Tuesday, November 3, 2026
সংস্কৃতি

জাজানে মাটির পাত্র, কাঠের আসবাব ও উপকূলীয় নৌকায় সংরক্ষিত ঐতিহ্য

জাজানে মাটির পাত্র, কাঠের আসবাব ও উপকূলীয় নৌকায় সংরক্ষিত ঐতিহ্য

জাজান অঞ্চলে ঘরে, খামারে ও সমুদ্রে দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে যুক্ত এক সমৃদ্ধ ঐতিহ্যবাহী সরঞ্জামের সংগ্রহ টিকে আছে, যা প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে রান্নার পাত্র, পানির পাত্র, আসবাব ও মাছ ধরার নৌকা তৈরিতে বাসিন্দাদের দক্ষতার প্রতিফলন।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ জানিয়েছে, মাটির পাত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান হলো «জাররাহ», যা মাটির তৈরি পানি সংরক্ষণ ও ঠান্ডা রাখার পাত্র; «হাইসিয়্যাহ», যা ঐতিহ্যবাহী খাবার প্রস্তুতের মাটির হাঁড়ি; এবং «বুরমাহ», যা মাংস, হরিস ও স্যুপ রান্নার মাটির পাত্র।

«জাবানাহ» নামের মাটির কফির পাত্র জাজানি আতিথেয়তায় বিশেষ স্থান পায় এবং «মারকাব» নামের ঐতিহ্যবাহী মাটির চুলার ওপর কফি প্রস্তুত ও গরম রাখতে ব্যবহৃত হয়। স্থানীয় রান্নাঘরের অপরিহার্য সরঞ্জামের মধ্যে আছে «মিফা», যা ফাঁপা মাটির চুলা এবং হানিথ ও অন্যান্য খাবার রান্নায় ব্যবহৃত হয়; এটি এখনও জাজানির ঘরে ও ঐতিহ্যবাহী বাজারে দেখা যায়।

প্রাচীন জাজানি বাড়িতে «কাআদাহ» নামের ঐতিহ্যবাহী নিচু কাঠের খাটের কাঠামো বসা ও ঘুমের জন্য প্রধান আসবাব হিসেবে কাজ করত। উপকূলীয় এলাকায় স্থানীয় মাছ ধরার নৌকার মধ্যে «হুরি» ও «সানবুক» মৎস্যজীবীদের সেবায় তৈরি হতো, যা জাজানের উপকূলীয় গভর্নরেটগুলোর সামুদ্রিক ঐতিহ্যের অংশ।

জীবনযাত্রার ধরন বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে কিছু সামগ্রীর দৈনন্দিন ব্যবহার কমে এসেছে, তবে সংশ্লিষ্ট কারুশিল্প জাজানের হাউস অব আর্টিজানসের মাধ্যমে চলছে, যেখানে কারিগরদের ঐতিহ্যবাহী আসবাব তৈরি, টুপি বোনা, সামুদ্রিক শেলের কারুশিল্প ও খেজুর পাতার ঝুড়ি বোনার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে জাজানের ঐতিহ্যবাহী সরঞ্জামগুলোর ব্যবহার কীভাবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে হস্তান্তরিত হয়েছে, তা তুলে ধরা হয়েছে। মাটির পাত্র, কাঠের আসবাব ও নৌকা—এই তিন ক্ষেত্রেই স্থানীয়রা প্রাকৃতিক উপাদান কাজে লাগিয়ে নিজেদের প্রয়োজন মিটিয়েছেন।

জাররাহ, হাইসিয়্যাহ, বুরমাহ, জাবানাহ, মারকাব ও মিফা—এই ছয়টি মাটির সামগ্রীর নাম এসপিএ-র প্রতিবেদনে আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে জাররাহ পানি সংরক্ষণ ও ঠান্ডা রাখার কাজে, হাইসিয়্যাহ ঐতিহ্যবাহী খাবার প্রস্তুতে, বুরমাহ মাংস, হরিস ও স্যুপ রান্নায় ব্যবহৃত হয়। জাবানাহ কফি প্রস্তুত ও গরম রাখতে মারকাবের ওপর বসানো হয়, আর মিফা ফাঁপা মাটির চুলা হিসেবে হানিথ ও অন্যান্য খাবার রান্নায় কাজে লাগে।

জাজানি আতিথেয়তায় জাবানাহর বিশেষ স্থান রয়েছে বলে এসপিএ উল্লেখ করেছে। মাটির চুলা মারকাবের ওপর কফি প্রস্তুত ও গরম রাখার প্রথা এই অঞ্চলের ঘরোয়া সংস্কৃতির অংশ। মিফা এখনও জাজানির ঘরে ও ঐতিহ্যবাহী বাজারে পাওয়া যায়, যা বর্তমান সময়েও এর ব্যবহারের ধারাবাহিকতা দেখায়।

প্রাচীন জাজানি বাড়ির আসবাবের মধ্যে কাআদাহ ছিল প্রধান। নিচু কাঠের খাটের কাঠামোটি বসা ও ঘুম—দুই কাজেই ব্যবহৃত হতো। উপকূলীয় গভর্নরেটগুলোর সামুদ্রিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে হুরি ও সানবুক নৌকা মৎস্যজীবীদের সেবায় তৈরি হতো।

জীবনযাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে কিছু সামগ্রীর দৈনন্দিন ব্যবহার কমেছে বলে এসপিএ জানিয়েছে। তবে এসবের সঙ্গে যুক্ত কারুশিল্প টিকিয়ে রাখতে কাজ করছে জাজানের হাউস অব আর্টিজানস। সেখানে ঐতিহ্যবাহী আসবাব তৈরি, টুপি বোনা, সামুদ্রিক শেলের কারুশিল্প ও খেজুর পাতার ঝুড়ি বোনার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে জাজান অঞ্চলের Heritage সরঞ্জামগুলোর একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে, তবে কোনও নির্দিষ্ট সংখ্যা, পরিসংখ্যান বা সময়সীমা উল্লেখ করা হয়নি। হাউস অব আর্টিজানসের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের বিস্তারিত পরিসংখ্যানও প্রতিবেদনে নেই।

জাজানের এই ঐতিহ্য সংরক্ষণের প্রচেষ্টা স্থানীয় কারিগরদের দক্ষতা ও প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহারের ওপর নির্ভরশীল। মাটির পাত্র থেকে কাঠের আসবাব এবং উপকূলীয় নৌকা—সবই এই অঞ্চলের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে জড়িত ছিল এবং কিছু ক্ষেত্রে এখনও রয়েছে।

এসপিএ জানিয়েছে, জাজান অঞ্চল ঘরে, খামারে ও সমুদ্রে দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে যুক্ত ঐতিহ্যবাহী সরঞ্জামের সমৃদ্ধ সংগ্রহ ধরে রেখেছে। এই সরঞ্জামগুলো প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে রান্নার পাত্র, পানির পাত্র, আসবাব ও মাছ ধরার নৌকা তৈরিতে বাসিন্দাদের দক্ষতার প্রতিফলন।

মাটির পাত্রগুলোর মধ্যে জাররাহ, হাইসিয়্যাহ ও বুরমাহ প্রধান। জাররাহ পানি সংরক্ষণ ও ঠান্ডা রাখে, হাইসিয়্যাহ ঐতিহ্যবাহী খাবার প্রস্তুতে ব্যবহৃত হয় এবং বুরমাহ মাংস, হরিস ও স্যুপ রান্নার কাজে লাগে। জাবানাহ মাটির কফির পাত্র হিসেবে জাজানি আতিথেয়তায় বিশেষ স্থান পায় এবং মারকাব নামের ঐতিহ্যবাহী মাটির চুলার ওপর কফি প্রস্তুত ও গরম রাখতে ব্যবহৃত হয়।

স্থানীয় রান্নাঘরের অপরিহার্য সরঞ্জাম মিফা ফাঁপা মাটির চুলা, যা হানিথ ও অন্যান্য খাবার রান্নায় ব্যবহৃত হয় এবং এখনও জাজানির ঘরে ও ঐতিহ্যবাহী বাজারে পাওয়া যায়। প্রাচীন জাজানি বাড়িতে কাআদাহ নামের নিচু কাঠের খাটের কাঠামো বসা ও ঘুমের জন্য প্রধান আসবাব ছিল। উপকূলীয় এলাকায় হুরি ও সানবুক নৌকা মৎস্যজীবীদের সেবায় তৈরি হতো এবং জাজানের উপকূলীয় গভর্নরেটগুলোর সামুদ্রিক ঐতিহ্যের অংশ।

জীবনযাত্রার ধরন বদলানোর সঙ্গে কিছু সামগ্রীর দৈনন্দিন ব্যবহার কমেছে, তবে সংশ্লিষ্ট কারুশিল্প জাজানের হাউস অব আর্টিজানসের মাধ্যমে চলছে। সেখানে ঐতিহ্যবাহী আসবাব তৈরি, টুপি বোনা, সামুদ্রিক শেলের কারুশিল্প ও খেজুর পাতার ঝুড়ি বোনার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে জাজানের ঐতিহ্যবাহী সরঞ্জামগুলোর ব্যবহার ও কারুশিল্প সংরক্ষণের প্রচেষ্টার কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে কোনও নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান, মূল্য বা সময়সীমা দেওয়া হয়নি।

জাজানের ঐতিহ্যবাহী মাটির পাত্রগুলোর মধ্যে প্রধান কোনগুলো? এসপিএ জানিয়েছে, মাটির পাত্রগুলোর মধ্যে জাররাহ, হাইসিয়্যাহ ও বুরমাহ প্রধান। জাররাহ মাটির তৈরি পানি সংরক্ষণ ও ঠান্ডা রাখার পাত্র। হাইসিয়্যাহ ঐতিহ্যবাহী খাবার প্রস্তুতের মাটির হাঁড়ি। বুরমাহ মাংস, হরিস ও স্যুপ রান্নার মাটির পাত্র। এছাড়া জাবানাহ মাটির কফির পাত্র জাজানি আতিথেয়তায় বিশেষ স্থান পায় এবং মারকাব নামের ঐতিহ্যবাহী মাটির চুলার ওপর কফি প্রস্তুত ও গরম রাখতে ব্যবহৃত হয়।

মিফা কী এবং কোথায় পাওয়া যায়? এসপিএ জানিয়েছে, মিফা একটি ফাঁপা মাটির চুলা, যা হানিথ ও অন্যান্য খাবার রান্নায় ব্যবহৃত হয়। স্থানীয় রান্নাঘরের অপরিহার্য সরঞ্জাম হিসেবে এটি এখনও জাজানির ঘরে ও ঐতিহ্যবাহী বাজারে পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে মিফার নির্দিষ্ট কোনও পরিমাপ, মূল্য বা উৎপাদনের পরিসংখ্যান দেওয়া হয়নি।

প্রাচীন জাজানি বাড়িতে কাআদাহ কী কাজে ব্যবহৃত হতো? এসপিএ জানিয়েছে, প্রাচীন জাজানি বাড়িতে কাআদাহ নামের ঐতিহ্যবাহী নিচু কাঠের খাটের কাঠামো বসা ও ঘুমের জন্য প্রধান আসবাব হিসেবে কাজ করত। এটি জাজানের ঘরোয়া জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। প্রতিবেদনে কাআদাহর নির্মাণ পদ্ধতি বা ব্যবহৃত কাঠের ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।

জাজানের উপকূলীয় নৌকাগুলোর নাম কী এবং এগুলো কী কাজে ব্যবহৃত হতো? এসপিএ জানিয়েছে, জাজানের উপকূলীয় এলাকায় স্থানীয় মাছ ধরার নৌকার মধ্যে হুরি ও সানবুক মৎস্যজীবীদের সেবায় তৈরি হতো। এগুলো জাজানের উপকূলীয় গভর্নরেটগুলোর সামুদ্রিক ঐতিহ্যের অংশ। প্রতিবেদনে নৌকাগুলোর আকার, নির্মাণ উপকরণ বা কত সংখ্যায় তৈরি হয়েছিল সে সম্পর্কে কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি।

জাজানের হাউস অব আর্টিজানস কী প্রশিক্ষণ দেয়? এসপিএ জানিয়েছে, জাজানের হাউস অব আর্টিজানস কারিগরদের ঐতিহ্যবাহী আসবাব তৈরি, টুপি বোনা, সামুদ্রিক শেলের কারুশিল্প ও খেজুর পাতার ঝুড়ি বোনার প্রশিক্ষণ দেয়। জীবনযাত্রার ধরন বদলানোর সঙ্গে কিছু সামগ্রীর দৈনন্দিন ব্যবহার কমেছে, তবে সংশ্লিষ্ট কারুশিল্প এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চলছে। প্রতিবেদনে প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা বা কোর্সের সময়কাল উল্লেখ করা হয়নি।

জাজানের ঐতিহ্যবাহী সরঞ্জামগুলোর দৈনন্দিন ব্যবহার কি এখনও আছে? এসপিএ জানিয়েছে, জীবনযাত্রার ধরন বদলানোর সঙ্গে কিছু সামগ্রীর দৈনন্দিন ব্যবহার কমে এসেছে। তবে মিফা নামের ফাঁপা মাটির চুলা এখনও জাজানির ঘরে ও ঐতিহ্যবাহী বাজারে পাওয়া যায়। জাবানাহ মাটির কফির পাত্র এখনও জাজানি আতিথেয়তায় ব্যবহৃত হয়। প্রতিবেদনে কোন সামগ্রীর ব্যবহার কতটা কমেছে তার নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান দেওয়া হয়নি।