রিয়াদে মঙ্গলবার মিডিয়া মন্ত্রণালয় ও গুগলের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব উন্নয়ন এবং সৌদি আরবের মিডিয়া খাতকে সহায়তা করতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মিডিয়া উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল-মাগলুথ ও গুগলের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা (এমইএনএ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যান্থনি নাকাশের মধ্যে এই বৈঠক হয়।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, মিডিয়া মন্ত্রী সালমান আল-দোসারির নির্দেশনায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে খাতের প্রযুক্তিগত ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা জোরদার এবং সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য এগিয়ে নেওয়ার উপায় নিয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়ন এবং মিডিয়া প্রতিষ্ঠান ও কনটেন্ট নির্মাতাদের ক্ষমতায়ন সংক্রান্ত কয়েকটি যৌথ উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়। প্রশ্ন হলো, এই যৌথ উদ্যোগগুলো সৌদি মিডিয়া খাতের প্রতিদিনের কাজে কত দ্রুত দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে পারবে?
পরিবার, বিশেষ করে শিশুদের জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা জোরদার করা ছিল বৈঠকের একটি প্রধান আলোচ্য বিষয়, কারণ এটি উভয় পক্ষের জন্যই সমান অগ্রাধিকার। উভয় পক্ষ শিশু, অভিভাবক ও শিক্ষকদের ডিজিটাল জগতে নিরাপদে ও দায়িত্বশীলভাবে বিচরণের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও সম্পদ দিয়ে সজ্জিত করার বাস্তব পদক্ষেপ চিহ্নিত করেছে। ডিজিটাল নিরাপত্তার এই উদ্যোগ ঘরে ঘরে কতটা পৌঁছাবে বলে আপনি মনে করেন?
আলোচনায় মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি গ্রহণ ত্বরান্বিত করার জন্য বিশেষায়িত কর্মসূচি উন্নয়ন, জাতীয় পেশাজীবীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কনটেন্ট নির্মাতা ও সৌদি প্রতিভাকে সহায়তা করার বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত ছিল। পাশাপাশি মিডিয়া উদ্ভাবন উদ্যোগ চালু করা এবং সংবাদকক্ষ ও মিডিয়া প্রতিষ্ঠানে উদীয়মান প্রযুক্তির ব্যবহারিক প্রয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হয়েছে। সংবাদকক্ষে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার সাংবাদিকতার মান ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে কোথায় নিয়ে যাবে?
মিডিয়া উপমন্ত্রী বলেন, সৌদি আরব মিডিয়া ও প্রযুক্তি খাতের দ্রুত পরিবর্তনকে একটি নতুন, আরও প্রতিযোগিতামূলক ও প্রভাবশালী মিডিয়া শিল্প গড়ে তোলার সুযোগ হিসেবে দেখে। তিনি নিশ্চিত করেন যে বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্ব জ্ঞান হস্তান্তর, জাতীয় সক্ষমতা নির্মাণ এবং দ্রুততর উদ্ভাবনের মূল চালিকাশক্তি, যা একই সঙ্গে খাতে প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগের নতুন পথ তৈরি করে।
আল-মাগলুথ বলেন, “আমাদের লক্ষ্য মিডিয়ার ভবিষ্যতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা নয়, বরং সৌদি আরব যেন সেই বাজারগুলোর একটি হয় যা এই ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সহায়তা করে।” তিনি দেশের জাতীয় প্রতিভা, ক্রমবর্ধমান বাজার এবং উন্নত ডিজিটাল অবকাঠামোর কথা তুলে ধরেন। এই লক্ষ্য অর্জনে সৌদি তরুণ প্রজন্মের প্রতিভা কতটা প্রস্তুত?
এসপিএ জানিয়েছে, বৈঠকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়ন এবং মিডিয়া প্রতিষ্ঠান ও কনটেন্ট নির্মাতাদের ক্ষমতায়নের মতো কয়েকটি যৌথ উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এসব উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে মিডিয়া সংস্থাগুলোর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গ্রহণ ত্বরান্বিত করার বিশেষায়িত কর্মসূচি, জাতীয় পেশাজীবীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কনটেন্ট নির্মাতা ও সৌদি প্রতিভাকে সহায়তা। প্রশ্ন হলো, এই কর্মসূচিগুলো কতজন তরুণ সৌদি পেশাজীবীকে সরাসরি সুবিধা দেবে?
ডিজিটাল নিরাপত্তা, বিশেষ করে শিশুদের সুরক্ষা উভয় পক্ষের জন্য সমান অগ্রাধিকার হওয়ায় বৈঠকে এই বিষয়ে বাস্তব পদক্ষেপ চিহ্নিত করা হয়েছে। শিশু, অভিভাবক ও শিক্ষকদের ডিজিটাল জগতে নিরাপদ ও দায়িত্বশীলভাবে চলার দক্ষতা ও সম্পদ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। অভিভাবক ও শিক্ষকরা এই সম্পদগুলো কতটা সহজে ব্যবহার করতে পারবেন বলে আপনি মনে করেন?
বৈঠকে মিডিয়া উদ্ভাবন উদ্যোগ চালু করা এবং সংবাদকক্ষ ও মিডিয়া প্রতিষ্ঠানে উদীয়মান প্রযুক্তির ব্যবহারিক প্রয়োগের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হয়েছে। মিডিয়া উপমন্ত্রী বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্বকে জ্ঞান হস্তান্তর, জাতীয় সক্ষমতা নির্মাণ ও দ্রুততর উদ্ভাবনের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে বর্ণনা করেন। এই অংশীদারিত্ব সৌদি মিডিয়া খাতে বিনিয়োগের নতুন কোন পথ খুলে দিতে পারে?
আল-মাগলুথ আরও বলেন, সৌদি আরব মিডিয়া ও প্রযুক্তি খাতের দ্রুত পরিবর্তনকে নতুন ও আরও প্রতিযোগিতামূলক মিডিয়া শিল্প গড়ার সুযোগ হিসেবে দেখে। তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য মিডিয়ার ভবিষ্যতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা নয়, বরং সৌদি আরব যেন সেই বাজারগুলোর একটি হয় যা এই ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সহায়তা করে।” তিনি দেশের জাতীয় প্রতিভা, ক্রমবর্ধমান বাজার ও উন্নত ডিজিটাল অবকাঠামোর দিকে ইঙ্গিত করেন। সৌদি আরব কি মিডিয়া প্রযুক্তিতে অঞ্চলের কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারবে?
বৈঠকে সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচিত হয়। মিডিয়া খাতের প্রযুক্তিগত ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা জোরদার করার উপায় নিয়েও দুই পক্ষ আলোচনা করে। ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যের সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব কতটা সংগতিপূর্ণ বলে আপনি মনে করেন?
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের নির্দিষ্ট তারিখ, স্থান বা অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। আলোচনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল দক্ষতা, কনটেন্ট নির্মাতাদের ক্ষমতায়ন, ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং মিডিয়া উদ্ভাবন উদ্যোগের বিষয়গুলো উঠে এসেছে। তবে এসব উদ্যোগের বাস্তবায়নের সময়সীমা, বিনিয়োগের পরিমাণ বা নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কে প্রতিবেদনে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।
মিডিয়া মন্ত্রণালয় ও গুগলের মধ্যে এই কৌশলগত অংশীদারিত্ব সৌদি আরবের মিডিয়া খাতে প্রযুক্তি ও দক্ষতা উন্নয়নের একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার অংশ। বৈঠকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল দক্ষতা এবং কনটেন্ট নির্মাতাদের সহায়তার মতো বিষয়গুলো প্রাধান্য পেয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা, বিশেষ করে শিশুদের সুরক্ষা উভয় পক্ষের অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এই আলোচনার ফলাফল আগামী দিনে সৌদি মিডিয়া খাতে কী ধরনের পরিবর্তন আনবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
বৈঠকে কারা অংশ নিয়েছিলেন? মিডিয়া উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল-মাগলুথ ও গুগলের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা (এমইএনএ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যান্থনি নাকাশে মঙ্গলবার রিয়াদে বৈঠক করেন। এসপিএ জানিয়েছে, মিডিয়া মন্ত্রী সালমান আল-দোসারির নির্দেশনায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে মিডিয়া মন্ত্রণালয় ও গুগলের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব উন্নয়ন এবং সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়।
আলোচনার প্রধান বিষয়গুলো কী ছিল? বৈঠকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়ন এবং মিডিয়া প্রতিষ্ঠান ও কনটেন্ট নির্মাতাদের ক্ষমতায়ন সংক্রান্ত যৌথ উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়। পরিবার, বিশেষ করে শিশুদের জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা জোরদার করাও একটি প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল। এছাড়া মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গ্রহণ ত্বরান্বিত করার বিশেষায়িত কর্মসূচি এবং সংবাদকক্ষে উদীয়মান প্রযুক্তির ব্যবহারিক প্রয়োগ নিয়েও আলোচনা হয়।
ডিজিটাল নিরাপত্তা নিয়ে কী পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে? পরিবার, বিশেষ করে শিশুদের ডিজিটাল নিরাপত্তা উভয় পক্ষের জন্য সমান অগ্রাধিকার হওয়ায় বৈঠকে এই বিষয়ে বাস্তব পদক্ষেপ চিহ্নিত করা হয়েছে। শিশু, অভিভাবক ও শিক্ষকদের ডিজিটাল জগতে নিরাপদে ও দায়িত্বশীলভাবে বিচরণের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও সম্পদ দিয়ে সজ্জিত করার কথা বলা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই বিষয়টি বৈঠকে গুরুত্ব পেয়েছে।
মিডিয়া উপমন্ত্রী কী বলেছেন? মিডিয়া উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল-মাগলুথ বলেন, সৌদি আরব মিডিয়া ও প্রযুক্তি খাতের দ্রুত পরিবর্তনকে একটি নতুন, আরও প্রতিযোগিতামূলক ও প্রভাবশালী মিডিয়া শিল্প গড়ে তোলার সুযোগ হিসেবে দেখে। তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য মিডিয়ার ভবিষ্যতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা নয়, বরং সৌদি আরব যেন সেই বাজারগুলোর একটি হয় যা এই ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সহায়তা করে।” তিনি জাতীয় প্রতিভা ও ক্রমবর্ধমান বাজারের কথা তুলে ধরেন।
এই বৈঠক সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে কীভাবে সম্পর্কিত? এসপিএ জানিয়েছে, বৈঠকে সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টি আলোচিত হয়। মিডিয়া খাতের প্রযুক্তিগত ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা জোরদার করার উপায় নিয়েও দুই পক্ষ আলোচনা করে। মিডিয়া উপমন্ত্রী বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্বকে জ্ঞান হস্তান্তর, জাতীয় সক্ষমতা নির্মাণ এবং দ্রুততর উদ্ভাবনের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে বর্ণনা করেন।
প্রতিবেদনে কী কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের নির্দিষ্ট তারিখ, স্থান বা অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। আলোচনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল দক্ষতা, কনটেন্ট নির্মাতাদের ক্ষমতায়ন, ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং মিডিয়া উদ্ভাবন উদ্যোগের বিষয়গুলো উঠে এলেও এসব উদ্যোগের বাস্তবায়নের সময়সীমা, বিনিয়োগের পরিমাণ বা নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কে প্রতিবেদনে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।





