সৌদি বন্দর কর্তৃপক্ষ মাওয়ানি-র তত্ত্বাবধানে থাকা বন্দরগুলোতে মার্চ ২০২৫-এ পরিচালিত কনটেইনার ১৩.৬১% বেড়ে ৬,৯৯,৯২৮ টিইইউতে দাঁড়িয়েছে, যা মার্চ ২০২৪-এ ছিল ৬,১৬,০৭৯ টিইইউ।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১০ এপ্রিল ২০২৫-এ জানিয়েছে, রিয়াদ থেকে প্রকাশিত হিসাবে রপ্তানি কনটেইনার ৩১.৮২% বেড়ে ২,৮০,৩৪১ টিইইউতে পৌঁছেছে, যা আগের বছর একই মাসে ছিল ২,১২,৬৭২ টিইইউ। আমদানি কনটেইনার ৭.৭৮% বেড়ে ২,৮১,২১৬ টিইইউতে দাঁড়িয়েছে, যা মার্চ ২০২৪-এ ছিল ২,৬০,৯১২ টিইইউ।
ট্রান্সশিপমেন্ট কনটেইনার ২.৮৯% কমে ১,৩৮,৩৭১ টিইইউতে নেমেছে, যা আগের বছর ছিল ১,৪২,৪৯৫ টিইইউ।
মোট পরিচালিত টনnage—সাধারণ কার্গো, কঠিন বাল্ক কার্গো ও তরল বাল্ক কার্গো মিলিয়ে—৮.৬৯% বেড়ে ২,১১,৮১,২৪৬ টনে পৌঁছেছে, যা ২০২৪ সালের একই সময়ে ছিল ১,৯৪,৮৮,৩৩৫ টন। এর মধ্যে সাধারণ কার্গো ৯,৭১,৮৫০ টন, কঠিন বাল্ক কার্গো ৪৫,১৫,৯২৪ টন এবং তরল বাল্ক কার্গো ১,৫৬,৯৩,৪৭২ টন।
বন্দরে পশু আগমন ৮,৭০,৫৬৬-এ পৌঁছেছে, যা আগের বছরের ৯,৬১,১৩১ মাথার তুলনায় ৯.৪২% কম।
এছাড়া ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ মাওয়ানি-র রপ্তানি কনটেইনার ১৮.২৫% বেড়ে ২,১৫,৪৯১ টিইইউতে পৌঁছেছে, যা ফেব্রুয়ারি ২০২৪-এ ছিল ১,৮২,২২৯ টিইইউ।
মার্চ ২০২৫-এর সামগ্রিক কনটেইনার প্রবৃদ্ধির মধ্যে রপ্তানির অংশই সবচেয়ে বড়—৩১.৮২%। আমদানি বেড়েছে ৭.৭৮%। কিন্তু ট্রান্সশিপমেন্ট কমেছে ২.৮৯%। তাহলে প্রশ্ন হলো, রপ্তানি ও আমদানি দুই দিকেই বন্দরগুলো সক্রিয় থাকলেও ট্রান্সশিপমেন্ট কেন পিছিয়ে পড়ল?
মোট টনnage-এর হিসাবে তরল বাল্ক কার্গোর অংশ সবচেয়ে বড়—১,৫৬,৯৩,৪৭২ টন। কঠিন বাল্ক ৪৫,১৫,৯২৪ টন এবং সাধারণ কার্গো ৯,৭১,৮৫০ টন। এই তিন ধরনের কার্গোর যোগফলই ২,১১,৮১,২৪৬ টন। তাহলে কি তরল বাল্ক কার্গোর আধিক্যই বন্দরের টনnage বৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি?
পশু আগমন কমেছে ৯.৪২%। ২০২৪ সালের মার্চে ছিল ৯,৬১,১৩১ মাথা, ২০২৫ সালের মার্চে ৮,৭০,৫৬৬ মাথা। কনটেইনার ও টনnage বাড়লেও পশু আগমন কেন কমল, সে ব্যাখ্যা এসপিএ-র প্রতিবেদনে নেই।
ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এর রপ্তানি কনটেইনার ২,১৫,৪৯১ টিইইউ ছিল, যা ফেব্রুয়ারি ২০২৪-এর ১,৮২,২২৯ টিইইউ থেকে ১৮.২৫% বেশি। মার্চের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ৩১.৮২%—ফেব্রুয়ারির চেয়ে অনেক বেশি। দুই মাসের মধ্যে এই পার্থক্যের কারণ কী?
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বন্দরের নাম, জাহাজের সংখ্যা, রুট বা পণ্যের ধরন উল্লেখ নেই। শুধু মোট সংখ্যা দেওয়া হয়েছে। তাহলে কোন বন্দর কতটা অবদান রাখল, তা জানার উপায় কী?
মার্চ ২০২৪-এর মোট কনটেইনার ছিল ৬,১৬,০৭৯ টিইইউ। মার্চ ২০২৫-এ তা ৬,৯৯,৯২৮ টিইইউ। এক বছরে ৮৩,৮৪৯ টিইইউ বেড়েছে। এই বৃদ্ধির মধ্যে রপ্তানি ও আমদানির ভাগ কতটা, ট্রান্সশিপমেন্টের ঘাটতি কতটা প্রভাব ফেলল?
মোট টনnage ২০২৪ সালের মার্চে ১,৯৪,৮৮,৩৩৫ টন ছিল, ২০২৫ সালের মার্চে ২,১১,৮১,২৪৬ টন। বৃদ্ধি ১৬,৯২,৯১১ টন। এই বৃদ্ধির সিংহভাগই তরল বাল্ক কার্গো থেকে এসেছে। সাধারণ কার্গো ও কঠিন বাল্ক কার্গোর তুলনায় তরল বাল্ক কার্গোর এই আধিপত্য বন্দরের কার্যক্রমের ধরন সম্পর্কে কী ইঙ্গিত দেয়?
পশু আগমনের ক্ষেত্রে ২০২৪ সালের মার্চে ৯,৬১,১৩১ মাথা ছিল, ২০২৫ সালের মার্চে ৮,৭০,৫৬৬ মাথা। ৯০,৫৬৫ মাথা কমেছে। এই ঘাটতির কারণ এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়নি।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে মূল্য, রাজস্ব, কর্মসংস্থান বা বন্দরভিত্তিক বিভাজন নেই। শুধু শতকরা হার ও মোট সংখ্যা দেওয়া হয়েছে। তাই সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির চিত্র স্পষ্ট হলেও খাতভিত্তিক বিশ্লেষণ অনুপস্থিত।
মার্চ ২০২৫-এ মোট কনটেইনার কত বেড়েছে? মার্চ ২০২৫-এ মাওয়ানি-র বন্দরে পরিচালিত কনটেইনার ১৩.৬১% বেড়ে ৬,৯৯,৯২৮ টিইইউতে পৌঁছেছে, যা মার্চ ২০২৪-এ ছিল ৬,১৬,০৭৯ টিইইউ। এসপিএ জানিয়েছে, রপ্তানি কনটেইনার ৩১.৮২% বেড়ে ২,৮০,৩৪১ টিইইউ এবং আমদানি কনটেইনার ৭.৭৮% বেড়ে ২,৮১,২১৬ টিইইউতে দাঁড়িয়েছে।
ট্রান্সশিপমেন্ট কনটেইনারে কী পরিবর্তন হয়েছে? ট্রান্সশিপমেন্ট কনটেইনার ২.৮৯% কমে ১,৩৮,৩৭১ টিইইউতে নেমেছে, যা আগের বছর মার্চে ছিল ১,৪২,৪৯৫ টিইইউ। এসপিএ-র হিসাবে মোট কনটেইনার বাড়লেও এই খাতে ঘাটতি দেখা গেছে। প্রতিবেদনে এই কমার কারণ ব্যাখ্যা করা হয়নি।
মোট টনnage কত এবং তার গঠন কী? মোট পরিচালিত টনnage ৮.৬৯% বেড়ে ২,১১,৮১,২৪৬ টনে পৌঁছেছে, যা ২০২৪ সালের মার্চে ছিল ১,৯৪,৮৮,৩৩৫ টন। এর মধ্যে সাধারণ কার্গো ৯,৭১,৮৫০ টন, কঠিন বাল্ক কার্গো ৪৫,১৫,৯২৪ টন এবং তরল বাল্ক কার্গো ১,৫৬,৯৩,৪৭২ টন। এসপিএ এই তথ্য দিয়েছে।
পশু আগমনে কী পরিবর্তন হয়েছে? বন্দরে পশু আগমন ৮,৭০,৫৬৬-এ পৌঁছেছে, যা আগের বছরের ৯,৬১,১৩১ মাথার তুলনায় ৯.৪২% কম। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই কমার কারণ বলা হয়নি। কনটেইনার ও টনnage বাড়লেও পশু আগমন কেন কমল, সে ব্যাখ্যা সেখানে নেই।
ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এর রপ্তানি কনটেইনার কত ছিল? ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ মাওয়ানি-র রপ্তানি কনটেইনার ১৮.২৫% বেড়ে ২,১৫,৪৯১ টিইইউতে পৌঁছেছে, যা ফেব্রুয়ারি ২০২৪-এ ছিল ১,৮২,২২৯ টিইইউ। এসপিএ জানিয়েছে, মার্চের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ছিল ৩১.৮২%, যা ফেব্রুয়ারির চেয়ে বেশি।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে কী অনুপস্থিত? এসপিএ-র প্রতিবেদনে বন্দরের নাম, জাহাজের সংখ্যা, রুট, পণ্যের ধরন, মূল্য, রাজস্ব বা কর্মসংস্থানের তথ্য নেই। শুধু মোট সংখ্যা ও শতকরা হার দেওয়া হয়েছে। তাই সামগ্রিক চিত্র স্পষ্ট হলেও বন্দরভিত্তিক বা খাতভিত্তিক বিশ্লেষণ করা সম্ভব নয়।