রিয়াদে ২৫তম ডব্লিউপিসি এনার্জি কংগ্রেসের অংশ হিসেবে «এনার্জি অ্যান্ড এআই অ্যাজ কো-এনাবলার্স» শীর্ষক একটি প্যানেল সেশনে জ্বালানি খাত কীভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সক্ষম করে এবং দুটি খাতের পারস্পরিক নির্ভরশীল সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেশনে এআই প্রযুক্তি কীভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও পরিচালনা উন্নত করে এবং জ্বালানি খাতে দক্ষতা বাড়ায়, তাও পর্যালোচনা করা হয়।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১৩ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, বক্তারা বলেছেন সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অধীনে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্য হলো চাহিদা মেটানো এবং বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। এর মধ্যে এআই ডেটা সেন্টারে বিনিয়োগও রয়েছে, যেগুলোর জন্য নির্ভরযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক মূল্যের বিদ্যুৎ প্রয়োজন। এসব উদ্যোগে বিভিন্ন খাতের চাহিদা আগাম অনুমান করে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়।
বক্তারা অবকাঠামো, ডেটা, প্রযুক্তি ও মানব দক্ষতার সমন্বয়ের গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তাঁরা সৌদি আরবের সম্পদ কাজে লাগিয়ে সমাধান তৈরি এবং তা বৈশ্বিক বাজারে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।
সেশনে এআই প্রয়োগের ভূমিকা পর্যালোচনা করা হয়, যা লোড ও চাহিদা পূর্বাভাসের নির্ভুলতা বাড়ায় এবং গ্রিডের ত্রুটি আগাম শনাক্ত করা সম্ভব করে। এসব প্রয়োগ উন্নত পরিকল্পনা ও দ্রুত সাড়া দেওয়াকে সমর্থন করে। স্মার্ট মিটার ডেটা ব্যবহার করে ভোগ পর্যবেক্ষণ, বিল পূর্বাভাস, বিভিন্ন যন্ত্রে ভোগ কীভাবে বণ্টিত হয় তা দেখানো এবং অস্বাভাবিক ব্যবহারে ব্যবহারকারীদের সতর্ক করার বিষয়ও আলোচনা হয়।
বক্তারা তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান এবং সম্পদ উন্নয়নে এআই ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করেন, বিশেষত ড্রিলিং কার্যক্রমে। এতে রিয়েল-টাইম ডেটা বিশ্লেষণ এবং প্রকৌশল মডেলিংয়ের সঙ্গে ভূতাত্ত্বিক তথ্যের সমন্বয় জড়িত। এসব প্রযুক্তি সিদ্ধান্ত গ্রহণ দ্রুত করে, নির্ভুলতা বাড়ায়, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের মধ্যবর্তী সময় কমায়, নিরাপত্তা বাড়ায় এবং ঝুঁকি মূল্যায়ন ও বিনিয়োগ সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে।
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়ন কীভাবে এআই ডেটা সেন্টারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নির্ভরযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক মূল্যের বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকলে এআই অবকাঠামো কতটা টিকবে? আবার এআই নিজেই কি জ্বালানি খাতের দক্ষতা বাড়িয়ে সেই চাহিদা সামলাতে সাহায্য করবে না?
লোড ও চাহিদা পূর্বাভাসের নির্ভুলতা বাড়ানো এবং গ্রিড ত্রুটি আগাম শনাক্ত করার ক্ষেত্রে এআইয়ের ভূমিকা জ্বালানি খাতের পরিকল্পনায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে। কিন্তু স্মার্ট মিটার ডেটা থেকে পাওয়া তথ্য ব্যবহারকারীদের জন্য কতটা স্বচ্ছ ও কার্যকর হবে? অস্বাভাবিক ব্যবহারের সতর্কতা কি সত্যিই ভোক্তাদের বিল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে?
তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে রিয়েল-টাইম ডেটা বিশ্লেষণ এবং প্রকৌশল মডেলিংয়ের সঙ্গে ভূতাত্ত্বিক তথ্যের সমন্বয় ড্রিলিং কার্যক্রমে সিদ্ধান্ত দ্রুত করতে পারে। এতে নিরাপত্তা বাড়ে এবং ঝুঁকি মূল্যায়ন সহজ হয়। কিন্তু এই প্রযুক্তি নির্ভরতা বাড়লে মানব দক্ষতার ভূমিকা কি কমে যাবে? প্রকৌশলী ও ভূতত্ত্ববিদদের অভিজ্ঞতা ছাড়া এআই একা কতটা নির্ভরযোগ্য?
বক্তারা অবকাঠামো, ডেটা, প্রযুক্তি ও মানব দক্ষতার সমন্বয়ের ওপর জোর দিয়েছেন। সৌদি আরবের সম্পদ কাজে লাগিয়ে সমাধান তৈরি করে বৈশ্বিক বাজারে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যও তাঁরা তুলে ধরেন। এই সমন্বয় ছাড়া কি এআই ও জ্বালানির পারস্পরিক নির্ভরতা সত্যিই কাজে লাগবে? স্থানীয় সম্পদ ও দক্ষতা ছাড়া বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা করা কতটা সম্ভব?
সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অধীনে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়ন বিভিন্ন খাতের চাহিদা আগাম অনুমান করে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সংযুক্ত করার ওপর নির্ভর করে। এআই ডেটা সেন্টারে বিনিয়োগের জন্য নির্ভরযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক মূল্যের বিদ্যুৎ প্রয়োজন। এই চাহিদা পূরণে বিদ্যুৎ زیرstructure কতটা প্রস্তুত? বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে কী কী পদক্ষেপ প্রয়োজন?
প্যানেল সেশনে এআই প্রযুক্তি কীভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও পরিচালনা উন্নত করে এবং জ্বালানি খাতে দক্ষতা বাড়ায় তা পর্যালোচনা করা হয়। জ্বালানি খাত কীভাবে এআইকে সক্ষম করে এবং দুটি খাতের পারস্পরিক নির্ভরশীল সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হয়। এই পারস্পরিক নির্ভরতা কি ভবিষ্যতে আরও গভীর হবে? এক খাতের ব্যাঘাত অন্যটিকে কতটা প্রভাবিত করবে?
এসপিএ জানিয়েছে, সেশনে এআই প্রয়োগের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। লোড ও চাহিদা পূর্বাভাস, গ্রিড ত্রুটি শনাক্তকরণ, স্মার্ট মিটার ডেটা বিশ্লেষণ এবং তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে এআইয়ের ব্যবহার এসবের মধ্যে রয়েছে। তবে এসপিএ প্রতিবেদনে প্যানেলের সদস্যদের নাম, পদবি বা কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ করেনি। কোনো বিনিয়োগের পরিমাণ বা সময়সীমাও প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি।
ডব্লিউপিসি এনার্জি কংগ্রেসের প্যানেল সেশনে কী আলোচনা হয়েছে? «এনার্জি অ্যান্ড এআই অ্যাজ কো-এনাবলার্স» শীর্ষক সেশনে জ্বালানি খাত কীভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সক্ষম করে এবং দুটি খাতের পারস্পরিক নির্ভরশীল সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়। এআই প্রযুক্তি কীভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও পরিচালনা উন্নত করে এবং জ্বালানি খাতে দক্ষতা বাড়ায় তাও পর্যালোচনা করা হয়। এসপিএ জানিয়েছে, সেশনটি ২৫তম ডব্লিউপিসি এনার্জি কংগ্রেসের অংশ হিসেবে রিয়াদে অনুষ্ঠিত হয়।
সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অধীনে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্য কী? বক্তাদের মতে, সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অধীনে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্য হলো চাহিদা মেটানো এবং বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। এর মধ্যে এআই ডেটা সেন্টারে বিনিয়োগও রয়েছে, যেগুলোর জন্য নির্ভরযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক মূল্যের বিদ্যুৎ প্রয়োজন। এসব উদ্যোগে বিভিন্ন খাতের চাহিদা আগাম অনুমান করে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়।
এআই কীভাবে জ্বালানি খাতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও পরিচালনা উন্নত করে? এআই প্রয়োগ লোড ও চাহিদা পূর্বাভাসের নির্ভুলতা বাড়ায় এবং গ্রিডের ত্রুটি আগাম শনাক্ত করা সম্ভব করে। এসব প্রয়োগ উন্নত পরিকল্পনা ও দ্রুত সাড়া দেওয়াকে সমর্থন করে। স্মার্ট মিটার ডেটা ব্যবহার করে ভোগ পর্যবেক্ষণ, বিল পূর্বাভাস, বিভিন্ন যন্ত্রে ভোগ বণ্টন দেখা এবং অস্বাভাবিক ব্যবহারে সতর্ক করা যায়। এসপিএ জানিয়েছে, এসব বিষয় সেশনে আলোচিত হয়।
তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে এআই কীভাবে ব্যবহৃত হয়? বক্তারা জানান, তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান এবং সম্পদ উন্নয়নে বিশেষত ড্রিলিং কার্যক্রমে এআই ব্যবহার করা হয়। এতে রিয়েল-টাইম ডেটা বিশ্লেষণ এবং প্রকৌশল মডেলিংয়ের সঙ্গে ভূতাত্ত্বিক তথ্যের সমন্বয় জড়িত। এসব প্রযুক্তি সিদ্ধান্ত গ্রহণ দ্রুত করে, নির্ভুলতা বাড়ায়, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের মধ্যবর্তী সময় কমায়, নিরাপত্তা বাড়ায় এবং ঝুঁকি মূল্যায়ন ও বিনিয়োগ সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে।
প্যানেল সেশনে অবকাঠামো ও মানব দক্ষতা নিয়ে কী বলা হয়েছে? বক্তারা অবকাঠামো, ডেটা, প্রযুক্তি ও মানব দক্ষতার সমন্বয়ের গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তাঁরা সৌদি আরবের সম্পদ কাজে লাগিয়ে সমাধান তৈরি এবং তা বৈশ্বিক বাজারে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। এসপিএ জানিয়েছে, এসব বিষয় সেশনে আলোচিত হয়।
এসপিএ প্রতিবেদনে কী কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ প্রতিবেদনে প্যানেলের সদস্যদের নাম, পদবি বা কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। কোনো বিনিয়োগের পরিমাণ বা সময়সীমাও প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি। সেশনে উপস্থিত বক্তাদের পরিচয় বা তাদের প্রতিষ্ঠানের নামও প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।