Saturday, October 24, 2026
সৌদি সংবাদ

হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়: অবৈধ চ্যানেলে হজ নয়, অফিসিয়াল ভিসা বাধ্যতামূলক

হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়: অবৈধ চ্যানেলে হজ নয়, অফিসিয়াল ভিসা বাধ্যতামূলক

হজ পালনের ইচ্ছুকদের অবৈধ বা অননুমোদিত চ্যানেলের সঙ্গে লেনদেন না করার কঠোর সতর্কতা দিয়েছে সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে, হজে প্রবেশের একমাত্র বৈধ পথ হলো সংশ্লিষ্ট সৌদি কর্তৃপক্ষের জারি করা অফিসিয়াল হজ ভিসা।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, জেদ্দা থেকে প্রকাশিত এই সতর্কবার্তায় মন্ত্রণালয় হজযাত্রীদের উদ্দেশে বলেছে, অফিসিয়াল ভিসা ছাড়া হজে অংশ নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই এবং অননুমোদিত মাধ্যম ব্যবহারের পরিণতি এড়াতে হবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৮০টি দেশের হজ অ্যাফেয়ার্স অফিসের সমন্বয়ে ভিসা ব্যবস্থা করা যায়। এছাড়া ১২৬টিরও বেশি দেশের হজযাত্রীদের জন্য নির্ধারিত ‘নুসুক হজ’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও সরাসরি বুকিং করা সম্ভব। এই দুটি পথই হজ ভিসা সংগ্রহের জন্য স্বীকৃত।

দেশের ভেতরে বসবাসকারী নাগরিক ও প্রবাসীদের জন্য মন্ত্রণালয় আরও স্পষ্ট করেছে, তাদের হজ প্যাকেজ বুকিংয়ের একমাত্র অনুমোদিত চ্যানেল হলো মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের ‘ইলেকট্রনিক পোর্টাল’ (https://masar.nusuk.sa) এবং ‘নুসুক’ অ্যাপ। অন্য কোনো মাধ্যম থেকে হজ প্যাকেজ কেনা বা বুক করা যাবে না।

মন্ত্রণালয় বলেছে, অনানুষ্ঠানিক চ্যানেলে ছড়ানো যেকোনো তথ্য বা অফার বিভ্রান্তিকর এবং তা মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিত্ব করে না। জনসাধারণকে তথ্য যাচাই করার এবং মিথ্যা বিজ্ঞাপন বা প্রতারণামূলক হজ অফারের ফাঁদে না পড়ার আহ্বান জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

হজযাত্রীদের সহায়তায় মন্ত্রণালয় ২৪ ঘণ্টা বহুভাষিক সাপোর্ট দিচ্ছে ‘গেস্টস কেয়ার সেন্টার’-এর মাধ্যমে। দেশের ভেতর থেকে এক নম্বর ১৯৬৬, দেশের বাইরে থেকে আন্তর্জাতিক নম্বর +৯৬৬৯২০০০২৮১৪ এবং ইমেইল [email protected]তে যোগাযোগ করা যাবে। এই সেবা হজযাত্রীদের সহায়তা করা এবং স্বাচ্ছন্দ্য ও মানসিক প্রশান্তির সঙ্গে হজ পালন নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।

হজযাত্রীরা কেন অননুমোদিত চ্যানেলের ফাঁদে পড়েন? সাধারণত কম খরচ, দ্রুত ভিসা বা সহজ প্যাকেজের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারকরা অর্থ আদায় করে। মন্ত্রণালয়ের সতর্কবার্তা সেই ঝুঁকি কমাতে কাজ করবে বলে ধরে নেওয়া যায়।

প্রশ্ন উঠছে, ৮০টি দেশের হজ অ্যাফেয়ার্স অফিসের সমন্বয় কীভাবে কাজ করে? এসব অফিস সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারি অনুমোদিত সংস্থা হিসেবে হজযাত্রীদের তালিকা, ভিসা ও যাত্রার ব্যবস্থাপনা করে। ফলে কোনো যাত্রী যদি অফিসিয়াল অফিস বাদ দিয়ে ব্যক্তিগত দালালের মাধ্যমে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তাহলে তার ভিসা বৈধতা হারাতে পারে।

আর ‘নুসুক হজ’ প্ল্যাটফর্ম কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? ১২৬টিরও বেশি দেশের হজযাত্রীদের জন্য এটি সরাসরি বুকিংয়ের সুযোগ দেয়, যাতে মধ্যস্বত্বভোগীর প্রয়োজন কমে যায়। মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, এই প্ল্যাটফর্মই অনুমোদিত, তাই এর বাইরে গেলে প্রতারণার ঝুঁকি বাড়ে।

দেশের ভেতরের নাগরিক ও প্রবাসীদের জন্য ‘ইলেকট্রনিক পোর্টাল’ ও ‘নুসুক’ অ্যাপের বাইরে অন্য কোনো চ্যানেল নেই। তাহলে কেন কেউ অ্যাপের বাইরে গিয়ে হজ প্যাকেজ কিনতে যাবেন? মন্ত্রণালয়ের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, এমন সিদ্ধান্ত বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতে নেওয়া হতে পারে।

মন্ত্রণালয়ের ২৪ ঘণ্টার সহায়তা সেবা প্রসঙ্গে জানা যায়, দেশের ভেতরে ১৯৬৬ নম্বরে ফোন করে যেকোনো জিজ্ঞাসা বা অভিযোগ জানানো যাবে। দেশের বাইরে থেকে +৯৬৬৯২০০০২৮১৪ নম্বরে এবং [email protected] ইমেইলে যোগাযোগ করা যাবে। এই ব্যবস্থা হজযাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্বস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চালু।

হজযাত্রীদের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, ভিসা ছাড়া বা ভুল চ্যানেলে গেলে কী হতে পারে? মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে, হজে প্রবেশের জন্য অফিসিয়াল ভিসা বাধ্যতামূলক। তাই ভিসা না থাকলে বা অননুমোদিত উপায়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আইনগত ও ব্যবহারিক সমস্যা তৈরি হতে পারে।

মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, অনানুষ্ঠানিক চ্যানেলে ছড়ানো তথ্য বা অফার মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিত্ব করে না। ফলে এসব তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। জনসাধারণকে তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

হজযাত্রীদের সহায়তায় মন্ত্রণালয়ের ‘গেস্টস কেয়ার সেন্টার’ ২৪ ঘণ্টা বহুভাষিক সেবা দিচ্ছে। এই সেবা শুধু জিজ্ঞাসার উত্তর নয়, অভিযোগ জানানোর সুযোগও দেয়। ফলে প্রতারণার শিকার হলে বা সন্দেহ হলে যাত্রীরা সরাসরি কর্তৃপক্ষের কাছে যেতে পারেন।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সতর্কবার্তা জেদ্দা থেকে ৮ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ আছে, মন্ত্রণালয়ের এই পদক্ষেপ হজযাত্রীদের সহায়তা এবং স্বাচ্ছন্দ্য ও মানসিক প্রশান্তির সঙ্গে হজ পালন নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতির অংশ।

তাহলে হজযাত্রীদের করণীয় কী? প্রথমত, অফিসিয়াল ভিসা আছে কি না তা নিশ্চিত হতে হবে। দ্বিতীয়ত, ৮০টি দেশের হজ অ্যাফেয়ার্স অফিস বা ‘নুসুক হজ’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভিসা ব্যবস্থা করতে হবে। তৃতীয়ত, দেশের ভেতরে থাকলে ‘ইলেকট্রনিক পোর্টাল’ বা ‘নুসুক’ অ্যাপ ব্যবহার করতে হবে।

মন্ত্রণালয়ের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, মিথ্যা বিজ্ঞাপন বা প্রতারণামূলক হজ অফারের ফাঁদে পড়া যাবে না। তথ্য যাচাই করা জরুরি। সন্দেহ হলে ১৯৬৬, +৯৬৬৯২০০০২৮১৪ বা [email protected]তে যোগাযোগ করা যাবে।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে ভিসা প্রক্রিয়ার বিস্তারিত সময়সীমা, খরচ বা নির্দিষ্ট দেশের তালিকা দেওয়া হয়নি। শুধু ৮০টি দেশের হজ অ্যাফেয়ার্স অফিস এবং ১২৬টিরও বেশি দেশের জন্য ‘নুসুক হজ’ প্ল্যাটফর্মের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া দেশের ভেতরের নাগরিক ও প্রবাসীদের জন্য ‘ইলেকট্রনিক পোর্টাল’ ও ‘নুসুক’ অ্যাপের কথা বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয় ২৪ ঘণ্টা বহুভাষিক সহায়তা দিচ্ছে ‘গেস্টস কেয়ার সেন্টার’-এর মাধ্যমে। এই সেবার উদ্দেশ্য হজযাত্রীদের সহায়তা করা এবং স্বাচ্ছন্দ্য ও মানসিক প্রশান্তির সঙ্গে হজ পালন নিশ্চিত করা।

হজযাত্রীদের জন্য সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, অননুমোদিত চ্যানেলের প্রলোভনে পড়া যাবে না। অফিসিয়াল ভিসা, অনুমোদিত প্ল্যাটফর্ম ও অ্যাপ ব্যবহার করাই নিরাপদ পথ। মন্ত্রণালয়ের সতর্কবার্তা সেই পথেই পরিচালিত।

এসপিএ-র এই প্রতিবেদন হজযাত্রীদের জন্য একটি স্পষ্ট নির্দেশনা। অফিসিয়াল ভিসা ছাড়া হজে প্রবেশের কোনো সুযোগ নেই। ৮০টি দেশের হজ অ্যাফেয়ার্স অফিস, ‘নুসুক হজ’ প্ল্যাটফর্ম, ‘ইলেকট্রনিক পোর্টাল’ ও ‘নুসুক’ অ্যাপ—এই চারটি অনুমোদিত পথ। এর বাইরে যেকোনো তথ্য বা অফার বিভ্রান্তিকর।

মন্ত্রণালয়ের ২৪ ঘণ্টার সহায়তা সেবা হজযাত্রীদের পাশে আছে। দেশের ভেতরে ১৯৬৬, বাইরে +৯৬৬৯২০০০২৮১৪ এবং [email protected]তে যোগাযোগ করা যাবে। এই সেবা হজযাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও মানসিক প্রশান্তি নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতির অংশ।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে হজ প্যাকেজের মূল্য, সময়সীমা বা নির্দিষ্ট দেশের তালিকা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। শুধু অনুমোদিত চ্যানেল ও সতর্কবার্তার কথা বলা হয়েছে। তাই হজযাত্রীদের উচিত অফিসিয়াল সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করা।

হজের জন্য কোন চ্যানেল অনুমোদিত? মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৮০টি দেশের হজ অ্যাফেয়ার্স অফিসের সমন্বয়ে ভিসা ব্যবস্থা করা যায়। এছাড়া ১২৬টিরও বেশি দেশের হজযাত্রীদের জন্য ‘নুসুক হজ’ প্ল্যাটফর্মে সরাসরি বুকিং করা যায়। দেশের ভেতরের নাগরিক ও প্রবাসীদের জন্য মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের ‘ইলেকট্রনিক পোর্টাল’ (https://masar.nusuk.sa) ও ‘নুসুক’ অ্যাপই একমাত্র অনুমোদিত চ্যানেল।

অননুমোদিত চ্যানেলে তথ্য ছড়ালে কী হবে? মন্ত্রণালয় বলেছে, অনানুষ্ঠানিক চ্যানেলে ছড়ানো যেকোনো তথ্য বা অফার বিভ্রান্তিকর এবং তা মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিত্ব করে না। জনসাধারণকে তথ্য যাচাই করার এবং মিথ্যা বিজ্ঞাপন বা প্রতারণামূলক হজ অফারের ফাঁদে না পড়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সহায়তার জন্য কীভাবে যোগাযোগ করা যাবে? মন্ত্রণালয় ২৪ ঘণ্টা বহুভাষিক সহায়তা দিচ্ছে ‘গেস্টস কেয়ার সেন্টার’-এর মাধ্যমে। দেশের ভেতর থেকে এক নম্বর ১৯৬৬, দেশের বাইরে থেকে আন্তর্জাতিক নম্বর +৯৬৬৯২০০০২৮১৪ এবং ইমেইল [email protected]তে যোগাযোগ করা যাবে। এই সেবা হজযাত্রীদের সহায়তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতির অংশ।

হজ ভিসা ছাড়া হজে যাওয়া যাবে কি? মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে, হজে প্রবেশের জন্য অফিসিয়াল হজ ভিসা বাধ্যতামূলক, যা সংশ্লিষ্ট সৌদি কর্তৃপক্ষ জারি করে। ভিসা ব্যবস্থা করা যায় ৮০টি দেশের হজ অ্যাফেয়ার্স অফিসের সমন্বয়ে বা ‘নুসুক হজ’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে। তাই ভিসা ছাড়া বা অননুমোদিত উপায়ে হজে যাওয়ার চেষ্টা করা যাবে না।

দেশের ভেতরের প্রবাসীরা কীভাবে হজ প্যাকেজ বুক করবেন? মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের ভেতরের নাগরিক ও প্রবাসীদের জন্য হজ প্যাকেজ বুকিংয়ের একমাত্র অনুমোদিত চ্যানেল হলো মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের ‘ইলেকট্রনিক পোর্টাল’ (https://masar.nusuk.sa) এবং ‘নুসুক’ অ্যাপ। অন্য কোনো মাধ্যম থেকে বুকিং করা যাবে না।

এই সতর্কবার্তা কবে, কোথা থেকে প্রকাশিত? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, জেদ্দা থেকে ৮ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে এই সতর্কবার্তা প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয় হজযাত্রীদের সহায়তা এবং স্বাচ্ছন্দ্য ও মানসিক প্রশান্তির সঙ্গে হজ পালন নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিতে এই নির্দেশনা দিয়েছে।