Saturday, October 24, 2026
সৌদি সংবাদ

কিউয়া ও মুসানেদ প্ল্যাটফর্মে ইয়েমেনি শ্রমিকদের অবস্থা নিয়মিতকরণ শুরু করল মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়

কিউয়া ও মুসানেদ প্ল্যাটফর্মে ইয়েমেনি শ্রমিকদের অবস্থা নিয়মিতকরণ শুরু করল মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়

সৌদি আরবের মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় ইয়েমেনি নাগরিকদের অবস্থা নিয়মিতকরণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে, যারা আইনি মর্যাদা ছাড়া দেশে অবস্থান করছেন এবং নির্দেশনার আওতায় পড়েন। প্রক্রিয়াটি কিউয়া ও মুসানেদ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে পরিচালিত হচ্ছে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১১ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, মন্ত্রণালয়ের বরাতে বলা হয়েছে নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়া রোববার থেকে শুরু হয়েছে এবং সৌদি আরবের সব অঞ্চলে দুই মাস ধরে চলবে। এই প্রক্রিয়া এমন ইয়েমেনি শ্রমিকদের অন্তর্ভুক্ত করে যাদের বাসস্থান পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়েছে, পাশাপাশি যাদের কাজ থেকে অনুপস্থিত হিসেবে রিপোর্ট করা হয়েছে, তবে শর্ত হলো তাদের বৈধ ভ্রমণ নথি থাকতে হবে এবং অনুমোদিত পদ্ধতি ও বিধিমালা পূরণ করতে হবে।

প্রশ্ন জাগে, বাসস্থান পারমিটের মেয়াদ শেষ হওয়া শ্রমিকরা কীভাবে নতুন নিয়োগকর্তার কাছে যাবেন? মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে, যেসব শ্রমিকের বাসস্থান পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়েছে তারা সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তাদের সেবা প্রয়োজন এমন অন্য নিয়োগকর্তার কাছে স্থানান্তরিত হতে পারবেন। কিউয়া প্ল্যাটফর্ম পেশাদার শ্রমিকদের স্থানান্তর পরিচালনা করে, আর মুসানেদ প্ল্যাটফর্ম সহায়ক শ্রমিকদের স্থানান্তর পরিচালনা করে। এই সেবাগুলো আবশের প্ল্যাটফর্মের সমন্বয়ে দেওয়া হয়, ফলে ব্যক্তিগতভাবে সরকারি অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, যেসব শ্রমিককে কাজ থেকে অনুপস্থিত হিসেবে রিপোর্ট করা হয়েছে তারাও নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়ার সুবিধা নিতে পারবেন। তারা তাদের অনুপস্থিতির রিপোর্ট বাতিল করাতে পারবেন এবং তাদের সেবা প্রয়োজন এমন অন্য নিয়োগকর্তার কাছে স্থানান্তরিত হতে পারবেন। পেশাদার শ্রমিকরা কিউয়ার মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে পারবেন, আর সহায়ক শ্রমিকরা মুসানেদ ব্যবহার করতে পারবেন, শর্ত হলো তাদের বৈধ ভ্রমণ নথি থাকতে হবে।

এই সেবাগুলো অনলাইনে দেওয়াকে সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বিত প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছে মন্ত্রণালয়, যা নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিচালিত। এই প্রচেষ্টার উদ্দেশ্য হলো শ্রমিকদের অবস্থা নিয়মিতকরণ সহজ করা এবং অনুমোদিত নিয়ম ও বিধিমালা অনুযায়ী শ্রমিক স্থানান্তর নিয়ন্ত্রণ করা। মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে, এটি শ্রমবাজারের দক্ষতা উন্নত করতে এবং চুক্তিভিত্তিক সম্পর্কের সব পক্ষের অধিকার রক্ষা করতে সহায়তা করবে।

প্রশ্ন হলো, দুই মাসের এই সময়সীমা শেষ হলে কী হবে? এসপিএ প্রতিবেদনে এই বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। তবে মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী প্রক্রিয়াটি সব অঞ্চলে একযোগে চলবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

আরেকটি প্রশ্ন, কিউয়া ও মুসানেদের মধ্যে পার্থক্য কী এবং কোন শ্রমিক কোন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করবেন? কিউয়া পেশাদার শ্রমিকদের জন্য নির্ধারিত, যেখানে মুসানেদ সহায়ক শ্রমিকদের জন্য। এই বিভাজন শ্রমিকদের সেবার ধরন অনুযায়ী প্রক্রিয়াটি সহজ করতে সাহায্য করে।

আবশের প্ল্যাটফর্মের সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি সরকারি অফিসে সরাসরি উপস্থিতির প্রয়োজনীয়তা দূর করে। প্রশ্ন জাগে, ডিজিটাল মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া কতটা দ্রুত সম্পন্ন হবে? এসপিএ প্রতিবেদনে এই বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা উল্লেখ করা হয়নি।

বৈধ ভ্রমণ নথির শর্তটি সব ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। যাদের বৈধ ভ্রমণ নথি নেই তারা এই প্রক্রিয়ার সুবিধা নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। মন্ত্রণালয় শুধু বলেছে, অনুমোদিত পদ্ধতি ও বিধিমালা পূরণ করতে হবে।

শ্রমিক স্থানান্তরের ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তার সম্মতির প্রয়োজন আছে কি না, সে বিষয়েও প্রতিবেদনে বিস্তারিত নেই। তবে মন্ত্রণালয় বলেছে, শ্রমিকরা এমন নিয়োগকর্তার কাছে যেতে পারবেন যাদের তাদের সেবা প্রয়োজন।

প্রশ্ন ওঠে, এই নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়া শ্রমবাজারে কী প্রভাব ফেলবে? মন্ত্রণালয়ের মতে, এটি শ্রমবাজারের দক্ষতা উন্নত করবে এবং সব পক্ষের অধিকার রক্ষা করবে। চুক্তিভিত্তিক সম্পর্কের সব পক্ষের স্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়টি মন্ত্রণালয় বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে।

সৌদি আরবের শ্রমবাজারে ইয়েমেনি শ্রমিকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের আইনি মর্যাদা নিশ্চিত হলে শ্রমবাজারে স্থিতিশীলতা আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এসপিএ প্রতিবেদনে এই প্রক্রিয়ার আওতায় কতজন শ্রমিক পড়বেন, সেই সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি।

মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগ সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের একটি উদাহরণ। কিউয়া, মুসানেদ ও আবশের মতো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সেবা প্রদান প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ ও স্বচ্ছ করে তোলে। প্রশ্ন জাগে, ভবিষ্যতে অন্যান্য শ্রেণির শ্রমিকদের জন্যও কি এমন প্রক্রিয়া চালু হবে? এসপিএ প্রতিবেদনে এই বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।

দুই মাসের সময়সীমা শেষ হলে এই প্রক্রিয়ার ফলাফল কী হবে, তা সময়ই বলে দেবে। তবে মন্ত্রণালয়ের লক্ষ্য স্পষ্ট: শ্রমিকদের অবস্থা নিয়মিতকরণ এবং শ্রমবাজার নিয়ন্ত্রণ।

এসপিএ প্রতিবেদনে এই প্রক্রিয়ার আওতায় পড়া শ্রমিকদের সংখ্যা, প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে কত সময় লাগবে, বা বৈধ ভ্রমণ নথি না থাকা ব্যক্তিদের কী হবে—এসব বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।

নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়া কারা সুবিধা পাবেন? মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যেসব ইয়েমেনি নাগরিকের আইনি মর্যাদা নেই এবং নির্দেশনার আওতায় পড়েন তারা এই প্রক্রিয়ার সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে বাসস্থান পারমিটের মেয়াদ শেষ হওয়া শ্রমিক এবং কাজ থেকে অনুপস্থিত হিসেবে রিপোর্ট করা শ্রমিকরা অন্তর্ভুক্ত, তবে তাদের বৈধ ভ্রমণ নথি থাকতে হবে এবং অনুমোদিত পদ্ধতি ও বিধিমালা পূরণ করতে হবে।

কিউয়া ও মুসানেদ প্ল্যাটফর্মের ভূমিকা কী? কিউয়া প্ল্যাটফর্ম পেশাদার শ্রমিকদের স্থানান্তর পরিচালনা করে, আর মুসানেদ প্ল্যাটফর্ম সহায়ক শ্রমিকদের স্থানান্তর পরিচালনা করে। এই সেবাগুলো আবশের প্ল্যাটফর্মের সমন্বয়ে দেওয়া হয়, ফলে সরকারি অফিসে সরাসরি যাওয়ার প্রয়োজন নেই। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই ডিজিটাল সেবা শ্রমিক স্থানান্তর নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

প্রক্রিয়াটি কতদিন চলবে এবং কোথায়? মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়া রোববার থেকে শুরু হয়েছে এবং সৌদি আরবের সব অঞ্চলে দুই মাস ধরে চলবে। এসপিএ ১১ অক্টোবর ২০২৬-এ এই তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রক্রিয়াটি সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে পরিচালিত হচ্ছে।

অনুপস্থিত হিসেবে রিপোর্ট করা শ্রমিকরা কী করতে পারবেন? মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কাজ থেকে অনুপস্থিত হিসেবে রিপোর্ট করা শ্রমিকরা তাদের অনুপস্থিতির রিপোর্ট বাতিল করাতে পারবেন এবং তাদের সেবা প্রয়োজন এমন অন্য নিয়োগকর্তার কাছে স্থানান্তরিত হতে পারবেন। পেশাদার শ্রমিকরা কিউয়ার মাধ্যমে এবং সহায়ক শ্রমিকরা মুসানেদের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন, শর্ত হলো বৈধ ভ্রমণ নথি থাকতে হবে।

এই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য কী? মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অনলাইনে সেবা প্রদান সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টার অংশ, যা নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিচালিত। এর উদ্দেশ্য হলো শ্রমিকদের অবস্থা নিয়মিতকরণ সহজ করা এবং অনুমোদিত নিয়ম অনুযায়ী শ্রমিক স্থানান্তর নিয়ন্ত্রণ করা। মন্ত্রণালয়ের মতে, এটি শ্রমবাজারের দক্ষতা উন্নত করবে এবং চুক্তিভিত্তিক সম্পর্কের সব পক্ষের অধিকার রক্ষা করবে।