Monday, September 14, 2026
Uncategorized

খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত ও স্মার্ট নজরদারি বাড়াচ্ছে সৌদি পৌর ও আবাসন মন্ত্রণালয়

খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত ও স্মার্ট নজরদারি বাড়াচ্ছে সৌদি পৌর ও আবাসন মন্ত্রণালয়

সৌদি আরবের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বাস্থ্যবিধি আধুনিকীকরণ, মাঠ পর্যায়ের নজরদারির দক্ষতা বৃদ্ধি এবং খাদ্য প্রতিষ্ঠানের পর্যবেক্ষণে প্রযুক্তিগত সমাধান ব্যবহারের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করছে পৌর ও আবাসন মন্ত্রণালয়।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১১ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই কার্যক্রমের আওতায় খাদ্য প্রতিষ্ঠানের কারিগরি ও স্বাস্থ্যগত শর্তাবলি আধুনিকীকরণ, কর্মীদের স্বাস্থ্য সার্টিফিকেটের উন্নয়ন এবং ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে তা ইস্যু করার প্রক্রিয়া উন্নত করা হচ্ছে। এছাড়া খাতের কর্মীদের দক্ষ করে তোলা এবং খাদ্য নিরাপত্তার সাথে যুক্ত অনুশীলনগুলোর মানোন্নয়ন করা হচ্ছে।

নজরদারির ক্ষেত্রে আমানত এবং পৌরসভাগুলো রেস্তোরাঁ, রান্নাঘর ও খাদ্য বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে মাঠ পর্যায়ের পরিদর্শন চালাচ্ছে। সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, খাদ্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণ পদ্ধতি যাচাই এবং নিয়ম বহির্ভূত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

স্মার্ট নজরদারি ব্যবস্থার অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয় পোর্টেবল ক্যামেরা ব্যবহার করছে, যা সরাসরি ‘মুমতাসিল’ অ্যাপের সাথে যুক্ত। এর ফলে নজরদারি কার্যক্রমের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পরিদর্শক ও প্রতিষ্ঠানের মালিকদের অধিকার সংরক্ষিত হচ্ছে।

২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে খাদ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নজরদারির হার ৯৭ শতাংশে পৌঁছেছে। মন্ত্রণালয় সাধারণ মানুষকে ৯৪০ নম্বরে বা ‘বালাদি’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে খাদ্য প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম জানাতে অনুরোধ করেছে।

খাদ্য নিরাপত্তা উন্নত করতে মন্ত্রণালয় কী পদক্ষেপ নিচ্ছে? মন্ত্রণালয় খাদ্য প্রতিষ্ঠানের কারিগরি ও স্বাস্থ্যগত শর্তাবলি আধুনিকীকরণ করছে এবং কর্মীদের স্বাস্থ্য সার্টিফিকেট ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে ইস্যু করার দক্ষতা বাড়াচ্ছে। এছাড়া খাতের কর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত অনুশীলনগুলোর মানোন্নয়ন করা হচ্ছে।

স্মার্ট নজরদারি ব্যবস্থা কীভাবে কাজ করছে? নজরদারির প্রধান মাধ্যম হিসেবে পোর্টেবল ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে, যা সরাসরি ‘মুমতাসিল’ অ্যাপের সাথে যুক্ত। এটি পরিদর্শক ও প্রতিষ্ঠানের মালিকদের অধিকার রক্ষা করে এবং নজরদারি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করে।

মাঠ পর্যায়ের নজরদারির বর্তমান অবস্থা কী? আমানত এবং পৌরসভাগুলো রেস্তোরাঁ ও খাদ্য বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি ও খাদ্য সংরক্ষণ পদ্ধতি যাচাই করতে নিয়মিত পরিদর্শন চালাচ্ছে। ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে খাদ্য প্রতিষ্ঠানের ওপর নজরদারির হার ৯৭ শতাংশে পৌঁছেছে।

সাধারণ মানুষ কীভাবে অনিয়মের অভিযোগ জানাতে পারে? খাদ্য প্রতিষ্ঠানের কোনো ত্রুটি বা নিয়ম লঙ্ঘনের বিষয়ে সাধারণ মানুষ ৯৪০ ইউনিফাইড নম্বরে অথবা ‘বালাদি’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অভিযোগ জানাতে পারে। মন্ত্রণালয় খাদ্য নিরাপত্তা রক্ষায় এই সামাজিক অংশগ্রহণের গুরুত্ব নিশ্চিত করেছে।