সৌদি রেড ক্রিসেন্ট সম্প্রতি গভর্ন্যান্স এবং প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের মাধ্যমে জরুরি অবস্থার প্রতিক্রিয়া এবং অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার দক্ষতা বৃদ্ধি করেছে, যা সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১১ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৪৪৭ হিজরীর হজ মৌসুমে সংস্থাটি একটি সমন্বিত অপারেশনাল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে। এতে স্থল, নৌ ও বিমান পথে প্রতিক্রিয়া সক্রিয় করার পাশাপাশি হাসপাতালে স্থানান্তরের প্রয়োজন নেই এমন রোগীদের জন্য অন-সাইট চিকিৎসা মডেল প্রয়োগ করা হয়েছে।
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সামনের সারিতে ৩১ হাজারেরও বেশি কর্মী ও প্যারামেডিক নিয়োজিত ছিলেন, যার মধ্যে ৬,৮৪৬ জন সরাসরি কর্মী এবং ২,৩০০-এর বেশি স্বেচ্ছাসেবক ছিলেন। সংস্থাটি ৬০৫টি অ্যাম্বুলেন্স, ২,৩০০-এর বেশি সহায়ক যানবাহন, ২৭টি বিশেষ প্রতিক্রিয়া যান এবং ৩টি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পরিচালনা করেছে। পরিষেবাগুলো ১৩৩টি অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার, ৭১টি স্টেশনিং পয়েন্ট এবং ১৪টি ইমার্জেন্সি সেন্টারে বিন্যস্ত ছিল। এছাড়া প্রস্তুতি বাড়াতে ২৩টি ফিল্ড এক্সারসাইজ এবং ১১টি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালানো হয়েছে।
স্বেচ্ছাসেবক কাজের ক্ষেত্রে ১৫,৫০২ জন স্বেচ্ছাসেবক ৩.২৬ লাখ ঘণ্টার বেশি সেবা প্রদান করেছেন। এর মধ্যে গৃহকর্মী প্রশিক্ষণের জন্য ‘সেফ হোমস’, কর্মীদের পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি ট্রেনিং’ এবং খাদ্যপ্রতিষ্ঠানের কর্মীদের জন্য ‘রেসকিউয়ার ওয়েটার’ উদ্যোগ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া মানদণ্ড পূরণের জন্য ১৩টি বেসরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে কমপ্লায়েন্স সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সংস্থাটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপ-এর সভাপতিত্বের মাধ্যমে মানবিক উপস্থিতি জোরদার করেছে। প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট বাজেট বা মোট ব্যয়ের উল্লেখ নেই।
হজ মৌসুমে কতজন কর্মী নিয়োজিত ছিলেন? হজ মৌসুমে সামনের সারিতে ৩১ হাজারেরও বেশি কর্মী ও প্যারামেডিক নিয়োজিত ছিলেন। এর মধ্যে ৬,৮৪৬ জন সরাসরি কর্মী এবং ২,৩০০-এর বেশি স্বেচ্ছাসেবক এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করেছেন।
পরিষেবা প্রদানের জন্য কী কী যানবাহন ব্যবহৃত হয়েছে? সংস্থাটি ৬০৫টি অ্যাম্বুলেন্স, ২,৩০০-এর বেশি সহায়ক যানবাহন এবং ২৭টি বিশেষ প্রতিক্রিয়া যান ব্যবহার করেছে। এছাড়া আকাশপথে জরুরি সেবার জন্য ৩টি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পরিচালনা করা হয়েছে।
স্বেচ্ছাসেবক কার্যক্রমের আওতায় কী কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে? ১৫,৫০২ জন স্বেচ্ছাসেবক ৩.২৬ লাখ ঘণ্টার বেশি সেবা দিয়েছেন। উল্লেখযোগ্য উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে গৃহকর্মীদের জন্য ‘সেফ হোমস’ এবং খাদ্যপ্রতিষ্ঠানের কর্মীদের জন্য ‘রেসকিউয়ার ওয়েটার’ কর্মসূচি।
অবকাঠামোগত বিন্যাস কেমন ছিল? পরিষেবাগুলো ১৩৩টি অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার, ৭১টি স্টেশনিং পয়েন্ট এবং ১৪টি ইমার্জেন্সি সেন্টারে বিন্যস্ত ছিল। এছাড়া প্রস্তুতি বাড়াতে ১১টি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও ২৩টি ফিল্ড এক্সারসাইজ সম্পন্ন হয়েছে।