Saturday, November 7, 2026
সৌদি সংবাদ

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সৌদি আরবের বক্তব্য দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সৌদি আরবের বক্তব্য দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে শনিবার সৌদি আরবের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বিন আবদুল্লাহ। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, বক্তব্যের পূর্ণ পাঠ প্রকাশ করা হয়েছে।

বক্তব্যের শুরুতে তিনি মহান আল্লাহর নামে শুরু করেন এবং উপস্থিত রাজা, মহামান্য ও মহীয়সী ব্যক্তিবর্গ, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি, জাতিসংঘ মহাসচিব ও সম্মানিত প্রতিনিধিদের সম্ভাষণ জানান। তিনি বলেন, আল্লাহর শান্তি, রহমত ও বরকত সবার উপর বর্ষিত হোক।

তিনি ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে খলিলুর রহমানের নির্বাচনকে অভিনন্দন জানান এবং এই অধিবেশনের কাজ পরিচালনায় তার সফলতা কামনা করেন। একই সঙ্গে ৮০তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে অ্যানালেনা বারবকের প্রচেষ্টার জন্য ধন্যবাদ জানান। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা প্রকাশ করেন জাতিসংঘের উদ্দেশ্য পূরণে তার নিরন্তর প্রচেষ্টার জন্য।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই অধিবেশন এমন সময়ে বসছে যখন বিশ্ব ও বহুপক্ষীয় ব্যবস্থা দ্রুত ও অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। বিশ্বের অনেক অংশে সংকট ও সংঘাত অব্যাহত থাকায় জাতিসংঘ সনদের নীতি সমুন্নত রাখা, আন্তর্জাতিক আইনকে সম্মান করা এবং শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা ও টেকসই উন্নয়ন অর্জনে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে।

তিনি বলেন, সংকট মূলত সম্পদ বা সুযোগের অভাব থেকে নয়, বরং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মত নীতিগুলোর প্রতি প্রতিশ্রুতির অভাব থেকে উদ্ভূত হয়। এই কথাটি কি বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থার দুর্বলতার মূল কারণকে নির্দেশ করে না?

সৌদি আরব ও অঞ্চলের দেশগুলোকে লক্ষ্য করে ইরানের স্পষ্ট আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন, যা তাদের নিরাপত্তা সম্পদ, জাতীয় সম্পদ এবং বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। সৌদি আরব তার নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব, নাগরিক, বাসিন্দা ও জাতীয় সম্পদ রক্ষার পূর্ণ অধিকার পুনর্ব্যক্ত করে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই আক্রমণগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানায়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কি এই ধরনের আক্রমণের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া উচিত নয়?

বক্তব্যে তিনি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতিসংঘের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বহুপক্ষীয় ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মান ও জাতিসংঘ সনদের নীতির প্রতি অঙ্গীকার ছাড়া শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জন সম্ভব নয়।

এসপিএ জানিয়েছে, বক্তব্যের পূর্ণ পাঠে তিনি সৌদি আরবের অবস্থান ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান তুলে ধরেন। তবে এসপিএ-র প্রকাশিত পাঠে বক্তব্যের কিছু অংশ ছেঁটে দেওয়া হয়েছে, যেখানে ইরানের আক্রমণ সম্পর্কিত বিস্তারিত বিবরণ ছিল।

বক্তব্যে তিনি সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অধিকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এই আহ্বান কি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি পরীক্ষা নয়?

পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানান এবং ৮০তম অধিবেশনের সভাপতি অ্যানালেনা বারবককে ধন্যবাদ জানান। তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন অংশে চলমান সংকট ও সংঘাত মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা বাড়ানো জরুরি। তিনি জাতিসংঘ সনদের নীতির প্রতি সম্মান ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি অঙ্গীকারের উপর জোর দেন।

সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার বিষয়ে সৌদি আরবের অবস্থান স্পষ্ট করেন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। এই অবস্থান কি আঞ্চলিক শান্তির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত নয়?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বক্তব্যের পূর্ণ পাঠ প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে তিনি সৌদি আরবের পক্ষ থেকে জাতিসংঘের প্রতি সমর্থন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, সংকট ও সংঘাত মোকাবিলায় সম্পদ বা সুযোগের অভাব নয়, বরং নীতির প্রতি প্রতিশ্রুতির অভাব প্রধান বাধা। এই বক্তব্য কি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি সতর্কবার্তা নয়?

পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অধিকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং ইরানের আক্রমণের কথা উল্লেখ করেন। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই আক্রমণগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।

বক্তব্যে তিনি জাতিসংঘের ভূমিকা ও বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মানের আহ্বান জানান। এই আহ্বান কি বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠেনি?

এসপিএ জানিয়েছে, বক্তব্যের পূর্ণ পাঠ প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে সৌদি আরবের অবস্থান ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান তুলে ধরা হয়েছে। তবে বক্তব্যের কিছু অংশ ছেঁটে দেওয়া হয়েছে, যেখানে ইরানের আক্রমণ সম্পর্কিত বিস্তারিত বিবরণ ছিল।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বিন আবদুল্লাহ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সৌদি আরবের পক্ষে বক্তব্য দেন। এই অধিবেশন এমন সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন বিশ্ব ও বহুপক্ষীয় ব্যবস্থা দ্রুত ও অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।

তিনি তার বক্তব্যে সংকট ও সংঘাত মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং জাতিসংঘ সনদের নীতির প্রতি সম্মানের আহ্বান জানান। এই আহ্বান কি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ঐক্যের প্রয়োজনীয়তাকে সামনে নিয়ে আসে না?

সৌদি আরব ও অঞ্চলের দেশগুলোকে লক্ষ্য করে ইরানের আক্রমণের বিষয়ে তিনি বলেন, সৌদি আরব তার নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব, নাগরিক, বাসিন্দা ও জাতীয় সম্পদ রক্ষার পূর্ণ অধিকার পুনর্ব্যক্ত করে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই আক্রমণগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।

বক্তব্যে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের নির্বাচনকে অভিনন্দন জানান।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বক্তব্যের পূর্ণ পাঠ প্রকাশ করা হয়েছে। তবে বক্তব্যের কিছু অংশ ছেঁটে দেওয়া হয়েছে, যেখানে ইরানের আক্রমণ সম্পর্কিত বিস্তারিত বিবরণ ছিল।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতিসংঘের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বহুপক্ষীয় ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। এই বক্তব্য কি জাতিসংঘের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা নয়?

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মান ও জাতিসংঘ সনদের নীতির প্রতি অঙ্গীকার ছাড়া শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জন সম্ভব নয়। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান যাতে তারা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে।

সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অধিকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং ইরানের আক্রমণের কথা উল্লেখ করেন। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই আক্রমণগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।

এসপিএ জানিয়েছে, বক্তব্যের পূর্ণ পাঠ প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে সৌদি আরবের অবস্থান ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান তুলে ধরা হয়েছে। তবে বক্তব্যের কিছু অংশ ছেঁটে দেওয়া হয়েছে, যেখানে ইরানের আক্রমণ সম্পর্কিত বিস্তারিত বিবরণ ছিল।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বিন আবদুল্লাহ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সৌদি আরবের পক্ষে বক্তব্য দেন। এই অধিবেশন নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

তিনি তার বক্তব্যে সংকট ও সংঘাত মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং জাতিসংঘ সনদের নীতির প্রতি সম্মানের আহ্বান জানান। এই আহ্বান কি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ঐক্যের প্রয়োজনীয়তাকে সামনে নিয়ে আসে না?

সৌদি আরব ও অঞ্চলের দেশগুলোকে লক্ষ্য করে ইরানের আক্রমণের বিষয়ে তিনি বলেন, সৌদি আরব তার নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব, নাগরিক, বাসিন্দা ও জাতীয় সম্পদ রক্ষার পূর্ণ অধিকার পুনর্ব্যক্ত করে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই আক্রমণগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।

বক্তব্যে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের নির্বাচনকে অভিনন্দন জানান।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বক্তব্যের পূর্ণ পাঠ প্রকাশ করা হয়েছে। তবে বক্তব্যের কিছু অংশ ছেঁটে দেওয়া হয়েছে, যেখানে ইরানের আক্রমণ সম্পর্কিত বিস্তারিত বিবরণ ছিল।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতিসংঘের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বহুপক্ষীয় ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। এই বক্তব্য কি জাতিসংঘের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা নয়?

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মান ও জাতিসংঘ সনদের নীতির প্রতি অঙ্গীকার ছাড়া শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জন সম্ভব নয়। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান যাতে তারা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে।

সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অধিকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং ইরানের আক্রমণের কথা উল্লেখ করেন। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই আক্রমণগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।

এসপিএ জানিয়েছে, বক্তব্যের পূর্ণ পাঠ প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে সৌদি আরবের অবস্থান ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান তুলে ধরা হয়েছে। তবে বক্তব্যের কিছু অংশ ছেঁটে দেওয়া হয়েছে, যেখানে ইরানের আক্রমণ সম্পর্কিত বিস্তারিত বিবরণ ছিল।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বিন আবদুল্লাহ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সৌদি আরবের পক্ষে বক্তব্য দেন। এই অধিবেশন নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

তিনি তার বক্তব্যে সংকট ও সংঘাত মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং জাতিসংঘ সনদের নীতির প্রতি সম্মানের আহ্বান জানান। এই আহ্বান কি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ঐক্যের প্রয়োজনীয়তাকে সামনে নিয়ে আসে না?

সৌদি আরব ও অঞ্চলের দেশগুলোকে লক্ষ্য করে ইরানের আক্রমণের বিষয়ে তিনি বলেন, সৌদি আরব তার নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব, নাগরিক, বাসিন্দা ও জাতীয় সম্পদ রক্ষার পূর্ণ অধিকার পুনর্ব্যক্ত করে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই আক্রমণগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।

বক্তব্যে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের নির্বাচনকে অভিনন্দন জানান।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বক্তব্যের পূর্ণ পাঠ প্রকাশ করা হয়েছে। তবে বক্তব্যের কিছু অংশ ছেঁটে দেওয়া হয়েছে, যেখানে ইরানের আক্রমণ সম্পর্কিত বিস্তারিত বিবরণ ছিল।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতিসংঘের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বহুপক্ষীয় ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। এই বক্তব্য কি জাতিসংঘের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা নয়?

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মান ও জাতিসংঘ সনদের নীতির প্রতি অঙ্গীকার ছাড়া শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জন সম্ভব নয়। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান যাতে তারা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে।

সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অধিকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং ইরানের আক্রমণের কথা উল্লেখ করেন। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই আক্রমণগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।

এসপিএ জানিয়েছে, বক্তব্যের পূর্ণ পাঠ প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে সৌদি আরবের অবস্থান ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান তুলে ধরা হয়েছে। তবে বক্তব্যের কিছু অংশ ছেঁটে দেওয়া হয়েছে, যেখানে ইরানের আক্রমণ সম্পর্কিত বিস্তারিত বিবরণ ছিল।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বিন আবদুল্লাহ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সৌদি আরবের পক্ষে বক্তব্য দেন। এই অধিবেশন নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

তিনি তার বক্তব্যে সংকট ও সংঘাত মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং জাতিসংঘ সনদের নীতির প্রতি সম্মানের আহ্বান জানান। এই আহ্বান কি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ঐক্যের প্রয়োজনীয়তাকে সামনে নিয়ে আসে না?

সৌদি আরব ও অঞ্চলের দেশগুলোকে লক্ষ্য করে ইরানের আক্রমণের বিষয়ে তিনি বলেন, সৌদি আরব তার নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব, নাগরিক, বাসিন্দা ও জাতীয় সম্পদ রক্ষার পূর্ণ অধিকার পুনর্ব্যক্ত করে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই আক্রমণগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।

বক্তব্যে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের নির্বাচনকে অভিনন্দন জানান।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বক্তব্যের পূর্ণ পাঠ প্রকাশ করা হয়েছে। তবে বক্তব্যের কিছু অংশ ছেঁটে দেওয়া হয়েছে, যেখানে ইরানের আক্রমণ সম্পর্কিত বিস্তারিত বিবরণ ছিল।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতিসংঘের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বহুপক্ষীয় ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। এই বক্তব্য কি জাতিসংঘের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা নয়?

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মান ও জাতিসংঘ সনদের নীতির প্রতি অঙ্গীকার ছাড়া শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জন সম্ভব নয়। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান যাতে তারা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে।

সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অধিকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং ইরানের আক্রমণের কথা উল্লেখ করেন। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই আক্রমণগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।

এসপিএ জানিয়েছে, বক্তব্যের পূর্ণ পাঠ প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে সৌদি আরবের অবস্থান ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান তুলে ধরা হয়েছে। তবে বক্তব্যের কিছু অংশ ছেঁটে দেওয়া হয়েছে, যেখানে ইরানের আক্রমণ সম্পর্কিত বিস্তারিত বিবরণ ছিল।

৮১তম অধিবেশনে সৌদি আরবের বক্তব্য কে দিয়েছেন? সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বিন আবদুল্লাহ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সৌদি আরবের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন। এসপিএ জানিয়েছে, বক্তব্যটি শনিবার নিউইয়র্কে দেওয়া হয়। বক্তব্যের শুরুতে তিনি মহান আল্লাহর নামে শুরু করেন এবং উপস্থিত রাজা, মহামান্য ও মহীয়সী ব্যক্তিবর্গ, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি, জাতিসংঘ মহাসচিব ও সম্মানিত প্রতিনিধিদের সম্ভাষণ জানান।

বক্তব্যে তিনি কোন আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করেছেন? তিনি বলেন, এই অধিবেশন এমন সময়ে বসছে যখন বিশ্ব ও বহুপক্ষীয় ব্যবস্থা দ্রুত ও অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। বিশ্বের অনেক অংশে সংকট ও সংঘাত অব্যাহত থাকায় জাতিসংঘ সনদের নীতি সমুন্নত রাখা, আন্তর্জাতিক আইনকে সম্মান করা এবং শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা ও টেকসই উন্নয়ন অর্জনে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। এসপিএ এই বক্তব্যের পূর্ণ পাঠ প্রকাশ করেছে।

তিনি ইরানের আক্রমণ সম্পর্কে কী বলেছেন? তিনি বলেন, সৌদি আরব ও অঞ্চলের দেশগুলোকে লক্ষ্য করে ইরানের স্পষ্ট আক্রমণ চালানো হয়েছে, যা তাদের নিরাপত্তা সম্পদ, জাতীয় সম্পদ এবং বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। সৌদি আরব তার নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব, নাগরিক, বাসিন্দা ও জাতীয় সম্পদ রক্ষার পূর্ণ অধিকার পুনর্ব্যক্ত করে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই আক্রমণগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানায়। এসপিএ জানিয়েছে, বক্তব্যের কিছু অংশ ছেঁটে দেওয়া হয়েছে।

তিনি জাতিসংঘের কোন কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন? তিনি ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে খলিলুর রহমানের নির্বাচনকে অভিনন্দন জানান এবং এই অধিবেশনের কাজ পরিচালনায় তার সফলতা কামনা করেন। একই সঙ্গে ৮০তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে অ্যানালেনা বারবকের প্রচেষ্টার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা প্রকাশ করেন জাতিসংঘের উদ্দেশ্য পূরণে তার নিরন্তর প্রচেষ্টার জন্য। এসপিএ এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

সংকটের মূল কারণ সম্পর্কে তিনি কী বলেছেন? তিনি বলেন, সংকট মূলত সম্পদ বা সুযোগের অভাব থেকে নয়, বরং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মত নীতিগুলোর প্রতি প্রতিশ্রুতির অভাব থেকে উদ্ভূত হয়। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মান ও জাতিসংঘ সনদের নীতির প্রতি অঙ্গীকার ছাড়া শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জন সম্ভব নয়। এসপিএ জানিয়েছে, বক্তব্যের পূর্ণ পাঠ প্রকাশ করা হয়েছে।

সৌদি আরবের অবস্থান কী ছিল এই বক্তব্যে? সৌদি আরব তার নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব, নাগরিক, বাসিন্দা ও জাতীয় সম্পদ রক্ষার পূর্ণ অধিকার পুনর্ব্যক্ত করে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইরানের আক্রমণগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানায়। তিনি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতিসংঘের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বহুপক্ষীয় ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। এসপিএ এই বক্তব্যের পূর্ণ পাঠ প্রকাশ করেছে।