রিয়াদ, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — সৌদি আরব আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি দখলদার কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা ও একদল উগ্র বসতি স্থাপনকারীর ধারাবাহিক উসকানিমূলক কাজের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। দখলদার বাহিনীর সুরক্ষায় মসজিদের পবিত্রতা এবং এর ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক মর্যাদা লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোও এর অন্তর্ভুক্ত। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানায়।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, সোমবার দেওয়া ওই বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক আইনের এই লঙ্ঘন প্রত্যাখ্যানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে। মন্ত্রণালয় বলেছে, এসব কাজ বিশ্বের মুসলিমদের অনুভূতিতে আঘাত হানে।
বিবৃতিতে ইসরায়েলের সংযুক্তি সংক্রান্ত বক্তব্যের প্রসঙ্গও উঠে এসেছে। মন্ত্রণালয় বলেছে, দক্ষিণ লেবাননের কিছু এলাকা এবং গাজা উপত্যকায় ‘ইয়েলো লাইন’ পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা সংযুক্তির ইসরায়েলি বক্তব্যের নিন্দা জানায় সৌদি আরব। যেকোনো ইসরায়েলি সম্প্রসারণবাদী প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করে এবং ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে পূর্ব জেরুসালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারের ওপর জোর দেয়।
আল-আকসা মসজিদ প্রসঙ্গে মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দখলদার কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা ও উগ্র বসতি স্থাপনকারীদের ধারাবাহিক উসকানিমূলক কাজ চলছে। এর মধ্যে মসজিদের পবিত্রতা লঙ্ঘন এবং এর ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক মর্যাদার ওপর আঘাত রয়েছে। এসব কাজ দখলদার বাহিনীর সুরক্ষায় সংঘটিত হচ্ছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
সৌদি আরব বলেছে, এই লঙ্ঘনগুলো আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্যে, এসব কাজ বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের অনুভূতিকে উসকে দেয়। তাই সৌদি আরব আন্তর্জাতিক আইনের এই লঙ্ঘন প্রত্যাখ্যান করে।
সংযুক্তি সংক্রান্ত ইসরায়েলি বক্তব্যের জবাবে মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে, দক্ষিণ লেবাননের কিছু এলাকা এবং গাজা উপত্যকায় ‘ইয়েলো লাইন’ পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা সংযুক্তির বক্তব্য সৌদি আরবের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সৌদি আরব যেকোনো ইসরায়েলি সম্প্রসারণবাদী প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করে।
মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, ভ্রাতৃপ্রতিম ফিলিস্তিনি জনগণের ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকার রয়েছে। সেই রাষ্ট্রের রাজধানী হবে পূর্ব জেরুসালেম। বিবৃতিতে এই অধিকারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
এসপিএ জানিয়েছে, বিবৃতিটি সোমবার দেওয়া হয়েছে এবং স্থানীয় সময় অনুযায়ী তা প্রকাশের সময় উল্লেখ করা হয়েছে। বিবৃতিতে আল-আকসা মসজিদে সংঘটিত নির্দিষ্ট কোনো ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হয়নি। কোন তারিখে কোন ঘটনা ঘটেছে, কতজন জড়িত ছিলেন বা কোন নির্দিষ্ট স্থানে এসব ঘটেছে—এমন তথ্য বিবৃতিতে নেই।
বিবৃতিতে ইসরায়েলি সংযুক্তি বক্তব্যের প্রেক্ষাপটও বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়নি। দক্ষিণ লেবাননের কোন এলাকাগুলো নিয়ে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে বা ‘ইয়েলো লাইন’ বলতে ঠিক কোন সীমারেখা বোঝানো হয়েছে, তা বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়নি। গাজা উপত্যকায় ওই রেখা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা বলতে কী বোঝানো হয়েছে, সে বিষয়েও বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।
সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই বিবৃতি এমন সময় এল, যখন আল-আকসা মসজিদের পবিত্রতা ও মর্যাদা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয় বলেছে, এসব লঙ্ঘন আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী এবং তা বিশ্বের মুসলিমদের অনুভূতিতে আঘাত হানে।
বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারের কথা বলা হয়েছে। ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে সেই রাষ্ট্র গঠনের কথা বলা হয়েছে এবং পূর্ব জেরুসালেমকে তার রাজধানী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সৌদি আরব বলেছে, ইসরায়েলের যেকোনো সম্প্রসারণবাদী প্রচেষ্টা তারা প্রত্যাখ্যান করে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বিবৃতির সময় উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয় সময় ১৮:৩১ এবং জিএমটি ১৫:৩১ হিসেবে তা উল্লেখ করা হয়েছে। বিবৃতিতে আল-আকসা মসজিদে সংঘটিত লঙ্ঘনের নির্দিষ্ট সংখ্যা, তারিখ বা স্থানের বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। সংযুক্তি বক্তব্যের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট এলাকার সীমা বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়নি।
সৌদি আরবের অবস্থান স্পষ্ট যে, আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন ও পবিত্র স্থানের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার কাজ প্রত্যাখ্যানযোগ্য। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার এবং ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে আর কোনো অতিরিক্ত তথ্য দেওয়া হয়নি। বিবৃতিতে কোন দেশ বা পক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, তা উল্লেখ করা হয়নি। ভবিষ্যতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বা কোন আন্তর্জাতিক ফোরামে বিষয়টি উত্থাপন করা হবে, সে বিষয়েও বিবৃতিতে কিছু বলা হয়নি।
সৌদি আরব কোন ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে? সৌদি আরব আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি দখলদার কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা ও একদল উগ্র বসতি স্থাপনকারীর ধারাবাহিক উসকানিমূলক কাজের নিন্দা জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দখলদার বাহিনীর সুরক্ষায় মসজিদের পবিত্রতা এবং এর ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক মর্যাদা লঙ্ঘন করা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার এই বিবৃতি দিয়েছে।
সংযুক্তি নিয়ে সৌদি আরবের অবস্থান কী? সৌদি আরব দক্ষিণ লেবাননের কিছু এলাকা এবং গাজা উপত্যকায় ‘ইয়েলো লাইন’ পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা সংযুক্তির ইসরায়েলি বক্তব্যের নিন্দা জানিয়েছে। মন্ত্রণালয় বলেছে, যেকোনো ইসরায়েলি সম্প্রসারণবাদী প্রচেষ্টা তারা প্রত্যাখ্যান করে। বিবৃতিতে ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে পূর্ব জেরুসালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক আইন প্রসঙ্গে কী বলা হয়েছে? পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, আল-আকসা মসজিদে সংঘটিত লঙ্ঘনগুলো আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্যে, এসব কাজ বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের অনুভূতিকে উসকে দেয়। তাই সৌদি আরব আন্তর্জাতিক আইনের এই লঙ্ঘন প্রত্যাখ্যান করে। এসপিএ জানিয়েছে, বিবৃতিতে এসব বিষয় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার নিয়ে কী বলা হয়েছে? বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভ্রাতৃপ্রতিম ফিলিস্তিনি জনগণের ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকার রয়েছে। সেই রাষ্ট্রের রাজধানী হবে পূর্ব জেরুসালেম। মন্ত্রণালয় এই অধিকারের ওপর জোর দিয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, সংযুক্তি সংক্রান্ত ইসরায়েলি বক্তব্যের জবাবে এই অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে।
বিবৃতিতে কী কী তথ্য অনুপস্থিত? বিবৃতিতে আল-আকসা মসজিদে সংঘটিত নির্দিষ্ট কোনো ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হয়নি। কোন তারিখে কোন ঘটনা ঘটেছে, কতজন জড়িত ছিলেন বা কোন নির্দিষ্ট স্থানে এসব ঘটেছে—এমন তথ্য নেই। সংযুক্তি বক্তব্যের ক্ষেত্রেও দক্ষিণ লেবাননের কোন এলাকাগুলো নিয়ে বলা হয়েছে বা ‘ইয়েলো লাইন’ বলতে ঠিক কোন সীমা বোঝানো হয়েছে, তা স্পষ্ট করা হয়নি।





