতি, অবকাঠামো ঘাটতি ও অগ্রাধিকার বুঝতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে তিনি জাতীয় কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বহুবর্ষী কর্মসূচি সমর্থনের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

তিনি তার বক্তব্য শেষে অংশীদারিত্বের আরও বেশি ব্যবহারের আহ্বান জানান এবং ব্যাংককে অন্যান্য বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করতে উৎসাহিত করেন, যাতে দক্ষতা বিনিময়, পুনরাবৃত্তি এড়ানো এবং অতিরিক্ত সরকারি ও বেসরকারি সম্পদ সংগ্রহ করা যায়।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, এআইআইবি-র দৃষ্টিভঙ্গি দেশ-চালিত থাকা গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, রাজস্ব পরিসর ও অবকাঠামো উন্নয়নের পার্থক্য স্বীকৃত হবে। এই পার্থক্য স্বীকার না করলে সদস্যদের জন্য প্রকল্প কতটা কার্যকর হবে? তিনি বলেন, এসব পার্থক্য বিবেচনায় নিয়ে ব্যাংকের সহায়তা নির্ধারণ করা উচিত।

সৌদি আরব এআইআইবি-র প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ২০১৬ সালে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে বহুপাক্ষিক উন্নয়ন অর্থায়ন প্রতিষ্ঠান হিসেবে এআইআইবি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ব্যাংকটি সদস্যদের অবকাঠামো প্রকল্পে অর্থায়ন ও সহযোগিতা বাড়িয়েছে।

এআইআইবি-র সদস্যদের মধ্যে সংযোগ ও আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে ব্যাংকের ভূমিকা কতটা ফলপ্রসূ হয়েছে? মন্ত্রী আলজাদান মনে করেন, সংযোগ, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণে অগ্রগতি ব্যাংকের সক্ষমতার প্রমাণ। তবে তিনি অগ্রগতির মাপকাঠি হিসেবে কেবল অর্থায়নের পরিমাণ বা প্রকল্প অনুমোদনকে যথেষ্ট মনে করেন না।

বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংকগুলোর মধ্যে সমন্বয় না থাকলে সম্পদের অপচয় হবে না কি? মন্ত্রী আলজাদান তাই অন্যান্য বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান। এর লক্ষ্য দক্ষতা বিনিময়, পুনরাবৃত্তি এড়ানো এবং অতিরিক্ত সরকারি ও বেসরকারি সম্পদ সংগ্রহ।

তিনি আরও বলেন, এআইআইবি-র সদস্যদের সঙ্গে আগাম সংলাপ প্রয়োজন, যাতে প্রতিটি দেশের পরিস্থিতি, অবকাঠামো ঘাটতি ও অগ্রাধিকার সম্পর্কে ব্যাংক স্পষ্ট ধারণা পায়। এর ফলে জাতীয় কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বহুবর্ষী কর্মসূচি সমর্থন করা সহজ হবে।

দেশ-চালিত দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখলে সদস্যদের বিভিন্ন সক্ষমতা ও রাজস্ব পরিসর কীভাবে বিবেচনায় আসবে? মন্ত্রী আলজাদান এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন যে, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, রাজস্ব পরিসর ও অবকাঠামো উন্নয়নের পার্থক্য স্বীকৃত হওয়া উচিত।

এআইআইবি ২০১৬ সালে বেইজিংয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। সৌদি আরব এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। একাদশ বার্ষিক সভা ২৮-২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে দোহায় “Tomorrow’s Infrastructure: Impact and Innovation” প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আলজাদান অংশগ্রহণ করেন এবং বক্তব্য রাখেন।

এসপিএ জানিয়েছে, মন্ত্রী আলজাদান ব্যাংকের অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে উন্নয়ন প্রভাবকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ততা জোরদার, বহুবর্ষী কর্মসূচি সমর্থন এবং অংশীদারিত্ব ব্যবহারের ওপর জোর দেন।

এআইআইবি-র সাফল্য কীভাবে উন্নত অবকাঠামো সেবা, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, বৃহত্তর অর্থনৈতিক স্থিতিশাপকতা ও বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণে রূপান্তরিত হবে? মন্ত্রী আলজাদান এ প্রশ্নের উত্তর হিসেবে বলেন, ব্যাংকের সাফল্য এসব ক্ষেত্রে প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে এআইআইবি-র নির্দিষ্ট কোনো প্রকল্প, অর্থায়নের পরিমাণ বা সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের বিস্তারিত উল্লেখ নেই। সৌদি আরবের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতে কী ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হবে, সে বিষয়েও প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি।

এআইআইবি-র একাদশ বার্ষিক সভা কোথায় ও কখন অনুষ্ঠিত হয়? সভাটি কাতারের দোহায় ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিপাদ্য ছিল “Tomorrow’s Infrastructure: Impact and Innovation”। সৌদি আরবের অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আলজাদান এতে অংশগ্রহণ করেন। এসপিএ জানিয়েছে, সভায় সংযোগ, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা হয়।

মন্ত্রী আলজাদান এআইআইবি-র অগ্রগতি পরিমাপের বিষয়ে কী বলেছেন? তিনি বলেন, এআইআইবি যখন সম্প্রসারিত হচ্ছে, তখন অগ্রগতি কেবল অর্থায়নের পরিমাণ বা প্রকল্প অনুমোদনের মাধ্যমে নয়, বরং উন্নয়ন প্রভাবের মাধ্যমেও পরিমাপ করা উচিত। তার মতে, ব্যাংকের সাফল্য উন্নত অবকাঠামো সেবা, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, বৃহত্তর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বেসরকারি খাতের বর্ধিত অংশগ্রহণে রূপান্তরিত হওয়া উচিত।

তিনি সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ততা নিয়ে কী আহ্বান জানিয়েছেন? মন্ত্রী আলজাদান সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে আরও জোরদার সম্পৃক্ততার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আগাম সংলাপ এআইআইবিকে প্রতিটি দেশের পরিস্থিতি, অবকাঠামো ঘাটতি ও অগ্রাধিকার বুঝতে সহায়তা করবে। তিনি জাতীয় কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বহুবর্ষী কর্মসূচি সমর্থনের গুরুত্বের ওপরও জোর দেন।

তিনি বহুপাক্ষিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব নিয়ে কী বলেছেন? তিনি অংশীদারিত্বের আরও বেশি ব্যবহারের আহ্বান জানান এবং ব্যাংককে অন্যান্য বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করতে উৎসাহিত করেন। এর লক্ষ্য দক্ষতা বিনিময়, পুনরাবৃত্তি এড়ানো এবং অতিরিক্ত সরকারি ও বেসরকারি সম্পদ সংগ্রহ। তিনি বলেন, এআইআইবি-র দৃষ্টিভঙ্গি দেশ-চালিত থাকা উচিত।

সৌদি আরবের সঙ্গে এআইআইবি-র সম্পর্ক কী? সৌদি আরব এআইআইবি-র প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ব্যাংকটি ২০১৬ সালে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে বহুপাক্ষিক উন্নয়ন অর্থায়ন প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এসপিএ জানিয়েছে, সৌদি অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আলজাদান একাদশ বার্ষিক সভায় অংশগ্রহণ করেন এবং বক্তব্য রাখেন।