রাউটলেজ ১১ আগস্ট ২০২৬-এ ইউনেস্কো চেয়ার অন ট্রান্সলেটিং কালচার্সের সম্পাদিত গ্রন্থ “Translating Cultures in the Arab World: New Histories and Geographies” প্রকাশ করেছে। বাদশাহ ফয়সাল রিসার্চ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ সেন্টার (কেএফসিআরআইএস)-এ অবস্থিত এই ইউনেস্কো চেয়ারকে সহায়তা দিয়েছে লিটারেচার, পাবলিশিং অ্যান্ড ট্রান্সলেশন কমিশন।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ জানিয়েছে, গ্রন্থটি “অনুবাদ সংস্কৃতি” কীভাবে সংজ্ঞায়িত হয়, তা বিস্তৃতভাবে এবং আরব বিশ্ব ও আরবি ভাষার সঙ্গে তার সম্পর্কের নিরিখে পরীক্ষা করে। এই পরীক্ষার মধ্য দিয়ে গ্রন্থটি অনুবাদের ইতিহাস ও চর্চায় আরব বিশ্বকে একটি কেন্দ্রীয় অবস্থান হিসেবে পুনর্বিন্যাস করে।
গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরাসি ও তুলনামূলক সাহিত্যের মার্শাল অধ্যাপক এবং সেন্টার ফর কম্পারেটিভ লিটারেচার অ্যান্ড ট্রান্সলেশন-এর পরিচালক মাইকেল সাইরোটিনস্কি গ্রন্থটিকে বলেছেন “অনুবাদ বিদ্যা শাস্ত্রের একটি বড় ধরনের পুনঃমানচিত্রায়ন”। এই ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে গ্রন্থটি আরব বিশ্বের গবেষণাকে সমালোচনামূলকভাবে সম্পৃক্ত করে।
সালামাঙ্কা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুবাদ বিদ্যার অধ্যাপক আফ্রিকা ভিদাল ক্লারামন্তে বলেছেন, গ্রন্থটি “অনুবাদের ইতিহাস ও গতিপ্রকৃতি পুনর্ধারণ করে, মধ্যপ্রাচ্য ও আরবি ভাষা থেকে শুরু করে, ফলে পশ্চিমা-কেন্দ্রিক ও অ্যাংলো-নর্মভিত্তিক গবেষণা দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে যাওয়া যায়”। গ্রন্থটির এই সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি একবিংশ শতাব্দীর উপযোগী আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক তাত্ত্বিক কাঠামোর দিকে পথ খুলে দেয়।
গ্রন্থটি সম্পাদনা করেছেন ইউনেস্কো চেয়ার পরিচালক ড. মুনিরা আল-গাদির, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরাসি ভাষার ড্রেপার্স অধ্যাপক চার্লস ফরসডিক এবং এমআইটি-র রাইটিং, রেটরিক অ্যান্ড প্রফেশনাল কমিউনিকেশন-এর সহযোগী পরিচালক ড. আন্দ্রেয়াস কারাতসোলিস।
গ্রন্থটি সৌদি ও আন্তর্জাতিক গবেষকদের একত্র করে ইউনেস্কো চেয়ারের ২০২৪ সালের প্রতিপাদ্য “Rethinking Translating Cultures and Its Conceptual Framework”-কে এগিয়ে নেয়।
এসপিএর প্রতিবেদনে গ্রন্থের মূল্য, পৃষ্ঠাসংখ্যা বা অধ্যায়ভিত্তিক বিস্তারিত তালিকা উল্লেখ করা হয়নি।
গ্রন্থটি কে প্রকাশ করেছে এবং কবে? রাউটলেজ গ্রন্থটি ১১ আগস্ট ২০২৬-এ প্রকাশ করেছে। এটি ইউনেস্কো চেয়ার অন ট্রান্সলেটিং কালচার্সের সম্পাদিত গ্রন্থ, যা বাদশাহ ফয়সাল রিসার্চ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ সেন্টারে অবস্থিত এবং লিটারেচার, পাবলিশিং অ্যান্ড ট্রান্সলেশন কমিশনের সহায়তায় পরিচালিত। এসপিএ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ প্রকাশের ঘোষণা দেয়।
গ্রন্থটি কোন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে অনুবাদ ইতিহাস পরীক্ষা করে? গ্রন্থটি অনুবাদ সংস্কৃতির সংজ্ঞা এবং আরব বিশ্ব ও আরবি ভাষার সঙ্গে তার সম্পর্ক পরীক্ষা করে। এটি আরব বিশ্বকে অনুবাদের ইতিহাস ও চর্চার কেন্দ্রীয় অবস্থান হিসেবে পুনর্বিন্যাস করে। আফ্রিকা ভিদাল ক্লারামন্তের মতে, এটি মধ্যপ্রাচ্য ও আরবি ভাষা থেকে শুরু করে পশ্চিমা-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করে।
গ্রন্থটি কারা সম্পাদনা করেছেন? গ্রন্থটি সম্পাদনা করেছেন ইউনেস্কো চেয়ার পরিচালক ড. মুনিরা আল-গাদির, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরাসি ভাষার ড্রেপার্স অধ্যাপক চার্লস ফরসডিক এবং এমআইটি-র রাইটিং, রেটরিক অ্যান্ড প্রফেশনাল কমিউনিকেশন-এর সহযোগী পরিচালক ড. আন্দ্রেয়াস কারাতসোলিস। এসপিএ জানিয়েছে, গ্রন্থটি সৌদি ও আন্তর্জাতিক গবেষকদের একত্র করে।
গ্রন্থটি কোন ইউনেস্কো চেয়ার প্রতিপাদ্যকে এগিয়ে নেয়? গ্রন্থটি ইউনেস্কো চেয়ারের ২০২৪ সালের প্রতিপাদ্য “Rethinking Translating Cultures and Its Conceptual Framework”-কে এগিয়ে নেয়। এটি সৌদি ও আন্তর্জাতিক গবেষকদের গবেষণা একত্র করে। এসপিএর প্রতিবেদনে গ্রন্থের মূল্য, পৃষ্ঠাসংখ্যা বা অধ্যায়ভিত্তিক বিস্তারিত তালিকা উল্লেখ করা হয়নি।





